মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে মধ্য প্রাচ্যের কাতারে প্রবাসী মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।


সুনাম ধণ্য জানাব মুহাম্মদ রশীদ চৌধুরী
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ৩০শে মার্চ কাতারের ফানার মিলায়োতনে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজ করা হয়। সংস্কৃতি ব্যতিত কোন সভ্য জাতির বিকাশ ঘটতে পারে না। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার মধ্য দিয়েই একটি সভ্য জাতির বিকাশ ঘটে। তাই প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এই সংস্কৃতি চর্চা থেকে পিছিয়ে নেই। সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চার জন্য কাতার প্রবাসীরা গঠন করে” আল-হেরা শিল্পি গোস্টী ।

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কাতার প্রবাসি সুনাম ধণ্য জানাব মুহাম্মদ রশীদ চৌধুরী ,সাথে চিলেন , জানাব জুবের আহমদ চৌধুরী জানাব,বোরহান উদ্দিন, হাফেজ আনোয়ারুল ইসলাম,ইন্তেখাব বিন ইউসুফ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেন সোনার বাংলাদেশ ব্লগার বিশিষ্ট লেখক মুহাম্মদ নাজরুল ইসলাম ভাই, জানাব রেজাউল করিম ভাইসহ আরো কয়েকজন।
এ৪১তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। লড়াকু ও দুর্বিনীত সাহসী জাতি হিসেবে আমাদের কাছে দিনটি অনন্য সাধারণ ও স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। এ দিনটি শুধু পঞ্জিকার পাতায় কোনো জলজলে লাল তারিখ নয়, কেবল চৈত্রের দগদগে রৌদ্রময় একটি দিন, বাংলাদেশী জাতির কিংবদন্তীতুল্য দেশপ্রেম, অবিরাম সংগ্রাম এবং সংহত শক্তিরও প্রতীক।
অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রিজাউল করীম

হামদ পেশ করছে আল হেরা শিল্পি গোস্টী ।
ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, স্বাধীকার আন্দোলনের মুখরতায় টালমাটাল ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ২৬ তারিখ ছিলো পবিত্র জুমাবার। সেদিন সুউচ্চ মিনার থেকে ভেসে আসা মুয়াজ্জিনের আযানের ধ্বনি, মুক্ত বিহঙ্গের উড়াউড়ি-ডাকাডাকি, নদীর নিঃশব্দে কিংবা কলকল রবে বয়ে চলা, এমনকি শাশ্বত সূর্যোদয়ের মধ্যেও নিহিত ছিলো অন্যরকম দ্যোতনা। কারণ সেদিন এ দেশের নির্বিশেষে মানুষ স্বাধীনতা লাভের অদম্য বাসনা নিয়ে দখলদার পশ্চিম পাকিস্তানিদের সীমাহীন ও অব্যাহত শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের সূচনা করেছিলেন। তাইতো দিনটি আবেগমথিত, মহিমান্বিত ও স্বাতন্ত্র্যে ভাস্বর। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য ঐতিহাসিক ২৬শে মার্চ । টানা নয় মাসের মরণপণ লড়াই ও সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধের পর সাড়ে সাত কোটি মানুষ পেয়েছিলো নিজস্ব মানচিত্র, নিজের মতো করে একটি লাল-সবুজ পতাকা। জনতার আপোষহীন মনোভাব ও বুকের তাজা রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা স্বতন্ত্র স্বাধীন জাতিসত্ত্বায় বিশ্ববুকে অধিষ্ঠিত।
আল হেরা এবার দেশাত্মবোধক গান নিয়ে


আল হেরা এবার দেশাত্মবোধক গান নিয়ে

মানুষকে দূরে সরিয়ে, আলাদা করে, বিভক্ত করে, জনতাকে খন্ড-বিখন্ড করে, জনগণের মধ্যে বিভেদের-কালাপাহাড় তুলে কি সম্ভব মিলিত কণ্ঠে কোনদিনও গাওয়া ঃ ‘স্বাধীনতা এক নিবিড় ভালবাসার নাম'। হিংসা ছড়িয়ে তো ভালবাসার গান গাওয়া যায় না? অথচ মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই ভালবাসার গান গাইতে চায়, স্বাধীনতার গান গাইতে চায়। হিংসার গান গাইতে চায় না, ঐক্যের প্রতিধ্বনি করতে চায়। স্বাধীনতার চল্লিশোর্ধ বছরে মানুষের কণ্ঠে ভালবাসার গান হয়ে, ঐক্যের ধ্বনি হয়ে, সতত উচ্চারিত হচ্ছে ‘স্বাধীনতা'। জনগণের সেই কণ্ঠস্বর ইতিহাসের মহাপ্রাচীরে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনি হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে গ্রাম থেকে শহরে, নগরের অলিন্দে-অলিন্দে, বন্দরে-সাগরে-জাহাজে-পর্বতে--সারা বাংলাদেশে--পৃথিবীর কেন্দ্রে ও প্রাšে — প্রান্তে--মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে। বাংলাদেশের ঐতিহাসিকক্ষণে স্বাধীনতা ও মুক্তির আলোয় উদ্বেলিত সমগ্র জাতিসত্তা, অতীতের অর্জনকে সঙ্গী করে ভবিষ্যতের স্বর্ণালী পথে সূচিত অভিযাত্রা নিবিড় ভালবাসার শক্তিতে পৌঁছাবে সাফল্যের কাঙ্ক্ষিত ঠিকানায়।

মহান স্বাধীনতা আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ গৌরবময় অর্জনে শহীদের আত্মোৎস্বর্গ করে আমাদের স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়ে রাখতে তাদের আত্মত্যাগ আমাদের সব সময় অনুপ্রাণিত করে। আজকের দিনে তাদের এ আত্মত্যাগ স্মরণ করি এবং সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দুআ মুনাজাতের মাধ্যমে শেষকরা হয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

সালাম

প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের একটি স্বরণীয় দিনকে আরও স্বরণীয় করে রাখার জন্য আপনাকে ও প্রবাসী ভাইদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ

-

▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬
                         স্বপ্নের বাঁধন                      
▬▬▬▬▬▬▬▬ஜ۩۞۩ஜ▬▬▬▬▬▬▬▬

আমার দেশ আমার অহংকার। স্বাধীনতা আমার গর্ব।

বিশ্ববাসীকে জানিয়ে দিলাম আমরাও পারি।অনেক অনেক অভিনন্দন কাতার প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে

আপনাকে অভিনন্দন . আমার দেশ আমার অহংকার। স্বাধীনতা আমার গর্ব।

মাশাআল্লাহ

খুব সুন্দর ভাবে সাজিয়ে লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাদের সফল করেছে।

-

imam

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)