বাইতুল মাকদিস আসলে কার

বাইতুল মাকদিস আসলে কার..

আল্লাহর নাবী ইবরাহীম আলাইহিস সালামের বংশধারা দু’টি শাখায় বিভক্ত হয়। একটি হচ্ছে: নাবী ইসমাঈল আ: এর সন্তান সন্ততিবর্গ। তারা আরবের হিজায এলাকায় বসবাস করতেন। আর দ্বিতীয় শাখাটি হচ্ছে: নাবী ইসহাক আ: এর সন্তানবর্গের। এরা শাম (বর্তমান ফিলিস্তিন, সিরিয়া ও ইরাক) ও এর আশপাশ এলাকায় বসতি স্থাপন করে। এ শাখায় নাবী ইয়াকুব, নাবী ইউসুফ, নাবী আইয়ুব, নাবী যুল কিফল, নাবী ইউনুস, নাবী শুয়াইব, নাবী মুসা, নাবী হারুন, নাবী দাউদ, নাবী সুলাইমান, নাবী ইলিয়াস, নাবী যাকারিয়া, নাবী ইয়াহইয়া, নাবী ঈসা আলাইহিমুস সালাম প্রমুখ (এবং আরও অনেকে) জন্মগ্রহন করেন। এ শাখাটির মাধ্যমেই নাবী সুলাইমান আলাইহিস সালামের আমলে বাইতুল মাকদিস ইসলামী দাওয়াতের কেন্দ্রভুমির মযাদায় অধিষ্ঠিত হয়। দুনিয়াবাসীকে নেতৃত্ব দানের যোগ্যতা হারাবার পুবক্ষন পযন্ত বাইতূল মাকদিসই ছিল ইসলামী উম্মাহর কিবলা।

নাবী ইয়াকুব আ: এর অপর নাম ছিল ইসরাঈল, একারনে তার বংশধারা বানু ইসরাঈল নামে পরিচিতি লাভ করে। কাল পরিক্রমায় (যেমনটা যুগে যুগে হয়েছে) এ বানু ইসরাঈল জাতীর মধ্যেও চারিত্রিক ও নৈতিক অধ:পতন সুচিত হয়। তারা আল্লাহর দ্বীন থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে। হারাম জিনিসকে হালাল করে নেয়। আল্লাহর মুল কিতাব তাওরাতকে বিকৃত করে নিজেদের মর্জিমতো কিতাব লিখতে থাকে, আর বলতে থাকে এটা আল্লাহর নিকট থেকে এসেছে। (সুরা আল বাকারা ৭৯) তাদের লিখিত এসব কিতাবে কেবলমাত্র ঐসব কথামালাই স্থান পেতো যা তাদের আপন স্বার্থ ও পৌরহিত্যবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য সহায়ক।   

আহলু কিতাব হবার কারনে তাদেরই সবার আগে নাবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ইমান আনা কর্তব্য ছিল। কিন্তু তারা প্রাণপনে এ নাবীর বিরোধিতা করে এবং নিজেদের বিকৃত দ্বীন ও ভ্রষ্টতার পথে অটল থাকে। শুধু তাই নয়, নাবী মুহাম্মাদ সা: ও তার অনুসারীদের উৎখাতের জন্যও তারা মরিয়া হয়ে উঠে। আল্লাহর প্রেরিত সবশেষ নাবীকে অস্বীকার করার ফলশ্রুতিতে সংগত কারনেই বাইতুল মাকদিসেও তাদের কোন নৈতিক অধিকার থাকেনা এবং যেকোন বিবেকবান মানুষই একথা স্বীকার করতে বাধ্য কিন্তু কে শোনে কার কথা।
তারা রাত দিন নাবী ডেভিড (দাউদ আলাইহিস সালাম) এর দোহাই দিচ্ছেন। নাবী ডেভিড যদি তাদের বর্তমান কীর্তিকলাপ দেখতেন তাহলে কি বলতেন?   

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)