রাজাকারপুত্র মির্জা আযমের এলাকায় জামায়াত নেতারা বাড়ি ছাড়া

যুবলীগ সেক্রেটারী ও জাতীয় সংসদের হুইপ, বিআরটিসি বাসে গান পাউডার মিশিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারার অভিযোগে অভিযুক্ত মির্জা আযম এমপির এলাকা মাদারগঞ্জের (জামালপুর) জামায়াত নেতারা পুলিশ ও আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের ভয়ে এখন এলাকা ছাড়া। গত ২৭শে জুন বিএনপির হরতাল চলাকালে জামায়াত মিছিল বের করে। এরপরই আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে দোকানপাট ভাংচুরের অভিযোগে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশের গ্রেপ্তার ও হয়রানী এড়াতে জামায়াত নেতারা এখন এলাকা ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছে। তবে জামায়াত নেতাদের বাড়ী-ঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও দখলের পাঁয়তারা করছে আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা। এর আগেও একবার জামায়াতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক লুটপাট করেছিল স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।

মির্জা আযমের বাবা মির্জা আবুল কাশেম একাত্তরে শান্তিবাহিনীর প্রধান ছিলেন। এলাকার মানুষ এখনও তাকে কাশু রাজাকার নামে চেনে। জামায়াত নেতা গোলাম আযমের নাম অনুসারে মির্জা আযমের নাম রেখেছিলেন ‘গোলাম আযম’। ১৯৯১ সালে আওয়ামী লীগের টিকিটে নির্বাচন করার সময়ও ‘মির্জা গোলাম আযম’ নামেই নির্বাচন করেন মির্জা আযম। পরে অধ্যাপক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে ঘাদানিকের আন্দোলন যখন তুঙ্গে তখন ‘মির্জা গোলাম আযম’ তার নাম থেকে ‘গোলাম’ শব্দটি বাদ দিয়ে মির্জা আযম হয়ে যান।
এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য যে, মির্জা আবুল কাশেম তাঁর একমাত্র কন্যাকে বিয়ে দিয়েছিলেন, জামালপুরের আহলে হাদিস আন্দোলনের নেতা  মাওলানা আব্দুল্লাহ ইবনে ফজলের পুত্র জঙ্গী নেতা শায়খ আব্দুর রহমানের সাথে। এ থেকে বুঝা যায় যে, মির্জা আযমের পরিবারটি মূলত রাজাকার ও জঙ্গীদের পরিবার।

মির্জা আযম নিজেও তার ভগ্নিপতি শায়খ আব্দুর রহমানকে বিভিন্ন সময় আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছিলেন। শায়খ রহমান তার শ্বশুরের মাদ্রাসা “মির্জা আবুল কাশেম সিনিয়র মাদ্রাসা”র শিক্ষকতা ছেড়ে সারের ডিলারশীপ  পান মির্জা আযমের সহায়তায়। জামালপুরে বিশাল বাড়ি করার ক্ষেত্রে মির্জা আযমের অবদান ছিল। কিন্তু শায়খ রহমান যখন জঙ্গী নেতা হিসেবে গ্রেফতার হন তখন মির্জা আযম ঘোষণা দেন যে, শায়খ পরিবারের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই!

এসব বলার পেছনে আমার একটাই উদ্দেশ্য, যে মির্জা পরিবার একদিন স্বাধীনতা বিরোধী ও জঙ্গীদের পৃষ্ঠপোষক ও আত্মার-আত্মীয় ছিল তারাই এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী! তারাই এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিরোধীদের ওপর হামলা নির্যাতন চালাচ্ছে।

এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ করা দরকার। মাদারগঞ্জে যারা বর্তমানে জামায়াতের রাজনীতি করছেন, তাদের অধিকাংশই একসময় মির্জা আযমের সাথে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন। তাদের মধ্যে মির্জা আযমের চাচাতো ভাই মির্জা আব্দুল মাজেদের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির। মাদারগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারীও একসময় মির্জা আযমের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। কেবল জামায়াত করার অপরাধেই তারা ঘর ছাড়া! 

সামতেও পড়তে পারেন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

আমার তো মনে হয় দেশে আওয়ামী লীগেই স্বাধীনতা বিরোধী বেশী।

ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান  ডা. এমএ হাসানের মতে, জামায়াতে যুদ্ধাপরাধীর সংখ্যা ১০/১২ জন। কিন্তু পত্রপত্রিকায় এসেছে, সাজেদা চৌধুরীসহ ৮৮জন এমএনএ  পাকিস্তানের আস্থাভাজন ছিলেন। এছাড়া ২৫জন এমপিতো সরাসরি স্বাধীনতার বিরোধী ছিলেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আওয়ামী লীগ নেতা স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেন। সুতরাং আওয়ামী লীগে যে স্বাধীনতা বিরোধী বেশী সে কথা অমূলক নয়, প্রমাণসিদ্ধ।

 

রাজাকারপুত্র মির্জা
আযমের এলাকায় জামায়াত নেতারা বাড়ি ছাড়া

কিন্তু এই সময় তো রাজাকার পুত্রের উচিত তাদের ডাকা রাজাকারদের পাশে দাঁড়ানো। এটা কি করছে রাজাকারপুত্র? এটাই কি তাহলে অরিজিনাল রাজাকার?

-

আড্ডার দাওয়াত রইল।

> > > প্রতি শুক্রবার আড্ডা নতুন বিষয়ে আড্ডা শুরু হবে।

তার শরীরে রাজাকারের রক্ত প্রবাহিত কিন্তু চেতনায় আওয়ামী লীগ।

Sad

আওয়ামী লীগ করলে সাতখুন মাফ। মহান ডাটকো প্রিন্স মুসা কিংবা বেয়াই মোশাররফ তখন হয়ে যান চেতনার ধ্বজাধারী, স্বাধীনতার রক্ষক। কারণ ঐ দল হলো চেতনা আর স্বাধীনতার সোল এজেন্ট। 
শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা আর দেশের নিজস্ব পরিচয়ে বোধটা ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে এভাবে, একসময় মানুষের কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর স্বাতন্ত্র্যের কোন মূল্য থাকবে না, অনেকের কাছে এখনই নেই ইতোমধ্যে।
নতুন কালেমা পড়লে গরু খাবার ধুম লেগে যায়, ব্যঙ্গ প্রবাদ। আযম মোশাররফরা অতীত পাপ ঢাকা দিতে চরম চেতনাবাজ হয়ে যায়, পিলখানার মতো জঘন্য কাজে জড়িত হয়ে হলেও এরা অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে থাকে। 

আওয়ামী লীগের ভাওতাবাজি মানুষ বুঝে গেছে। যুদ্ধাপরাধ নিয়ে আওয়ামীলীগের অবস্থান হাস্যকর ।

আপনি কোন সাহসে ও কোন যুক্তিতে আওমিল্য্গ্দের রাজাকার বলেন!!!!তারাতো ভারতের পক্ষের শক্তি??!!!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)