একটি আনন্দ ভ্রমনঃ রিয়াদ টু আরব সী













প্রিয় দেশ, দেশের বন্ধু-বান্ধব, মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন সব ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছি প্রবাসে। প্রবাসে একাকী জীবন কারোই কাম্য নয় তবুও থাকতে হয় রুটি রোজগারের তাগিদে। প্রবাসে সবচেয়ে বেশি খারাপ লাগে ঈদের সময়। দেশে যখন সবাই মিলে এক সাথে ঈদে আনন্দ উল্লাস করে তখন প্রবাসীরা নিরবে অশ্র“ বিসর্জন দেয়। প্রবাসীদেরও তো মন আছে। তাদের কি ইচ্ছে করে না ঈদের আনন্দ প্রিয়জনদের সাথে ভাগাভাগি করতে ? ইচ্ছা করলেও প্রবাসীদের এই “ইচ্ছে” ইচ্ছেই থেকে যায় এই ইচ্ছা পায় না বাস্তব রুপ। এভাবেই কেটে যায় ৮৫লক্ষ প্রবাসীর ঈদ। যাদের ত্যাগের বিনিময়ে ৮৫লক্ষ পরিবার রয়েছে স্বচ্ছল দেশের অর্থনীতি রয়েছে সচল। কিন্তু তাদের জীবন হয়ে যাচ্ছে অচল সে খবর কে রাখে? ৮৫লক্ষ প্রবাসীর মাঝে আমিও একজন। আমিও ঈদের দিন এদের ন্যায় নিরবে অশ্র“ ঝড়াই। প্রবাসে একাকী কেটে গেলো দশটি ঈদ। যে ঈদে ছিল না তেমন আনন্দ, ছিলো না খুশি। তাই এবারের ঈদটাকে একটু আনন্দময় করতে ঐতিহাসিক আরব সাগরে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছি আমরা কয়েকজন প্রবাসী বন্ধু। 



পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের দ্বিতীয় দিন সকালে আমরা সবাই আরব সাগরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলাম। প্রথমে যেতে হবে দাম্মাম ( দাম্মাম রিয়াদ থেকে চারশত কি.মি দুরে অবস্থিত সৌদি আরবের একটি শহর) সেখান থেকে আরব সাগর। দাম্মাম আরব সাগর তীরেই অবস্থিত। সকাল নয়টায় আমরা যাত্রা শুরু করলাম যদিও আটটায় রওয়ানা হওয়ার কথা ছিল। গাড়ি ছুটে চলল রিয়াদ টু দাম্মাম। রিয়াদ থেকে আমরা ছয় বন্ধু রওয়ানা হলাম। অন্যরা হলেন মোহাম্মদ আল-আমীন, নুরুল আনোয়ার, মোখতার হোসেন, তৌহিদ ইবনে ইউসুফ ও মনির হোসেন। রিয়াদ সিটি অতিক্রম করে গাড়ি চলে এলো দাম্মাম রোডে। এতক্ষন ধীর গতিতে চললেও হাইওয়ে এসে গাড়ির গতি বেড়ে গেল। গাড়ির মধ্যে বন্ধুরা মিলে আড্ডা জমিয়ে তুললাম। আড্ডা চলছে জমজমাট আড্ডা, দুষ্টামি, আনন্দ-ফূর্তি কোন কিছুরই যেন কমতি নেই এই আড্ডায়। দারুন মজা লাগছিল। ঈদের ছুটিতে আনন্দ ভ্রমণ তাও আবার একটি ঐতিহাসিক সাগর অভিমুখে মাজা তো লাগতেই হবে। গাড়ি লোকালয় ছেড়ে মরুভুমিতে চলে এলো। বিশাল মরুভুমির মধ্যদিয়ে বয়ে গেছে এই সড়কটি। মরুভুমির বালুগুলো ছিল লাল, একটু পরপর দেখা যাচ্ছিল উঁচু উঁচু টিলা। বাতাসে টিলার মাটি সমান হয়ে আছে, মনে হয় কে যেন সুন্দর করে সাঁজিয়ে রেখেছে এই মাটি। তবে রিয়াদ থেকে মক্কা যাওয়ার সময় যেমন বিশাল বিশাল পাথরের পাহাড় চোখে পড়ে এখানে তা পড়ছে না। একটু পর দেখতে পেলাম বিশাল মরুভুমিতে ছোট ছোট নালা কাটা হচ্ছে, লাগানো হচ্ছে বাহারী রকমের গাছ, ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে একটি বড় সাইন বোর্ড, যেখানে অংকিত রয়েছে একটি পার্কের দৃশ্য। জানতে পারলাম এই বিশাল মরুভুমিতে সৌদি সরকার একটি পার্ক বানাবে। খুবই ভালো উদ্যোগ এতে পরিবেশ সুন্দর হবে। 



আরো একটু অগ্রসর হতেই মরুভুমির জাহাজ খ্যাত একদল উটের উপর আমাদের দৃষ্টি আটকে গেল। ক্যামেরায় মুরুভুমিতে উট চলাফে দৃশ্য ধারণ করে দিলাম। দাম্মামের দিকে এগিয়ে চলছে আমাদের বহনকারী গাড়ি। লাল বালুর মরুভুমির ভিতর দিয়ে বয়ে গেছে কালো রাস্তা খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। কিছু দুর যাওয়ার পর আমাদের সামনে পড়লো চেক পোস্ট। ড্রাইভার গাড়ির গতি কমিয়ে দিলো । আমরা চেক পোস্ট অতিক্রম করে দাম্মামে প্রবেশ করলাম। চারশত কি.মি রাস্তা কীভাবে এত দ্রুত ফুরিয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। 



দাম্মাম এসে জোহর নামাজ আদায় করলাম এবং দুপুরের খানা খেয়ে নিলাম। এখান থেকে আমাদের সাথে যোগ দিলেন স্থানীয় আরো দুজন বন্ধু নজরুল বিন হক ও মনির হোসেন। আমাদের বন্ধু সংখ্যা দাড়ালো ছয় থেকে আটে। দাম্মামে আমরা আরো কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা সাক্ষাত করে ঈদের কুশল বিনিময় করলাম। 



এবার আমাদের যাত্রা শুরু হল আসল গন্তব্যের দিকে। গাড়ি ছুটে চললো আরব সাগর অভিমুখে। মনের মাঝে আনন্দের ঢেউ বইতে শুরু করলো। একটু পরেই আরব সাগর সবাই নড়েচড়ে বসলাম। আমাদের উৎসুক দৃষ্টি সমুদ্র দেখার জন্য। কিছুক্ষণ গাড়ি চলতেই আমরা পৌছে গেলাম কাঙ্খিত স্থানে। ঐতিহাসিক আরব সাগর 



আমাদের দৃষ্টি গোচর হলো, নয়ন জুড়িয়ে গেল। সবাই আনন্দে চিৎকার করে উঠলাম। আমাদের গাড়ি এখন অবস্থান করছে সমুদ্র পাড়ে বাহরাইন ব্রীজের গোড়ায়। এই বাহরাইন ব্রীজ নির্মিত হয়েছে আবর সাগরের উপর দিয়ে সৌদি আরব ও বাহরাইন সরকারের এর যৌথ অর্থায়নে। ঐতিহাসিক এই ব্রীজটির প্রস্থ ২৩মিটার (৭৫ফিট) এবং দৈর্ঘ্য পঁচিশ কিলোমিটার, যার বারো কি.মি সৌদি আরবে, বারো কি.মি বাহরাইনে এবং মাঝে এক কি.মি জুড়ে বানানো হয়েছে নয়নাভিরাম পর্যটন কেন্দ্র। সেতুটির অফিসিয়াল নামঃ কিং ফাহাদ ব্রীজ, এটি ১৯৮৬ইং সালে যানচলা চলের জন্য উন্মক্ত করা হয়। আমাদের বহনকারী গাড়ি ব্রীজের উপর উঠল এবং সামনে চলতে শুরু করলো। আমরা ছুটে চলছি বাহরাইনের দিকে। সমুদ্রের উপর দিয়ে গাড়ি চলছে আর সমুদ্রের হিমেল হাওয়া আমাদের গায়ে লাগছে আমরা চেয়ে আছি সমুদ্রের অথৈ পানির দিকে। বিশাল সমুদ্র যে দিকে তাকাই শুধু পানি আর পানি। সাগরের পানিতে হিমেল হাওয়া মৃদু ঢেউ তুলছে তা দেখে মনের মাঝে আনন্দের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে। খুশিতে মন মাতোয়ারা হয়ে উঠছে। মহান রবের সৃষ্টি দেখে নয়ন জুড়িয়ে যাচ্ছে। ভিতর থেকে কে যেন গেয়ে উঠছে “ তোমার সৃষ্টি যদি হয় এত সুন্দর না জানি তাহলে তুমি কত সুন্দর.. .. .. .. ..” 



গাড়ি চলছে ব্রীজের উপর দিয়ে আর আমরা সমুদ্রের সুন্দর সুন্দর দৃশ্য অবলোকন করছি। আমাদের সামনেও পেছনে গাড়ির লম্বা লাইন সবাই ছুটে চলছে বাহরাইন এর দিকে। কেউ কেউ গাড়ি থামিয়ে ব্রীজের উপর দাড়িয়ে ফটোসেশন করছে। নো পার্কিং লেখা থাকলেও সেদিকে কেউ তোয়াক্কা করছে না। যতই সামনে অগ্রসর হতে লাগলাম ততই সুন্দর সুন্দর দৃশ্য আমাদের নয়ন কাড়তে লাগলো। বিশাল গাড়ি বহর এগিয়ে যাচ্ছে সম্মুখ পানে। গাড়ি কখনো থাকে আমার চলতে শুরু করে এক পর্যায়ে আমরা ব্রীজের ঠিক মাঝে নির্মিত পর্যটন কেন্দ্রে পৌছে গেলাম। 



আমরা এখন অবস্থান করছি আরব সাগরের উপর নির্মিত ব্রীজের ঠিক মাঝে। এখান থেকে সৌদি আরবের দুরত্ব বারো কি.মি, বাহরাইনের দুরত্বও বারো কি.মি। এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র। বিভিন্ন দেশের পর্যটক এখানে ঘুরাফেরা করছে। এখানে রয়েছে অসংখ্য দোকান পাট, খেলার মাঠ, বড় বড় গাছসহ আরো অনেক কিছু হঠাৎ বুঝাই যায় না এটি সমুদ্রের মাঝ। মনে হয় যেন একটি ছোট শহর। এখানে পাশাপাশি পৃথক দুটি পিলারে একটিতে সৌদি আরবের ও অপরটিকে বাহরাইনের পতাকা উড়ছে। এটি দু“দেশের সীমান্ত। এখানে রয়েছে একটি চেক পোস্ট। যারা বাহরাইনের ভিসা নিয়ে এসেছে তারা গাড়ি নিয়ে সীমান্ত পাড় হয়ে বাহরাইনে প্রবেশ করছে। কেউ কেউ বাহরাইন থেকে সৌদি আরবে প্রবেশ করছে আবার কেউ কেউ আমাদের মত সৌদি আরবের সীমান্তে দাড়িয়ে বাহরাইন দেখছে, বাহরাইনের সীমান্তে দাড়িয়ে সৌদি আরব দেখছে। আমরা এখানে আসর নামাজ আদায় করে বেশ কিছুক্ষন ঘোরাঘুরি করলাম। বন্ধুরা মিলে সাগরের খুব কাছে হাটাহাটি করলাম। 



আরব সাগরের এই আনন্দ ভ্রমণ যেন একদিনেই হারিয়ে না যায় তাই স্মৃতির এ্যালবামে স্মরণীয় করে রাখতে সাথে ক্যামেরা নিয়ে এসে ছিলাম। ঝুলি থেকে ক্যামেরা বের করে কিছু সময় ফটোসেশন করলাম। ভিডিও করে নিলাম সমুদ্রের কিছু অসাধারণ দৃশ্য।সময় আমাদের তাড়া করছিল। সমুদ্রের তীরেও কিছু সময় ঘুরার ইচ্ছা আছে তাই সমুদ্রের মাঝ থেকে তীরের দিকে রওয়ানা হলাম সেই পূর্বের রাস্তা দিয়ে। আমরা ফিরে যাচ্ছি পিছন দিকে অর্থাৎ সৌদি আরবের দিকে। আমাদের মোবাইলে এসএমএস এলো “ সৌদি আরবে ফিরে আসার জন্য ধন্যবাদ” তার মানে আমরা যখন সেতুর মাঝে পর্যনট কেন্দ্রে ছিলাম তখন সৌদি আরবের নেটওয়ার্ক এর বাহিরে ছিলাম। ফিরতি পথে সেতুর উপর কিছুক্ষণ ফটো সেশন চললো। যখন আমরা ফিরে শুরু করলাম তখন প্রায় সঁন্ধ্যা। সঁন্ধ্যা বেলা সমুদ্রের মাঝে বিশাল সেতুটি দারুন লাগছিল। সমুদ্রের তীর দেখা যাচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল যেন বিশাল সেতুটি কিছু দুর গিয়ে সমুদ্রের মাঝেই হারিয়ে গেছে। তাছাড়া সেতুটিকে সমুদ্রের পানির মাঝে একটি কালো রাস্তার মত দেখাচ্ছিল। সন্ধ্যা বেলার বিশাল সূর্যটি যেন সমুদ্রের মাঝেই ডুবে যাচ্ছে। সূর্য হারিয়ে গেল অস্তপারে, সেতুর দুই পাশের বৈদ্যুতিক লাইট গুলো জ্বলে উঠলো। সমুদ্রের মাঝে সঁন্ধ্যা নেমে এল। আমাদের গাড়ি সমুদ্রের তীরে এসে পৌছলো এবং সেতু থেকে নেমে গেল। 



এখন আমাদের গাড়ি সমুদ্রের তীর দিয়ে আল খোবার সৈকত পানে অগ্রসর হতে লাগল। সন্ধ্যাঁয় সমুদ্র তীরে লাল নীল বাতি জ্বলছে। দেখতে খুব সুন্দর লাগছে। এক সময় আমরা আল খোবার সৈকতে পৌঁছে গেলাম। সেখানে পৌঁছে পোশাক পরিবর্তন করলাম। আমরা যেহেতু মুসাফির তাই মাগরিব ও এশা নামাজ এক সাথে পড়ে নিলাম। নামাজ শেষে আমরা পায়ে হেঁটে সমুদ্রের খুব কাছে চলে গেলাম। সমুদ্র তীরে যে বাউন্ডারি দেয়া হয়েছে আমরা সেই বাউন্ডারির ভিতর দিতে সমুদ্রের তীর ঘেঁষে হাটতে লাগলাম। সমুদ্রের শীতল হাওয়া আমাদের গায়ে আদরের পরশ বুলাচ্ছিল। তখন ছিলো জোয়ারের সময় সমুদ্রেরের পানি অনেক উপড়ে চলে এসেছে। আমরা পানি হাতে নিয়ে দুষ্টামি করে এক বন্ধু অপর বন্ধুকে ভিজিয়ে দিচ্ছি। একটু পানি মুখে নিয়ে দেখি খুব লবনাক্ত। কেউ কেউ বরশি দিয়ে সাগরে মাছ ধরছে। স্থানীয় বন্ধু নাজরুল বিন হক ও মনির হোসেন আমাদের ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে অনেক কিছু দেখাল। সাগর পাড়ে একটু ঢালু জায়গায় এক স্থানে দেখি খুব সুন্দর দুর্বা ঘাস। আমরা দৌড়ে দিয়ে দুর্বা ঘাসের উপর শুয়ে পড়লাম। কয়েক বন্ধু মিলে এক বন্ধুকে বালিশ বানিয়ে ছিলাম। রাত গভীর বাড়তে শুরু করলো আমরাও আনন্দ ভ্রমনের ইতি টানলাম। আল-মদীনা নামক একটি বাংলাদেশী হোটেলে রাতের খাবার খেয়ে এক বুক আনন্দ নিয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম। 



ফিরতি পথেও আনন্দ কম হয়নি। গান কৌতুক কবিতা আবৃতি সহ আরো কত্তকি..। মোখতার ভাই একজন ভালো শিল্পী তিনি আমাদের বেশ কিছু ইসলামি সঙ্গীত ও পুরানো দিনের আধুনিক গান শুনালেন। তৌহিদ ইবনে ইউসুফ স্বরচিত কবিতা আবৃতি করলেন। এক পর্যায়ে আনন্দ যখন সীমা অতিক্রম করলো তখন আমরা সবাই গান গাইতে শুরু করলাম। বেসুরা কন্ঠ গুলোও তখন গান গাইতে লজ্জাবোধ করেনি। আমাকেও গাইতে হয়েছিলো গান, যদিও পুরো গান জানি না তবুও আমাকে কয়েক কলি গাইয়ে ছাড়ছে বন্ধুর দল। মোহাম্মদ আল-আমীন ভাই তো একটি গান পুরোই গেয়ে ফেললেন আমার জানা মতে তিনি জীবনে কোথাও গান গাননি। তার কন্ঠও আমার মত ফাটা বাঁশ। আনোয়ার ভাইও বেসুরা কন্ঠে গান গেয়ে ছিলেন । হাঁসি গান ও আনন্দ ফুর্তির মাঝে এক পর্যায়ে আমরা রিয়াদে পৌছে গেলাম। ঘড়ির কাটায় তখন রাত তিনটা বাজে। গভীর রাতে সবাই নিজ নিজ গন্তব্যে চলে গেলাম। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই পুরো আনন্দে ভ্রমণে আমাদের খরচ হয়েছে মাত্র ১১১রিয়াল করে। সত্যিই এই আনন্দ ভ্রমণটি স্মৃতির পাতায় চির অম্লান হয়ে থাকবে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

অনেক মজার ভ্রমণ হলো মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ শে‍য়ার করার জন্য।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

সাগরের ভিউতে সবাইকে হিরো হিরো লাগছে।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

আনন্দ ভ্রমন শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ
বিডিটুডের লোকমান আর এই লোকমান কি একজনই?

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)