৯/১১'র হামলা সম্পর্কে কয়েক মাস আগেই জানতেন বুশ-চেনি

 নিউ ইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র এবং পেন্টাগনে ৯/১১’র হামলা সম্পর্কে কয়েক মাস আগে থেকেই জানতেন ততকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রামসেফেল্ড। এ কথা বলেছেন,  ৯/১১ হামলার পর মার্কিন প্যাট্রিয়টিক অ্যাক্টের আওতায় গ্রেফতার হওয়া সুসান লিন্ডর নামে সিআইএ’র এক কর্মী।

 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হামলার পর তিনি মার্কিন কংগ্রেসের সামনে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এ বিষয়ে তিনি ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানাতে সরকারের কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তার জবাবে সরকার তাকে আটক করে।

 

লিন্ডর এখন সাহসের সঙ্গেই তার কারাগারের অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার কথা বলছেন। তিনি এখন তার আটক এবং কারাগারে নিক্ষেপের আসল কারণ সম্পর্কেও কথা বলা শুরু করেছেন। সুসান দাবি করেছেন, সরকার জানত যে- ৯/১১’র হামলা সম্পর্কে তিনি সুস্পষ্ট তথ্য জানেন এবং এ কারণেই সরকার তাকে আটক করে।  

 

সুসান লিণ্ডারকে আটকের পর মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএ দাবি করেছিল- লিন্ডর ইরাক থেকে অর্থ নিয়ে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরাকি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলার জন্য সিআইএ’র এজেন্ট হিসেবে তাকে পাঠানো হয়েছিল। ওই সময় ইরাকের লোকজন আল-কায়েদা সম্পর্কে তথ্য দিয়ে মার্কিন সরকারকে সহায়তা করছিল।

 

সম্প্রতি রাশিয়ার একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচারিত ইউটিউব ভিডিও ফুটেজে লিন্ডর বলেছেন- বুশ, চেনি ও রামসফেল্ড জানতেন ৯/১১’র হামলা সংঘটিত হতে যাচ্ছে।

 

এ ভিডিওতে তিনি আরো জানিয়েছেন, সিআইএ’র কন্ট্রোল অফিসার ড. রিচার্ড ফিউশ্‌জকে একটি লাইভ ফিড দেখতে দেখেছিলেন যাতে দেখা গেছে যে, ইসরাইল থেকে আসা বিমান বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র আঘাত হানছে।

 

এ ঘটনায় পরিষ্কার হয়ে যায় যে, ২০০১ সালের ১১ সেপেটম্বর ইসরাইল হামলা চালিয়েছিল। তারপরও এ নিয়ে এখনো বিতর্ক করা হচ্ছে।#

সূত্র: রেডিও তেহরান

ছবি: 
আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None