যে বিস্ময়ের শেষ নেই

এমনি ধরনের বহু বৈজ্ঞানিক তথ্য রয়েছে কুরআনে যা প্রমাণ করে যে কোন মানবীয় ব্রেইন এ ধরনের গ্রন্থ রচনা করতে অক্ষম।

কুরআনের হেফাজতকারী স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা:
অতীতের আসমানী কিতাবগুলোর মত এ গ্রন্থও যাতে বিকৃতির শিকার না হয়ে পড়ে তার জন্য আল্লাহ তায়ালার গৃহীত ব্যবস্থাবলী তাক লাগিয়ে দেয়ার মত। কুরআন নাযিলের পর থেকে অদ্যাপি পযন্ত ইসলাম ও ইসলামী উম্মাহর বিরুদ্ধে দিন রাত চতুর্মুখী প্রচারণা, কুরআনকে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে দেয়ার বিশ্বব্যাপী অপতৎপরতা ও অপচেষ্ঠা সত্বেও এ কুরআন রয়েছে অবিকৃত। এ এমন এক মোজেযা যার তুলনা মেলা ভার, বর্ননার অতীত। আপনি যতই এ নিয়ে অধ্যয়ন করবেন সেজদায় অবনত হবে আপনার শির।
নীচের আলোচনাগুলোর মাধ্যমে আমি প্রমাণ পেশ করার চেষ্ঠা করবো যে, যে কুরআন আল্লাহ তায়ালা আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশত বছর পুবে নাযিল করেছিলেন সেই একই কুরআন আমাদের মাঝে রয়েছে বর্তমান। একটি যের, যবরের হের, ফের কিংবা নোকতার পরিবর্তনও তাতে ঘটেনি এবং কিয়ামাত পযন্ত যাতে হুবহু সেরকমই থাকে, কোনও পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও বিকৃতি যাতে এ গ্রন্থে না ঘটে সেজন্যে পরোক্ষে রয়েছে আল্লাহর কুদরতী হাত। তবে এ কাজটা অর্থাৎ কেন তিনি এটিকে বিকৃতি থেকে রক্ষার দায়ীত্ব নিজেই নিয়েছেন এর পেছনে তো অবশ্যই রয়েছে যুক্তিসংগত কারন। সে কারনসমুহেরই কিছু এখানে উল্লেখ করা আবশ্যক মনে করছি:
১- আল্লাহ মানবজাতীর উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, এ কুরআন হচ্ছে তাদের জন্য দুনিয়ায় জীবন চলার পথে গাইড, জীবন বিধান এবং তিনি এও বলেছেন যে, এ বিধানের অনুসরন করে যারা চলবে আখিরাতে তাদের কোন ভয়, দুশ্চিন্তা বা বিপদের কারন নেই। যারা এ গাইডের বিপরীত পথে চলবে তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নাম। (দ্রষ্টব্য: সুরা আল বাকারা 2, ৩৮) সুতরাং যুক্তি এই দাবী করে যে এ গাইডটি কিয়ামাত পযন্ত অবিকৃত থাকা জরুরী।
২- এ গ্রন্থে আল্লাহ বলেছেন যে, এতে বর্নিত বিধানাবলী অনুযায়ী যারা শাসন করবেনা (পরিবার, দেশ, সমাজ, রাষ্ট্র) তারা কাফির, ফাসিক এবং এও বলা হয়েছে যে এ জাতীয় লোকদের জন্যই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে জাহান্নাম। (দ্রষ্টব্য: সুরা আল মায়িদা 44, 47) সুতরাং যুক্তির দাবী হচ্ছে যে, এ গ্রন্থ অবিকৃত থাকা একান্ত আবশ্যক নতুবা আল্লাহর শাস্তি দানের কোন অধিকার নেই। গাইড বা জীবন বিধান বিকৃত হয়ে যাবে আর আল্লাহ সে বিকৃত গাইডকেই অনুসরন করতে বলবেন – এটা বিবেকসম্মত নয় বরং তা যুলম। আর সৃস্টজীবের উপর যুলম করা থেকে তিনি অতিশয় পবিত্র।
৩- আল্লাহ এও বলেছেন যে, এ কিতাবের পর আর কোন কিতাব নেই, আর কোন নাবী নেই দ্রষ্টব্য: সুরা আল আহযাব 40) সুতরাং অবশ্যই এ গ্রন্থ ঐ অবস্থা থেকে পবিত্র থাকা অতীব জরুরী যে অবস্থা ঘটেছে এর পুবের আসমানী কিতাবগুলোর বেলায়।
                                                      - চলবে

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

সালাম

আপনাকে ধন্যবাদ

যথাযথ লিখেছেন, বাস্তবিকই এ কোরআন মাজীদ অপরিবর্তনীয়। এবং এর বিধানাবলী অবশ্যই কেয়ামত পর্যন্ত জারী থাকবে। মহান আল্লাহ তা'য়ালা এই কোরআনের মাধ্যমে সমগ্র মানবজাতীকে পথ দেখান। এবং হেদায়াতের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখুন।

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

এ পোষ্টি চিন্তার অনেক খোরাক রয়েছে। জাযাকাল্লাহ্ খায়ের।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)