বিদ্যুতের চাহিদা পুরনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ

ক্রমবর্ধমান চাহিদার সাথে
সাথে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। মানুষের চলার ক্ষেত্রে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে
বিদ্যুতের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়নের জন্য প্রতিটা সেক্টরে কাজ করে
যাচ্ছে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে কয়েক গুন,
তবুও চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়নি। দেশের মানুষের বিদ্যুতের চাহিদা পুরণে সরকার
নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সে লক্ষ্যে পরিকল্পনাও গ্রহন করেছে ইতোমধ্যে। আগামী ৯ মাসের মধ্যে তিন হাজার মেগাওয়াট নতুন
বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে চায় সরকার। নির্বাচন এবং আগামী গ্রীষ্মকে সামনে রেখে
নতুন এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে
অগ্রাধিকার তালিকায় রেখে পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। দেশীয় উৎস থেকে তেলচালিত এসব
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হবে। ইতোমধ্যে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য
প্রস্তাব জমা নেয়া শুরু হয়েছে। বিনা দরপত্রে দরকষাকষির মাধ্যমে এসব বিদ্যুৎ
কেন্দ্রের ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হবে। সম্প্রতি দেশের সরকারী-বেসরকারী
ব্যাংকগুলোকে এসব প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আগামী
গ্রীষ্মের আগেই এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। মূলত চলতি গ্রীষ্মে এক হাজার
মেগাওয়াটের ঘাটতি রয়েছে। এর বাইরে আগামী গ্রীষ্মে আরও এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের
নতুন চাহিদা তৈরি হবে। সব মিলিয়ে তিন হাজার মেগাওয়াটের নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উৎপাদনে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। সঙ্কট সামাল দিতে নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে শহরে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হলেও গ্রামে সঙ্কট রয়েই গেছে। এরপরই তেলচালিত নতুন
কেন্দ্র নির্মাণ করে সঙ্কট সামাল দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়। মোট তিন হাজার
মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে কমপক্ষে ১৮ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে
(প্রতি মেগাওয়াটে ৬ কোটি টাকা প্রয়োজন হয়)। কিন্তু এত অল্প সময়ে দেশের বাইরের
বিনিয়োগ সংস্থান করা সম্ভব নয়। উপরন্তু দেশের বাইরের বিনিয়োগকারীরা সাধারণত
তেলচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থলগ্নি করতে চান না। এজন্য বিদ্যুৎ বিভাগ দেশীয় বিনিয়োগকারী
প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ করছে। পরিকল্পনা মাফিক বাস্তবায়ন সম্ভব হলে বিদ্যুতের
চাহিদা অনেকাংশ লাঘব হবে। দেশে কেউ আর অন্ধকারে থাকবে না এটাই বর্তমান সরকারের মুল
লক্ষ্য

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None