আর লাশ নয়, বাংলার মাটি শান্তি চায়-

স্বাধীনতার চার দশক পেরিয়ে যাবার পরও বাংলার আকাশ বাতাস পোড়া মানুষের গন্ধে আজ ভারাক্রান্ত। 

১৬ ডিসেম্বর, বার বার ঘুরে ফিরে আসে- কিন্তু ১৩ তে স্বাধীনতার এ কোন রূদ্র রূপ দেখছি!? 

২০১৪ তে পা রাখবার আগেই আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ কর। তোমরা কি বুঝতেই পার না- বাংলার মাটি আর 

খুনখারাবি চায়না, চায়না আর একটিও অগ্নিদগ্ধ লাশ? 


যে যতই মিষ্টি বুলি মারুক আর গলাবাজি করুক, নিরাপরাধ মানুষকে পুড়িয়ে যারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার 

অপচেষ্টা করে, তারা যে দল বা মতের অনুগত অনুসারী হোক না কেন- কখনই দেশপ্রেমিক হতে পারে না। 

দাবার গুটির কূটচালে যাদের অদৃশ্য কালো-হাত নিরাপরাধ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়, তারা তো খুনি। 

ক্ষণকালের জন্য মিথ্যা তৃপ্তি মিললেও- একালে ও পরকালে, কোন কালেই তাদের মুক্তি নেই। 

সাময়িক ক্ষমতা দখলের মোহে ও লোভে যারা বিবেকহীন অমানবিক আচরণে মেতেছে, পরিণতিতে 

ইতিহাস তাদেরকে ঠিকই আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবেই। বিবেকবান বাঙালীরা কখনই তাদেরকে ক্ষমা করবে 

না, না- না- না। 

রাজনীতির তপ্ত আগুন আর নয়, বাংলার শান্তিপ্রিয় জনগণ বিশুদ্ধ পানি পান কোরে নুতন কোরে বাঁচতে চায়। দোহাই তোমাদের, এ মরণ 

খেলা বন্ধ কর।


……………………………..
আল-কোরআন, সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ)

(০৪:৭৫) অর্থ- আর তোমাদের কি হল যে, তেমারা আল্লাহর রাহে লড়াই করছ না দুর্বল সেই 

পুরুষ, নারী ও শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, "হে আমাদের পালনকর্তা! আমাদিগকে এই জনপদ 

থেকে নিষ্কৃতি দান কর; এখানকার অধিবাসীরা যে অত্যাচারী! আর তোমার পক্ষ থেকে 

আমাদের জন্য পক্ষালম্বনকারী নির্ধারণ করে দাও এবং তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য 

সাহায্যকারী নির্ধারণ করে দাও।"

................................

হায়!! এই অত্যাচারীদের হাত থেকে বাংলার নিরীহ নারী, পুরুষ ও শিশুদেরকে বাঁচাবার মত কেউ কি আছ? আর অযথা কালক্ষেপণ নয়, শক্ত হাতে সকল সন্ত্রাসীদের দমন কর। সামর্থ থাকা সত্বেও যদি এগিয়ে না আস, বিবেকের কাছে ও পরকালে কি জবাব দেবে- একটিবারও ভেবে দেখেছ কি?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)