সৌদি আরবে বাংলাদেশী নারী গৃহকর্মীদের অসহায় জীবন

সালাম

দৈনিক যুগান্তরে একটি লেখা মন খুব খারাপ লাগছে ।

কিভাবে এক বাংলাদেশী নারী গৃহকর্মী অত্যাচারিত হয়ে সেই বাসা থেকে পালিয়ে এক বাংলাদেশীর দোকানে আশ্রয়ের জন্য আসে কিন্ত্ত পুলিশের ভয়ে কেউ তাকে কোন সাহায্য করতে পারে নি । তাই বাধ্য হয়ে মেয়েটিকে আবারো সেই বাড়িতে ফিরে যেতে হয় ।

http://jugantor.us/enews/issue/2012/06/18/news0292.htm

এই লেখা পড়ে মনে যে সব প্রশ্ন জেগেছে , তা লেখককে ই-মেল করেছি । কোন জবাব পেলে জানাবো । এসব সমস্যা নিয়ে অনেক আলোচনা করা দরকার যাতে ভবিষ্যতে আর কোন বাংলাদেশী ভাই - বোন বিদেশের মাটিতে বিশেষ করে আল্লাহর রাসূলের জন্মস্থানে নির্যাতিত না হোন ।

ভাই, আপনার লেখা অত্যন্ত মর্মস্পর্শী । কিন্ত্ত বুঝলাম না কেন আপনারা অসহায় মেয়েটিকে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিয়ে গেলেন না ? মেয়েটির নাম - ঠিকানা , তার গৃহকর্তার নাম - ঠিকানা সম্ভব হলে এখন দূতাবাসকে জানান ।

সৌদি আরবে কোন মহিলা সংগঠণ বা মানবাধিকার সংস্থা নেই , যাদের কাছে সাহায্য চাওয়া যেত ?
মেয়েটির বক্তব্য রেকর্ড করে থাকলে তা অনলাইনে দিতে পারেন যাতে কর্তৃপক্ষ বা কোন মানবাধিকার সংস্থার নজরে আসে ।
মেয়েটির পরিবারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা কি করেছেন ?
সৌদি কোন পত্রিকায় সম্ভব হলে আপনার লেখা আরবীতে অনুবাদ করে পাঠাবেন ; অন্তত্ চিঠিপত্র বিভাগে কয়েক লাইন হলেও পাঠান যাতে কোন না কোন সহৃদয় সৌদির দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় ।
আপনারা যারা সৌদিতে আছেন , তারা চেষ্টা করুন অনলাইনে সৌদি ফোরামগুলিতে আরবীতে এসব সমস্যা তুলে ধরতে , ধন্যবাদ ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

এখন আর ক্রীতদাস-দাসীর যুগ নেই। তাই এখন প্রতিজন মুসলিম মহিলা স্বাধীন।

আগে এ বিষয়ে আলোচনা করা দরকার যে, কিভাবে একজন মুসলিম মহিলা একাকী একটা দেশ ছেড়ে অন্য দেশে কাজের জন্য যায়? এটা ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলেছি।

এছাড়াও যখনি বাংলাদেশ থেকে খাদ্দামা (মহিলা গৃহকর্মী) নেয়ার ব্যাপারে প্রস্তাব হয়েছিল, আমরা প্রবাসীরা নিষেধ করেছি।

এ মহিলা হয়ত নিজেকে হেফাযত করতে চেয়েছিলেন, তাই প্রকাশ হয়েছে। অন্যথা অপ্রকাশিতভাবে এ সমস্যা আরো প্রকট, আরো ভয়াবহ!

সালাম

 

  বাংলাদেশে  বাবা - ভাই - স্বামী  বা  পরিবারের অন্যান্য  পুরুষ  সদস্যরা প্রায়ই    সঠিকভাবে  দায়িত্ব  পালন  করছেন  না ।    প্রতি  বাসাবাড়ির  কাজের   বুয়াদের  কাহিনী  একই  -  স্বামী তাকে ছেড়ে  দিয়েছে ,  কোন  খরচ  দেয়  না  , বাবা   ও  ভাই  খুব  গরীব  -  তারা  তাকে  বসিয়ে খাওয়াতে  পারবে  না  ।   তাই হয়তো  অনেক  অসহায়  নারী  কাজের   খোঁজে    বিদেশে  চলে যাচ্চেন ।

কিন্ত্ত  সৌদিতে  এই  ভয়াবহ  অবস্থা  কেন ?   কোন  বাড়িতে   কাজের  লোকের  উপর অত্যচার  হলে  পুলিশ  বা   কোন  সংস্থা  তাকে  সাহায্য  না  করে   বরং   আবার   তাকে   সেই বাড়িতেই  ফেরত পাঠাবে  ,  এ কেমন  বিচার ?   এসবের  বিরুদ্ধে    জরুরিভিত্তিতে     সবধরণের  প্রচার  চালানো দরকার ।    আগে  উটের  পিঠে  বাংলাদেশি  শিশুদের   জোর  করে  বসানো   হতো  ; অনেক  প্রচার ও  অনুরোধের  পরে  সৌদি  সরকার  কিছুদিন   আগে  সম্ভবত  তা  নিষিদ্ধ  করেছেন  ।

 

সৌদি  আরবে  বাংলাদেশী  নির্যাতিতা  নারীরা  আশ্রয়ের  জন্য কোথায়    যোগাযোগ  করবেন  ?  দূতাবাসে  যোগাযোগ  করলে  তারা  কি  কোনরকম  সাহায্য  করে না ?

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)