দু'জনেই যেন এক

দুই ব্যারিস্টার দু'প্রান্তের রানৈতিক নেতা হলেও দুজনের কর্মকাণ্ড যেন
প্রায় একই রকম। শুধু কর্মকাণ্ড একই নাই, দু'জনই আছেন একটি জোটের
রাজনিতিতে। তারা সময়ের আলোচিত মুখ হিসেবে বেশ শুক্ষেতিও অর্জন করেছেন।
জনাব আন্দালিব রহমান পার্থ রিতিমত সরকারের সমালোচনা করে ইতিমধ্যে বেশ
একধরনের জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলেই যেন মনে হয়।
সময়ের এ দুই আলোচিত
রাজনীতিক মওদুদ আহমেদ ও আন্দালিব পার্থের কথাই বলছি। দুজনের মধ্যে রয়েছে
অদ্ভ‍ুত রকমের সাদৃশ্য। কি ব্যক্তি জীবনে, কি তাদের কর্মজীবনে। ইদানীং
দুজনের আচরণে-কথাবার্তায় আশ্চর্য সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হচ্ছে-যেন একজন
আরেকজনের কার্বন কপি!!
মওদুদ ও পার্থ দুজনেই রাজনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে
জড়িত। দুজনেই বাংলাদেশের অত্যন্ত পরিচিত মুখ। ক্যাটাগরির দিক থেকে দুজনেই
বেশ প্রভাবশালী রাজনীতিবিদও। দুজনেই ক্ষমতাসীন দলের বাইরে রয়েছেন।
অর্থ্যাৎ বিরোধীদলে।
দুজনেই নামের পূর্বে ‘ব্যারিস্টার’ ডেজিগনেশন
ব্যবহার করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুসারে মওদুদ ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে 
থেকে সম্মান পাশ করে লন্ডনের লিঙ্কনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি অর্জন
করেন। লন্ডনে পড়াশুনা করে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং হাইকোর্টে ওকালতি শুরু
করেন। তিনি জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কর্মরত
ছিলেন বলেও জানা যায়। অর্থ্যাৎ তিনি শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।
অন্যদিকে
পার্থ, মওদুদের মতো একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ্যাৎ  লন্ডনের লিঙ্কনস
ইন থেকে ১৯৯৭ সালে বার-অ্যাট-ল’ সম্পন্ন করেন বলে জানা যায়। যদিও তিনি আদৌ
বার-অ্যাট-ল’ পাশ করেছিলেন কি-না এ নিয়ে জোর বিতর্ক বাজারে চালু আছে। তবে
মওদুদ আহমেদের মতো পার্থও লন্ডন থেকে দেশে ফিরে আসেন এবং দেশে ফিরে চার
বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে। বর্তমানে
তিনিও একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
বাংলাদেশের
রাজনীতির অঙ্গনে এই দুজন ব্যক্তিকে সব থেকে সৌভাগ্যবান ব্যক্তি বলা চলে। সব
দলের সাথে তাদের দুজনের সখ্যতা সত্যি যে কারও জন্যই ঈর্ষণীয়। মওদুদ আহমেদ
বাংলাদেশের সব বড় দলে থেকেই ক্ষমতার মধু চেখে দেখেছেন। বিএনপির নাজমুল
হুদাসহ রাজনীতিক মহলের..বিস্তারিত

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)