আব্দুল মতিনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে সাহারা-নাসিমের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ও তদন্তের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মতিন পদত্যাগ করার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আব্দুল মতিনের নিয়োগে কোন প্রকার ভুল ছিল না। বিতর্ক এড়াতেই তিনি নিজে পদত্যাগ করেছেন।  বিস্তারিত

তবে আজ সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো: নাসিম বলেছেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে শৈথিল্য ছিল। প্রশাসনের অসাবধানতার কারণে মতিদের মতো লোক তদন্ত সংস্থায় নিয়োগ পেয়েছিল। সরকার গণমুখী হওয়ায় মিডিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত সংস্থার প্রধান মতিনকে সরিয়ে দিয়েছে। বিস্তারিত

এই দুইজনের বক্তব্য সম্পূর্ণ পরস্পরবিরোধী। সাহারা খাতুন বলেছেন, সরকারের নিয়োগে কোন ভুল ছিল না। কিন্তু নাসিম বললেন, প্রশাসনের অসাবধানতার কারণেই মতিন নিয়োগ পেয়েছে।
সাহারা বলেছেন, মতিন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন অর্থাৎ সরকারের কোন চাপ ছিল না কিন্তু নাসিম বললেন, সরকার মতিনকে সরিয়ে দিয়েছে।
তাহলে কার বক্তব্য সঠিক ? আর একটা বিষয় নিয়ে এ ধরনের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য আসছে কেন?

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসলে মতিনকে দিয়ে সরকার তাদের ইচ্ছামতো তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবে না জেনেই তাকে সরিয়ে দিয়েছে। মতিন ছাত্রসংঘের সাথে যুক্ত থাকলে  নিয়োগ পাবার পরই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতো। আর এজন্য প্রকৃত সত্য লুকিয়ে রাখার জন্য আওয়ামী লীগ নেতারা ইচ্ছামত বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

জটিল রূপ নিচ্ছে পরিস্থিতি। বুমেরাং বুমেরাং গন্ধ পাচ্ছি।

-

বজ্রকণ্ঠ থেকে বজ্রপাত হয় না, চিৎকার-চেঁচামেচি হয়; অধিকাংশ সময় যা হয় উপেক্ষিত।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)