আমাদের দেশে প্রচলিত পীর মুরিদি বৈধ কিনা?

আমাদের দেশে প্রচলিত পীর মুরিদি বৈধ কিনা?
উত্তর: পীর  মুরিদি দুটাই ফার্সী শব্দ যা অনারবদের আবিস্কৃত । আরবীতে পীর মুরিদি কোন শব্দ নেই। আরবীতে ছাত্র শিক্ষক الطالب ومعلم এ দুটো বিষয় আছে। আর এ দুটো বিষয় ইলম অর্জনের জন্য যথেষ্ট । রাসুল সা শিক্ষক আর সাহাবাগন ছাত্র ছিলেন। তেমনি আজ পর্যন্ত ইলমে ওহী শিখার জন্য সমগ্র বিশ্বে মাদ্রাসায় ছাত্র শিক্ষক প্রথা চালু আছে।
রাসূল (সাঃ) এর ওফাতের শত  শত বছর পর ভারত উপমহাদেশে কিছু সুফিবাদি লোকেরা তাদের ইচ্ছা মত পির মুরিদি চালু করেন।তারা এমন অনেক কিছু বিষয় ইসলামে যোগ করলেন যা মূলত ইসলামে নেই । তারা ইলমে তাছাউউফ, ইলমে মারিফত,ফানা ফিললা, কাশফ, ভিন্ন ভিন্ন তরিকা আবিষ্কার অথচ ইসলাম এক ও অভিন্ন, ভিন্ন ভিন্ন যিকির, বাইআত  ইত্যাদি নতুন নতুন জিনিস আবিষ্কার করলেন যা সমপূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া আবিস্কৃত।
তাছাড়া তাদের কিছু বিদাতি কাজ নিম্নরুপ:
১- অনেক পীর তাবিজ বিক্রি করে টাকা ইনকাম করেন। অথচ রাসূল (সাঃ) বলেছেন: তাবিজ বিক্রি  করা বা ব্যবহার করা শিরক। তিরমিযি)
২- পীরেরা  খতমে নারী, খতমে  খাজিগান, খতমে জালালি, খতমে বোখারী পাঠ করে টাকা ইনকাম করেন যা রাসূল (সাঃ) এর যুগে ছিলোনা তা  বিদআত ও বানোয়াট।
৩- পীরেরা উচ্চস্বরে চিল্লা চিল্লি করে যিকর্ করেন যা ইসলামে নেই বরং যিকর্ হবে নিম্ন স্বরে একা একা।
আল্লাহ তা'আলা বলেন :
ادعوا ربكم تضرعا وخفية ( سورة الأعراف 5 5 )
তোমাদের রবের যিকর্ করো বিনয়ী হয়ে গোপনে।
তেমনি পীর মুরিদরা, বানোয়াট দুরূদ পাঠ,  বিনা দলিলে হাজার হাজার তাসবিহর বাইআত,  পীরের নামের ওসিলায় দোয়া, কবর পূজা তথা পীরের কবরে ওয়াল দেওয়া বাতি দেওয়া, নাম লিখা, পীরের পায়ে ধরে সালাম করা, পীরকে গুনাহ মুক্ত মনে করা, পীরের কথাকে কোরআন হাদীসের দলিল ছাড়া অন্ধ ভাবেই তাকে মেনে নেওয়া ইত্যাদি বিদআত শিরকি কাজে তারা লিপ্ত।
৪- পীরেরা গদিসিনি পীর, পীর মারা গেলে নিজ ছেলেকে গদিসিনি পীর বানিয়ে যাওয়া যদিও অন্য কেহ এর চেয়ে বেশি যোগ্য, কারণ এতবড় ইনকামের সুযোগ কি অন্য কে দেওয়া যায়? যত পীর আছে সকলের মৃত্যুর পর ছেলেরাই গদিসিনি পীর।
৫- পীরেরা কোরআনের, হাদীসের অপব্যাখা করেন।। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
قال الله تعالى ياأيها الذين آمنوا اتقوا الله وابتغوا إليه الوسيلة .سورة مائدة 35.
পীরেরা বলে এখানে ওয়াসীলা হচ্ছে পীর ধরা, (নাউযুবিললাহ)। কোন তাফসিরের কিতাবে ওয়াসিলা দ্বারা পীর ধরা বলা হয়নি বরং বলা হয়েছে ওয়াসিলা অর্থ নেক আমল , ما يقرب به العبد الي لله যে নেক আমলের মাধ্যমে বান্দাহ আল্লাহর নিকটবর্তী হয়।
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন:
أولائك الذين يدعون يبتغون الي ربهم الوسيلة .سورة الإسراء 57.
এরাই সঠিক যারা সরাসরি আল্লাহর কাছে ওয়াসিলা চায়। (কোন মানুষের কাছে নয়)। তাই পীরেরা কোরআনের অপব্যাখা করে জাহান্নামের দিকে ধাবিত।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تكلم القرأن برأيه فليتبوا مقعده من النار ,رواه الترمذي وحسنه,
রাসূল (সাঃ) বলেছেন: যে তার মন মত কোরআনের তাফসির করে সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়। (তিরমিযি)
আর পীর দের হাদীসের অপব্যাখার সীমা নেই। পীরদের অধিকাংশ আমল,ফতোয়া, যিকির, খতম, দুরূদ মনগড়া বানানো যার দলিল সহীহ  হাদীসে নেই, তারা সহীহ হাদীসকে মনগড়া যুক্তি দিয়ে প্রত্যাখান করেন।
৬- পীরেরা ইসলামের প্রথম যুগে মক্কার কুফফারে কুরাইশদের মত যুক্তি দেখান। মক্কার কাফিররা বলত: কোরআনের ভাষায়:
ما نعبدهم إلا ليقربنا الي الله زلفي
আমরা মূর্তি পূজা করি যাতে মূর্তি আল্লাহর নিকটবর্তী করে দিবে। আজ যারা পীর মুরিদি করে তারাও একই ভাবে বলে পীরের মাধ্যমে জান্নাতে যাব। তোমার পীরে জান্নাতের সার্টিফিকেট পেয়ে গেছে? পীর কি নিজে জান্নাতে যেতে পারবে?
قال الله تعالي ادعوني استجب لكم
আল্লাহ তা'আলা বলেন তোমরা সরাসরি আমাকে ডাক আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। (সুরা গাফির 60)। এখানে কারো মাধ্যম ধরতে বলা হয়নি।
৭- পীরেরা মুরিদানদেরকে  জান্নাতের সার্টিফিকেট দেন। কত পীর তার মুরিদদের বলেন:  আমার কাছে বাইআত-ই একমাত্র জান্নাতের সার্টিফিকেট পাওয়ার উপায়। পীরে কামিল ওলিকুলশিরমনী, ছাহেবে কিবলা ইত্যাদি মিথ্যা খেতাব দিলে পীরের সুহবতে জান্নাতের সার্টিফিকেট মিলে। (নাউযুবিল্লাহ)। কে জান্নাতি ও কে জাহান্নামি আল্লাহ তা'আলা ছাড়া কেহই বলতে পারেনা। তাই যারা জান্নাতের সার্টিফিকেট দেয় তারা ভ্রান্ত নি:সন্দেহে।
৮- পীরেরা বিদআত শিরকের কিছু কিতাব ও দাওয়াত সাপ্লাই করেন। মকছুদুলমু'মিনিন, নিয়ামুল কোরআন, ভেদে মারিফত, ইয়াদে খোদা, দুরূদে আহাজারি, তাজ, তাবিজেরুহুললাহ, ইত্যাদি। পীরদের রচিত কিতাবে শিরক বিদআতে পরিপূর্ণ। এমনকি বেহেশতি জেওরের চতুর্থ খন্ড গণনা দিয়ে লিখা তাবিজের শিরকে পরিপূর্ণ। পীরদের শিরক বিদআত সীমাহীন। জেনে রাখুন অনেক পীর মাজহাবের দোহাই দিয়ে তাদের শিরকি বিদআতি কাজ বৈধ করার চেষ্টা করে অথচ ইমাম আবূহানিফার: সহ সকল ইমাম উক্ত পীর মুরিদির বিদআত শিরকি থেকে মুক্ত ছিলেন। ইমামদের যুগে পীর মুরিদি বলতে কিছুই ছিলনা। আসুন মুসলিম যুবকেরা পীরের কাছে সফলতা কামনা না করে, পীরের শিরকে লিপ্ত না হয়ে নিজেই কোরআন হাদীস গবেষণা করে তদনুযায়ী আমল করে সরাসরি আল্লাহর তা'আলার কাছে সফলতা কামনা করি। ইলম অর্জনের জন্য মাদ্রাসায় শিক্ষকদের কাছে যাই। যে কোন আমলে রাসূল (সাঃ) এর সহীহ হাদীসের দলিল অনুসন্ধান করি। (মামুন রাশেদ মদিনা ইসলামই বিশ্ববিদ্যালয়)

মানুষকে বুঝানোর সঠিক রাস্তা হলো, কোরআন আর হাদীস ভিত্তিক। অযথা কিসসা-কাহিনী বা বানোয়াট যুক্তি দিয়ে নয়! আপনি কোরআন সুন্নাহর আলোকে তাকে বুঝান। সে-ই সিদ্ধান্ত নেবে কোনটা গ্রহণ করবে। মদিনা আমাদের আদি শিক্ষাকেন্দ্র এবং সর্বশেষ শিক্ষাকেন্দ্র! মদিনার প্রতি যথেষ্ট ভালোবাসা যেমন থাকবে (বাস্তবিক, মাযার পূজারীদের মতো নয়!) তেমনি ওখানকার আলেমদের প্রতিও আমাদের রাখতে হবে অগাধ আস্থা। কেননা ওখানকার মর্যাদা সম্পর্কে রাসূলুলুল্লাহ সা. আমাদের আগেই বলে গেছেন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
«إِنَّ الإِيمَانَ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةِ كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ إِلَى جُحْرِهَا».
“ঈমান মদীনার দিকে ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে আসে’’। [সহীহ বুখারী – ১৮৭৬ ও মুসলিম – ৩৭২]
মদীনা দারুল ঈমান বা ঈমানের গৃহ। তাইতো এখান থেকেই ঈমানের আলো সারা বিশ্বে বিচ্ছুরিত হয়েছিল। পরিশেষে মানুষ যখন ঈমান হতে বিচ্যুত হতে থাকবে, তখন ঈমান তার গৃহে তথা মদীনার দিকে ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে আসে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
«إِنَّ الإِيمَانَ لَيَأْرِزُ إِلَى الْمَدِينَةِ كَمَا تَأْرِزُ الْحَيَّةُ إِلَى جُحْرِهَا».
“ঈমান মদীনার দিকে ফিরে আসবে, যেভাবে সাপ তার গর্তের দিকে ফিরে আসে’’। [সহীহ বুখারী – ১৮৭৬ ও মুসলিম – ৩৭২]
«يَضْرِبُونَ أَكْبَادَ الإِبِلِ يَطْلُبُونَ الْعِلْمَ فَلاَ يَجِدُونَ عَالِمًا أَعْلَمَ مِنْ عَالِمِ الْمَدِينَة»
‘‘মানুষ হন্যে হয়ে ইলম অনুসন্ধান করবে, তবে মদীনার আলেমের চেয়ে অধিক বিজ্ঞ কোন আলেম তারা খুঁজে পাবে না।’’ [নাসায়ী: ৪২৭৭ ও হাকেম: ৩০৭ সহীহ সূত্রে]
পরিশেষেঃ মক্কা বা মদিনা নগরীতে কোন পীর মুরিদি প্রথা নেই। এগুলো নব্য আবিষ্কৃত সকলের উচিৎ কোরআন ও সহীহ হাদীস নিজে পড়ে তার উপর আমল করা। বিগত কয়েকটি পোস্টে যে লেখাগুলো পোস্ট করেছিলাম তা মদিনা ইসলামই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ছাত্রবৃন্দের লেখা। পোস্টটি শেয়ার করে মুসলিম যুবকদেরকে পীরদের শিরকের বেড়াজাল থেকে বাঁচাই।

আপনার রেটিং: None
বর্তমানে প্রচলিত পীর-মুরিদির ৯৫%ই ভুয়া ও বেদাতী, এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে পীর বলতে যদি দ্বীনশিক্ষা ও আত্মশুদ্ধিতে সহায়তাকারী ঈমানদার ও বিজ্ঞ আলেম বোঝানো হয়ে থাকে, তাহলে সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে। সত্যিকার পীরের কাজ হল অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে মুরীদদের আত্মিক দোষত্রুটি খুঁজে বের করা এবং তা সংশোধনের পন্থা বাতলে দেয়া, যা অনেকটা ডাক্তারের রোগনির্ণয় ও ওষুধ-পথ্য প্রদানের মতই। আমাদের পূর্ববর্তী পীর যেমন বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী (রহ.), বায়েজীদ বোস্তামী (রহ.), মঈনুদ্দীন চিশতী (রহ.) প্রমুখ ব্যক্তিগণ বাস্তবেই আল্লাহর ওলী ছিলেন এবং সত্যিকার দ্বীনের দাঈ ছিলেন। কিন্তু আজ যারা তাঁদের নাম ভাঙ্গিয়ে পীর-মুরীদী করছে, তাঁদেরকে খোদার আসনে বসিয়ে পূজা করছে, তাঁদের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা তুলে নাচ-গান করছে, তাদের সাথে সত্যিকার পীর-মুরিদীর কোন সম্পর্ক নেই। এছাড়া যেসব পীর বা রাজনৈতিক নেতা অনুসারীদের কাছে অন্ধ আনুগত্য দাবি করছে, তাদের আদেশকে আল্লাহর আদেশতুল্য বলে বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়াটা বাধ্যতামূলক বলছে, তাদের সাথেও ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।

পারস্য প্রভাবে অনেক শেরেকী ও বেদাতী জিনিসই মুসলমানদের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটেছে, একথা ঠিক। পীর-মুরিদীর বর্তমান প্রচলিত রূপ, আগর বাতি ইত্যাদি এর অন্তর্ভুক্ত। পারস্যরা পূর্বে অগ্নিপূজক থাকায় অনেক শেরেকি চিন্তাধারা তাদের মধ্যে থেকে যায়, যা তাদের দ্বারা মুসলমানদের মাঝে অনুপ্রবেশ ঘটে। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আগর বাতির ব্যবহার এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য। আগর বাতি যে আগুনের পূজার অন্তর্ভুক্ত, মুশরিকদের কাজ, এর বাস্তব প্রমাণ দেখতে হলে সন্ধ্যাবেলা হিন্দু স্বর্ণকারদের দোকানে গিয়ে দেখুন, মঙ্গল প্রদীপের সাথে আগর বাতিও শোভা পাচ্ছে।

যাহোক, পীর-মুরিদীর ব্যাপারটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভণ্ডামি ও ভুয়া হলেও সামগ্রিকভাবে পরিত্যাজ্য নয়, বা পীর মাত্রই ভণ্ড নন আর মুরীদ মাত্রই মূর্খ ও অন্ধবিশ্বাসী নন। পীর-মুরীদগণের মধ্যে কারা সঠিক পথে আছেন, আর কারা প্রতারণা বা বিভ্রান্তির মাঝে তলিয়ে আছেন, এটা যাচাইসাপেক্ষ। পীর ভণ্ড নাকি খাঁটি তা চেনার একটি প্রধান উপায় হল, তাঁর মধ্যে ভোগের প্রবণতা বেশি নাকি ত্যাগের প্রবণতা বেশি সেটা দেখে নেয়া। যদি নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাহলে তাঁর ভণ্ড বা দুনিয়াদার হবার সম্ভাবনা প্রবল থাকে। আর যদি দেয়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাহলে তাঁর খাঁটি ও দ্বীনদার হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। অবশ্য সবক্ষেত্রে আবার ত্যাগী মাত্রই খাঁটি নাও হতে পারেন। খ্রীস্টান মিশনারীরাও মানুষকে ধর্মান্তর করবার জন্য সাহায্য-সহযোগিতা করে থাকে। সুতরাং ভ্রান্ত আকীদার লোকজনের পক্ষেও পীর সেজে মানুষকে সহায়তা করে হলেও আকীদা নষ্ট করবার প্রয়াস চালানো সম্ভব। তবে সাধারণভাবে আমরা ধরে নিতে পারি, ত্যাগী ও দানশীল আলেম-বুযুর্গগণ স্বভাবতই আল্লাহওয়ালা ও মানুষের কল্যাণকামীই হয়ে থাকবেন।

পীর, নেতা, ওস্তাদ, শিষ্য, অনুসারী, ব্যক্তি, দল কে বা কারা ভাল বা মন্দ, তা নির্ণয় করা, এককথায় মানুষ চেনার ক্ষেত্রে কোরআনের সহায়তা নেবার কোন বিকল্প নেই। যেকোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পর্কে নিজেদের চোখে দেখা বা নিশ্চিতভাবে জানা কিছু ইনপুট তথ্য কোরআনের সামনে পেশ করলেই কোরআন একেবারে তাদের পরিচয় সংক্রান্ত আউটপুট তথ্য নির্ভুলভাবে আপনার চোখের সামনে আয়নার মত দেখিয়ে দেবে। কে প্রতারক, কে প্রতারিত, কে হেদায়েতপ্রাপ্ত; কে মাগদূব, কে দল্লীন, কে সিরাতুল মুস্তাকীম; তা আপনার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে সক্ষম কেবল আল-কোরআন।

কোরআন ও হাদীস থেকে তথ্য নেবার পাশাপাশি আমরা নিজেরাও কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আচার-আচরণ ও কার্যকলাপ সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে কে বা কারা সুপথগামী বা বিপথগামী তা নির্ণয় করবার সুবিধার্থে কিছু সূত্র ও মানদণ্ড দাড় করাতে পারি; তবে তা অবশ্যই কোরআন ও হাদীসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং কোরআন-হাদীস দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। এমনই এক ক্ষুদ্র প্রয়াসের অংশ হিসেবে বিভ্রান্তকারী ব্যক্তি ও বিভ্রান্ত দলসমূহ চেনার ব্যাপারে আমার একটি পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে- যার মধ্যে পীর, নেতা, অন্ধ আনুগত্য এসবের প্রসঙ্গও গুরুত্ব সহকারে স্থান পেয়েছে। লেখাটি পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:-

বিভ্রান্ত দল চেনার উপায়

Rate This

আপনার রেটিং: None