কুরআন নিয়ে গবেষণা - ২

কুরআনে উনিশ সংখ্যার বিস্ময়কর মিল:

কুরআনে উনিশ সংখ্যাটির (হারফ ও বাক্যসমুহের) বিস্ময়কর মিল আমাদেরকে দেখাচ্ছে যে, এভাবে গাণিতিক হিসাবে মিল রেখে যদি কেউ কুরআনের মত এমন কোন গ্রন্থ রচনা করতে যায় তাহলে তাকে প্রায় 60,000,000,000,000,000,000,000,000.000 বার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। অর্থাৎ কুরআনকে প্রথম থেকে শেষ পযন্ত এতবার তাকে পড়তে হবে শুধুমাত্র “উনিশ” এর গাণিতিক বন্ধন ঠিক রাখার জন্য এবং এ প্রচেষ্ঠার পর শুধুমাত্র একবারই সে সফলকাম হবে। সুতরাং এ কাজ সম্পন্ন করতে একটি মানুষকে কতবছর আয়ু পাওয়া দরকার তা সহজেই অনুমেয়।

নীচে উনিশ এর গাণিতিক বন্ধনের কতক দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হল:

আল কুরআনে ১৯ সংখ্যাটি বিভিন্নভাবে এসেছে প্রত্যক্ষভাবে উল্লেখ করার মাধ্যমে আর পরোক্ষভাবেও । বিশেষ বিশেষ সংখ্যা গাণিতিক মান ছাড়াও বিশেষ র্অথ প্রকাশ করে থাকে। উনিশকে তেমনি একটি সংখ্যা ধরা হয়েছে যা সমস্ত কুরআন শরীফের জন্য প্রযোজ্য।  সুরা মুদ্দাচ্ছিরের ৩০ নং আয়াতটি এরকম- “ ইহার উপর উনিশ। ” আয়াত ২৪-২৯-এ অবিশ্বাসীদের সাবধান করা হয়েছে দোযখের আগুন সর্ম্পকে যাতে তারা কোরানকে যাদু বলে অভিহিত না করে। তারই পরে উল্লেখ আছে উক্ত আয়াতটির । এখানে উনিশ মানে কি ? কেন উনিশকেই চয়ন করলেন আল্লাহসুবহানাহুতাআলা শাস্তি র্বণনার জন্য ।
গণিতের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে উনিশ অত্যন্ত তাৎর্পযর্পূণ। কারণ এর শুরু এক দিয়ে যা গণিতের প্রথম সংখ্যা ও শেষ নয় দিয়ে যা শেষ সংখ্যা অর্থাৎ , ১৯ এ রয়েছে গণিতের আলফা ও ওমেগা ।
পবিত্র কোরানের সবচেয়ে শুরুও আয়াতটি হচ্ছে “ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”। হরফ হিসাব করলে আয়াতটিতে – বা , সিন , মিম , আলিফ , লাম , লাম , হা [ ছোট ] , আলিফ , লাম , রা , হা [ বড় ] , মিম , নুন , আলিফ , লাম , রা , হা [ বড় ] , ইয়া , মিম -মোট ১৯টি হরফ আছে ।
আয়াতটিতে ৪টি শব্দ আছে – ইসম – ১৯ বার
আল্লাহ  – ২৬৯৮ বার [ ১৯*১৪২ ]
আর-রাহমান – ৫৭ বার [ ১৯*৩ ]
আর-রাহিম – ১১৪ বার [ ১৯*৬ ] ব্যবহার হয়েছে ।
এবং সবগুলো সংখ্যাই ১৯ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য।  ১জন নিরক্ষর মানুষ এত ভালভাবে এ কয় জায়গায় ও আরো অনেক জায়গায় এত র্নিভুলভাবে ১৯-র দিকে খেয়াল রেখে কি করে ১টা পুরো বই লিখতে পারেন ?
“ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ”- এ আয়াতটিকে কোরানের সীল বলা হয় যেমন অনেক গুরুত্বর্পূণ নথিপত্র সীল দিয়ে বৈশিষ্টর্পূণ করে দেয়া হয় তেমনি। সমস্ত কোরানে মোট ১১৪ বার এটি ব্যবহৃত হয়েছে যা ১৯ দিয়ে বিভাজ্য আগেই উল্লেখ করেছি। আর এ সমস্ত হিসাব করেছে কোন পক্ষপাতদুষ্ট মানবিক মস্তিষ্ক নয় বরং আজকের যুগের সবচেয়ে র্নিভরযোগ্য যন্ত্র ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)

এ বিষয়ে একটি বই পড়েছিলাম অনেক আগে। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

-

আমার প্রিয় একটি ওয়েবসাইট: www.islam.net.bd

সালাম

এ নিয়ে গবেষণা করে ড: খলিফা নি:সন্দেহে প্রশংসনীয় কাজ করেছেন কিন্ত্ত আফসোস সবকিছুতেই
তিনি ১৯ এর হিসাবে মিলাতে গিয়ে দাবী করে বসলেন যে সুরা তওবার শেষ দুইটি আয়াত পরে মানুষ
সংযোজন করেছে । এই একটি দাবী করে সমস্ত ভাল কাজ পন্ড করলেন । আল্লাহ তাকে মাফ করুন ।

যে ব্যাক্তি নবুয়্যতের দাবী করে তার ব্যাপারে কি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা যায়? রাশাদ খলিফাকে 'সাবমিটার'রা নবীর স্বীকৃতি দেয় এবং তারা রাসুলের খাতামুন নাবিয়্যিনে বিশ্বাসী না।

ভয়ংকর তথ্য! দেশের সাধারণরা বইটি পড়ে খলিফার দারুন ভক্ত।

-

আড্ডার দাওয়াত রইল।

> > > প্রতি শুক্রবার আড্ডা নতুন বিষয়ে আড্ডা শুরু হবে।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (4টি রেটিং)