আল্লাহর পথে দাওয়াত মুসলিম জিবনের একমাত্র মিশন

দাওয়াতুন আরবি শব্দ এর অর্থে হলডাকা,আহবান করা,আমন্ত্রন জানান। কোন উদ্দেশ্যকে সফল করার জন্য আহবান করা,আমন্ত্রনজানান ও অনুপ্রানিত করা।

শরীয়তেরপরীভাষায়ঃ দাওয়াত হচ্চেইহকালীণ শান্তি ও পরকালীণ মুক্তি তথা ইসলামী জীবন বিধানের দিকে আহবান করাকেই দাওয়াতবলে।

Dictionaryof modern writer Arabic –এ দাওয়াতশব্দের অথে বলা হয়েছ

A>  Mission of Duty

B>  Missionary work

C>  Activity for inspire

D>  Propaganda etc:

  অথাৎ কোন নিদিষ্টো উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ডাকা,আপ্রান চেষ্টা করা,আহবাণকরা ঊৎশাহীত করা প্রভাবণ্ণীত করা ইত্যাদি।

আল্লাহর পথেদাওয়াতঃ

ইসলামী পারিভাষিক অথে দাওয়াত হল ইহকালিনশান্তি ও পরকআলিন মুক্তির লক্ষে আল্লাহর বিধানকে বাস্তবায়িত করার জন্য আহবানকরাকেই আল্লাহর পথে দাওয়াত বলে।

আল্লাহর পথে দাওয়াতের প্রমানঃ মহানরাব্বুল আলামীন বলেন পবিত্র করানে সুরা হামিম আস-সাজদার ৩৩ নং আয়াতে বলেনঃ

“ঐইবাক্তির কথার চেয়ে আর কার কথা উত্তম হতে পারে যেমাণূষকে আহবাণ করে সৎ কাজ করে ও নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করে।

আল্লাহ আরও বলেনঃ “(হে রাসুল সঃ)আপনি বলুনএটাই আমার একমাত্র পথ যে পথে আমি আল্লাহর দিকে আহবান জানাই ও ডাকি” (সুরা ইউসুফ ১০৮)

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আরো বলেন সুরাআল ইমরান ১১০ নং আয়াতে বলেনঃ

“তোমরাই সৃস্টির সেরা জীব ও জাতী সুতরাং তোমাদেরকেমানুষের কল্যাণে সৃস্টি কারা হয়েছে তোমাদের কাজ হোল তোমরা মানুষকে সৎকাজের আদেশকরবে অসৎকাজে বাধা দিবে তোমরা যদি মুমিন হোয়ে থাক। সুরা আল ইমরান ১১০ নং আয়াত।

ভাল ও মন্দকখনও সমান হতে পারে না তোমরা মন্দকে ভাল দ্বারা প্রতিহত কোর তাহলে দেখবে প্রাণেরশত্ররুও জানের বন্দু হয়ে গেছে। সুরা হামিম আস-সাজদার ৩৩নং আয়াত।

আর এই গুণেরঅধিকারী করা হয় শুধু তাদেরকেই যারা ধৈয্যশীল, এই গুণের অধিকারী করা হয় শুধুতাদেরকেই যারা মহাভাগ্যবান। সুরা হামিমআস-সাজদার ৩৫ নং আয়াত।

ডাক তোমাররব্বের দিকে উত্তম নসিয়ত ও হেকমত এবং তক্ কর যুক্তসহ উত্তমপন্থায়।

সুরা নাহল ১২৫।

কেন দাওয়াতি কাজ করতে হবে ও দাওয়াতবিষয় বিস্তারিত জানার জন্য দেখুনঃ

সুরা আল আহযাব আয়াত ৪৫-৪৬,

সুরা মুদাসসির আয়াত ১-৩

সুরা মায়েদা আয়াত ৬৭

সুরা বাকারা আয়াত ২,৩,২১,৮৫,২০৮,২৫৬

সুরা আরাফ আয়াত ৫৯,৭৩,৮৫

সুরা সুরা আয়াত ১৫

সুরা ইব্রাহিম আয়াত ৫

সুরা ফাতির আয়াত ২৪

সুরা বনী ইসরাইল আয়াত ৫৩।।

এ তো গেল আল্লাহর আদেশ।হাদিসে রাসূলসাঃ জরাল ভাবে দাওয়াতি কাজের আদেশ করেছেন।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবণে উমর (রাঃ) বনিতরাসুল সাঃ বলেছেন তোমরা যদি আমার কাছ থেকে একটি আয়াত ও জেনে থাক তাহলে তা অপরেরনিকট পওছিয়ে দাও। বোখারী

হযরত আনাস রাঃ থেকে বনীত রাসুল সাঃবলেছেন দীনের দাওয়াত সহজ করো কঠিন করো না । সুসম্বাদ দাও ভিতস্রদ্ধ কর না ।বোখারীও মুসলিম।

রাসুল সাঃ বলেছেন আজ যারা উপস্থীততারা অবশ্যই অনাপস্থীতিদের কাছে আমার বানী পোওছিয়া দাও।

বোখারী ।

হযরত আবূ ঊবাইদাহ রাঃ বিন সামিত রাঃথেকে বণনা করেন রাসূল সাঃ বলেছেন আল্লাহূতালা ধন্য করেন সেই বাক্তিকে যে আমার নিকটথেকে কোন কিছু শুনল আর উহা যে ভাবে শুনল সেই ভাবেই তা অন্যের কাছে পোওছে

দিল।

তিরমিজী

হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বনিত রাসুলসাঃ বলেছেন যদি কোন বাক্তির দাওয়াতে কেহ হেদায়াত প্রাপ্ত হয় তাহলে দায়ীর জন্যপুরুস্কার বা রপ্রতিদান হল হেদায়াত প্রাপ্ত বাক্তির সমান।কিন্তু তাঁর অংশের কোনকমতি হবেনা।

মুসলিম।

মানুষের আত্মসুদ্ধিও পবিত্রতম জীবন জাপনের জন্য দিয়েছেনযুগে যুগে নবী ও রাসুল। তাঁদের প্রত্যেকের কাজ ছিল তাগুতকে বর্জন করে আল্লাহর দিকেআহবান করে মহান আল্লাহর মহিমার সাথেমানুষকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে একমাত্র আল্লাহর সাবভৈামত্তেরআদলে চির সান্তির আবাস সমাজ,দেশ ও পৃথিবী গড়ে েতালা।সকল নবী রাসুলগনের এ দায়িত্বইপালন করেছেন।তারা আর আসবেন না তাই এই দায়িত্ব আমাদের উপরই অরপিত হয়েছে কারন আমরাসিকার করে নিয়েছি আমরা ওয়াদা করেছি আমাদের পালন কর্তার সাথে।

ইসলাম যে একটা পূরনাঙ্গ জিবন বিধান তা আমাদের ব্ধগ্ম্যহচ্ছেনা কিন্তু মহান রাব্বুল আলামিন দুনিয়ার সকল মানুষের জন্য যা যা প্রেেয়াজন তাসবই ইসলামের আল্লাহ খুলে খুলে বর্ণনা করেছেন যা আমাদের জন্য নিয়ামাত।

ব্যক্তি জিবন থেকে সুরু করে পারিবারিক,সামাজিকসহ রাস্তিয়জিবনপ্ররজন্ত আমাদের জন্য নিয়ামাত যার মধ্যে রাজনিতি,অথনিতি, সামাজনীতি,রাস্তোনীতি,পরাস্তোনীতি,যদ্বোনীতি,খাদ্যনীতিসহসকল ক্ষত্রেই মহাণ আল্লাহ যথা যত বিধান দিয়েছেন যা দুনিয়ার শান্তি ও আখেরাতেরমূক্তির একমাত্র পথ।অথাৎ দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত আল্লাহর বিধান অনুযায়ী জীবণ পরিচালিতকরাই এই মিশনের লক্ষ্য।

সম্মানিত বন্দুগন এই দাওয়াতি কাজের মাধ্যমেই স্মভব যদিআমরা সাধারন মানুষ থেকে সুরু করে সকল স্তরের মানুষের কাছে আমরা আল্লাহর দীনেরদাওয়াত নিয়ে জেতে পারি।আর এই দাওয়াতের উদ্দেশ্য হবে মানুষকে সকল প্রকার অন্যায়অনাচার বরজন করে একমাত্র আল্লাহর দিকে ধাপিত করা।

আর এই দাওয়াতি কাজ হতে পারে

ক্থার মাধ্যমে

লেখনির মাধ্যমে

বক্ত্যবের মাধ্যমে

মিছিলের মাধ্যমে

অথের মাধ্যমে

পত্র প্রত্রিকার মাদ্যমে

ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার মাধ্যমে

বতমানে মিডিয়া হচ্ছে সবচাইতে সক্তিসালি মাধ্যম।

মনে রাখা উচিৎ যে যারা আল্লাহর রাস্তার বিপরিদে লিখছেতারা দীনের পর দিন লিখছে কিন্তু আমরা লিখছি না পারছিনা এই কারনেই আমরা এত মারখাচ্চি।তারা প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াতে যথেষ্টো পারদর্শী তারাহাজার হাজার বই লিখছে আল্লাহর বিরুদ্দে রাসুলের বিরুদ্দে মুসলিম নেতাদের বিরুদ্দেআর আমরা???

আমরা আফসচ করছি আর চোখের পানি ফেলছি! কিন্তু ভাল করেমনে রাখা দরকার প্রিতকারের ব্যবস্তা না করলে কিয়ামত পর্যন্ত আফসচ করলেও মুক্তি পাবনা। দুভাগ্য আমাদের এটাই যে আমরা যারা সচেতন তারা এগিয়ে আসছিনা আল্লাহর এইদাওয়াতকে দুনিয়াবাসীর কাছে চড়িয়ে দিতে পারছিনা।

আর আমাদের লিখার উৎস হবে কোরান ও হাদিস।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরানে বলেনঃ

যার কাছে আমার কোন সাক্ষ্য রয়েছে সে যদি তা গুপনকরে তাহলে সে হবে সবচাইতে বড় জালিম।

সূরা বাকারা ১৪০

আল্লহর আদেশ সত্য আমরাই মিথ্যা চিন্তা নিয়া বসে আছি!

এই সত্য বানী নবী রাসুলগন জেমন মেনেছেন তেমনি বাস্তবময়দানে দেখিয়ে গেচেন।আর সে কারনেই চরম জাহিলিয়াতের যুগেও সান্তি ফিরে এসেচিল।আর এইদীনের দাওয়াত পুরোপুরি মেনে চলার জন্য আল্লাহ বলেছেনঃ

হে ইমানদারগন তোমরা পরাপুরি ইসলামের মধ্যে দাখিলহয়ে যাও এবং শয়তানের পদাংক অনুসরন করো না কারন শয়তান তোমাদের প্রকাস্যে দুঃমুন

সূরা বাকারা ২০৮

আল্লাহ কাছে সব চাইতে ভাল,ঊত্তম,প্রিয়কাজ হচ্ছে মানুষকে আল্লাহা দিকে দাকা,নিজে ভাল কাজ করা।আর নিজেকে মুসলমান বলেদাবীত আমরা সবাই করছি। আমরা কি কখনই একবারও ভেবে ডেকেছি আমাদের কাজ কি? আমরাকিভাবে আল্লাহর কাছে প্রিয় বান্দা হতে পারব! আল্লাহ যে মুসলমান হওয়ার জন্য বলেছেনযে মুসলমান চেয়েছেন আমরা কি সেই মুসলমান হতে পেরেছি!না পারলে কবে পারব?

আল্লাহ রাসুল সাঃ কে বলছেন শুধু আমরাইনা তাঁর রাসুল ঐ একী পথে ডেকেছেন সূতরাং আমাদেরও একী কাজ মানুষকে আল্লাহর পথেডাকতে হবে মানুষকে ফিরিয়ে আনতে হাবে অন্ধকার থেকে আলোর পথে এই দাওয়াতি কাজেরমাধ্যমেই রাসুল সঃ পেরেছিলেন চরম জাহিলিয়াত থেকে দুনিয়ার সব চাইতে বরবর অসভ্য জাতিকেএকটি সভ্য জাতিতে পরিনিত করতে। আমরা যদি আমরাও আল্লাহর পথে রাসুলের মত সাহাবীআজমাইনদের মত দাওয়াতি কাজ করি হেকমতে সাথে তাহলেই পারব আমাদের ঘর,সমাজ ও দেশকেসভ্য সুখী সুন্দর দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে।

সম্মানিত মুসলিম ভাই ও বনেরা আপনার ঘুমন্ত বীবেককে একটুজাগ্রত করুনত একবার জিজ্ঞেস করুন আপনার ঘুমন্ত বীবেক কি বলে!

এই দুনিয়াতে অসংখ্য মাখলুকাতের মধে মানুষ হচ্ছে “আশরাফুলমাখলুকাত” মানুষের দায়িত্ব পৃথিবীর সকল্ পাপ পংখিলতা থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহ প্রদত্তজিবন বিধান অনুযায়ী জীবন পরিচারিত করা।আর আদর্শ নেতা হিসাবে আমাদের প্রিয় নবী সাঃ কে অনুকরন,অনুসরন করা। তাঁকে যদি আমরা মানতেঅস্বীকার করি তাহলে আল্লাহর নিয়ামতে কোন প্রাপ্য থাকবে না।

এই আমন্ত্রন বিরানি পলাও খাওয়ারআমন্ত্রন না আমাদের ভাল করে মনে রাখতে হবে আল্লাহ ও রাসুলের পথের বাহিরে যে পথ আরমত থাকুক তা সয়তানের পথ। নাচ,গান,অশ্লীলতা সুন্দরী প্রতিজোগিতা,ভালবাসা দিবস,সুদঘুষসহ আল্লাহর আইন না মানা।

আল্লাহ বলেন

যারা আল্লাহর আইন অনুযায়ী বিচারফয়সালা করেনা তারা কাফের,ফাসেক,জালিম।

সূরা মায়েদা,৪৩-৪৫।

এটা আল্লাহর ফয়সালা আল্লাহ জেনেন তাঁরবান্দার তথা সারা মাখলুকের কোন কাজ করলে মঙ্গল হবে। তাই আমাদের জন্য যে কাজসবচাইতে জুরুরি এগুল আল্লাহ আমাদের সামনে খুলে খুলে বর্ণনা করেছেন।

একমাত্র দাওয়াতই পারে সকল প্রকারঅত্যচার জুলুম থেকে মানুষকে মুক্ত করে একটি আলোর রাস্তায় ফিরিয়ে আনতে যা মানুষেরঅন্তরকে আলোকিত করবে।

একমাত্র দাওয়াতই পারে সমাজের অভেলিতলাঞ্ছিত বঞ্চিত চিরদুঃখই মানুষের অধিকারকে ফিরিয়ে দিতে।

একমাত্র দাওয়াতই পারে দুনিয়া থেকেআল্লাহ দ্রোহি সকল শক্তিকে উৎখাত করে তদাস্থলে আল্লাহর রাজ কায়েম করতে। আর তাইআমাদের সবাইকে দাওয়াতকে জীবনের একমাত্র মিশন হিশাবে নিতে হবে।

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.8 (4টি রেটিং)

কিছু কিছু লেখা খুউক কাছে টানে। আপনার এ লেখাটা আমাকে টেনেছে। হৃদয়ে টান অনুভব করেছি। কুরআন, হাদীসের দলীল প্রমাণ এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত চমৎকার সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি লেখা দিয়েছেন। জাযাকাল্লাহ্ খায়ের।

আরো আশা করছি।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

আপনাকেও জাজাকুমুল্লাহ খায়ের

সালাম

 

ভাই  লেখা  ভাল কিন্ত্ত   বানান যাতে  বেশী ভুল না  হয়  সে  বিষয়ে    আরো   সচেতন  হতে অনুরোধ করছি ।

 

****

 

 

আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমাকেও ভাল লাগল আপনার আদেশের দিকে খেয়াল রাখব।ধন্যবাদ আপনাকে

জাজাকাল্লাহ খায়ের 

সুন্দর হয়েছে।শুকরিয়া।

-

nourhossain

ধন্যবাদ আপনাকে শুকরিয়া আল্লাহর ভাইজান

ভাল লিখার জন্য মুবারকবাদ।

আপনাকেও মোবারকবাদ

ভালো লেখা।
পাঁচতারা

-

আড্ডার দাওয়াত রইল।

> > > প্রতি শুক্রবার আড্ডা নতুন বিষয়ে আড্ডা শুরু হবে।

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

হে ভাই! শিরোনামেই এমন বানানভুল করলে তো জীবন বৃথা যাবে!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.8 (4টি রেটিং)