পাষন্ড পিতা , অমানুষ স্বামী

সালাম

৫ম সন্তানও মেয়ে হবে  বলে স্ত্রীকে  হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে  খুন : 

 

আর  কতদিন  এসব খবর পড়তে হবে ?  কন্যা    জন্ম  দেবার ' অপরাধে '  স্ত্রীকে তালাক দেয়া ,  নবজাত  শিশুকে খুন করা  এসব  আর  কত ঘটবে ?  আমরা  কি  আল্লাহকে    ভয় করে  চলবো  না  এতটুকু ?

এসব হতভাগা  পিতা  / স্বামী  কবে  বুঝবে যে  কন্যা সন্তানের জন্মকে   পবিত্র  কুরআনে  সুখবর  বলা হয়েছ ?  আমাদের দেশের  প্রতিটি  মসজিদে ,  প্রতি জুমার  খুতবায়  নিয়মিতভাবে  এসব কথা  মানুষকে জানানো  জরুরী হয়ে পড়েছে ।

 

তাদের  কাউকে যখন  কন্যা  জন্মের  সুখবর দেয়া হয় তাদের  মুখ   কালো  হয়ে  যায়    অসহনীয়  মনস্তাপে    ক্লিষ্ট  হয়    ( সুরা  নাহল ‌১৬:৫৮ )

যখন সে  কন্যা  , সে তার  পিতার   জন্য  বেহেশতের  দরজা খুলে দিল  ; যখন সে    বোন ,  সে ভাইয়ের  পরকালের  হিসাব  সহজ  করার উপায় ; যখন  সে  স্ত্রী  ,  সে  তার স্বামীর   দ্বীন  অর্ধেক   আদায়  করে  দিল ;
যখন  সে  মা  ,  তার পায়ের নীচে  সন্তানের  বেহেশত
ইসলামে  নারীদের  প্রকৃত  মর্যাদার  কথা যদি   সবাই  বুঝতো , তবে  পুরুষরাও  মুসলমান নারী  হয়ে  জন্মাতে  চাইতো সহায়ক সূত্র :   শেখ  আকরাম নাদাওয়ীর উদ্ধৃতি

 

আল্ট্রাসনোগ্রামের রিপোর্ট দেখে বউকে খুন

[[নরসিংদীর নারায়ণপুর ইউনিয়নের জংঙ্গয়া গ্রামের জোনাকি বেগমের ৪ মেয়ে। সন্তানসম্ভবা জোনাকি বেগমের ৫ম সন্তানও মেয়ে হবে এ খবরে তার স্বামী তাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছেন।]]

প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, সংসার জীবনে জোনাকির কোলজুড়ে জন্ম নেয় ৪টি মেয়ে। ছেলে সন্তানের আশায় বুক বাঁধেন জোনাকির স্বামী। এরই মধ্যে জোনাকি আবারও অন্তঃসত্ত্বা হন। শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করতে ২৭ জুন বুধবার জোনাকির আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়।

এ সময় তার স্বামী আ. রহমান জানতে পারেন যে এবারও তার মেয়ে হবে। এর পর ওই দিন বাড়ি এসে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাষ- আ. রহমান জোনাকিকে হাতুড়ী দিয়ে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করেন। হত্যার পর এটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য লাশের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন।

উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত পর্যন্ত সবাই পুত্রশিশুর আশায় কন্যাশিশুর ভ্রূণ নষ্ট করে ফেলছে। ভারতে আইন করে বিষয়টি নিষেধ করা হয়েছে। আমাদের দেশে এ ব্যাপারে কোনো আইন নেই। এমনকি কে কোথায় কীভাবে এসব কাজ করছে সে ব্যাপারেও কোনো মনিটরিং ও সার্ভে নেই। `যেহেতু আমাদের দেশে গর্ভপাত ধর্মীয়ভাবে নিষিদ্ধ, সেহেতু এখানে বিষয়টি সেভাবে প্রকাশিত হচ্ছে না। কিন্তু মেটারনিটি ক্লিনিকগুলোয় হরহামেশাই গর্ভপাতের ঘটনা ঘটছে এবং গর্ভপাতের ফলে অনেক মায়ের মৃত্যুও হচ্ছে।

 

http://seudolab.com/bn/2862

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None