জ্ঞানের গরিমা আল্লাহ পছন্দ করে না

জ্ঞানের গরিমা আল্লাহ পছন্দ করেনা। এটা আল্লাহর অনেক গুণের মাঝের একটা গুণ। আর আল্লাহ এটাও পছন্দ করেনা তার খাস বান্দাদের থেকেও কেউ অহংকার বা গরিমা করুক, যদি কেউ ভূল বশত করেই ফেলে, তবে আল্লাহ তা’য়ালা ঐ বান্দাকে যেকোন ভাবে পবিত্র করে নেন। তেমনী এক ঘটনা আপনাদের সম্মুখে পেশ করছি।

হযরত উবাই ইবনে কা’ব (রাযিঃ) এর রেওয়েতে বর্ণিত, হযরত রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেনঃ একদিন হযরত মুসা (আঃ) বনী-ইসরাইলের মধ্যে কোন এক সভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন, সেখান থেকে কোন এক ব্যক্তি মুসা (আঃ) কে প্রশ্ন করলঃ সব মানুষের মধ্যে অধিক জ্ঞানী কে? তখনের সময়ে মুসা (আঃ) এর জানামতে তার চাইতে আর কেউ জ্ঞানী ছিল না। তাই তিনি বললেন! আমিই সবার চাইতে অধিক জ্ঞানী। আল্লাহ রাহমানুর রাহীম তার খাস বান্দাদের বিশেষভাবে গড়ে তোলেন। তাই এ জবাব আল্লাহ তা’য়ালা পছন্দ করলেন না। এখানে বিষয়টি আল্লাহর উপর ছেড়ে দেয়াই ছিল আদব। অথবা এভাবে বলার দরকার ছিল যে, আল্লাহই ভাল জানেন, কে অধিক জ্ঞানী। এই জবাবের কারনে আল্লাহ তা’য়ালা মুসা (আঃ) কে (তিরষ্কার মানে) সতর্ক করে অহী নাযিল করল যে, দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে অবস্থানকারী আমার এক বান্দা আপনার থেকে অধিক জ্ঞানী।

মুসা (আঃ) এর প্রার্থনাঃ- আল্লাহর এ কথা শুনে মুসা (আঃ) আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করলেন যে, হে আল্লাহ! তিনি অধিক জ্ঞানী হলে আমার, তার কাছে যাওয়া উচিৎ তাই আপনি আমাকে ঐব্যক্তির ঠিকানা বলে দিন। আল্লাহ তা’য়ালা বললেনঃ একটি মাছ ভূনা করে নিন, এবং দুইসমুদ্রের সঙ্গমস্থলে সফর করুন। যেখানে গিয়ে মাছটি জীবিত হবে এবং নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে, সেখানেই আমার এই বান্দার সাক্ষাৎ পাবেন।

সফর করলেনঃ- মুসা (আঃ) আল্লাহর নির্দেশমত থলের মধ্যে একটি মাছ নিয়ে নিলেন। সাথে তার একজন খাদেম ছিল। যার নাম ইউশা ইবনে নূন। চলতে চলতে পথিমধ্যে এক স্থানে বসে মাছ থেকে কিছু অংশ খেলেন এবং পান করলেন। আবার চলতে চলতে ক্লান্ত হয়ে পথের মধ্যে একপাথরের উপর মাথা রেখে মুসা (আঃ) ঘুমিয়ে পড়লেন। এখানেই মাছটি নড়াচড়া দিয়ে উঠলো এবং থলে থেকে বের হয়ে সমুদ্রে চলে গেল। (মাছটি জীবিত হয়ে চলে যাওয়ার সাথে সাথে এক মু’জেযা দেখতে পেল যে,) মাছটি সমুদ্রের যে পথ দিয়ে গেল, আল্লাহ তা’য়ালা সে পথে পানির স্রোত বন্ধ করে দিলেন। ফলে সেখানে একটি সূড়ঙ্গের মত হল। ইউশা’ ইবনে নূন এই আশ্চার্যজনক ঘটনা দেখে অবাক হচ্ছিল। আর মুসা (আঃ) ঘুমন্ত ছিলেন। আর যখন তিনি জাগলেন তখন ইউশা’ ইবনে নূন মাছের এই আশ্চার্যজনক ঘটনা মুসা (আঃ) এর কাছে বলতে ভূলে গেলেন এবং সেখান থেকে আরও সামনে রওয়ানা হয়ে গেলেন। পূর্ণ একদিন একরাত সফর করার পর সকাল বেলায় মুসা (আঃ) খাদেমকে বললেনঃ আমাদের নাস্তা আন। এই সফরে যথেষ্ট ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। নাস্তা চাওয়ার পর ইউশা’ ইবনে নূনের মাছের ঘটনা মনে পড়ল।

ওযর পেশঃ- ইউশা’ ইবনে নূন ওযর পেশ করে বললঃ শয়তান আমাকে ভূলিয়ে দিয়েছিলো। অতঃপর বললঃ মাছ জীবিত হয়ে আশ্চার্যজনক ভাবে সমুদ্রে চলে যাওয়ার ঘটনা। তখন মুসা (আঃ) বলল সে স্থানই তো আমাদের লক্ষ ছিল। স্থানটি পাওয়ার জন্য সে পথ ধরেই চলল। এবং একদিন একরাত চলার পর সেই পাথরের নিকটে পৌছেই দেখল, এক ব্যক্তি আপাদমস্তক চাদরে আবৃত হয়ে শুয়ে আছে। মুসা (আঃ) ঐঅবস্থায়ই সালাম করলে খিজির (আঃ) বললঃ এই (জনমানবহীন) প্রান্তরে সালাম কোথা থেকে এলো?

প্রথমে পরিচয়ঃ- মুসা (আঃ) বললঃ আমি মুসা। খিজির (আঃ) বললঃ বনী-ইসরাইলের মুসা? তিনি জবাব দিলেন হাঁ, আমিই বনী-ইসরাইলের মুসা। আমি আপনার কাছ থেকে ঐ বিশেষ জ্ঞান অর্জন করতে এসেছি, যা আল্লাহ তা’য়ালা আপনাকে শিক্ষা দিয়েছেন।
খিজির (আঃ) বললেনঃ আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না হে মুসা, আমাকে আল্লাহ তা’য়ালা এমন এক জ্ঞান দান করেছে যা আপনার কাছে নেই; পক্ষান্তরে আপনাকে এমন জ্ঞান দিয়েছে, যা আমি জানিনা। মুসা (আঃ) বললেন ইনশাআল্লাহ, আপনি আমাকে ধৈর্যশীল পাবেন। আমি কোন কাজে আপনার বিরোধিতা করবোনা। খিজির (আঃ) বললেনঃ যদি আপনি আমার সাথে থাকতেই চান, তবে কোন বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করতে পারবেন না, যে পর্যন্ত না আমি তার স্বরুপ বলে দেই। একথা বলার পর মুসা (আঃ) সাথী হলেন খিজির (আঃ) এর। এবং তারা উভয়ে সমুদ্রের পথ ধরে চলতে লাগল।

প্রথম ঘটনাঃ- ঘটনাক্রমে এক নৌকা এসে গেলে তারা নৌকায় আরহণের ব্যপারে কথাবার্তা বলল। মাঝিরা হযরত খিজির (আঃ) কে চিনে ফেলল এবং কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই তাদেরকে নৌকায় তুলে নিল। নৌকায় চড়েই খিজির (আঃ) কুড়ালের সাহায্যে নৌকার একটি তক্তা খুলে ফেলল। এতে হযরত মুসা (আঃ) (স্থীর থাকতে পারল না-) বললঃ তারা কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই আমাদেরকে নৌকায় তুলে নিল। আপনি কি এরই প্রতিদানে তাদের নৌকা ভেঙে দিলেন যাতে সবাই ডুবে যায়? এতে আপনি অতি মন্দ কাজ করলেন। খিজির (আঃ) বললঃ আমি পূর্বেই বলেছি আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না। তখন মুসা (আঃ) ওযর পেশ করে বললঃ আমি আমার ওয়াদার কথা ভূলে গিয়েছিলাম। আপনি আমার প্রতি রুষ্ট হবেন না।

২য় ঘটনাঃ- অতঃপর তারা নৌকা থেকে নেমে সমুদ্রের কূল ধরে চলতে লাগল। হঠাৎ খিজির (আঃ) একটি বালককে অন্যান্য বালকদের সাথে খেলতে দেখে ডেকে এনে, বালকটির মাথা স্বহস্থে, দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিল। বালকটি মরে গেল। মুসা (আঃ) বললঃ আপনি একটি নিষ্পাপ প্রানকে বিনা অপরাধে হত্যা করেছেন। এ যে বিরাট গুনাহের কাজ করলেন। খিজির (আঃ) বললঃ আমি তো পূর্বেই বলেছিলাম আপনি আমার সাথে ধৈর্য ধরতে পারবেন না। মুসা (আঃ) দেখলেন, এঘটনাটা পূর্বের চেয়ে গুরুতর। তাই বললঃ এরপর যদি কোন প্রশ্ন করি, তবে আপনি আমাকে পৃথক করে দেবেন। আমার ওযর আপত্তি চুড়ান্ত হয়ে গেছে।

৩য় ঘটনাঃ- অতঃপর আবার চলতে শুরু করল। এবং এক গ্রামের উপর দিয়ে যাওয়া সময় তারা গ্রাম বাসীদের কাছে খাবার চাইল। ওরা সরাসরি অস্বীকার করল। হযরত খিজির (আঃ) এই গ্রামের একটি প্রাচীরকে পতনোন্মুখ দেখতে পেল। তিনি প্রাচীরটি সোজা করে দিল। মুসা (আঃ) বিস্মিত হয়ে বললঃ আমরা তাদের কাছে খাবার চাইলে তারা অস্বীকার করল অথচ আপনি তাদের এতবড় কাজ করে দিলেন; আপনি ইচ্ছা করলে তাদের থেকে পারিশ্রমিক আদায় করতে পারতেন। খিজির (আঃ) বললঃ শর্তপূর্ণ হয়ে গেছে। এখনই আপনার এবং আমার মাঝে বিচ্ছেদের সময়। এরপর খিজির (আঃ) উপরোক্ত ঘটনার স্বরুপ বললঃ 

ছহীহ মুসলিম, ও বোখারী

প্রথম ঘটনার স্বরুপঃ- ঐনৌকাটি ছিল দরিদ্র এক পরিবারের। তারা ছিল দশ ভাই। তাদের পাঁচ ভাই ছিল বিকলাঙ্গ। আর পাঁচ ভাইয়ে মেহনত, মুজুরী করে সবার জীবিকা উপার্জন করত। নদীতে নৌকা চালিয়ে ভাড়া উপার্জনই ছিল তাদের মুজুরী। আসল কথা হল নৌকাটা যেদিকে যাচ্ছিল, সেখানে একজন জালেম বাদশাহ, এই পথে চলাচলকারী সব নৌকা ছিনিয়ে নিত। হযরত খিজির (আঃ) এই কারনে নৌকার তক্তা ভেঙ্গে দেন, এবং তাতে জোড়া লাগিয়ে দেন। যাতে জালেম বাদশাহর লোকেরা ভাঙ্গা দেখে নৌকাটি ছেড়ে দেয়। এবং দরিদ্র পরিবারটি বিপদের হাত থেকে বেঁচে যায়।

২য় ঘটনার স্বরুপঃ- খিজির (আঃ) যে বালকটিকে হত্যা করেন, তার স্বরুপ এভাবে বর্নণা করেন যে, বালকটির প্রকৃতিতে কুফর ও অবধ্যতা নিহিত ছিল। তার পিতা মাতা ছিল সৎকর্মপরায়ণ লোক। হযরত খিজির (আঃ) বললঃ আমার আশংকা ছিল যে, বালকটি বড় হয়ে সৎকর্মপরায়ণ পিতা-মাতাকে বিব্রত করবে এবং কষ্ট দেবে। সে কুফরে লিপ্ত হয়ে পিতা-মাতার জন্যে ফেৎনা হয়ে দাড়াবে এবং তার ভালবাসায় পিতা-মাতার ঈমানও বিপন্ন হয়ে পড়বে। এজন্যে আমি ইচ্ছা করলাম যে, আল্লাহ তা’য়ালা এই সৎকর্মপরায়ণ পিতা-মাতাকে এছেলের পরিবর্তে তার চাইতে উত্তম সন্তান দান করুক, যার কাজকর্ম ও চরিত্র হবে পবিত্র এবং সে পিতা-মাতার হকও পূর্ণ করবে। ইবনে আবী শায়বা, ইবনে মুনযির ও ইবনে আবী আতিয়্যার বর্নণা করে যে, নিহত ছেলের পিতা-মাতাকে আল্লাহ তা’য়ালা তার পরিবর্তে একজন কন্যা সন্তান দান করেন, পরবর্তীকালে যার গর্ভে দু’জন নবী জম্মগ্রহন করেন। কোন কোন রেওয়ায়েতে আছে যে, তার গর্ভ থেকে জম্মগ্রহনকারী নবীর মাধ্যমে আল্লাহ তা’য়ালা একটি বিরাট উম্মতকে হেদায়াত দান করেন।

৩য় ঘটনার স্বরুপঃ- হযরত আবু দারদা (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (সঃ) থেকে বর্নণা করেন যে, প্রচীরের নিচে রক্ষিত ছিল এতিম বালকদের গুপ্তধন। স্বর্ণ-রৌপ্যের ভান্ডার। (তিরমিযী, হাকিম)
হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন সেটি ছিল, স্বর্ণের একটি ফলক। তাতে নিম্মলিখিত উপদেশবাক্য সমূহ লিখিত ছিল। হযরত ওসমান ইবনে আফফান (রাযিঃ) ও এই রেওয়ায়েতটি রাসূলুল্লাহ (সঃ) থেকে বর্নণা করেন।
(কুরতুবী)
(১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
(২) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে তাকদীর বিশ্বাস করে অথচ দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়।
(৩) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে আল্লাহ তা’য়ালাকে রিযিকদাতা রুপে বিশ্বাস করে; এরপর প্রয়োজনাতিরিক্ত পরিশ্রম ও অনর্থক চেষ্টায় আত্মনিয়োগ করে।
(৪) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চর্যজনক, যে মৃত্যুতে বিশ্বাস রাখে; অথচ আনন্দিত ও প্রফুল্ল থাকে।
(৫) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে পরোকালের হিসাব-নিকাশে বিশ্বাস রাখে; অথচ সৎকাজে গাফেল।
(৬) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে দুনিয়ার নিত্যনৈমিত্তিক পরিবর্তন জেনেও নিশ্চিত বসে থাকে।
(৭) লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)

অথবা হযরত খিজির (আঃ) এর মাধ্যমে এতিম বালকদের জন্যে রক্ষিত গুপ্তধনের হেফাজতে এজন্য করা হয়েছিল যে, তাদের পিতা মাতাগণ সৎকর্মপরায়ণ আল্লাহর প্রিয় বান্দা ছিলেন। তাই আল্লাহ তা’য়ালা তাদের সন্তানদের উপকারার্থে এই ব্যবস্থা করেন। মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির বলেনঃ আল্লাহ তা’য়ালা এক বান্দার সৎপরায়ণের কারনে তাঁর পরবর্তী সন্তান-সন্তুতি, বর্শধর ও প্রতিবেশীদের হেফাজতে রাখেন। রাসূলুল্লাহ (সঃ)সম্পূর্ণ ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, মূসা (আঃ) যদি আরও কিছুক্ষন ধৈর্য ধরতে পারত, তবে আরও কিছু জানা যেত। মূলত আল্লাহ তা’য়ালার এইরুপ ইচ্ছা ছিল, তাই হল।

পরিশেষেঃ- মূসা (আঃ) স্বয়ং আল্লাহর পক্ষ থেকে খিজির (আঃ) এর কাছে যাওয়ার এবং তাঁর কাছ থেকে জ্ঞানার্জনের নির্দেশ পেয়েছিল। তাই তাঁর কোন কাজই প্রকৃত পক্ষে শরীয়ত বিরোধী হবার কথা নয়। এব্যপারে মূসা (আঃ) নিশ্চিত ছিল। এজন্যই মূসা (আঃ) ধৈর্যধারণের ওয়াদা করে ছিল। কিন্তু পরে শরীয়ত সম্পর্কে ধর্মীয় মর্যাদাবোধের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে কৃত ওয়াদার কথা ভুলে গেল। প্রকৃতভাবে কোন নবীই ওয়াদা ভঙ্গ করেনা।

(তাফসীরে মারেফুল কোরআন)

ফরিয়াদঃ- মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সব রকম অহংকার, গরিমা, অথবা লৌকিকতা থেকে মুক্ত রাখুন। আর আমাদের সবাইকে রিয়া মুক্ত আমল করার তৌফিক দিন। কবুল করে নিন।

আমিন!!!

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

অজানা একটি বিষয় ছিল আমাদের সবাইকে অবহিত করার জন্য আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম জাযা দান করুন আমীন।

-

 


 

সালাম

আল্লাহ আপনাকেও উত্তম প্রতিদান দিন।

আমিন! আমিন! আমিন!

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

(১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।
(২) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে তাকদীর বিশ্বাস করে অথচ দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়।
(৩) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে আল্লাহ তা’য়ালাকে রিযিকদাতা রুপে
বিশ্বাস করে; এরপর প্রয়োজনাতিরিক্ত পরিশ্রম ও অনর্থক চেষ্টায় আত্মনিয়োগ
করে।
(৪) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চর্যজনক, যে মৃত্যুতে বিশ্বাস রাখে; অথচ আনন্দিত ও প্রফুল্ল থাকে।
(৫) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে পরোকালের হিসাব-নিকাশে বিশ্বাস রাখে; অথচ সৎকাজে গাফেল।
(৬) সে ব্যক্তির ব্যপারটি আশ্চার্যজনক, যে দুনিয়ার নিত্যনৈমিত্তিক পরিবর্তন জেনেও নিশ্চিত বসে থাকে।
(৭) লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সঃ)

-কথাগুলো চিন্তা করার মত। আমরা বিশ্বাস করি অথচ অবিশ্বাসীর মত ছুটে বেড়াচ্ছি...। আল্লাহ্ আমাদের ক্ষমা করুন ও তৌফিক দিন সত্যিকারের বিশ্বাসী হওয়ার।

সালাম

 আপনি ঠিকই বলেছেন। আপনাকে যাযাকিল্লাহ খায়ের।

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)