৫ মে হেফাজতে ইসলামের ঢাকা অবরোধকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

আড্ডা পোস্টের বিষয়ঃ ৫ মে হেফাজতের ঢাকা অবরোধ

বিসর্গে সবমসময় একটু গুরুগম্ভীর লেখালেখি দেখে আসছি। সস্তা বা হালকা লেখালেখি তেমন আসে না। হয়তবা বিসর্গের ভাবধারা এভাবে গড়ে উঠেছে তাই কেউ হালকা পোস্ট করার কথাও ভাবছে না। যাক সেসব কথা। আমি মাঝে মাঝে আড্ডা জমাতে চাই বিসর্গে। কিন্তু তেমন সাড়া পাইনি।

আগামী কাল ৫ মে ২০১৩। হেফাজতে ইসলামের আহ্বানে ঢাকা অবরোধ করার কথা শুনে আসছি অনেকদিন থেকে। আমরা আড্ডা পোস্টের মাধ্যমে কিছু আলাপ সালাপ করি আসুন। এখানে কয়েকটি বিষয় স্থান পেতে পারে- হেফাজতের উত্থান, সংগঠন, ভবিষ্যত, ১৩ দফা দাবী, সরকারের উপর প্রভাব, জনগণের উপর প্রভাব, বিরোধী দলগুলোর সমর্থন ও বিরোধিতা ইত্যাদি।
তবে আড্ডা তো আড্ডাই। তবুও আশা করবো সবাই নীতিমালার দিকে নজর রাখবেন এবং এডমিনরাও একটু ছাড় দিবেন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

দেখা যাক হেফাযত কাল কি চমক দেখায়।

-

আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট: www.islam.net.bd

এ পর্যন্ত কতজন নিহত হলো কেউ জানেন?

-

আড্ডার দাওয়াত রইল।

> > > প্রতি শুক্রবার আড্ডা নতুন বিষয়ে আড্ডা শুরু হবে।

আমি আরেকজনের (শাফাকাত রাব্বী)ফেইসবুক স্ট্যাটাস কপি করে দিলাম,যেটার সাথে আমি মোটামুটি একমতঃ

হেফাজতের অবরোধ প্রসঙ্গে

হেফাজতের অবরোধ হবে। একদিনেই শেষ হবে বলে অনেকে মনে করছেন, ঠিক যেভাবে শেষ
হয়েছিল এপ্রিল ৫ এর লং মার্চ। তখন ঠিক মতো টাইম দিয়ে টাইম রেখে ফিরে চলে
গিয়েছিল হেফাজতের প্রায় ২০ লক্ষ বা তার অধিক পায়ে হেঁটে আসা মানুষ। তাদের
সেই টাইম দিয়ে টাইম রাখার রাখার ব্যাপারটিকে দেশের রাজনৈতিক কালচার অনুযায়ী
অনেকের কাছে বেশ ফানি লেগেছিল। বলতে শোনা গেছে "এতই যদি হিম্মত, তা তোমরা
শাপলা চত্তরের দখল ধরে রাখলা না কেন?"
এই কথা যারা বলেছে তাদের বেশির ভাগের রাজনৈতিক দর্শন তাদের সাথে মিলে যারা
শাহাবাগের দখল হাতে রেখেছিল ততদিন, যতদিন না পাবলিক নিজে থেকে শাহবাগে আসা
বন্ধ করেছে।

এপ্রিল ৫ এর আগের রাজনৈতক প্রেক্ষাপট সবার জানা। সেই
লং মার্চের পরের প্রেক্ষাপটও সবার জানা। দু'দিন আগে সরকারের আহবানে সাড়া
দিয়ে বিরোধীদল হরতাল প্রত্যাহার করেছে। এক দিন আগে সরকার নিমন্ত্রন দিয়ে
বিরোধীদের সংলাপে ডেকে আনার সংকেত দিয়েছে। দেশের যোগাযোগ মন্ত্রী ও তথ্য
মন্ত্রী দু'জন আজকে বাণী দিয়েছেন, যার সারমর্ম হলো "দেশের রাজনীতির বর্তমান
পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধী দলের আলোচনায় বসা উচিত।" আহবানটির টাইমিং
খুব গুরুত্বপূর্ন। বিরোধীরা সবাই জেলে। ওরা তেমন কিছুই করতে পারেনি যে
সরকার উতলা হয়ে হঠাত আলোচনা ডাকার তাগিদ অনুভব করলো।

এই মাত্র
দেশের প্রধানমন্ত্রী মাত্র ১ বছর আগেও নাম নাজানা একটি সংগঠনের ঢাকা অবরোধ
কর্মসূচি নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। ভাষণে আরো কিছু ব্যাপার নিয়ে
আলোচনা থাকলেও ২১ মিনিট ধরে ছিল হেফাজতের ১৩ দফা দাবির পয়েন্ট বাই পয়েন্ট
যুক্তি ও তথ্য খন্ডন। হরতাল, অবরোধ, লং মার্চ, ঘেরাও, মানববন্ধন এগুলো
আমাদের দেশে হতেই থাকে। লক্ষ লোকের সমাগমও হয়েছে এর আগে। কিন্তু এগুলো নিয়ে
বর্তমান ও আগের প্রধানমন্ত্রীদের জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দিতে দেখা গেছে খুব
কম। এ'থেকে বুঝা যায় কেউ কেউ হেফাজতের অবরোধকে বেশ সিরিয়াসলি নিয়েছেন।

প্রশ্ন হলো কেন এই নজির বিহীন টেনশন একটা তথাকথিত "নতুন", "ভুইফোঁড়" সংগঠনের ঢাকা অবরোধ নিয়ে? কি এমন হয়েছে?

হয়েছে তিনটা জিনিস। এপ্রিল ৫ লং মার্চ, ফটিকছড়ির জঘন্ন নির্মমতা, আর
সাভারের ভয়াবহতা। এই ঘটনা তিনটা সম্পুর্ন ভাবে তিনটি ভিন্ন ধারার।
তারপরেও তাদের ইম্পাক্ট পর্যালোচনা করলে একটা বিষয় স্পষ্ঠ। তিনটিতেই দেশের
"সুবিধা বঞ্চিত শ্রেনীর" মানুষদের গনহারে "সুবিধা-প্রাপ্ত শ্রেনীর"
মানুষদের বিরুদ্ধে চলে যাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সুবিধা-প্রাপ্তরা একারণেই খুব টেনশনে।

যা ভেবেছি তার চেয়েও বেশি কল্পনাময় ঘটনা ঘটেছে হেফাজতের অবরোধ কর্মসূচিতে। মহান আল্লাহই এর দায়িত্ব নিন।

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)