নারীদের নিকাব প্রসংগ

নারীদের নিকাব প্রসংগ

(আমার এ লেখাটি ঐসকল কিশোরী, যুবতী, বধু মাতাদের জন্য যারা নারীদের নিকাব বিতর্কে ও আলিম সমাজের মতভেদের দ্বন্ধে দিশাহারা এবং ভাবছেন যে, চেহারা খোলা রাখা জায়েয হয়ে থাকতে পারে। আমি মনে করি, মহা বিভীষিকাময় সে দিনটি এসে যাবার আগে প্রকৃত সত্যটি অবহিত হয়ে পথ চলা উচিত যেন তখন অনুশোচনার কোন কারন না ঘটে)।

ইতিহাসের নিরিখে নিকাব প্রসংগ:-
ব্যাপার এরকম ছিলনা যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে কোন কোন নারী চেহারা অনাবৃত অবস্থায় চলাফেরা করতো এবং  রাসুলুল্লাহ (সা) তা অপছন্দ করলেও অনুমতি দিয়েছিলেন। বরং ইতিহাস এর বিপরীত কথা বলে। রাসুল (সা) এর মুখ থেকে কখনো এ কথা উচ্চারিত হয়েছে বলে কোন দলিল খুজে পাওয়া যায়না যে, সুরা আন নুরের ৩১ নাম্বার আয়াতের  الا ما ظهر منها (যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয়ে পড়ে) ব্যাখ্যায় তিনি চেহারাকেও বুঝিয়েছিলেন।
রাসুলের (সা) যুগে মহিলাগন কোন অবস্থায়ই চেহারা অনাবৃত রেখে বাইরে বের হতেননা। পর্দা সম্পর্কিত হাদিসগুলোর প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায় কুরআনের এসকল আয়াত অবতীর্ণ হবার পর মুসলিম নারীগন মুখমন্ডলের উপর নিকাব বা ঘোমটা পরা শুরু করেন এবং অনাবৃত মুখমন্ডল নিয়ে চলাফেরার প্রচলন বন্ধ হয়ে যায়। উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত: “আমি সফওয়ান ইবনু মুয়াত্তালের কন্ঠ শুনতে পেলাম, আর তখনি আমি আমার চেহারা ঢেকে ফেলি। তিনি পর্দার আয়াত নাযিল হবার আগে আমাকে দেখেছিলেন” (বুখারী, কিতাবুল মাগাযী)। অপর এক হাদিসে বর্ণিত: কোন এক যুদ্ধের সময় উম্মু খাল্লাদ নাম্নী জনৈকা মহিলা নিকাব পরিহিতা অবস্থায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট তার ছেলের খোজ নিতে এলেন। তার সন্তান ঐ যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। উম্মু খাল্লাদকে দেখে কোন কোন সাহাবী আশ্চযান্বিত হয়ে বললেন: “এতো পেরেশানীতেও আপনি নিকাব পরেই ছেলেকে খুজতে এসেছেন?” উম্মু খাল্লাদ বললেন: “আমি সন্তান হারিয়েছি বটে কিন্তু লজ্জাতো হারাতে পারিনা” (আবু দাউদ, কিতাবুল জিহাদ, হাদিস নং ২১২৯, বায়হাকী, আসসুনানূল কুবরা, পৃ ১৭৫)। এমনি ধরনের বহু দৃষ্টান্ত হাদিসের ভান্ডারগুলোতে বিদ্যমান, স্থানাভাবে সেসবের উল্লেখ এখানে অসম্ভব।

এ বিষয়ে তাফসীর গ্রন্থসমুহে যা লিখা হয়েছে :-
মূল শব্দগুলো হচ্ছে, يدنين عليهن من جلاببهن আরবী ভাষায় ‌জিলবাব‍‍‍‍বলা হয় বড় চাদরকে। আর ادناء শব্দের আসল মানে হচ্ছে নিকটবর্তী করা ও ঢেকে নেয়া। কিন্তু যখন তার সাথে আলা অব্যয় বসে তখন তার মধ্যে ইরখা   ارخاء অর্থাৎ ওপর থেকে ঝুলিয়ে দেয়ার অর্থ সৃষ্টি হয়। বর্তমান যুগের কোন কোন অনুবাদক ও তাফসীরকার পাশ্চাত্য ভাবধারায় প্রভাবিত হয়ে এ শব্দের অনুবাদ করেন শুধুমাত্র "জড়িয়ে নেয়া" যাতে চেহারা কোনভাবে ঢেকে রাখার হুকুমের বাইরে থেকে যায়। কিন্তু যা বর্ণনা করছেন আল্লাহর উদ্দেশ্য যদি তাই হতো, তাহলে তিনি
يدنين اليهنবলতেন। যে ব্যক্তিই আরবী ভাষা জানেন তিনি কখনো একথা মেনে নিতে পারেন না যে,  يدنين عليهنমানে কেবলমাত্র জড়িয়ে নেয়া হতে পারে। তাছাড়া  من جلاببهنশব্দ দুটি এ অর্থ গ্রহণ করার পথে আরো বেশী বাধা হয়ে দাঁড়ায়। একথা সুষ্পষ্ট যে, এখানে মিন من শব্দটি কিছু অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ চাদরের এক অংশ। আর এটাও সুস্পষ্ট যে, জড়িয়ে নিতে হলে পুরো চাদর জড়াতে হবে, নিছক তার একটা অংশ নয়। তাই আয়াতের পরিষ্কার অর্থ হচ্ছে, নারীরা যেন নিজেদের চাদর ভালোভাবে জড়িয়ে ঢেকে নিয়ে তার একটি অংশ বা একটি পাল্লা নিজেদের ওপর লটকিয়ে দেয়, সাধারণভাবে যাকে বলা হয় ঘোমটা। নবুওয়াত যুগের নিকটবর্তী কালের প্রধান মুফাসসিরগণ এর এ অর্থই বর্ণনা করেন। ইবনে জারীর ও ইবনুল মুনযিরের বর্ণনা মতে মুহাম্মাদ ইবনে সিরীন (রা) হযরত উবাইদাতুস সালমানীর কাছে এ আয়াতটির অর্থ জিজ্ঞেস করেন। (এই হযরত উবাইদাহ  রা: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে মুসলমান হন কিন্তু তার খিদমতে হাযির হতে পারেননি। হযরত উমরের (রা) আমলে তিনি মদীনা আসেন এবং সেখানেই থেকে যান। তাকে ফিকহ ও বিচার সংক্রান্ত বিষয়ে কাযী শুরাইহ - এর সমকক্ষ মনে করা হতো)। তিনি জবাবে কিছু বলার পরিবর্তে নিজের চাদর তুলে নেন এবং তা দিয়ে এমনভাবে মাথা ও শরীর ঢেকে নেন যে তার ফলে পুরো মাথা ও কপাল এবং পুরো চেহারা ঢাকা পড়ে যায়, কেবলমাত্র একটি চোখ খোলা থাকে। ইবনে আব্বাসও রা: প্রায় এই একই ব্যাখ্যা করেন। তার যেসব উক্তি ইবনে জারীর, ইবনে আবি হাতেম ও ইবনে মারদুইয়া উদ্ধৃত করেছেন তা থেকে তার যে বক্তব্য পাওয়া যায় তা হচ্ছে এই যে, "আল্লাহ মহিলাদেরকে হুকুম দিয়েছেন যে, যখন তারা কোন কাজে ঘরের বাইরে বের হবে তখন নিজেদের চাদরের পাল্লা ওপর দিয়ে লটকে দিয়ে যেন নিজেদের মুখ ঢেকে নেয় এবং শুধুমাত্র চোখ খোলা রাখে"। কাতাদাহ ও সুদ্দীও এ আয়াতের এ ব্যাখ্যাই করেছেন। সাহাবা ও তাবে'‍‌‌‌‌‌ঈদের যুগের পর ইসলামের ইতিহাসে যত বড় বড় মুফাসসির অতিক্রান্ত হয়েছেন তারা সবাই একযোগে এ আয়াতের এ অর্থই বর্ণনা করেছেন। ইমাম ইবনে জারীর তাবারী বলেনঃ يدنين عليهن من جلاببهن অর্থাৎ ভদ্র ঘরের মেয়েরা যেন নিজেদের পোশাকআষাকে বাঁদীদের মতো সেজে ঘর থেকে বের না হয়। তাদের চেহারা ও কেশদাম যেন খোলা না থাকে। বরং তাদের নিজেদের ওপর চাদরের একটি অংশ লটকে দেয়া উচিত। ফলে কোন ফাসেক তাদেরকে উত্যক্ত করার দুঃসাহস করবে না। (জামেউল বায়ান ২২ খন্ড, ৩৩ পৃষ্ঠা)। (তাফহীমুল কুরআন, ১২ খন্ড, পৃ: ৭৯-৮০)

চার ইমামের ফিকাহর গ্রন্থাবলীতেও এমন দলিল কোথাও খুজে পাওয়া যায়না যে, কেউ  বলেছেন, “রাসুলের (সা) যুগে কোন কোন মহিলা চেহারা অনাবৃত রেখে বহিরাংগনে যেতো, রাসুল তাতে নিষেধ করেননি”।
যদি তা-ই হয়, অর্থাৎ :
ক) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ এবং সাহাবীদের যুগ পযন্ত যদি সুরা আন নুরের ৩১ আয়াত দিয়ে চেহারা বোঝানো না হয়ে থাকে এবং
খ) কুরআনের এ ব্যাখ্যা এবং চেহারা অনাবৃত রাখার এ বিধান ও সংস্কৃতি যদি কোনরুপ বিতর্ক, সংশয় ও বিরোধিতা ছাড়াই কুরআন নাযিলের পর দু’শ / আড়াইশ বছর অবধি বাস্তবে কায়েম থাকে তাহলে এর আড়াইশো / তিনশো বছর পর এ আয়াতের ভিন্ন ব্যাখ্যা করা জায়েয হয় কোন যুক্তিতে? অর্থাৎ কিভাবে এখানে একটি রোখসাত কিংবা ইজতেহাদ করার কোন সুযোগ মেলে যে, “কোন কোন ফিকাহবিদ / আলিম চেহারা অনাবৃত রাখাকে জায়েয মনে করতেন”। যে ইজতিহাদ রাসুল (সা) ও সংগী সাথীগনের জীবনকে অস্বীকার করে বা এড়িয়ে যায় সে ইজতিহাদ ইসলামে কতটুকু গ্রহণযোগ্য হতে পারে?     

কোন মামলায় বা বিরোধীয় বিষয়ে যদি প্রতক্ষ্যদর্শী থাকে বিচারক তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। আমাদের আলোচ্য এ ইস্যুতে রাসুলের (সা) এবং সাহাবীদের যুগ হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী। অত:পর তাবেয়ী ও তাবে তাবেয়ীনদের যুগকেও এ আওতায় আনা যায়। অর্থাৎ একটা সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছার জন্য আমাদের অবশ্যই সে যুগ তথা ইতিহাসের উপর চোখ রাখা উচিত যে, সে যুগের মহিলাগন কুরআনে বর্ণিত পর্দার এ আদেশকে কিভাবে বাস্তবায়ন করেছিলেন। বেশী দুর না গিয়ে নিকট অতীতের সৌদী আরবকেও দেখা যেতে পারে। ১৯৮০ সালে আমি সৌদী আরব গমন করি। আমি নিজে সৌদী মহিলাদের হিজাব ও পর্দানশীলতার প্রত্যক্ষদর্শী। যদি কেউ বলতো যে, কই মাছ লাফাতে লাফাতে একতলায় উঠে গেছে তাহলে তা বিশ্বাস করা যেতো কিন্তু সৌদী মহিলারা চেহারা অনাবৃত রেখে রাস্তায় বেরিয়েছে এমন কথা বিশ্বাস করা যেতোনা। এর মানেতো এ ছাড়া আর কিছু নয় যে, তারা তাদের মা, নানীদেরকে কুরআনের পর্দার বিধান এভাবেই মানতে দেখেছে, এভাবে এ সিলসিলা গিয়ে ঠেকেছে স্বয়ং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পযন্ত।*

ফিতনা শুরু যেখানে:
রাসুল (সা) এবং তার সাহাবীদের যুগে الا ما ظهر منها (যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয়ে পড়ে) আয়াত দিয়ে বোঝানো হতো  চাদর/নিকাব/জিলবাব/বোরকা/জুতা ইত্যাদির কারুকাজ, হাত ও পায়ের কবজি থেকে আংগুল, পায়ের পাতা, মেহেদীর রং ইত্যাদি। কিন্তু আধুনিক যুগের কতিপয় আলিম অত:পর এসবের সাথে চেহারাকেও শামিল করে নিয়েছেন। এইসকল আলিমগন আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর বরাত দেন। কিন্তু তারা এটা উল্লেখ করতে বিরত থাকেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) চেহারা খোলা রাখার অনুমতি দেবার কিছুকাল পরেই (যুবক যুবতীদের মধ্যে ফিতনার আশংকা দেখা দিলে) আবার তা রদ করে দিয়েছিলেন। তারা এটা উল্লেখ করেননা যে, এই আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাসই (রা) পরবর্তীতে মুসলিম মহিলাদের জন্য শুধু একটি কিংবা দু’টি চক্ষু ছাড়া জিলবাব দ্বারা পুরো মাথা ও মুখমন্ডল ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। (দ্রষ্টব্য: তাফসীর তাবারী)

চেহারা সম্পর্কে যুক্তির কথা
চেহারাই হচ্ছে সৌন্দযের প্রাণকেন্দ্র এবং কখনো কখনো বিপদের মুল ও ফিতনার উৎস। একজন পুরুষের অন্তর রাজ্যে যে জিনিসটি ঝড় তোলে বা কাপন ধরায় বা দিলকে আনমনা করে তা হচ্ছে নারীর চেহারা। এ চেহারা আদাম (আ) এর সন্তানদের পরিচিতি নির্ণায়ক বা Symbolic representation নয় শুধু বরং এর কর্ম পরিধী আরও ব্যপক এবং এর রয়েছে বহু অঘটন ঘটন পটিয়সী ক্ষমতা। এ চেহারা যে বিপযয়ের লীলাপ্রাংগন এতে কোন সন্দেহ নেই। অতএব এ লীলাপ্রাংগনকে উন্মুক্ত রেখে পর্দার সুফল পাওয়ার আশা অবান্তর। হয়তো বলা হবে, পুরুষগন মেয়েদের দিকে তাকাবে কেন? পুরুষদেরকে কি চোখ নিম্নগামী রাখতে বলা হয়নি? হ্যা, মু’মিন পুরূষগনতো নিশ্চিতভাবে চোখ নিম্নগামী রাখেন। কিন্তু এ দুনিয়ার সকল পুরুষ যদি সত্যিকার অর্থেই মু’মিন হতো তাহলেতো কোন সমস্যাই ছিলনা, ইভটিজিং, পরকীয়া প্রেম, সংসারে ভাংগন, নারী ধর্ষণ ও খুনের মতো ঘটনাগুলো তখন আমাদেরকে ব্যথিত করতোনা।

কার ক্ষতি বেশী:
পর্দাহীনতার কুফল কি তা সবমহল অবিদিত। আখিরাতে এর পরিণাম ফলও কারও অজানা নয়।
এক নিরীক্ষায় দেখা গেছে, এর ক্ষতির পরিমাণ নারীদের ক্ষেত্রে বেশী। যেমন:
১) চেহারা খোলা রেখে যেসব মহিলা বাইরে যান তাদের উপর এক সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে, তাদের বেশীরভাগ সদা প্রসাধনী ব্যবহার করেন এবং এ প্রসাধনীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় চেহারা একসময় পুড়ে তামাটে রং ধারণ করে যার কোন প্রতিষেধক বা প্রতিকার নেই।  
২) চেহারার প্রাকৃতিক লাবণ্য ও কমনীয়তা নষ্ট হয়ে যায়।
৩) নারী তার স্বকীয় মূল্য ও সম্মান-মযাদা হারিয়ে ফেলে।
৫) দুশ্চরিত্রদের অনিষ্টকারিতার ভয় সদা সবদা মনকে উদ্বেগাকুল রাখে।
৬) মানুষ একথা বলতে সাহস পেয়ে যায় যে, নারীরা হচ্ছে ভোগ্যপণ্য।

বি: দ্র:
আমি আমার নিবন্ধে চেহারা আবৃত/অনাবৃত রাখার বিষয়ে শারিয়াতের বিধান কি – এ প্রসংগে আলোচনা করেছি। ওযর সম্পর্কে নয়। ওযরের বিধান এক জিনিস এবং শারিয়াতের আদেশ ভিন্ন জিনিস। কখনো কখনো হারাম জিনিসও ওযরের কারনে হালাল হয়ে যায়। যে সমস্ত ইসলামী চিন্তাবিদ এ প্রসংগে বক্তব্য দিয়েছেন তাদের প্রসংগ ছিলো ওযর।
যেমন ড: যাইদান বলেন:
“প্রয়োজনে মহিলাদের চেহারা খোলা রাখার যে মতকে আমি প্রাধান্য দিচ্ছি তা দু’টি শর্তযুক্ত। এগুলো হলো: ১- চেহারায় স্বাভাবিক অবস্থার চাইতে অতিরিক্ত কোন ধরনের সাজগোছ থাকতে পারবেনা। ২- চেহারা খোলা রেখে বাইরে বের হলে কোন ধরনের ফিতনা কিংবা পুরুষদের কুদৃষ্টি পড়ার আশংকা থাকবেনা”। (যায়দান, খ ৩, পৃ: ১৯৫। ইসলামের দৃষ্টিতে পোষাক পর্দা ও সাজসজ্জা, পৃ: ১২৬ – ১৩৬ ড: আহমাদ আলী)

* পর্দানশীলতার যে চিত্র আমি এখানে তুলে ধরেছি তা ১৯৮০ সালের। এখন আর ওখানে সে অব্স্থা নেই। অবশ্য এতে অবাক হবার কোন কারন থাকতে পারেনা, কিয়ামাতের কাছাকাছি সময়ে এমনটা ঘটবে বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

জাযাকাল্লাহ্ খায়ের এমন একটি লেখার জন্য।

-

"প্রচার কর আমার পক্ষ হতে, যদি একটি কথাও (জানা) থাকে।" -আল হাদীস

আপনার লেখাগুলো খুব ভালো লাগে। নিয়মিত লিখবেন।

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)