নেওয়া হচ্ছে সফল উদ্যোগ

 

বাংলাদেশ একটি ক্ষুদ্র ও
জনবহুল দেশ হিসেবে পরিচিত। আমাদের দেশে জনসংখ্যার আধিক্যতা
অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। সরকারের সফল উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ আজ সকল বাঁধা
অতিক্রম করে মধ্যম আয়ের দেশের পথে। সরকারের এ রকম পথ চলায় নানা বাঁধার মুখোমুখি
হতে হচ্ছে বারবার। উল্লেখ্য যে আমাদের দেশের জন্য রোহিঙ্গা ইস্যু দেশের উন্নয়নে
এবং ভাবমূর্তিতে বাঁধার অন্যতম কারন হয়ে দাড়িয়েছে। তথাপি বাংলাদেশ সরকারের
মহানুভবতার কারণে মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে
পেরেছে। কিন্তু আমাদের মত ছোট দেশের পক্ষে লাখ লাখ লোকের ভার বহন করা কি আদৌ
সম্ভব? মিয়ানমার সরকারের নৈতিক দায়িত্ব তাদের দেশের লোকদের ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিকত্ব
প্রদান করা। মিয়ানমারে যা ঘটছে এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। আর বাংলাদেশ সরকারের
কূটনৈতিক দক্ষতার কারণে বিশ্বনেতারা এখন রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্ছার হয়েছেন। জাতিসংঘের
মহাসচিব, তুরস্কের প্রেসিডন্ট এরদোগানসহ অনেক বিশ্ব নেতারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে
জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করছেন। কিন্তু প্রশংসা করতে পারছে না শুধু বিএনপি। তারা
এই মানবিক বিষয়কে ইস্যু করে নোংরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। বিএনপি রাজনীতির
কাকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি দল। তারা শুধু চায় কীভাবে একটি ভাল
সংবাদকে খারাপ ইস্যু হিসেবে জনগণের কাছে উপস্থাপন করা যায়। তারা সরকারের নানা
ধরণের উন্নয়নমূলক কাজকে জনগণের সামনে তূলে ধরছে এক একটা খারাপ ইস্যু হিসেবে। বর্তমান
সরকারের যুগোপযোগী ও কার্যকরী পদক্ষেপে দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ঐ দলটি
তাদের বিদেশি বন্ধুদের ইচ্ছা পূরণে ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। বিএনপি-জামায়াত চক্র
বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ধারায় নিয়ে যেতে চায়। তবে তাদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত এদেশের
সচেতন জনগণ কখনই সফল হতে দেবে না। অনেক খুনী, কিলারদের বিচার
যেমন এদেশের মাটিতে হয়েছে, একইভাবে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্রকারী
বিএনপি-জামায়াতের বিচারও বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। বর্তমান সরকার দেশের বিদ্যুৎ
সঙ্কটের সমাধান করেছে। জঙ্গিবাদ দমন করেছে। শ্রমিকের স্বার্থে বন্ধ মিল-কলকারখানা
খুলে দিয়েছে। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে। আগামী দিনেও বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক
কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে ক্ষমতাসীন আওয়ামী
লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় মহাজোট এক সঙ্গে আছে এবং আগামীতেও থাকবে। ঐক্যবদ্ধ থেকে
তারা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি-জামায়াত চক্রের সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত, মিথ্যাচার রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করবে। জাতিকে বিভ্রান্ত করার জন্যই অতীতে
ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বিএনপি ইতিহাস বিকৃতি ও নানা মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছিল।
তবে তাদের আসল চেহারা বাংলাদেশের মানুষ চিনে গেছে। দেশে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা
অব্যাহত রাখার প্রয়োজনেই ইতিহাস বিকৃতকারী, অর্থ পাচারের
দায়ে অভিযুক্ত তারেক রহমানসহ দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তকারীদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সকল শ্রেনি পেশার
মানুষকে দলমত নির্বিশেষে কাজ করতে হবে।  


 

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None