লাভগুরু আপনাকেই বলছি..

আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যদি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে অন্য কোন প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে ভালবাসে এবং সেক্ষেত্রে যদি দুই পরিবার এই বিয়েতে রাজি না থাকে তাহলে তারা কি করতে পারে? কেন জানিনা আমাকে এই ধরনের পরিস্থিতি বেশি ফেইস করতে হয়। বিশেষ করে এই ধরনের ভালবাসার কেস বেশি হ্যান্ডেল করতে হয়। তবে ফলাফল আল্টিমেইটলি জিরো। কেননা ভালবাসার রঙ এর মধ্যে কোন এক অদৃশ্য প্রবল আকররষণী শক্তি থাকে যেটার সামনে সব যুক্তি একেবারে ভ্যানিশ হয়ে যায়। ইন্টারমিডিয়েটে থাকতে আমার সবচেয়ে কাছের বান্ধবির একজনের সাথে এফেয়ার ছিল। সূত্র মোবাইল ফোন। একেবারেই অজানা, অচেনা,অদেখা। ইমেইলও চালাচালি হত। ঘটনা আমি জানতাম। শুরু থেকেই শুধু তাকে একটা কথা বলেছিলাম যে এভাবে মোবাইলে এফেয়ার পুরাই অযৌক্তিক। তাছাড়া আমার আর বলার কিছু ছিলনা। প্রায় ৬/৭ মাস পর সেই মোবাইল প্রেম ভেঙ্গে যায়। কারণ ছিল খুব ইন্টারেস্টিং। মুঠোফোনের ছেলেটি তার একটা ছবি পাঠায় ডাকযোগে। সেই ছবি দেখে আমার বান্ধবির স্বপ্ন একেবারে চুরমার হয়ে যায়। তারপর মোবাইল প্রেম সেদিনই শেষ। মোবাইল প্রেম শেষে আরো কিছু এফেয়ার ঘটিত ঘটনায় সে আবার জড়িয়ে যায়। সেটা এতটাই সিরিয়াস পর্যায়ের ছিল যে কলেজ ক্যাম্পাসে সেটা নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ল। অতঃপর অঘটন...সন্ত্রাসী দ্বারা বিপক্ষের কোন গ্রুপ আহত হল। সব কিছুর সাথে কিভাবে যেন সে জড়িয়ে পড়ল।

প্রিন্সিপাল পর্যন্ত ঘটনা গেলে আমার বান্ধবির টিসির সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেষ রক্ষা সে পেয়ে গেল। এই নিয়ে অবশ্য আমাকে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়েছে বেশ। উপর মহলের সাথে যোগাযোগ করে তাকে টিসি থেকে নিস্তার দেয়া হল। অবশ্য ক্রেডিট ছিল ওরই বেশি। কারণ প্রচন্ড মেধাবী ছিল সে, কলেজের কিছু একাডেমিক পরীক্ষায় তার সাফল্যের কাছে কেউ দাড়াতে পারেনি। মোটামুটি মেধার জোরেই তার জন্য সুপারিশ করা সহজ হয়েছিল।

কেন জানিনা ভালবাসার অবমনানা আমাকে যেভাবে পীড়া দেয় তা অন্য ক্ষেত্রে খুব কম দেয়। বন্ধুত্বের দাবি থেকে ভালবাসার সর্বনাশা স্থান থেকে কাউকে যখন দূরে সরাতে ক্রমাগত চোখের পানি দিয়ে হলেও তার জন্য চেষ্টা করে যাই ঠিক তখনই যদি জানতে পারি যে তার কোন ভাই কিংবা বোন পরিবার থেকে মা-বাবার অলক্ষ্যে তাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছে তখন নিজেকে খুব ক্ষুদ্র বলে মনে হয়। পরিবারেই যেখানে আদর্শগত শিক্ষা দিয়ে কেউ বেড়ে উঠেনা সেখানে ভাই/বোন তো সাহায্য করবেই!!! বাবা-মা আক্ষেপ করে আর কতটুকুই বা শেষ রক্ষা করতে পারবে......

টিভি দেখা হয়না অনেক অনেক বছর। মাঝে মাঝে দুই একটা অনুষ্ঠান হয়ত পত্রিকাতে বিজ্ঞাপন দেখি, সেটাই আমাকে বিনোদন জগতের আপডেইট রাখে। ছোট ছোট কোমলমতি বাচ্চাদের নিয়ে আজকাল যে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান করা হয় সেগুলো দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। বাচ্চাদের মধ্যে এখন থেকেই মিডিয়াতে আসার যে প্রবনতা, নিজেদের টিভি পর্দায় আনার লোভ, স্টার হবার যে ইচ্ছা জাগিয়ে তোলা হচ্ছে সেটা কতটা যৌক্তিক আমি বুঝিনা। সবচেয়ে আশ্চর্য হলাম বাচ্চারা যেসব গান বা নাচের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা করে সেখানে যে যত বেশি ম্যচিউর রোমান্টিক ভাব তুলে ধরতে পার বিচারক তাতেই বেশি খুশি হয়। এত অল্প বয়সে যাদের ভালবাসার রূপ বুঝানোর জন্য ইন্সপায়ার করা হচ্ছে তারা ইন ফিউচার কি রিপ্রেসেন্ট করবে সেটা আর ভাবতে ইচ্ছা করেনা।

মনোবিদ্যার অধ্যাপক মেহতাব খানমের আর্টিকেল আমার সবসময় খুব ফেবারিট। সেদিন প্রথম আলোতে উনি একটি ফিচারে বাচ্চাদের নিয়ে করা কিছু বিজ্ঞাপনের চরম সমালোচনা করে দারুন কিছু বিষয় তুলে ধরেছেন। আজকাল ফ্ল্যাট বাড়ি,গাড়ি,এসি র বিজ্ঞাপনে একটা বাচ্চা যখন বলে “কক্সবাজারে সমুদ্রের পাশে আমাদের কি একটি বাড়ি বা ডট ডট ইত্যাদি হবেনা?” লেখিকা ফোকাস করেছেন যে একটা বাচ্চা সমুদ্রের পাশে বাড়ি থাকার মর্ম কি বুঝে? এতে করে কি আমরা তাদের স্বাভাবিক শিশুকাল কে ব্যহত করে কিছু মানবিক দূর্বলতম বৈশিষ্ট্যকে প্রশ্রয় দিচ্ছিনা? তাদের লোভকে আমরা জাগিয়ে দিচ্ছিনা? রোমান্সের ব্যাপারটা অস্বাভাবিকভাবে তাদের মধ্যে গ্রো করার জন্য কি আমরা দায়ী না? তিনি এসব বিজ্ঞাপনের চরম নিন্দা জানিয়ে বাচ্চাদের মাধ্যমে কর্পোরেট বাণিজ্যকে বিজনেস না করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

যাইহোক ভালবাসার কথার মধ্য ছিলাম। যে দেশে বাচ্চাদের নিয়েও বিজনেস হয় সেখানে বড় হয়ে তারা আর কতটুকুই বা দিতে পারে বা আমরাই বা কতটুকু আশা করতে পারি? রেডিও আমারে আমার ভালবাসা নামে একটি অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ভাল। এতে করে সাধারণ যারা এপর্যন্ত ভালবাসা নিয়ে যেসব ভুল করে এসেছে রেডিও আমারের দর্শকরা যেন এই ভুল না করে সেই জন্য এই অনুষ্ঠান। কিন্তু আমার সন্দেহ এতে করে উদ্দেশ্যে কতটুকু পরিপূর্ণতা পাচ্ছে? যাই হোক আমার কাজিন এই অনুষ্ঠান রেগুলার শুনে থাকে, সেই সুবাদে আমারও মাঝে মাঝে শোনা হয়। রিসেন্টলি সেখানে ভালবাসার যে ঘটনা শুনলাম সেটা শুনে আমি পুরাই তাজ্জব। ক্লাস এইটের একটা মেয়ে ভালবেসে পরিবারের অমতে বিয়ে করে। জাস্ট এটুকু শুনেই বাকিটুকু শোনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলি। লাভগুরুর কথা শোনার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। যে প্রশ্ন দিয়ে লেখা শুরু করেছিলাম ঠিক সেই প্রশ্নই এবার লাভগুরুকে করে সেই মেয়েটি। খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। লাভগুরু প্রথমে একটু এভয়েড করে এন্সার দিলেন পরে সেটা আবার শুধরে দিয়ে উলটা মেয়েটিকে প্রশ্ন করলেন “ তুমি কি পারবা বাবা/মা কে রেখে শুধু তোমার ভালবাসার জন্য বাবা-মাকে ত্যাগ করতে?” মেয়েটি সুন্দর জবাব দিল নেগেটিভ। অথচ এই নেগেইভ জবাবটাই কেন যেন ভালবাসার আবেগের রসাতলে একদম ভেসে চলে যায়। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই লাভগুরুকে তার প্রশ্নের জন্য। এখন আমার লাভগুরুর প্রতি একটাই অনুরোধ যে-

“আপনার প্রোগ্রামে যারা ভালবাসা নিয়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয় তারাই আপনার কাছে সেই কাহিনি শুনাতে আসে। এরকম কি কোন প্রোগ্রাম করতে পারবেন যেখানে যেসব তরুন সমাজ বর্তমান ভালবাসা নিয়ে সঙ্কটে আছে, ক্রাইসিসের মধ্যে আছে তারা তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার প্রোগ্রামে আসবে? যদি করতে পারেন আমার বিশ্বাস হাজার হাজার তরুণ-তরুণি আপনার প্রোগ্রামে আসবে সমস্যার সমাধানের জন্য। এতে করে হয়ত অনেককেই আপনি পারবেন জীবনের স্বাভাবিক গতিপথে ফিরিয়ে আনতে। হয়ত পারবেন জীবন আধারের করাল গ্রাসে প্রায় ডুবন্ত কোন তরুন-তরুণীকে বেঁচে থাকার কোন উপকরণ বের করে দিতে। কারন রেডিও আমারে ভালবাসার কাহিনি শুনে নিজের ভালবাসার সময় কেউ তাদের ভুল প্র্যাকটিক্যালি দেখতে পায়না। যদি পারেন তাহলে প্লিজ আমার এই অনুরোধটা রাখবেন। আশা করি এতে করে তরুণ সমাজ সুন্দর সমাধানের একটা মিডিয়া সোর্স পাবে।"

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (9টি রেটিং)

বাংলাদেশে গিয়ে পিচকি কাজিনের পাল্লায় পড়ে আমিও লাভগুরু শুনেছিলাম, কত রাত পর্যন্ত সজাগ থেকে! এক সেশনে মনে হয় দুইটা কাহানী হয়, কিন্তু প্রথমটা শুনেই আমি ঘুম, এত্ত বোরিং লাগছিল! পরের দিন কাজিনের কাছ থেকে শুনলাম, কত কি মিস করেছি, আসল কাহিনীই মিস করলাম, ইত্যাদি ইত্যাদি। যখন তারপরেও বেশি আগ্রহ হলো না, তখন ওরা নিরাশ হয়ে সিদ্ধান্ত নিল, বিয়ে হয়ে গেছে তাই রস কস কমে গেছে!!!
লাভগুরুর কাছে কাহিনীগুলো শোনার চেয়ে কাজিনদের মুখে কাহিনীগুলো শুনতে আমার বেশি ভালো লাগত। কারণ, ওরা যখন বলতো, তখন বুঝতাম, লাভগুরু যা বলছে ওরা সেটা কিভাবে ইন্টারপ্রেট করছে। অবাক হয়ে খেয়াল করলাম, খুব ট্রাজেডি বা ব্যর্থ প্রেম কাহিনী থেকেও ওরা এই অংশগুলো আলাদা করে নেয়:১. উফফ, কি জোস রোমান্টিক! ২. লোকটা/মেয়েটা খুব খারাপ ছিল। ভালোবাসার মূল্য দিতে জানতো না।৩. এত কিছুর পরেও, কতবার রিজেক্টেড হওয়ার পরেও ও ভালোবেসে যাচ্ছে। দেখছো, কত ভালো? (দেবদাস পূজারী বোকা মেয়েগুলো সব!!!) ৪. এরকম অন্যদের হয়, আমাদের হবে না! 
তোমার ওই অংশটা ভালো লেগেছে--হ্যা, পরিবারের কিছু মানুষের সায়ে ঘটনাগুলো আগায়। বন্ধুরা নিজেদের অজান্তেই সর্বনাশের দিকে ঠেলে দেয় প্রিয় মানুষটাকে।
ক্ষুদে গানরাজের বেশ কয়েকটা গান শুনেছি আমি। শুনে অসম্ভব কিউট লেগেছে, কিন্তু তোমার মতই অনুভূতি হয়েছে। ওদের শৈশব কেড়ে নেওয়া হচ্ছে! 

ইন্ডিয়া থেকে এসব কালচার গ্রহণ করা হচ্ছে...শেষ পর্যন্ত বাচ্চাদের নিয়েও যে কর্পোরেট বাণিজ্য করা হবে সেটাই সবচেয়ে চিন্তার বিষয়। সুশিল সমাজ এগুলো কিভাবে এক্সেপ্ট করছে আমি সেটাই বুঝে উঠতে পারছিনা...
লাভগুরু সবসময় কিভাবে উপদেশ দেন সেটা আমি জানিনা, যেহেতু আমি রেগুলার লিসেনার না তবে রিসেন্ট প্রোগ্রামে শোনা লাভগুরুর তরুণ সমাজের প্রতি উপদেশ একেবারে খারাপ না, একদম জিস্ট এবং দরকারি কথাগুলাই কিন্তু লাভগুরু বলেছিলেন...

-

shetu

লাভগুরু টা কে? কাহিনীটা একটু সহজ করে বলবেন?

তবে পোস্টটিকে স্টিকি করার জন্য ধন্যবাদ কর্তৃপক্ষকে।

ধন্যবাদ ভাইয়া পড়ার জন্য।
আসলে রেডিও আমার এ ছেলে মেয়েদের ভালবাসার কাহিনী নিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে "আমার ভালবাসা" নামে একটি প্রোগ্রাম হয়। সেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক যিনি তাকে বলা হয় লাভগুরু।
কাহিনি আসলে এটাই। খুব কঠিন কিছু না...
আরে আমার লেখা কি স্টিকি করা হয়েছে??? লজ্জিত......

-

shetu

নচিকেতার একটা গান শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না।

ভিড় করে ইমারত, আকাশটা ঢেকে দিয়ে,

চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনা রোদ।
ছোটো ছোটো শিশুদের শৈশব চুরি ক’রে,
গ্রন্থ-কীটের দল বানায় নির্বোধ।
এরপর চুরি গেলে বাবুদের ব্রীফ-কেস
অথবা গৃহিণীদের সোনার নেকলেস,
সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে
চিত্কার করে বলে —
চোর, চোর, চোর, চোর, চোর।

প্রতিদিন চুরি যায় মূল্যবোধের সোনা,
আমাদের স্বপ্ন, আমাদের চেতনা।
কিছুটা মূল্য পেয়ে ভাবি বুঝি শোধ-বোধ,
ন্যায় নীতি ত্যাগ করে, মানুষ আপোস ক’রে,
চুরি গেছে আমাদের সব প্রতিরোধ।
এর পর কোনো রাতে, চাকরটা অজ্ঞাতে,
সামান্য টাকা নিয়ে ধরা প’ড়ে হাতে নাতে।
সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে
চিত্কার করে বলে —
চোর, চোর, চোর, চোর, চোর।

প্রতিদিন চুরি যায় দিন বদলের আশা,
প্রতিদিন চুরি যায় আমাদের ভালবাসা।
জীবনী শক্তি চুরি গিয়ে আসে নিরাশা,
সংঘাত্ প্রতিঘাত্ দেয়ালে দেয়ালে আঁকা,
তবু চুরি যায় প্রতিবাদের ভাষা।
কখনো বাজারে গেলে, দোকানী কিশোর ছেলে,
কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে, ওজনেতে কম দিলে,
সকলে সমস্বরে, একরাশ ঘৃণা ভরে
চিত্কার করে বলে —
চোর, চোর, চোর, চোর, চোর।

নচিকেতার গানের কথা কি আর বলব! নচিকেতার গান মানেই তো সত্যের  দুর্দান্ত এক পোস্টমর্টেম.........

-

shetu

দেশের এফ.এম. রেডিওগুলো নাকি তরুণ সমাজকে বিপথগামী করার ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে ?

তরুণ সমাজকে বিপথগামী করার জন্য রেডিও আসলে অনেকটা আগুনে ঘি ঢালার মত। দুঃখের ব্যাপার রেডিও তে যারা পজিটিভ চিন্তার মানুষ তারা তরুণদের নিয়ে কোন প্রোগ্রাম করেনা বা করতে চায়না। আমার ক্ষমতা সর্বোচ্চ এই ভার্চুয়াল লেখা, এর বেশি করার থাকলে আমি অবশ্যই বসে থাকতামনা...

-

shetu

সবচেয়ে যে বিষয়টিতে আমি বেশী শংকিত, সেটি হলো দেশে এখন মাহরামদের সাথে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা বেড়ে চলেছে। এছাড়া পরকীয়া এবং অপ্রাপ্ত বয়সে প্রেম ও বিয়ে করার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। এর পেছনে রেডিও, টিভি, সিনেমা, পত্রপত্রিকা, কবিতা, উপন্যাস ইত্যাদি বহু কিছু কাজ করছে। এভাবে বললে অনেকের কাছেই দৃষ্টিকটু লাগে যে, 'একটা চক্র এসব প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে'। কিন্তু এ বাস্তবতা দিবালোকের মত সত্য। যদি বিভিন্ন সেকশনে খোঁজ নেয়া হয়, জরিপ চালানো হয়, তাহলে ফলাফল এটাই মিলবে। আর এসবই যে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই হচ্ছে সেকথা বলাই বাহুল্য।

অন্যদিকে যারা চায় সমাজের এ অধঃপতন রোধ হোক, তাদের ভূমিকা নিতান্তই নগণ্য এবং কখনো কখনো দারুন হাস্যকরও বটে। আসলে আমাদের দেশের মানুষেরা ধীরে ধীরে এমন একটা মানসিক অবস্থায় পৌঁছে গেছে, যেটাকে বচনীয় ভাষায় বললে বলতে হয়- 'চাচা আপনা জান বাঁচা'। কে দায়ী এ মনোভাবের পেছনে সে আলোচনা এখানে নাইবা করলাম।

ধন্যবাদ এমন একটি পোষ্টের জন্য @ সেতু

আসলে অনিয়মের রাজ্যে নিয়মই যখন অনিয়ম তখন ঘুনে ধরা সমাজের ঠিক কোন জায়গা থেকে মেরামত  শুরু করব সেটাই আমরা বুঝে উঠতে পারছিনা......

-

shetu

লাভগুরুরে চিনিনা। জিন্দেগীতেও শুনিনি তাই কিছু বলতে পারলুম নাSealed। পোলাপাইন রাত জেগে এসব শুনে! অবাক লাগছে!!

বাস্তবতার কিছু চিত্র তুলে ধরাতে অনেক কিছু জানতে পারলাম আর পোস্টটা অনেক ভালো হয়েছে। পড়তে ভালো লেগেছে।

স্টিকিই তো! কংগ্রাটস!! Eye-wink

ফজল ভাইয়ের সাথে একমত! Smiling

পোলাপাইন রাত জেগে এসব শুনবেনা কেন? তাদের জন্য প্রোগ্রাম রাতেই সেট করা আর তারা শুনবেনা?? তাও আবার ভালবাসার কাহিনি। তরুণ সমাজ এখন ভালবাসা জনিত এক জটিল রোগে ভুগতেছে। রোগ বলছি একারণে যে ভালবাসার জন্য তাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কেউ আত্বহত্যা, কেউবা অন্ধকার জীবনে পদার্পন করছে...অথচ দেখেন তাদের এই ভালবাসার সঙ্কটের মুহুর্তে কেউ সমাধানের মিডিয়া সোর্স আনছেনা। ফলস্বরূপ রেডিওতে এই ভালবাসার প্রোগ্রামই তাদের একমাত্র সঙ্গী...

-

shetu

আজকের সময়কে কি আমরা "ভালবাসার সঙ্কটে আক্রান্ত" সময় হিসেবে চিহ্নিত করবো? ভালবাসার জন্য পাগল এই জেনারেশন কি তাদের বাবা-মায়ের ভালবাসা পেয়েছে? তারা কি তাদের পরিবারকে ভালবাসতে পেরেছে? যে ভালবাসাকে তারা একমাত্র ভালবাসা মনে করছে, সেই ভালবাসা কি আসলেই কোন ভালবাসা নাকি অন্যকিছু (শরীরি কামনা মাত্র?)

ভালবাসা পাগল এই জেনারেশান একচুয়ালি ভালবাসার মর্ম বুঝতে পারছেনা। এজন্যই তারা খুব সহজেই বাবা-মা, পরিবারের ভালবাসাকে ইগ্নোর করে ভালবাসার অবমূল্যায়ন করছে। এর জন্য এককভাবে এই জেনারেশানকে আমি দোষ দিতে চাইনা। পারিবারিক সঙ্কট, মিডিয়ার অপপ্ররচনা, নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা, সামগ্রিকভাবে চারপাশে মূল্যবোধ বিবর্জিত পরিবেশ এসবের জন্য দায়ী।
ওদের পাশে দাড়াবার মত মানুষের আজ বড় প্রয়োজন...

-

shetu

কোন কথা নেই! বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এবং ইসলামী ছাত্রীসংস্থাকেই দায়িত্ব নিতে হবে। এই সংগঠনগুলির দায়িত্বে যাঁরা আছেন তাদেরকে আল্লাহ সঠিক কাজটি দায়িত্ব নিয়ে করার তৌফিক দিন। দ্বিতীয় কোন পথ নেই। পরিবার যা পারে না, এই সংগঠনগুলির সেটি করার ক্ষমতা আছে।

আর আমরা যেন বেশি বুদ্ধিমান হয়ে গিয়ে আবার 'ইসলামি লাভগুরু' চালু না করি।

-

বিনয় জ্ঞানীলোকের অনেকগুলো ভাল স্বভাবের একটি

 @ সহায়ক, শিবির এবং সংস্থাকে দায়িত্ব দিচ্ছেন?? most of the people of our country are good because they don't get enough space or opportunity to become........
মসজিদের ইমাম যদি বলে আমি ঘুষ খাইনা তার কোন ক্রেডিট আছে??বলেন তারে ঘোষ দিতে যায় কে?? মোমবাতিকে আগুনের কাছে এনে দেখেন গলে কিনা???? @ লেখক, লেখা ভাল হয়েছে....ধন্যবাদ 

ধন্যবাদ

-

shetu

@ সহায়ক ,ভাই আপনি অন্যের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে নিজে পিছপা হচ্ছেন কেন।হ্যা সন্দেহ নেই ইসলামি ছাত্রশিবির ওছাত্রী সংস্থা অনেক দায়িত্ব পালন করছে তার মানে এই নয় যে বাকি সবার কোন কাজ নেই। কাজের হিসাব আল্লাহ সমষ্টিগত ভাবে নয় ব্যক্তিগত ভাবে নেবেন,যার হিসাব তাকে দিতে হবে।সুতরাং কারো দিকে তাকিয়ে না থেকে আমাদের সবার যতটুকু সামর্থ আছে ততটুকু অন্তত করি।
আর আমার লেখায় মনে হয় এমন কিছু লেখা নেই যে আমরা ইসলামী লাভগুরু চালু করতে যাচ্ছি,আমি শুধু এতটুকু বলতে চেয়েছি যে লাভগুরু already যে কাজ টি করে মানুষ কে প্রভাবিত করে ফেলেছেন তিনি চাইলে কিছু করতে পারেন পজেটিভ দিক দিয়ে।

-

shetu

আদর্শ বাংলাদেশ গড়তে সহায়ক পোষ্ট। পোষ্টটিতে কমেন্ট করার জন্যই লগিন করলাম।

ধন্যবাদ ভাইয়া...

-

shetu

ধন্যবাদ ভাইয়া...

-

shetu

আমার মনে হয়, এখন সময় এসেছে এ বিষয়গুলো নিয়ে বেশী পরিমাণ লেখালেখি করার। আরো ছাড়তে থাকলে একসময় আর লেখালেখিতেও কাজ হবে না হয়ত।

সেতু কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ পোষ্টের জন্য।

-

আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট: www.islam.net.bd

আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি

-

shetu

প্রেম ব্যাপারটাকে অনেকেই ব্যয়বীয় বলেন, অনেকে বলেন অর্থহীন, কিন্তু আমার কাছে কিন্তু তা কখনো মনে হয়নি। তাহলে এভাবে যুগের পর যগ শত কোটি মানুষ এই অবাস্তব জিনিসটার মোহে পাগল হত না।

অনেকে ইসলামের দৃষ্টিতে প্রেমকে একবারে হারাম বলে ফেলেন, কিন্তু আমার কাছে সেটা্‌ও আজব মনে হয়।

আমি এই ব্যাপারে একটু ভিন্ন মত পোষন করি। কিছুটা উদার আবার অনেক্ষানি কট্টর।

আমার মনে হয় পৃথিবীতে খাওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যেই ব্যপার সেটাই হল প্রেম। এবঙ পৃথিবীর সকল ভাল কাজ বা খারাপ কাজের মুল লক্ষ এই প্রেমই।

আপনারলাভগুরু সম্পর্কে কাহিনীটা পড়লাম। আপনার চিন্তা ভাবনা ভাল তবে সময়েআপযেআগী উদার না । আবার বাস্তব ভিত্তক কট্টরও না। পৃথিবীর সব মানুষকে সব সময় যেই রেআগটা অনবরত দঙশন করে সেটা হল প্রেম। এই রেআগ থেকে তাই বাচার জন্য প্রয়োজন সর্বাধিক সাবধানতা, সবচেয়ে ভাল চিকিতসা। তবে সব প্রেমের জন্য চিকিতসা প্রয়েআজন নাই। কারন আপনি তেআ জানেনই কিছু ব্যাকটেরিয়ার মানুষের বেচে থাকার জন্য প্রয়োজন রয়েছে।

প্রত্যেকটা মানুষের সব কাজের মুল লক্ষ বা প্রেরনা আসে কারও না কারও ভালবাসা থেকে। এই প্রেম কখনো আসে মা, কখনো বাবা, কখনো স্ত্রী আবার কখনো বন্ধু/বান্ধবী থেকে। তাই্ একে একবারে সমাজ থেকে বের করে দিলে আমরা বাচবনা।

আমি এই ব্যাপারে একটু সাইনটেফিক সমাধান দেই। নেটওয়ার্ক থেকে পরিষ্কার এবং প্রয়েআজনীয় সিগনাল পেতে আমরা সাধারনত ফিল্টার ব্যভহার করি। এই ফিল্টারের কাজ হল নেটওয়ার্কে আমাদের কাংখিত সিগনাল রেখে বাকিটা বাদ দিয়ে দেয়া। এই সিস্টেমে তবু আসরা একশত ভাগ প্রয়েআজনীয় সিগনাল পাইনা। ঠিক সেরকম

আসলামের আলোকে যদি আমরা আমাদের জীবন সাজাতে পারি তাহলে দেখবেন এই প্রেম ভালেআবাসা আমাদের জীবনে কি রকম গুরুত্বপুর্ন অবদান রাখতে পারে।

লাভগুরু আর ডেইলী স্টারের মিতা ভারতীয পরকীয়া আর আত্নহত্যায় পরিপর্ন মেগা সিরিয়াল গুলোর দর্শনে বিশ্বাসী। তাই এগুলো থেকে সমাধান খুজে কোন লাভ নাই।

-

hasan

আসলে এসব ব্যাপার যখন মাথায় ওঠে তখন মাথা চক্কর দেয়। এফ এম রেডিও নিয়ে আর কী বলবো । না বলাই ভালো । আপনার বিশ্লেষণ ভালো লেগেছে । চিন্তার আয়তনে বিস্মিত।

তবে "লাভগুরু" ব্যাপারটা কতো বড় হাস্যকর ! লাভ+গুরু=লাভগুরু, প্রথম শব্দটি ইংরেজী দ্বিতীয় শব্দটি বাংলা। কোন কায়দার আলোকে সন্ধি হলো ?????

আজকাল আর কোন কিছুই ভালো লাগেনা। সত্যি কথা বলতে কী, যা কিছু দেখি
সবকিছুই ভেঙ্গে ফেলতে ইচ্ছে হয়। পুরাণের আবৃত পলেস্তার খসে পড়া দেয়ালে শুধু
শুধু রঙ মাখিয়ে কি লাভ ? মরিচিকার পেছনে ঘোরার কোন মানে নেই। শুধু নতুনের
প্রত্যাশা। আমরা যা কিছু আঁকি,গাই,কল্পনা করি তাই সঞ্চয়।

হাজার বছর ধরে জমে থাকা পলি মাটির এক ভূখন্ড বাংলাদেশ। আমরা আমাদের দেশকে
ভালবাসি। এ জন্যই শকুনিদের শ্যান দৃষ্টি সহ্য করতে পারিনা। এটাই আমাদের
দেশপ্রেমের মূলধন-পূঁজি।

থাকগে, তারুণ্য নিয়ে কথা বলছিলাম।

তারুণ্য বলতে আমি বুঝি: দুর্দান্ত সাহস, উধর্্ব স্পর্ধা, চোখভরা সমুদ্রের
নীল, আকাশের বিশালতা, সূর্যেও তীব্র গতীময়তা, নির্বিকার উপেক্ষা , প্রেমের
গভীরতা , আরো...................অনেক কিছু। অথচ, আজকের তারুণ্যের অনুশৈলিতে
আর পারছিনা ভাব। তারপর্ও মাঝে মাঝে তারুণ্য ধাক্কা দেয়। দুর্দান্ত
সাহসিকথা। তাই, পুরোনোকে ভেঙ্গে ফেলার দাবি তুলি। এ আ্ওয়াজ দায়বোধের নয়,
সাহসের , তারুণ্যের।

আমার মনে হয়; জীবন একটা বহতা নদী। পলি জমে এখানে গড়ে ওঠে দ্বীপ। তৈরী হয়
বিশাল হৃদয়ী আয়তন। শুরু হয় সংগ্রাম। এখানে চির বিজয়ী তারুণ্য। তাই
তারুণ্যকে বলি সাহসের প্রতিকি অগি্নস্ফুলিঙ্গ। তারুণ্যের মিছিলের অগ্রভাগে
আমার অবস্থান। এটাই আমার উচিত।

যখন হাঁটতে বের হই, দেখি স্তুপাকারে জঞ্জাল। আঁশটে গন্ধ। তাই, হাঁটতে
পারিনা। ঘরে বসে থাকতে হয় জন্ম নেয় আত্মকেন্দ্রিকতা। হৃদয়ের বিশালতার জন্য
প্রয়োজন বিশাল পৃথিবীর।

যখন দেখি গুরুজনেরা সাদা কাপড়ের আড়ালে বিদ্যাব্যাবসার বাজার খুলে বসে আছেন।
তখন তারুণ্যে আঘাত লাগে। বোধের অসহায়ত্ব টের পাই। ভিষণ কষ্ট পাই। আবার যখন
দেখি চিন্তায় পশ্চিম, কল্পনায় পশ্চিম, আহারে পশ্চিম, শিক্ষায়
পশ্চিম....... তখন কষ্ট লাগে। নিজেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী মনে হয়।
কারা যেনো তারুণ্যকে এ্যাকোরিয়ামের মাছের মতো আটকে রেখেছে।

আরেকটা জিনিস দেখে তারুণ্যেও মুখে ভাজ পড়ে। ইংরেজি প্রিতি। কথায় কথায়
ইংরেজি। বাংলা শব্দগুলো অচ্ছুত। আমি ইংরেজি ভাষার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার
করিনা। সেদিন এক সেমিনারে গেলাম , প্রধান বক্তা ৭০ ভাগ বললেন ইংরেজিতে।
অথচ, বিষয় ছিলো "বাংলা ভাষার অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত" ।

বাংলা ভাষার এমন অপব্যাবহারের নতুন মিশেল "এফ এম " রেডিও । আমার এক বন্ধু
ফোনে জিজ্ঞেস করেছিলো: জগা খিচুড়ি কেনো শুদ্ধ বাংলায় বলতে পারো না ? ওপাশের উত্তর :"আপনার কমেন্ট সিরিয়াসলি প্রোটেষ্ট করলাম"। শুনে হেসে
বাচিনে।
অনেক চেষ্টা করে রবীন্দ্র-নজরুল সংগীত আদায় করতে পারিনে।

হায় বাঙালী !

আমি ধন্যবাদ দেই; আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারকে। তিনি বলেছেন "আলোকিত মানুষ
চাই" । আমি বলি আলোকিত তারুণ্য চাই। আজকের আরুণ্য মুক্তি চায় অবরুদ্ধ
অনুকারী উত্তরাধিকার থেকে। তারুণ্যের জয় হোক। বাঙালী তারুণ্যের।

জয় বিজয় আর যতো কিছুই আমরা চাই না কেনো... ততদিন কোনো সাফল্য আসবেনা যতদিন আমরা এর বিকল্প কিছু সেই আক্রান্ত ক্যান্সার রোগীদের সামনে উপস্থাপন করতে না পারবো...

@ লাল বৃত্তঃ একমত...

-

shetu

গুরু শব্দটা এখন ইংরেজিতে ঢুকে গিয়েছে। "বিশেষজ্ঞ-উপদেশপ্রদানকারী" অর্থে ব্যবহৃত হয় (নিচের লিংক দ্রষ্টব্য)। আমি অবশ্য জানি না ওরা কি জেনে না কি না জেনে এমন সন্ধি ঘটিয়েছে! 

http://dictionary.reference.com/browse/guru

@আহমাদ আব্দুল হালিমঃ বিশাল কমেন্ট দিয়েছেন ভাইয়া। কিছুই বলার নাই আসলে। তবে কিছুই ভাল লাগেনা বলে চোখ বন্ধ করেও আর বসে থাকা যাচ্ছেনা। সবকিছু কেমন যেন ধাক্কা দিচ্ছে।
বাংলা-ইংরেজির মিশ্রনে কথাবার্তা এখন খুব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আমি নিজেও দেখেছি একদম ১০০% খাটি বাংলায় আমি কথা বলতে পারিনা। ইন্টারমিডিয়েটে আমাদের বাংলার ম্যাডাম কিন্তু পুরা ইংরেজিতেই কথা বলতেন। শুধু বইয়ের টপিকস বাদে...তবুও চেষ্টা করি...
পশ্চিমের অনুসরন করাকে আজকাল আধুনিকতার ইউনিট হিসাবে ধরা হয়। তারুণ্যের জয় কিভাবে আসবে সেই ওয়ে তো কেউ দেখাচ্ছেনা, শুধু তারুণ্যের জয় নিয়ে স্লোগান দিচ্ছে। আল্টিমেইটলি তারুণ্যের জয় হচ্ছে নেগেটিভ সাইড থেকে।
যে লাভগুরু তারুণ্য নিয়ে কাজ করছে সেরকম আরো সবার এগিয়ে আসা উচিত। যেটা লাভগুরু পারবেনা সেটা হয়ত অন্যকেউ পারবে...কিন্তু এগিয়ে না আসে শুধু স্লোগান দিলেই তো আর হবেনা...

-

shetu

মাফ করবেন বাট লাফগুরু কে?

ফোনে প্রেম সত্যি রিস্কি ব্যাপার। যদিও আমার সামনা-সামনি প্রেম ভেঙে গেলেও ফোনে না দেখে প্রেম টিকে গ্যাছে। আগামী বছর বিয়ে করছি...

রেডিও আমারে প্রচারিত আমার ভালবাসা প্রোগ্রামের সঞ্চালক হচ্ছে লাভগুরু...
শুভকামনা থাকল আপনার জন্য।

-

shetu

“আপনার প্রোগ্রামে যারা ভালবাসা নিয়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয় তারাই আপনার
কাছে সেই কাহিনি শুনাতে আসে। এরকম কি কোন প্রোগ্রাম করতে পারবেন যেখানে
যেসব তরুন সমাজ বর্তমান ভালবাসা নিয়ে সঙ্কটে আছে, ক্রাইসিসের মধ্যে আছে
তারা তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য আপনার প্রোগ্রামে আসবে? যদি করতে পারেন
আমার বিশ্বাস হাজার হাজার তরুণ-তরুণি আপনার প্রোগ্রামে আসবে সমস্যার
সমাধানের জন্য। এতে করে হয়ত অনেককেই আপনি পারবেন জীবনের স্বাভাবিক গতিপথে
ফিরিয়ে আনতে। হয়ত পারবেন জীবন আধারের করাল গ্রাসে প্রায় ডুবন্ত কোন
তরুন-তরুণীকে বেঁচে থাকার কোন উপকরণ বের করে দিতে। কারন রেডিও আমারে
ভালবাসার কাহিনি শুনে নিজের ভালবাসার সময় কেউ তাদের ভুল প্র্যাকটিক্যালি
দেখতে পায়না। যদি পারেন তাহলে প্লিজ আমার এই অনুরোধটা রাখবেন। আশা করি এতে
করে তরুণ সমাজ সুন্দর সমাধানের একটা মিডিয়া সোর্স পাবে।"

সহমত।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

ধন্যবাদ পড়ার জন্য।

-

shetu

আজকাল আর সেই প্রকৃত ভালবাসার দেখা খুব একটা দেখতে পাইনা। দুপুর বেলা ক্লাসের ফাকে যখন কাফে তে খেতে আসি তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়। কত সুন্দর জোড়া একসাথে বসে আডডা দিেচছ। কিন্তু কতজনের বেলায় তা পূ্রনতা পাবে তা আমি জানিনা। আপু মেহতাব খানমের কলাম আমার ও favourite. thanks for this nice article.

-

saavy

সালাম

 

লাভগুরু  সম্পর্কে কোন ধারণাই  ছিল  না ।   যাই হোক , আজকাল  মায়ের পেটে থাকতেই  বাচ্চারা   হিন্দী নাটকের  প্রেম , ভালবাসার    সংলাপ  শুনতে  শুনতে  দুনিয়ায়  আসছে  , তাই  ওদের  তেমন  দোষ  দেই  না ।  বেশী দোষ অভিভাবকদের ,  মিডিয়া যারা নিয়ন্ত্রণ করছে    তাদের  । 

 

মাঝে  মাঝে  ভাবে বাংলাদেশের সব অভিভাবকরা কি মারা গিয়েছেন ?  ছেলে-মেয়েদের  ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া , তারা কী পোশাকে  বাইরে যায় ,    কোথায় কার সাথে সময়  কাটায়  , মোবাইলে  কার সাথে সারা   রাত  কথা বলে  -  এ সব  বিষয়ে  তারা  উদাসীন কেন ? 

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (9টি রেটিং)