অর্থ বানিজ্যের রহস্য ফাঁস

আগামীকাল
শেষ হচ্ছে বিএনপির দুই মাস জুড়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসুচী নাটক। তাদের
লক্ষ্যমাত্রা ছিলো এক কোটি সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন। মাত্র দুই মাসে ১০ টাকা করে
প্রতিটি ফরম বিক্রি করে ১০ কোটি টাকা আয় করা।  কিন্তু তাদের
সেই লক্ষ্য পুরণে ব্যর্থ হয়েছে। দল থেকে এক কোটি নতুন সদস্য সংগ্রহের টার্গেট
পূরণের জন্য ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিটি ওয়ার্ডে ২০০, পৌরসভার ওয়ার্ডে
৩০০ এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ হাজার করে নতুন সদস্য সংগ্রহ
বাধ্যতামূলক করা হয়। এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্য অর্জন করতে না
পারার কারন হিসাবে তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন অনেকেই। আবার অনেকেই সদস্য
নবায়নের নামে বানিজ্য মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবে মানতে পারেনি। লোক দেখানো তাদের ফরম বিতরণ করেও ফরমের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ
এখনও পূরণ করা হয়নি। লজ্জা ঢাকতে এখন তারা অন্য পন্থা
অবলম্বন করে সরকার এবং বন্যা পরিস্থিতিকে দায়ী করার চেষ্টা করছে। ইতিপুর্বে ২০০৯
সালে এই কর্মসূচি পালন করে বিএনপি। ওই সময় বিএনপির সদস্য সংগ্রহের টার্গেট ছিল ৫০
লাখ। ১৫ লাখ ফরম বিক্রি হয়েছিল তখন। সেই সময়ও তাদের কার্যক্রমকে দেশের সাধারণ
মানুষ ইতিবাচক হিসেবে নেয়নি এবং চরমভাবে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। দেশের
মানুষ আজও ভুলেনি তাদের সেই বানিজ্য নাটক। সেই নীতিকে অনুসরণ করে আবারও প্রমাণ করল
তাদের রাজনীতি সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র করে নয়, তাদের রাজনীতি বানিজ্যকে কেন্দ্র
করে।  অবশেষে ফাঁস হয়ে গেছে সাধারণ মানুষকে
বোকা বানিয়ে তাদের কোটি টাকা আয়ের পরিকল্পনাও। 
এখন দেখার পালা কোন হাটে বিএনপি...। 


 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)