ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সাথে মানুষের সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের সম্পর্ক

ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সাথে মানুষের সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের সম্পর্ক

সাধারণ জনগণ শুধু ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের আলামতের সন্ধান করে। কাজেই এ অবস্থার অবশ্যই সংশোধন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আমাদেরকে ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের আলামতের পরিবর্তে আবির্ভাবের ক্ষেত্র প্রস্তুতে এগিয়ে আসতে হবে।

বার্তা সংস্থা ইকনা'র রিপোর্ট: আমরা এমনই এক যুগে বসবাস করছি যে যুগের দুটি দিক রয়েছে; প্রথমটি এ যুগ হচ্ছে ইমাম মাহদীর (আ.) প্রতীক্ষার যুগ এবং দ্বিতীয়ত এ যুগে ইসলামী বিপ্লব সফল হয়েছে।

কাজেই এ দুটি দিককে বিবেচনা করে আমাদের জানা প্রয়োজন যে, ইমাম মাহদীর (আ.) প্রতীক্ষার প্রতীক্ষিত একজন এবং ইসলামী বিপ্লবের সৈনিক হিসেবে করণীয় কি?

এমতাবস্থায় আমাদের দেখতে হবে যে, বর্তমান সমাজের বাস্তব অবস্থা কি? এ সমাজের অধিকাংশ লোক শুধুমাত্র ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের আলামত খুঁজে; কিন্তু আবির্ভাবের জন্য প্রথমে উপযোগী পরিবেশ প্রস্তুত করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা যারা নিজেদেরকে ইমাম মাহদীর (আ.) অনুসারী দাবি করি, তাদের উচিত নিজেকে একজন প্রকৃত প্রতীক্ষাকারী হিসেবে গড়ে তোলা।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের দিকে দৃষ্টি দিলে আমরা দেখতে পাই, যখন ইমাম খোমেনী (রহ.) ইসলামী বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন; তখন একশ্রেণীর লোক মন্তব্য করেছিল যে, ইমাম মাহদী (আ.) আবির্ভূত হলে সমাজ থেকে সব ধরনের অন্যায় ও জুলুম অপসারিত হবে।

তাই আমাদের বিপ্লবের কোন প্রয়োজন নেই; বরং শুধু ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের প্রত্যাশায় থাকলে যথেষ্ট। কিন্তু ইমাম খোমেনী (রহ.) ইমাম মাহদীর (আ.) আবির্ভাবের পরিবেশ তৈরির উদ্দেশ্যে ইসলামী বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করেন।

সুতরাং যারা ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের প্রেক্ষাপট রচনা করার জন্য সব ধরনের চেষ্টায় লিপ্ত তারাই হচ্ছে সৌভাগ্যবান আর যারা ইমাম মাহদীর আবির্ভাব সম্পর্কে উদাসীন তারা হচ্ছে দুর্ভাগা।
iqna

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)