"হে বোনেরা গার্ল ফ্রেন্ড নয় নেককার স্ত্রী হোন তবে জান্নাত সহজ হবে"

মুসলিম সকল বোনই আমার প্রিয়তমা বোন। আর বোন হয়ে বোনের চির কল্যাণ চাওয়াই বোনের চাওয়া। আমার প্রিয়তম বোনেরা আপনারা অনেকেই অনেক অনেক নেকের কাজ করেন। পরোপকারে আপনাদের হৃদয় পূর্ণ। মানুষকে নিজে না খেয়ে খাবার দেন। আপনারা অনেক অনেক নেকের কাজে নিয়োজিত। নেক কাজে আপনাদের প্রতিযোগীতা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমার প্রিয়তমা বোনেরা আপনারা অনেকেই মানুষের কাছে অনেক অনেক প্রিয় আপনাদের সুন্দর ব্যবহারের কারনে। কিন্তু আমার অনেক বোন এমনও আছেন যারা পরো-লোকের কাছে প্রিয় কিন্তু স্বামীর কাছে প্রিয় হতে পারেন না। স্বামী দায়িত্বের খাতিরে আপনার ভরন-পোষন করছেন ঠিকই কিন্তু মনের মাঝে হাজারো দুঃখ নিয়ে। এটা কিন্তু সত্যিই দুঃখের বিষয়। যার কাছে আপনার গ্রহণ যোগ্যতা বিশাল। কিন্তু আপনি তাকে মূল্যায়নই করেন না। তো আপনি যদি তাকে মূল্যায়ন না করেন তবে নিজে কিভাবে মূল্যায়ন পাবেন? আগে তো মল্যায়ন করতে হবে তখন সময়ের ব্যবধানে আপনিও মূল্যবান হীরার চেয়েও মূল্যবান হয়ে উঠবেন তার কাছে।

আমার অনেক বোনেরা কোন অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে নিজেকে সাজিয়ে যেন ডানা কাটা পরীতে রুপান্তরিত হন। পার্লারের সাজকে তখন এত মূল্যবান মনে করেন যে, স্বামীর সাথে ঝগড়া করে হলেও সাজতে হবে। অথচ আমার বোনেরা বুঝতেই পারেনা মূল্যহীন সাজ-সজ্জা করাটা জাহান্নামের নিকটবর্তী করে। একটু পর যে সাজ পানি স্পর্সে মুছে যাবে সেই সাজের জন্য কত ত্যাগ করেন। জাহান্নামের নিকটবর্তী হন তবুও সেই সাজকে কত মূল্যায়ন করেন। কিন্তু যে কাজটা বা আপনার সুন্দর ব্যবহার আপনার সুন্দর সাজ-সজ্জা আপনার নমনীয়তা আপনার স্বামীর মনকে সন্তুষ্ট করে আপনাকে জান্নাতের নিকটবর্তী করবে সেদিকে আপনার গুরুত্বই নেই। এটা কি উচিৎ? একবার শীতল মাথায় ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো। যাদের সাথে আপনার পর্দা করার দরকার তাদের সাথে বেপর্দা চলছেন। আর যার সাথে আপনার কোনই পর্দা নেই যাকে আপনার পোষাকের সাথে তুলনা করা হয়েছে তার সাথেই পর্দার মত আচরণ করছেন? এটা কখনই সমাচিন নয়।

অনেক বোনকে দেখি সাজতে সাজতে নিজেকে রুপের রাজকণ্যা বানিয়ে অপরের সামনে উপস্থাপন করেন এতে করে বেপর্দার গুনাহ তো আছেই সাথে স্বামীর হক্ব নষ্ট করার গুনাহ্ ও এড হলো। আবার কতেক বোনকে দেখি উনারা সাজ পছন্দ করেন না। মানুষের সামনে সাজতে লজ্জাবোধ করেন। ঠিক আছে আপনার লজ্জবোধ আছে ভালো কথা তাই বলে স্বামীর হক্বের দিকে খেয়াল করবেন না? এটা তো হতে পারেনা। আপনি সাজ-গোজ করেন না বলে আপনার স্বামী পরো-নারীর দিকে তাকায়। সে গুনাহ করতে উৎসাহিত হয়। এটাতে কিন্তু আপনারও গুনাহ হচ্ছে। মনে রাখবেন ইসলামকে শুধু নিজের মন-গড়া বানালে আপনি ভুল করবেন। ইসলাম হলো ব্যপক ও পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। তাই কোন কিছুতে অতি রঞ্জন করা উচিৎ নয় মধ্যম পন্থা অবলম্বন করাই উত্তম। যারা অতিরিক্ত সাজ-গোজ করেন ভালো কথা সেই সাজ হোক আপনার স্বামীর মনোরঞ্জনের জন্য। আর যারা সাজ-গোজ পছন্দ করেন বা অতিরিক্ত ফরহেজগার হিসেবে সাজ-গোজকে অপছন্দ করেন বা গোরামি করে সাজ-গোজ না করে স্বামীর মনোকষ্টের কারন হচ্ছেন সাথে বোনাস হিসেবে আল্লাহ্ তা'য়ালার অসন্তুষ্টি অর্জন করছেন।

এসব মূলত ফরহেজগারি নয় গোরামি করা এটা উচিৎ নয়। আর অন্যকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করার পরিবর্তে নিজের স্বামীকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করুন। তাকে গুনাহ থেকে বাঁচতে সহায়তা করুন। আর নিজেও গুনাহ থেকে বাঁচুন। আপনার স্বামীর হক্বের প্রতি খেয়ালা রাখুন দেখবেন আপনার স্বামীও আপনার হক্বের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিবে। বিশ্বাস না হয় তো ট্রাই করে দেখতে পারেন। আপনার চোখে আপনার দুলাভাই স্মার্ট, আপনার দেবর স্মার্ট, আপনার খালাতো মামাতো ফুপাতো চাচাতো এমন কি পড়শী ছেলেটিকেও খুবই স্মার্ট মনে হয়, এসব মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আপনি ভাবুন পৃথিবীর সকল পুরুষ থেকে আপনার স্বামীই স্মার্ট স্বামী, আপনার স্বামীই ভালো স্বামী, আপনার স্বামীর মতো সুন্দর মনের মানুষই নেই। দেখবেন আপনার স্বামীর কাছেও আপনি পৃথিবীর সেরা সুন্দরী ও স্মার্ট গার্ল হিসেবে বিবেচিত হবেন ইনশা-আল্লাহ্। তো শুরু করুন আজকে থেকেই পর্দা আর স্বামীর হক্বের প্রতি পূর্ণ দৃষ্টি রাখুন। আগে আপনি আপনার স্বামীকে ভালোবাসুন দেখবেন উপলদ্ধি করবেন আপনার স্বামীও আপনাকেই ভালোবাসবে।

বেপর্দা মহিলাদের চরম শাস্তি ও যাদের সামনে বের হওয়া বৈধ:

রাসুল (সঃ) বলেছেন :
صنفان من أهل النار  ......ونساء كاسيات عاريات مائلات مميلات رؤسهن كاسنمت البخت لايدخلن الجنة ولا يجدن ريحها ....( رواه مسلم )
 রাসুল (সঃ) বলেছেন: দু শ্রেনীর মানুষ জাহান্নামি তন্মধ্যে এক শ্রেণীর হচ্ছে ঐ সকল নারী  যারা বেপর্দা থাকে, উলঙ্গ থাকে, মানুষদেরকে আকর্ষিত করে, যাদের মাথা উটের কোজের মত তারা জান্নাতে প্রবেশ করবেনা এমনকি জান্নাতের বাতাস ও পাবেনা। (মুসলিম)

তাই যারা বোরকা বা পর্দা ছাড়াই আধুনিকতার নামে উলঙ্গ চলাফেরা করে ও গায়ের মুহররাম এর সাথে ফ্রি-লি  দেখা সাক্ষাত করে ও কথা বলে পরকালে তাদের অবস্থান খুবই ভয়াবহ হবে।

পুরুষেরা যে সকল নারীদের সাথে  কথা বলা বা দেখা করা বৈধ:
 
ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক
 একজন পুরুষ মোট ১৪জন নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নিষিদ্ধ। তাদের সাথে দেখা করা বৈধ।

মায়ের মত ৫ জন
 ১|  নিজের মা
 ২| দুধ মা
৩| খালা
৪| ফুফু
৫| শাশুড়ী। বোনের মত ৫ জন
১| আপন বোন
২| দুধ বোন
৩| দাদী
৪| নানী
 ৫| নাতনী
মেয়ের মত ৪ জন
 ১| নিজের মেয়ে
২| ভাইয়ের মেয়ে
৩|বোনের মেয়ে
 ৪| পুত্রবধু---------------------------

----এমনিভাবে একজন
 মহিলার জন্যেও ১৪জন পুরুষের সাথে দেখা দেওয়া বৈধ।

বাবার মত ৫ জন  
১| নিজের বাবা
 ২| দুধ বাবা
৩| চাচা
৪| মামা
৫| শশুর। ভাইয়ের মত ৫ জন
১| আপন ভাই
২| দুধ ভাই
৩| দাদা ভাই
৪| নানা ভাই
৫| নাতী
 ছেলের মত ৪জন ১| নিজের ছেলে
২| ভাইয়ের ছেলে
 ৩| বোনের ছেলে
৪| মেয়ের জামাতা_

এছাড়া বাকিদের সাথে দেখা করাতো দুরের কথা, পর্দা ছাডা সরাসরি কথা বলাও কবিরা গুনাহ...যেমন চাচাত ভাই খালাত ভাই মামাতো ভাই দুলা ভাই ভাসুর দেবর ননদের জামাই ইত্যাদি।

বেপর্দা থাকা ও বেপর্দা ভাবে কথা বলা কবিরা গুনাহ  যে গুনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয়না।

 তাই আসুন আমরা সকলে মিলে আধুনিকতার নামে এই বেহায়াপনা থেকে এবং এই গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করি। আল্লাহ্ তা'য়ালা! আমাদের সবাইকে তৌফিক দান করুন। আমীন।

“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও”। (সূরা আন নূর: ৩১)

অনেক বোন মাথা ঢাকাকেই পর্দা মনে করেন, তারা মনে করেন মাথা তো ঢেকেই রেখেছি এর বেশি কি করতে হবে? কেউ কেউ বলে বড় ওড়না তো পরেছি। যদি উপরোক্ত আয়াতটি কেউ ভালো করে পড়ে দেখেন, এবং বুঝতে চেষ্টা করেন তবে অবশ্যই সেখানে স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে, মাথার কাপড় ঘাড়ের নিচ পর্যন্ত টেনে দেওয়া উচিৎ। খুমুর আরবী শব্দ ‘খিমার’ এর বহুবচন। যার অর্থ মাথা ঢেকে রাখা। তবুও কিছু বোন শুধু মাথা ঢেকে রেখেই ভাবে হিজাবের কাজ পরিপূর্ণ করে ফেলেছেন, অথচ তাদের চুল বা শরীর দেখা যায়, অথবা সমস্ত ঘাড় এবং বুকের উপরের অংশ অনাবৃত থাকে। প্রকৃতপক্ষে এমনটি জাহিলিয়্যি যুগের নারীদের রীতি। ইমাম কুরতুবী (রহঃ) বলেন: “তখনকার দিনে (জাহেলী যুগে) নারীরা ‘খিমার’ দ্বারা নিজেদের মাথা ঢেকে নিত, আর এর প্রান্ত পিঠে ছেড়ে দিতো। এতে করে তাদের কানসহ ঘাড় এবং বুকের উপরের অংশ খোলা থাকতো। তারপর আল্লাহ্‌ নির্দেশ দিলেন, তারা যেন ‘খিমার’ দ্বারা উক্ত অংশ গুলো ঢেকে নেয়”। সুতরাং মুখের চারিপাশে স্কার্ফটি উত্তমরূপে বেঁধে নিন, সাথে ঘাড় এবং বুক ঢেকে নিন। পূর্ণভাবে ঢেকে রাখাকেই পর্দা বলে।

আমরা আমাদের প্রিয় রাসূল (সঃ) এর আদর্শিত জীবনী পড়লেই জানতে পারি তিনি কতটা পরিবারের সকলের পর্দার দিকে খেয়াল রাখতেন। আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) একবার উপহার হিসেবে একটি মোটা কাপড় পেলেন। তিনি তা উসামা এবনে জায়েদকে (রাযিঃ) দিয়ে দিলেন। জায়েদ (রাযিঃ) দিয়ে দিলেন তাঁর স্ত্রীকে। রাসূল তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন তিনি তা পরেন নি? উসামা ইঙ্গিত দিলেন তাঁর স্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছেন। তারপর রাসূল (সাঃ) উসামা (রাযিঃ) কে বললেন: “তুমি তাকে এর নিচে একটি গোহালা পরতে বলবে। আমার ভয় হয়, এই কাপড়টি পরলে তার শরীরের হাড়ের সাইজ দেখা যাবে”.। (আবু দাউদ) আরবি গোহালা শব্দের মানে শরীরের গঠনকে প্রকাশ না করতে জামার নিচে পরা একটি মোটা কাপড়।

নিজেকে অপরের চোখে আকর্ষণীয় করার নাম হিজাব নয়ঃ হিজার হলো নিজের সৌন্দর্যকে লুকায়িত রাখা। গুনাহ থেকে নিজেকে বাঁচানো ও অন্যকে গুনাহ থেকে বাঁচতে সহায়তা করা। হিজাবের বিষয়ে মহান আল্লাহ্‌ তা'য়ালা বলেন: “এবং তোমরা তোমাদের ঘরে অবস্থান কর, আর জাহিলিয়্যি যুগের মত নিজেদেরকে প্রদর্শন করোনা”। (আল আহযাব: ৩২)
সাজ সজ্জা এবং সুগন্ধিঃ সাজ-সজ্জা দূষণীয় নয়, তবে তা করতে হবে আপন মাহরামের নিকট। নিজ স্বামীর কাছে স্ত্রীর সৌন্দর্য প্রদর্শন করা নেকীর কাজও। কোন মহিলা যদি আপন স্বামীর জন্য সাজ-সজ্জা করেন সুগন্ধি ব্যবহার করেন এতে উভয়েই বড় রকমের গুনাহ থেকে বাঁচতে পারেন। কেননা আল্লাহ্‌ তা'য়ালা সাজ সজ্জা  নন মাহরামদের নিকট প্রদর্শনী করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। সুতরাং মাথা এবং শরীর উত্তমরূপে ঢেকে পূর্ণ পর্দার সাথে স্বামীর হাত ধরে বাহিরে যান আপনার কোন গুনাহ হবেনা। আর সুগন্ধি ব্যবহার শুধু স্বামীর জন্য, পর পুরুষের জন্য নয়। নারীর সৌন্দর্য শুধুমাত্র স্বামীর জন্য। আর স্বামীর সৌন্দর্যও শুধুমাত্র স্ত্রীর জন্য নিহিত। এখানে অন্যকে নিজের সৌন্দর্য পদর্শন করে শুধু গুনাহই ইনকাম হচ্ছে। আর জাহান্নামের দিকেই দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। আল্লাহ্‌র রাসূল (সঃ) বলেছেন: “কোনো নারী সুগন্ধি ব্যবহার করল, তারপর পুরুষের পাশ দিয়ে গেল, যাতে তারা তার সুগন্ধি পায়, সে একজন ব্যভিচারিণী”। (আন নাসায়ী, তিরমীজি)

নিজে পূর্নতার সাথে হিজাব পরিধান করুন ও অপর বোনকে এবিষয়ে স্বরণ করিয়ে দিন। উৎসাহ দিন এভাবে যে, আমি যখন থেকে পর্দা করা শুরু করেছি সেদিন থেকেই অন্তরে প্রশান্তি অনুভব করি। আল্লাহ্ তা'য়ালা আমাকে ক্ষমার আর রহমতে ঢেকে রেখেছেন। আর বাহিরেও যখন হিজাবের সাথে বের হই তখন যুবক থেকে বৃদ্ধ সকলেই সম্মান দেখান। যে পথে চলি সেখান দিয়ে পথ ছেড়ে অন্য পথে দাড়ান। হিজাবের মাঝে কত সম্মান মর্যাদা তা বলে বুঝানো যাবেনা।

আরেকটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ কথা যদিও অনেক বোন নিজেরাই হিজাব পরে, অথচ তারা ভুলে যায় তাদের কথাতেও বেপর্দা হচ্ছে, তারা ভুলে যায় অন্য বোন এবং তার সৌন্দর্য সম্পর্কে নিজেদের স্বামী, ভাইদের নিকট বর্ণনা করা যাবেনা। মনে রাখা দরকার, অপর বোনের কোনো কিছু গোপন করাও হিজাবের অংশ। রাসূল (সাঃ) বলেছেন: ‘কোনো নারী যেন তার অনাবৃত শরীর অন্য কোনো নারীর অনাবৃত শরীরের সাথে না লাগায় এবং সে যেন তার (অপর নারীর) - শারীরিক সৌন্দর্য নিজের স্বামীর নিকট এমনভাবে বর্ণনা না করে, যেন সে তাকে সচক্ষে দেখছে।’ [বুখারি ও মুসলিম]
আল্লাহ্‌ আমাদের সকল বোনদেরকে উক্ত বিষয় গুলো যথাযথভাবে উপলব্দি করে আমল করার তৌফিক দিন। যেন আমরা সকল বোনেরা মিলে জান্নাতের বাগানে একসাথে  থাকতে পারি। আল্লাহ্ কবুল করুন।

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None