কাম বাসনায় পরিতৃপ্ত হতে সৌদিদের নতুন পদ্ধতি "দিবাগত বিয়ে"

দিবাগত এ
বিয়েতে নারী ও পূরুষ দিনের কয়েক ঘন্টা মাত্র -সাধারণত দুপুরে – এক সাথে
থাকে এবং অন্যান্য সময়গুলোতে পারস্পরিক কোনো রকম দায়িত্ব পালন করবে না। দিবাগত বিয়ে
সমাজে বিভিন্ন ধরণের সমস্যার সৃষ্টি করে, সন্তানের অনির্দিষ্ট ভাগ্য ...

দিবাগত
বিয়ের ভিত্তিতে স্বামী –স্ত্রী'র
জুটি যেখানে শুধুমাত্র দুপুরের কিছুটা সময় এক সাথে দেখা করবে সৌদি আরবের নতুন
পদ্ধতির বিবাহের মধ্যে একটি। এরূপ বিয়েকে বহু সৌদি নারী -পুরুষ
প্রধান্য দিয়ে থাকে।

সৌদি আরবের
দৈনিক আল মাদিনা'র বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক "ফারদা"র রিপোর্টে বলা হয়েছে: সৌদি আরবের
আইন অনুযায়ি দিবাগত বিয়েতে নারী ও পূরুষ দিনের কয়েক ঘন্টা মাত্র -সাধারণত দুপুরে -
এক সাথে থাকে এবং অন্যান্য সময়গুলোতে পারস্পরিক কোনো রকম দায়িত্ব পালন করবে
না।

সৌদি আরবের
সাময়িক বিয়েগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে দিবাগত বিয়ে, যেখানে নারী ও পুরুষ শরীয়তের বিধান
মত পারস্পরিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আল মেসয়ার, আল মেসফার, আল মেসয়াফ ও আল এবতেআস
এর মত অন্যান্য সাময়িক বিয়ের সাথে এ বিয়ের পার্থক্যটা হচ্ছে দিনের বিশেষ সময়ে
স্বামী –স্ত্রী'র
সাক্ষাতের সীমাবদ্ধতা।

"রোকাইয়া
আল এনযি" নামক একজন সৌদি নারী এ বিয়ের প্রতিবাদ করে বলে: দিবাগত বিয়ে শরীয়ত ও আইন
সম্মত আকদের উপর নির্ভরশীল এবং যে নারী ও পুরুষ এ বিয়ে করে থাকে তারা শরীয়ত এ আইন
বিরোধী কোনো কাজ করেনি। কিন্তু আমি এ জন্য এ বিয়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে, পুরুষরা এ
বিয়েকে দ্বিতীয় পর্যায়ের বিয়ে হিসেবে মনে করে আর এ ধরণের বিয়েতে নারীদের সাথে
সাধারণত যথাযথ আচরণ করা হয় না।

দৈনিক আল
মাদিনা এ সম্পর্কে আব্দুল আযিয বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামি ও পারিবারিক গবেষণা বিষয়ক
শিক্ষক "ড. হাসান মাহমুদ সাফার" এর সাথে আলোচনা করে এবং এ বিয়ে সম্পর্কে তাঁর
দৃষ্টি ভঙ্গি জানতে চায়।

পাশ্চাত্য
হতে আগত এ বিয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে মাহমুদ সাফার বলেন: শরীয়তের দিক থেকে এ বিয়েতে
বিভিন্ন ধরণের সমস্যা রয়েছে।

এ বিয়ের
শরীয়ত সম্মত ভিত্তি সম্পর্কে তিনি বলেন: দিবাগত বিয়ে, সমাজের জন্য বিভিন্ন ধরণের
সমস্যা বয়ে আনে, এ বিয়ের ফলে সন্তানের অনির্দিষ্ট ভাগ্য একটি অন্যতম সমস্যা যার
কারণে ভবিষ্যতে সমাজ খন্ড বিখন্ড হয়ে যাবে।

তিনি আরো
বলেন: দিবাগত বিয়ের প্রতি যে পুরুষদের ঝোঁক রয়েছে সাধারণত তারা এর পূর্বে পারিবারিক
সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং তাদের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। এরূপ পুরুষরা দায়িত্ব
গ্রহণ না করার জন্য এ ধরণের বিয়ের প্রতি অগ্রসর হয়।

ড. মাহমুদ
সাফার তদ্রূপ শরীয়তের বিধানের সাথে এ ধরণের বিয়ের মিল সম্পর্কে বলেন: বিয়ের জন্য
ইসলাম ধর্ম যে সকল উদ্দেশ্যের বর্ণনা করেছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে পরিবার গঠন ও তার
হেফাজত করা। কিন্তু যারা এ বিয়েকে শরীয়ত সম্মত বিয়ে হিসেবে সৌদি আরবের আইনের
অন্তর্ভুক্তি করেছেন বাহ্যত শরীয়ত সম্পর্কে তাদের তেমন একটা জ্ঞান নেই।

সূত্র: http://www.taqrib.info/bengali/

আপনার রেটিং: None

ইসলামের হালাল লিভটুগের............................। নয় কি??

সালাম

স্ত্রী   ও  সন্তানের   প্রতি দায়িত্বে  অবহেলা  ইসলাম সমর্থন  করে না । এটা  মনে হচ্চে   মুতা   বিয়ের  নতুন  সংস্করণ ।   মুতা  বিয়ে আল্লাহর  রাসূল  সাল্লাললাহু  আলাইহি ওয়াসাল্লাম   অনেক  আগেই  নিষিদ্ধ   করেছেন ।

Rate This

আপনার রেটিং: None