বাংলাদেশে ভারতের সাম্রাজ্যবাদ প্রতিষ্ঠার আধুনিক পদ্ধতি

অতীতের সাম্রাজ্যবাদ: একসময় ছিল যুদ্ধ, তারপর দখল, তারপর নিজস্ব লোকজন দিয়ে শাসন কিংবা শোষণ।
বর্তমানের সাম্রাজ্যবাদ: মীমাংসার জন্য সেনা পাঠানো, বিদ্রোহীদের (কারা আসলে বিদ্রোহী তা এখন ধাঁধাঁ) পরাস্থকরণ, তারপর নিজস্ব লোকজন না দিয়ে বরং ভূখণ্ড থেকে কেনা লোকজন দিয়ে শাসন কিংবা শোষণ।
ফলাফল: সাম্রাজ্যবাদ ঠিক ঠিক চলছে কিন্তু ক্রয় করা ভূখণ্ডের লোক দ্বারা। বিশ্ববাসী দেখছে যে, সে ভূখণ্ডের স্থানীয়রাই শাসন করছে দেশ। অতীতের শোষণের সাথে যুক্ত হলো নতুন শব্দ- "ধোঁকা"।

ঠিক তেমনি-
অতীতে: ভারত চেয়েছিল পুরো বাংলাদেশ দ্বিতীয় সিকিম হবে এবং সরাসরি দখল কিংবা অঙ্গরাজ্যের ঘোষণায়।
ফলাফল: ব্যর্থ হলো।
বর্তমানে: সরাসরি ঘোষণায় সম্ভব নয়। এখন খরার মৌসুমে বাঁধ দিয়ে আর বর্ষায় বাঁধ খুলে দিয়ে মানুষ হত্যা করে, ফসল ধ্বংস করে, প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট করে, জীবজন্তু হত্যা করে বাংলাদেশকে দুর্বল করে তুলবে। চুক্তির পর চুক্তিতে বেঁধে ফেলবে অক্টোপাশের মত করে। ঋণ দিয়ে সুদের অংক গুণতে গুণতে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করা হবে। প্রবাসের শ্রমবাজার থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদেরকে ক্রমশঃ হটিয়ে দেয়া হবে। দেশের রাজনীতি এমনকি কূটনৈতিকভাবেও ষড়যন্ত্র, সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং স্বসস্ত্রভাবে অংশ নিয়ে মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়া।
ফলাফল: এভাবেই সম্ভব বর্তমান বাংলাদেশকে অনুগত রাখা। এসবের জন্য দরকার এক অনুগত "দাস সরকার"-এর ক্ষমতায়ণ নিশ্চিত করা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)