ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক কিছু টিপস

কর্মক্ষেত্রে সকলেই চায় নিজেকে প্রতিযোগীতায় টিকিয়ে রাখতে। কর্মক্ষেত্রে নিজেকে যোগ্য এবং ক্যারিয়ার গঠনে সহায়ক কিছু টিপস দেয়া হলো ঃ

১. আত্মবিশ্বাসী হোন। কোনো কাজ শুরু করার পূর্বেই হেরে বসবেন না।

২. কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে ভালবাসুন। কাজকে যদি ভালোবেসে
চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে না পারেন তাহলে আপনার পক্ষে কখনো উন্নতি করা সম্ভব
নয়।

৩. সহকর্মীদের কাজের প্রতি ঈর্ষান্বিত হবেন কিন্তু হিংসা করবেন না। মনে রাখবেন হিংসা এবং ঈর্ষা দুটি পুরোপুরি বিপরীত জিনিস।

৪.স্মার্ট হবেন কিন্তু ওভার স্মার্ট নয়। যে স্মার্টনেসের মাধ্যমে আপনি
আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন ততটুকু স্মার্টনেসই আপনার জন্য
যথেষ্ট।

৫.উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও বিনয়ী,সহকর্মীদের প্রতি
সহনশীল এবং নিম্ন পদস্থ কর্মীদের প্রতি যত্নশীল থাকার চেষ্টা করুন।

৬.অফিসের ম্যানেজমেন্টের কাছে আপনার কোন অভিযোগ বা মতবিরোধ থাকলে
যথাসম্ভব বিনয়,ভদ্রতা এবং কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিহার করে সেটি
তাদের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করুন।

৭.আপনার সারা মাসের কাজগুলো বা দৈনন্দিন অফিস ওয়ার্কগুলো একটা রুটিনের
মধ্যে নিয়ে আসুন। এতে আপনি খুব সহজেই আপনার কাজগুলো করতে পারবেন।

৮.কর্মক্ষেত্রে আপনাকে যদি এমন কোন কাজ করতে বলা হয় যেটি সম্পর্কে
আপনি অবগত নন বা যে কাজ সম্পর্কে আপনার কোন ধারনাই নেই তাহলে তা সরাসরি
কতৃপক্ষকে জানান। যদি কাজ সম্পর্কে ভালোভাবে না জেনেই আপনি কাজটি করতে যান,
তাহলে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনাই বেশি।

৯.নিজের ভুলগুলো নিজেই খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন এবং তা সংশোধনের জন্য উদ্যগী হন।

সবশেষে বলতে চাই আপনি যে পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন সেখানে যদি আপনি
কোনভাবেই সুখী হতে না পারেন তাহলে দ্রুত অন্য কোন ভালো জব খুঁজে নিয়ে
সেখানে জয়েন করা উচিত। কারণ কাজের প্রতি মনোযোগ বা ডেডিকেশন না থাকলে সেই
পেশায় উন্নতি প্রায় অসম্ভব।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

৭.আপনার সারা মাসের কাজগুলো বা দৈনন্দিন অফিস ওয়ার্কগুলো একটা রুটিনের মধ্যে নিয়ে আসুন। এতে আপনি খুব সহজেই আপনার কাজগুলো করতে পারবেন।

এই পয়েন্টখানা আমার খুব কাজে লাগে।

-

-রাজনীতিতে না কি শেষ কথা বলে কিছু নেই

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)