মুহাম্মাদ (স) সিনেমা নিয়ে পরিচালক মাজিদ মাজিদি যা বললেন

%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6-(%e0%a6%b8)-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%95-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের খ্যাতনামা
চিত্রনির্মাতা মাজিদ মাজিদি বলেছেন, ইসলামের সঠিক ভাবমর্যাদা বিশ্বে তুলে
ধরার লক্ষ্যেই তৈরি করা হয়েছে বিশ্বনবীর মহাজীবন আলেখ্যভিত্তিক ছায়াছবি
‘মুহাম্মদ (স)’।

বার্তা সংস্থা ইকনা: তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বরেণ্য এ চিত্র
পরিচালক। মহানবীর জীবনআলেখ্য উপজীব্য করে চলচ্চিত্র নির্মাণের ধারণা কী
করে মনে এল- সে কথাও এ সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্ত করেন তিনি।
মাজিদ মাজিদি আরো বলেন, ৮ বছর আগে ডেনমার্কে যখন তাকে সম্মান জানানোর জন্য
একটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়, সে সময় দ্বীনের নবীর জীবনভিত্তিক
ছায়াছবি নির্মাণের তাগিদ অনুভব করেন তিনি। মহানবীকে (স) অবমাননাকর কার্টুন
ডেনমার্কে ছাপানোর পরিপ্রেক্ষিতে এ তাগিদ অনুভব করেন তিনি।
মাজিদ মাজিদি বলেন, “আমি ভাবলাম, আমার সবচেয়ে পবিত্র বিশ্বাস ও
সম্মানবোধকে অবমাননা করা হচ্ছে সে দেশটিতে (ডেনমার্ক) কি করে আমাকে সম্মান
জানানোর অনুষ্ঠান হতে পারে! এ অবস্থায়, এ জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারব না
বলে একটি চিঠি লিখে জানিয়ে দিলাম। ইসলাম অবমাননার প্রতি তাৎক্ষণিক কোনো
প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বরং ইসলামি সংস্কৃতিকে তুলে ধরা উচিত বলে সিদ্ধান্ত
গ্রহণ করি।”  ওই সিদ্ধান্তের আলোকেই সাত বছর আগে ‘মুহাম্মদ (স)’ ছায়াছবিটি
নির্মাণ তৎপরতা শুরু করেন বলে জানান তিনি।
মাজিদি বলেন, ইসলাম নিয়ে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ ছবি নির্মাণ করা হয়েছে।
অস্কার-বিজয়ী ইরানি পরিচালক মাজিদ মাজিদি বলেন, মহাকাব্যধর্মী এ ছায়াছবি
২৬ আগস্ট ইমাম রেজা (আ)-এর জন্মদিনে সমগ্র ইরানে মুক্তি পাবে। কানাডার
মন্ট্রিলে অনুষ্ঠেয় ৩৯তম বিশ্ব চলচ্চিত্র উৎসবে 'মুহাম্মদ (স)' ছবিটির
প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হবে ২৭ আগস্ট। এ উৎসব ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
চলচ্চিত্র উৎসব শেষ না হওয়া পর্যন্ত  বিশ্বব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী
স্থগিত রাখা হবে বলে জানান তিনি।
মহানবী (স)কে নিয়ে নির্মিত ট্রিলজি বা তিনখণ্ডের ছায়াছবির এই প্রথম খণ্ডে
তাঁর মক্কার জীবনআলেখ্য তুলে ধরা হয়েছে। ১৭১ মিনিটের এ ছায়াছবি নির্মাণে
পাঁচ বছর সময় লেগেছে। ইরানের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ ছবি নির্মাণে ৫৫ কোটি ডলার
ব্যয় হয়েছে। মোহাম্মদ মাহদি হায়দারিয়ান প্রযোজিত এ ছবির চিত্র ধারণ করা
হয়েছে ইরান এবং দক্ষিণ আফ্রিকার শহর বেলা-বেলা’তে।
ছবিটি নির্মাণে চলচ্চিত্র জগতের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে খ্যাতিমান
ব্যক্তিত্বরা সহযোগিতা করেছেন। এতে কাজ করেছেন ইতালির তিনবারের অস্কারজয়ী
সিনেমাটোগ্রাফার ভিত্তোরিও স্তোরারো, ইতালির ফিল্ম এডিটর রোবাতো পেরপিগানি,
মার্কিন স্পেশাল এফেক্ট শিল্পী স্কট ই অ্যান্ডারসন, ইতালির মেকআপ আর্টিস্ট
গিয়ানেত্তো ডি রোসি এবং ভারতীয় প্রখ্যাত সুরকার আল্লা রাখা রহমান (এ আর
রহমান)। iqna

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

নবীকে নিয়ে সিনেমা বানানো উচিত হলো কিনা বুঝতে পারছিনা।

-

==<>== ==<>== ==<>==

"আমার বিশ্বাসই আমার শক্তি।"

==<>== ==<>==

সালাম,

আমাদের দেশ সহ পার্শ্ববর্তী দেশ সমূহে সিনেমা শব্দের অর্থ একটু ভিন্ন রকমই বুঝাই। সিনেমা বলতে একটা কাহিনী (হাস্যকর, ভয়ংকর, পারিবারিক....) এবং তার সাথে থাকে নাচ গান ও অন্য বিষয় সমূহ। যে বিষয়গুলো ইসলামে হারাম বলে অভিহিত হয়েছে। তবে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পরে এ দেশটি ইসলামিক পন্থায় পরিচালিত হয়ে আসছে। ইরানের টেলিভিশনের নাটক অথবা সিনেমায় যে সকল অভিনেতারা অভিনয় করে তারা সকলেই ইসলামিক মর্যাদা বজায় রেখে অভিনয় করে। উদাহরণ স্বরূপ ইরানের সকল সিরিয়াল অথবা সিনেমায় নারীরা সর্বদা হিজাব ব্যবহার করে এবং কখনোই একটি নারীকে একটি পুরুষ স্পর্শ করে না (অথবা এর বিপরীত) এবং সিনেমায় গান থাকলেও নাচ কোন দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন না। আর নারী কণ্ঠের গান আপনি শুনতে পাবেন না।
আমরা মুসলমান, কিন্তু আমরা কজন আমাদের নবী (সা.)এর জীবনী সম্পর্কে অবগত রয়েছে। খুব কম মানুষই আছে যারা হযরত মুহাম্মাদ (সা.)এর জীবনী নিয়ে পড়ালেখা করেন এবং সেই মোতাবেক নিজেদের জীবনকে পরিচালনা চেষ্টা করেন।
কিছুদিন পূর্বে আমেরিকার এক নির্মাতা হযরত মুহাম্মাদ (সা.)এর জীবনী নিয়ে একটি অবমাননাকর চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিল। এরফলে বিশ্বর মুসলমানেরা সকলে একজোটে প্রতিবাদ করেছিল। কিন্তু তারপরও এ ছবিটি বিভিন্ন সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রচার করা হয়েছিল।
আর ইরানে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)কে নিয়ে যে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা হয়েছে এতে তাঁর অতি সুন্দর সঠিক জীবনীকে বিশ্বের মুসলমানের নিকট তুলে ধারা হয়েছে। তিন পর্ব বিশিষ্ট এ চলচ্চিত্রের প্রথম পর্ব খুব শীঘ্রই প্রচার করা হবে। আপনি যদি www.mohammadmovie.com সাইটে ক্লিক করেন তাহলে ফার্সি ভাষায় এ ছবিটির ৪টি ট্রেইলার সহ ছবি নির্মাণের কিছু দৃশ্য দেখতে পাবেন। আর ছবিটির মাধ্যমে শুধুমাত্র বিশ্বের মুসলমানেরাই উপকৃত হবে না বরং অমুসলিমরাও উপকৃত হবে এবং ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে যে সকল অমুসলিমদের ভ্রান্তি ধারণা রয়েছে সেগুলোও দুর হবে।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)