ঘুরে এলাম প্রিয়নবী সা: এর শহর থেকে

সব প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত ১৩
অক্টোবর ২০১১ইং বাবা এলেন নবীর দেশে। বাবার আগমন বার্তা শুনার সাথে সাথেই মনটা
ব্যাকুল হয়ে উঠলো বাবাকে একটি নজর দেখার জন্য। ফোনের পর ফোন করতেই লাগলাম মন খুলে
সব কথা বলতে লাগলাম কিন্তু বাবার বুকে বুক মিলানোর স্বাদ তো আর ফোনে মিটবে না।
ইচ্ছে করছে এক্ষুনি গিয়ে বাবাকে বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরি কিন্তু মন চাইলেই তো আর সব
কিছু করা যায় না। আমি এখানে নিজের মন মত স্বাধীন ভাবে চলতে পারিনা। কেননা আমি একটি
কোম্পানীতে চাকুরি করি। সে কোম্পানীর অনুমতি ছাড়া কিছুই করার সাধ্য আমার নেই। একেই
বলে প্রবাস জীবন এরই নাম কর্ম জীবন। তাই মন চাইলেও তখন বাবার সাথে দেখা করতে যেতে
পারলাম না। অফিসে দরখস্ত জমা দিলাম ছুটির জন্য। ১৮ , ১৯ ও ২০ তারিখ মোট তিন দিনের
ছুটি মঞ্জুর হল।

সতের তারিখে অফিস শেষে শুরু হল বাবার কাছে যাওয়ার
প্রস্তুতি। বাবা এখন প্রিয়নবী সা: এর শহর সোনার মদীনায় অবস্থান করছেন। তাই আমার
যাত্রা হবে ”রিয়াদ টু মদীনা”। আছর নামাজের পরে ছুটে চললাম মদীনা অভিমুখে। প্রথমে
বাথা হয়ে আজিজিয়া বাস টার্মিনালে গেলাম। এটি রিয়াদের সবচেয়ে বড় বাস টার্মিনাল।
রিয়াদের দূরপাল্লার বাসগুলো এই টার্মিনাল থেকেই ছেড়ে যায়। দিমাল গ্র“পের একটি বাসে
যাত্রী হলাম। বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বাসে উঠলেও বাস ছাড়লো যখন ঘড়ির কাটা বলে দিচ্ছে
তখন পাঁচটা বাজে। বাস ছুটে চলল মদীনা অভিমুখে। এই সময়টায় ব্যস্ততম রিয়াদ নগরী আরো
বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ে তাই পুরো রিয়াদ সিটিতে খুব ধীরে ধীরে চলল বাস। রিয়াদ সিটি
অতিক্রম করে বাস শোঁ শোঁ করে ১৪০কি.মি বেগে চলতে লাগলো যদিও সড়কের পাশের সাইন
বোর্ডে ১২০ কি.মি বেগে চালানোর নির্দেশ ছিল কিন্তু ড্রাইভার আর সেদিকে তোয়াক্কা করল
না। তবে গাড়ির এই গতি বেশিক্ষন স্থায়ী হল না। মাগরীবের আযান ভেসে আসতে লাগলো
মসজিদের সুউচ্চ মিনার থেকে। দোকান পাটের সাটার গুলো সটাসট বন্ধ হতে লাগলো ।
চতুর্দিকে সন্ধ্যাবাতি জ্বলে উঠলো । মরুআরবে সন্ধ্যা নেমে এলো। কাজকর্ম বাদ দিয়ে
সবাই মসজিদ পানে ছুটে চলল। মতুয়া পুলিশ সালাহ্ সালাহ্ ধ্বণী তুলে গোটা এলাকা টহল
দিতে লাগলো ( সৌদি আরবে এক ধরনের পুলিশ আছে যারা নামাজের সময় বাহিরে ঘুরে ঘুরে
সালাহ্ সালাহ্ বলতে থাকে এবং নামাজের সময় যারা কাজ করে তাদের ধরে নিয়ে যায় এদের
মুতুয়া পুলিশ বলে) আমাদের বাস একটি মসজিদের কাছে পার্কিং করা হল। আমরা সবাই
মাগরীবের নামাজ আদায় করে নিলাম। নামাজ শেষে বাস আবার ছুটে চলল মদীনা অভিমুখে।

গাড়ি চলছে তো চলছেই । এখন আমরা মরুভূমির ভিতর দিয়ে যাচ্ছি। তাই গাড়ির গতি
অনেক বেশি। বিশাল বিশাল মরুভূমি পাড়ি দিতে হয় মদীনা যেতে। এক একটি মরুভূমি পুরো
বাংলাদেশের চেয়েও বড়। দিনের যাত্রা হলে বিশাল মরুর বুকে উট, ছাগল ও দুম্বার বিচরণ
দেখা যায় কিন্তু রাতের ভ্রমণে তা দেখা সম্ভব হয় না। রাতের ভ্রমণে ঘুমটাই বেশি হয়।
গাড়ি চলতে চলতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছি তা মনে নেই হঠাৎ ঘুম ভাঙ্গল, জেগে দেখি অন্য
যাত্রীরাও ঘুমিয়ে পড়েছে। তাই আবার সিটের সাথে হেলান দিয়ে শুয়ে পড়লাম এবং একটু পরেই
ঘুমিয়ে গেলাম। যখন ঘুম ভাঙ্গল তখন নিজেকে আবিস্কার করলাম একটি পেট্রোল পাম্পে ।
এখানে যাত্রা বিরতি করা হয়েছে রাতের খাবারের জন্য। বিশাল মরুভূমির মধ্যে এই পেট্রোল
পাম্পটি । এখানে রয়েছে একটি মসজিদ, একটি খাবারের হোটেল, একটি বাকালা (মুদি দোকানের
মত), গাড়ির যন্ত্রবাতির একটি দোকান এবং একটি গাড়ির ওয়ার্কসপ। এখান থেকে চারদিকে
মরুভুমি ছাড়া কিছুই নজরে পড়ে না। একজনের কাছে প্রশ্ন করে জানতে পারলাম এই এলাকার
নাম ”বুরাইদা” যা আল কাসিম এর অন্তর্ভূক্ত। আমরা প্রথমে ইশা নামাজ আদায় করলাম অতপর
রাতের খাবার খেয়ে আবার ছুটে চললাম মদীনা অভিমুখে।

বুরাইদা
নাকম স্থানে নামাজ ও রাতের খাবারের জন্য আমাদের যাত্রা বিরতি ঘটে, হোটেল সামনে
আমাদের বহনকারী বাস।

গভীর রাত ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি ১টা বাজে। বিশাল
মরুভূমির ভিতর দিয়ে আমাদের বহনকারী বাসটি শোঁ শোঁ বেগে ছুটে চলছে। এত রাতে মরুভূমির
বুক চিরে বয়ে যাওয়া সড়কটি প্রায় ফাঁকা। কোথাও কোন গাড়ির আওয়াজ শুনা যায় না। দেখা
যায় না কোন মানুষের আনাগোনা। যতদূর দৃষ্টি যায় কোন জনবসতি নজরে পড়ে না। কোন আলোর
দেখা মেলে না, যেদিকে দৃষ্টি যায় শুধুই অন্ধকার তিমির অন্ধকার নজরে আসে, এমনকি যে
সড়ক দিয়ে আমাদের বাস চলছে সে সড়কটিতেও লাইটের ব্যবস্থা নেই। বাসের সামনের লাইটের
আলোতে পথ দেখে ড্রাইভার গাড়ি ড্রাইভ করছে। গাড়ি চলছে তো চলছেই যাত্রীরা সবাই ঘুমিয়ে
পড়েছে।

বাহিরে লোকজনের কথা বার্তার আওয়াজ শুনে ঘুম ভাঙ্গল। ততক্ষনে আমরা
মরুভূমি পার হয়ে লোকালয়ে চলে এসেছি। একটু পরেই আমরা গন্তব্যে পৌছে যাব। তাই সবাইকে
ঘুম থেকে জাগিয়ে তোলা হল। গাড়ি তার নিজ গন্তব্যে পৌছে গেল। আমরা সবাই গাড়ি থেকে
নেমে গেলাম।

এখন আমরা রাসূল সাঃ এর শহর মদীনায় অবস্থান করছি। বাস স্ট্যান্ড
থেকে বেরিয়ে সোজা মসজিদে নববীর দিকে রওয়ানা হলাম। সেখানে বাবার সাথে মিলিত হব।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পরে বাবার প্রিয় মুখ খানা দেখবো ,বাবার বুকে ঝাপিয়ে পরবো এবং সবটুকু
ভালোবাসা নিয়ে নিবো। বাবার বুকের সাথে অনেকক্ষন মিশে থাকবো। দীর্ঘ পাঁচ বছরে যে
পরিমান মায়া মমতা আদর সোহাগ থেকে বঞ্চিত হয়েছি তা সুধে আসলে উসুল করে নিবো এসব
ভাবতে ভাবতে মসজীদে নববীতে পৌঁছে গেলাম এবং বাবাকে ফোন করে আমার আগমন বার্তা জানিয়ে
দিলাম।

মসজিদে
নববীর সামনে বাবার জন্য অপেক্ষা করছি।

বাবা সাথে সাথে ছুটে আসলেন মসজিদে
নববী চত্বরে। বাবা আমাকে দেখার সাথে সাথে বুকে জড়িয়ে নিলেন এবং তাঁর বুকের সাথে
আমাকে চেঁপে ধরলেন। বাবা আমার শিশু বাচ্চার মত স্বশব্দে হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন।
আমিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। বাবার বুক থেকে আলাদা হতে ইচ্ছে করছিল না।
অনেকক্ষণ বাবার বুকের সাথে মিশে রইলাম। এত দীর্ঘ সময় এখন পর্যন্ত কারো সাথে
কোলাকুলি করিনি। বাবার বুকে এত সুখ, এত ভালোবাসা ইতিপূর্বে কখনো বুঝতে পারিনি। পিতা
পুত্রের মিলন দৃশ্য এবং গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখে আশে পাশে লোকজন জড়ো হয়ে
গেল, তারা জানতে চাইলো কী হয়েছে ? পাশে থেকে বাবার সাথে আসা একজন উত্তর দিল ছোট
ছেলের সাথে অনেক দিন পর দেখা হয়েছো তো তাই.. .. .. ।

ততক্ষনে ফজর নামাজের
আজান ভেঁসে আসতে লাগলো মসজিদে নববীর মিনার থেকে। আমরা অযু করে ফজরের নামাজ আদায় করে
বাবার বাসায় (হোটেলে) চলে আসলাম যা মসজিদে নববীর অদূরে কুবা রোডে অবস্থিত। বাসায়
এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে গোছল করে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। অতপর বাবাকে নিয়ে বেরিয়ে
পরলাম। মসজিদে নববীর পূর্ব পার্শে একটি পাকিস্তানী হোটেলে নাস্তা করলাম। নাস্তা
সেরে বাবার জন্য কিছু মার্কেটিং করলাম তসবীহ, আতর, সুরমা এবং আরো কিছু কেনাকাটা
করলাম। হজ্ব শেষে বাবা যখন বাড়ি ফিরবেন তখন আত্মীয় স্বজনদের দেয়ার জন্য এসব
কেনাকাটা। কেনাকাটা শেষে বাসায় ফিরলাম।
মসজিদে
নববী।


মসজিদে
নববীর দরজা।

জোহর নামাজ পরলাম মসজিদে নববীতে। পিতা পুত্র এক সাথে
প্রিয়নবী সাঃ এর মসজিদে নামাজ আদায় করতে পেরে আনন্দে মনটা ভরে উঠলো। কয়েকটি ছবি
তুললাম এই আনন্দঘন মুহুর্তটি সৃত্মীর এ্যালবামে স্বরণিয় করে রাখার জন্য।
বাবার
সাথে মসজিদে নববীর ভিতরে বসে আছি।

জোহর নামাজ শেষে রওয়ানা হলাম নবী সাঃ
এর রওজায়। দ্বার আস্ সালাম নামক এক নং গেট দিয়ে যেতে হয় নবী সাঃ এর রওজায়। আমরা আস্
সালাম গেট দিয়ে প্রবেশ করলাম। প্রচুর লোকের ভিড় হলেও কোন হুরুস্থুল নেই সবার মন
নরম, নবী সাঃ এর রওজায় যাচ্ছে তাই সবার মনে নবীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মুখে
উচ্চারিত হচ্ছে দুরুদ ও সালাম। প্রথমে আমাদের নজর আটকে গেলো নবী সাঃ এর মেম্বারের
প্রতি যেখান থেকে প্রিয়নবী খুৎবা দিতেন।

রাসুল
সা: এর মেম্বার। আল্লাহর রাসুল সা: এই মেম্বার থেকে খুৎবা দিতেন।

আর একটু
অগ্রসর হলে নবী সাঃ রওজা আমাদের দৃষ্টি গোচর হলো। নবী সাঃ এর রওজার পরেই শুয়ে আছেন
আল্লাহর রাসুলের হাবীব হযরত আবু বকর রাঃ তারপরে হযরত ওমর রাঃ । সবার মুখে উচ্চারিত
হেচ্ছে আস্ সালাতু ওয়াস সালামু ইয়া রাসুলুল্লাহ। আমরা রাসুল সাঃ ও তাঁর দুই প্রিয়
সাহাবি রাঃ এর প্রতি সালাম জানিয়ে বাকী নামক ৪১নং গেট দিয়ে বেরিয়ে পরলাম।

রাসুল
সা: এর রওজা তার পাশে আবু বকল রা: অতপর ওমর রা:।

প্রিয়নবী সাঃ এর রওজা
জেয়ারতের পর কিছুক্ষণ বিশ্রম নিয়ে আমরা রওয়ানা হলাম জান্নাতুল বাকী অভিমুখে তবে
জান্নাতুল বাকীতে প্রবেশ করতে পারলাম না, সেখানে প্রবেশের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে
গেছে। জানতে চাইলাম আবার কখন প্রবেশ করা যাবে ? কর্তব্যরত ব্যাক্তি জানালেন ফজরের
পরে। আমরা ফিরে আসলাম। পরের দিন ফজরের নামাজ আদায় করে ছুটে চললাম জান্নাতুল বাকীতে।
প্রচুর লোকের ভিড় সবাই জান্নাতুল বাকী যাবে। আমরাও তাদের সাথে ছুটলাম।
জান্নাতুল
বাকী, এখানে শুয়ে আছেন দশ থেকে বারো হাজারেরও বেশি সাহাবা রা:।

জান্নাতুল
বাকী মসজিদে নববীর সাথেই দক্ষিন পাশে। বাবাও আমি জান্নাতুল বাকীতে প্রবেশ করলাম এবং
সেখানে শায়িত সাহাবায়ে কেরাম রাঃ এবং তাবে তাবেঈনদের জন্য দোয়া করলাম। বিশাল এরিয়া
নিয়ে জান্নাতুল বাকী, এখানে শুয়ে আছেন হযরত উসমান, আবু হুরায়রা রাঃ, আয়েশা সিদ্দিকা
এবং জয়নব রাঃ সহ প্রায় দশ বারো হাজার সাহাবায়ে কেরাম। বাবা ও আমি জান্নাতুল বাকীর
পুরো এরিয়া ঘুরে ঘুরে দেখলাম এবং সেখানে আমাদের সূর্যদয় হল। এখানেও পিতা পুত্র মিলে
বেশ কিছু ছবি তুললাম। জান্নাতুল বাকীতে সূর্যাদয়ের দৃশ্যটি খুব সুন্দর লাগছিল তাই
ক্যামারা বন্দি করতে ভুল করিনি। জান্নাতুল বাকী পরিদর্শনের পর আমরা বাসায় চলে
আসলাম।

জান্নাতুল
বাকীতে সূর্যাদয়ের দৃশ্য।

সেই দিনই মসজিদে নববীতে আসর নামাজ আদায় করে আমরা
বের হলাম মসজিদে বেলাল রাঃ অভিমুখে। মসজিদে নববী থেকে পায়ে হেঁটে দশ মিনিট সময় লাগে
বেলাল মসজিদে পৌঁছতে। বাবাও আমি পায়ে হেঁটেই বেলাল মসজিদে পৌঁছলাম। বেলাল মসজিদ
দেখতে খুব বড় না হলেও খুব সুন্দর, যে কারো দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হবে এই ছোট্ট
মসজিদটি। আমারা বেলাল মসজিদের ভিতর বাহির ঘুরে ঘুরে দেখলাম। মসজিদের নিচে রয়েছে
মার্কেট। সেখান থেকে আমরা জায়নামাজ ও লাল রুমাল ( যা আমাদের দেশে সাধারণত হাজ্বীরা
ব্যবহার করে ) কিনলাম অতপর বাসায় ফিরে আসলাম।
বেলাল
মসজিদ।

বাবার সাথে মসজিদে নববী, নবীর রওজা, জান্নাতুল বাকী এবং বেলাল
মসজিদে ঘুরতে পেরে আনন্দে আমার মনটা ভরে গেলো। বাবাও দুহাত তুলে আনন্দে কেঁদে দিয়ে
বলতে লাগলেন ” হে আল্লাহ আমি দুনিয়াতে এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না। আমার সব আশা তুমি
পূরন করছো। আমার যে ছেলেদের উছিলায় আজ আমি এসব দেখতে পারলাম তুমি তাদের কবুল করো।”
বাবার সাথে নবী সাঃ এর শহরে প্রিয়নবী এবং সাহাবায়ে কেরামের সৃত্মি বিজড়িত
নিদর্শনাবলী দেখতে পেরে আমার মনটাও মহান রবের কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠলো। এখন রবের কাছে
একটাই প্রার্থনা ”হে আল্লাহ আমার বাবা যেন সুন্দর ভাবে কবুল হজ্ব করে দেশে ফিরতে
পারেন”।

যদিও বাবার কাছ থেকে বিদায় নিতে ইচ্ছে করছিল না তবুও আমাকে বিদায়
নিতেই হল। ১৯ তারিখ বিকেলে আবারো বাবাকে অশ্র“ সিক্ত করে রিয়াদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা
হলাম। বিদায় মুহুর্তেও বাবার সাথে একটা দীর্ঘ স্থায়ী কোলাকোলি হয়েছে। আমি রওয়ানা
হলাম রিয়াদ অভিমুখে বাবা পথ পানে চেয়ে রইলেন। যতক্ষন আমাকে দেখা গেছে বাবা ততক্ষন
চেয়েই ছিলেন। এটি আমার জীবনের শ্রেষ্ট ভ্রমণ কাহিণী যা আজীবন স্মরণিয় হয়ে থাকবে। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

ভালো লাগলো আপনার আবেগ মেশানো লেখা... আরও লিখুন।

সালাম

মাশ-আল্লাহ ভাল লেখেছেন।

লেখাটি ভাল লেগেছে।দোয়া করি আল্লাহ যেন পৃথিবীর সকল পিতা পুত্রকে একসাথে হজ্জ ও নবীজি (সঃ)এর রওজা মোবারক যিয়ারত করার তৌফিক দেন। 

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)