লন্ডনে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র

 

 

 

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সেন্ট্রাল
লন্ডনের সেইন্ট জেমস কোর্ট এরিয়াতে অবস্থিত তাজ হোটেলে পাকিস্তানের সামরিক
গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। গত ১৮ এবং
১৯ জুলাই গভীর রাতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি গোয়েন্দা সংস্থার
বরাত দিয়ে একাধিক গোয়েন্দা সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বৈঠকে খালেদা জিয়ার
সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওই বৈঠকে
আরও অংশ নেন লন্ডনে পালিয়ে থাকা যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মঈনুদ্দিন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে
এসে এতে যোগ দিয়েছেন আরেক যুদ্ধাপরাধী আশরাফুজ্জামান। এছাড়া বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন
লন্ডনে জামাত-ই-ইসলামীর কয়েকজন নেতা। বৈঠকে বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় এবং
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করার জন্য আইএসআই এর সঙ্গে
সমঝোতা করেন। বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি
করতে বৈঠকে আইএসআই বাংলাদেশে তাদের এজেন্ট জঙ্গি সংগঠনগুলোকে আরও তৎপর করার
প্রস্তাব দিয়েছে। আর খালেদা জিয়া ও জামাত আইএসআইকে যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে
অস্থিতিশিল পরিস্থিতি তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে
আইএসআইকে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যাবহারের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
বেগম জিয়া। ভারত উপমহাদেশীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থা বেগম জিয়ার লন্ডন যাবার পর
থেকেই তাঁর ওপর কঠোর নজরদারী বজায় রেখে চলেছে। তাদের তথ্য অনু্যায়ী লন্ডনস্থ
পাকিস্তান এম্বাসিতে কর্মরত জুনায়েদ (ছদ্মনাম হতে পারে) নামের এক ব্যাক্তি যিনি
সম্ভবত পাকিস্তানের আইএসআই এর আন্ডার কাভার একজন অফিসার, তিনি
খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার লন্ডন এ পৌঁছানোর পরই দেখা করেন। অনুসন্ধানে জানা যায়,
ছদ্মবেশী এই জুনায়েদ লন্ডনে থাকা বাংলাদেশের সাজাপ্রাপ্ত আসামি
তারেক জিয়ার সঙ্গে খুবই নিবিড় ও গোপন সম্পর্ক বজায় রেখে চলেন। আরও জানা যায়,
জুনায়েদের সাক্ষাতের পর পাকিস্তান এর আইএসআই এর পূর্বাঞ্চল
গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তা রিয়াজ আশফাক লন্ডনে পাড়ি জমান এবং বেগম খালেদা জিয়া
এবং তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। জুনায়েদ এবং রিয়াজ এর সঙ্গে উভয়
সাক্ষাতই ঘটে লন্ডনের সেইন্ট জেমস কোর্ট এরিয়াতে অবস্থিত তাজ হোটেলে ১৮ এবং ১৯
জুলাই গভীর রাতে। উল্লেখ্য, এই তাজ হোটেলেই তারেক রহমান
বাংলাদেশ এ ২০১৪ সালের নির্বাচন এর পূর্বে ও পরে তাঁর গোপন বৈঠকগুলো পরিচালনা
করতেন। তাজ হোটেলটি আইএসআই এর আগেও বহুবার তাঁদের গোপন বৈঠকের জন্য ব্যবহার করেছে।
১৯৯৫-৯৬ সালে আইএসআই এই হোটেলেই শেখ মুজিবরের খুনী আব্দুর রশীদ এর সঙ্গ বাংলাদেশের
বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েও বৈঠক করেছিল। লন্ডনে দেশ বিরোধী
ষড়যন্ত্রে মগ্ন বিএনপি। দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে মগ্ন বিএনপি কি আসলেই তাদের
স্বার্থ বাস্তবায়নে সফল হবে?


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None