ভাল বন্ধু হয়ে!! (ধারাবাহিক গল্প ১০ পর্ব)

আর পাড়া-প্রতিবেশীর চোখেও আপনি খারাপ হবেন আর আল্লাহর কাছেও খারাপ হবেন সবচেয়ে বড় হলো আল্লাহর কাছে ভালো হওয়া আমাদের সকলের চেষ্টা হবে আল্লাহর কাছে ভালো হওয়া, আল্লাহকে খুশি করতে চেষ্টা করা, আল্লাহ যেভাবে চান সে পথে চলা তবেই হয়তো আমরা আল্লাহকে খুশি করতে পারবো ইনশা-আল্লাহ! আর সব সময় আল্লাহর ভয়কে মনের মাঝে জাগ্রত রাখা, আপনি কি করবেন? কোথায় যাবেন? কার সাথে কথা বলবেন? কাকে বন্ধু বানাবেন? সব তো আল্লাহ জানেন এই কারনে শুধু আল্লাহকে ভয় করবেন সব সময় তো তিনি দেখছেন, তিনি ভুল করতে শাস্তি দেবেন, আর নেকীর কাজ করলে নেকী দান করবেন ও ক্ষমা করবেন। সামান্য কোন ভূল ও যেন না হয় আমাদের দ্বারা।
আপনার সন্তানদেরকে সঠিক ভাবে দ্বীন শিক্ষা দেবেন, তাদেরকে নবী (সঃ) এর আদর্শে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবেন ইনশা-আল্লাহ আল্লাহ সব কিছু সহজ করে দেবেন। ভাবি আপনি ভাববেন না আমি আপনাকে উপদেশ দিচ্ছি না বরং আমি আপনাকে পরামর্শ দিচ্ছি, কারন এখন আপনি জানেন কোন পথে আমাদের চলা উচিৎ আর কোন পথ থেকে ফিরে আসা উচিৎ। আর যে জানে তার জানার উপরই হিসাব হবে কেয়ামতের দিন। আর জেনেও সে পথে না চললে শাস্তি তো অবধারিত আল্লাহ মাফ করুন। পরশের বিদায় ক্ষনে দুজনেই খুব কাঁদলো কান্নার পানি যেন দুজনের গাল বেঁয়ে পড়ে মনকে প্রশান্ত করে দিয়ে গেলো। ভাবি বললো পরশ তোকে ছাড়া আমার খুবই কষ্ট হবে রে তুই পড়াস আর না পড়াস মাঝে মাঝে আসিস পরশ মাথা নেড়ে সায় দেয়। এরপর এই একটি হাদীস বলে যায় পরশঃ
হাদীসে আছে, রাসূল (সা) বলেছেন, হাশরের ময়দানে কোন আদম সন্তানই ৫ টি প্রশ্নের উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত এক কদমও নড়তে পারবে না-
১. তার জীবনকাল কোন কাজে অতিবাহিত করেছে?
২. যৌবনের শক্তি-সামর্থ কোন কাজে লাগিয়েছে?
৩. কোন উপায়ে ধন-সম্পদ উপার্জন করেছে?
৪. কোথায় সেই ধন-সম্পদ ব্যায় করেছে?
৫. অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী কতটুকুআমল করেছে?
.................( আল হাদীস ).................

    
এরপর ভাবির ঘরে থেকে সেদিনের মত বিদায় নেয়! সেদিনের পর থেকে পরশ রোকেয়ার ভাবির ঘরে আর আসেনা। এতে রোকেয়ার মনে অনেক কষ্ট লাগে কিন্তু রোকেয়া ভাবিও পরশদের ঘরে যায়না পরশের পড়ার ক্ষতি হবে ভেবে। পরশ ও প্রায় মাস খানেক ধরে পরীক্ষা দিয়ে পনেরো দিনের ছুটিতে আজই বাসায় আসে। এসেই মনে পড়ে রোকেয়া ভাবির কথা আর তখনই ছুটে যায় রোকেয়া ভাবির ঘরে। রোকেয়া ভাবি তো পরশকে পেয়ে যেন ঈদের চাঁদকে হাতে পাওয়ার আনন্দে বিভোর। দু'জনে অনেক দিন পর একসাথে হয়ে মনের আনন্দে অনেক কথাই বললো। ভাবির কোরআন তেলোয়াত শুনলো। রোকেয়া ভাবি যে নিজের বোনদের থেকেও পরশকে বেশী ভালোবাসে আর বলে পরশ পরশ রে তুই এতদিন আসিসনি বলে আমার মনেও যেন কেমন মেঘ ধরে ছিলো আজকে যেন সেই মেঘ সরে গিয়ে আমার মনে সূর্যের রশ্নি ছড়াচ্ছে।

চলছে............চলবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)