শিশুদের ব্যপারে আরো সর্তক হতে হবে!!

শিশুদের ব্যপারে আরো সর্তক হতে হবে!!

কোন সময়ে এসে আমরা উপনিত হয়েছি ভাবাই যায়না। আগেকার মা বাবাগণ সন্তানের প্রতি কতটা যত্নশীল ছিল আর বর্তমান মা বাবাগণ কতটা যত্নশীল তা অবলোকন করলেই আপনি আমি সবাই উপলব্ধি করতে পারি। আগেকার মায়েরা সন্তানকে এখনের মত হয়তো পোষাক-আষাকে যত্ন করতে পারেনি। কিন্তু চোখ রাখার

ব্যপারে খুবই যত্নশীল ছিল। একজন মাকে দেখেছি শীতের সকালে বাচ্চাকে কোল থেকে নামাতেন না যতক্ষন না রোদের উষ্ণতা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তো। এরপর নামাতেন যাতে করে কুয়াশার ঠান্ডাটা বুকের ভেতরে লেগে না যায়। আর এখনের মায়েরা প্রথম শিশুর দিকে যতটা মনোযোগ দেন পরের গুলোতো এতটা মনোযোগ দিতে পারে

না। কারন হল প্রথম শিশুকে স্কুলে পাঠালে পরে দ্বিতীয় শিশুর প্রতি কিছুটা অমনোযোগী ভাব আসে। কারন বড় শিশুর পড়া ঠিকমত হচ্ছে কিনা, স্কুলে ঠিকমত যাচ্ছে কিনা এসব চিন্তা থাকে মায়ের মনে। আর বর্তমানে অনেক মাকে দেখা যায় টিভি দেখার অভ্যাস খুবই বেশী। যখন টিভিতে সিরিয়ালের সময় তখন কিসের ছেলে

আর মেয়ে? সব গোল্লায় যাক, আগে সিরিয়ালটা শেষ হোক, এরপর সব দেখা যাবে। এমনই হাজারও ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন বাংলার ঘরে ঘরে। এর জন্য কাকে দায়ী করা হবে। তাকদ্বীরকে নাকি নিজেদের অসর্কতাকে? আমার বুঝে আসেনা। এমনই জিবন্ত ঘটনা গুলো ঘটে প্রতিদিন আর আমরাই এর সুযোগ করে দেই ঘটার

জন্য। জানার পর মনে হবে হয়তো কল্প-কাহিনী অথচ কঠিন সত্য ঘটনা। পড়ে জেনে নেই আমরা প্রতিদিন কত-শত অঘটনের সুযোগ করে দিচ্ছি। নিজেকে নিজে একবার জিজ্ঞাসা করে নেই।

(ক) প্রথম ঘটনা- একজন শিশুর থাকে অনেকজন আত্মীয়-স্বজন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি খেয়াল রাখতে হয় বাবা মাকে। এখন দেখুন বাবাগণ দিনের প্রায় সবটুকুন সময়ই থাকে জিবিকা নির্বাহের কাজে ব্যস্ত। আর মায়েদেরকে কি বলবো উনারাও সংসারের অনেক কাজেই ব্যস্ত থাকেন কিন্তু মাকে হবে হবে আরো সর্তক শিশুদের

ব্যপারে। সংসারের অনেক কাজ মায়েদেরকেই আঞ্জাম দিতে হয় প্রতিদিন। এর ফাঁকেই সন্তানের প্রতি পূর্ণ খেয়াল রাখতে হবে মায়েদেরকে। কারন সামান্য ভুল, অথবা সামান্য বেখেয়ালেই আপনার সন্তানের জীবন ঝুকিপূর্ণ হতে পারে। এবং হতে পারে মৃত্যু মুখে পতিত। গত কালের ঘটনা শুনে তো পিলে চমকে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে।

মা ঘরেই ছিল, তবে মগ্ন ছিল টিভি দেখার কাজে। আর এই সুযোগে সন্তান টয়লেটের দরজা খোলা পেয়ে হাত ধুতে যায়, মা তো টিভি নিয়েই ব্যস্ত, কোথায় গেছে ছেলে কোন খবর নেই, কল ছাড়তে না পেরে শিশুটি বেসিন নাড়াতে থাকে হয়তো বড়দের দেখে থাকবে তারা দাড়িয়ে দাড়িয়ে মুখ, হাত ধোয়, শিশুটিও বেসিন নাড়াতে নাড়াতে

বেসিন পড়ে বুকের উপর আর কি ওমনি মরন থাবা এসে শিশুকে গ্রাস করে নেয়। বেসিন পড়ার সাথে সাথেই শিশুটি মারা যায়। কিছূ করার নেই মেনে নেয়া ছাড়া। আর হায়-হুতাশ করা ছাড়া। আর কোন কিছু দিয়েই সন্তানকে ফেরত পাওয়া যাবেনা। আড়াই বছরের শিশু সবেমাত্র পৃথিবীর আলো, বাতাসের সাথে পরিচিত

হয়েছে। পরিচিত হয়েছে নিজের আত্মীয়-স্বজানের সাথে এখনো অনেক কিছূ বাকি রয়ে গেছে দেখার, জানার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আমাদের মায়েদের অসর্তকার কারনে অকালে ঝরে যাচ্ছে ফুলেল মত শিশুদ্বয়। একজন শিশু মায়ের অধরে আসা থেকে শুরু করে জম্ম ও এরপরের সব মিলিয়ে মায়ের যে কি কষ্ট একজন মা ছাড়া

কেউ বুঝবে না। আমরাও এই মায়ের জন্য মর্মাহত। কামনা করি সব শিশুরা নিরাপদে থাক সব মায়ের কাছে।

(খ) শীতের সকাল! অনেকের অভ্যাস শীতের সকালে যাদের বাসার সামনে উঠানের মত আছে তারা উঠানে বসেই সকালের নাস্তা করেন। হোক তা ভাত বা রুটি। আর মেয়েদের বেলায় তো দেখা যায় একজন গল্পো করার মত মানুষ পেলে ভুলে যায় সবকিছু। সকাল ন’টা কি সাড়ে ন’টা বাজে এমনই এক পরিবারে খালারা পাঁচজন মা

সহ ছয়জন সাথে নানী আরো আছে মামারা চারজন সবাই মিলে ভাত খাচ্ছে শীতের তরকারি দিয়ে আর শিশু রাতুলকে পাশেই বসিয়ে রেখেছে লাল বল দিয়ে। সে খেলছে বল দিয়ে বলকে ইচ্ছে করেই ফেলে দেয় নিচে আবার সিড়ি দিয়ে নেমে বল নিয়ে উপরে উঠে। এভাবেই খেলছে রাতুল নামের কিউট বেবীটি। আর সবাই মগ্ন খাওয়ার

কাজে, সাথে চলছে খোশ গল্প, হাসা-হাসি ভাইকে বিয়ে করাবে তা নিয়ে। এরই মাঝে ঘটে গেল কঠিন কান্ডটা। উঠানের পাশেই ছিল হাউজ। সেখানে পানি ভরে রাখতো সবসময়। কখনো এই হাউজের সামনেও যায়নি রাতুল। কিন্তু সেদিন কি হলে যে সে একাই সেই হাউজের কাছে চলে গেছে। সবাই তো ব্যস্ত কারোরই মনে নেই রাতুলের

কথা। রাতুল পানির মাঝে বল ফেলে দেয় এতসময় তো বল ফেলেছে শুকনাতে আর নিজেই গিয়ে আনতে পেরেছে কিন্তু এবার বল ফেলেছে হাউজে, এখন বল তোলার জন্য রাতুল যতই পানিকে নাড়া দেয় বল ততই দুরে যেতে থাকে, আর রাতুলও নাড়া দিতে থাকে, হাউজটা খুব বড় নয়, দুই-থেকে আড়াই ফিট চওড়া, চারথেকে

সাড়ে চারফিট লম্বা, আর গভীরতা হবে পাঁচফিটের মত সেমতে গভীরতা ছিল হাউজটি, এভাবে করতে করতেই রাতুল বল ধরার জন্য একসময় হাউজে পরে যায়, আর দুই বছরের বাচ্চার জন্য ছোট হাউজটিতে হাবু-ডুবু খাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বরং স্বাভাবিক, এভাবে যখন রাতুল বলের জন্য পরে গেল হাউজে পানি খেতে খেতে

যখন একেবারে পেট ভরে গেছে, আর শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে, তখন সবার খেয়াল হল রাতুল কোথায়? রাতুল------- রাতুল-------রাতুল! সবাই এদিক সেদিক ছুটাছুটি করে খুজতে লাগলো রাতুল কোথায় গেছে? বড় বাহিরে বের হবে এই মুহুর্তে দেখে যে, রাতুল হাউজে পরে ভেসে আছে, তখনই একঝটকায় তুলে ফেলল রাতুলকে,

রাতুলের মামার জানা ছিল পানিতে পড়লে সেই রোগীকে মাথায় নিয়ে ঘুরাতে হয়, এতে করে পেটের পানি বের হয়ে যায়। তাই করলো অনেকটুকু পানি বের হল ঘুরানোর ফলে। না এখনো জ্ঞান ফেরেনি, তখন আবার কোলে তুলেই দৌড় দিল হাসপাতালের দিকে, না বাড়ি থেকে দশ/পনের মিনিটের পথও এগুতে পারলো না

রাতুলের দেহ আস্তে আস্তে শক্ত হয়ে আসছে, রাতুল নিজের থেকেই সোজা হয়ে শুইয়ে পড়ছে, তবুও হাসপাতালে নিয়ে যায়, নিয়ে কোন ফল হয়নি ডাক্তার রাতুলের হাতের কব্জিতে ধরেই বলেছেন সে এখন আর নেই। হাসপাতালেই কান্নার রোল সৃষ্টি হল যেন, রাতুলকে নিয়ে, না রাতুল নেই!


চলে গেছে না ফেরার দেশে
আর কেউ কখনোই রাতুলকে আর দেখতে পাবেনা আগের বেশে।
এই তো কিছুক্ষন আগেও যে রাতুল লাল বলটি নিয়ে খেলা করেছে, সেই বল পানিতে এখনো ভাসছে, আর কাঁপছে, এই ছোট লাল বলটির জন্য ছোট গোলাপের কলিটি

ঝরে গেলো নিরবে। পানিতে রাতুলের মুখের ফেনা গুলোও ভাসছে। কেউ যেন নিজেকে ক্ষমা করতে পারছেনা। রাতুল এভাবে চলে যাবে। রাতুলের মা তো বলছে এই পানি আমার সন্তানকে কেড়ে নিয়েছে আমি আর এই পানি কখনোই পান করবো না। সবাই নানা বাক্যে শান্তনা দেয়ার চেষ্টা করছে। সত্যি কথা বলতে কি রাতুল

পাড়াপ্রতিবেশী সবার কোলে যেত, সবাই ওকে খুবই আদর করতো, প্রতিবেশীরাও ভুলতে পারছে না রাতুলকে, যেমনী সুন্দর ছিল রাতুল, ছিল তেমনী শান্ত প্রকৃতির। স্মৃতির আকাশে মেঘ হয়ে ভেসে বেড়ায় আমাদের রাতুলেরা। অনুভবে ধরা দেয়, আর বাস্তবে পড়ে আছে কল্পনার ছায়া। আমাদের কিছুটা অসাবধনতা আর বেখেয়ালের কারনে আমরাই সুযোগ করে দেই নব-শিশুদের মৃত্যুর পানে।

(গ) আরেক শিশু কন্যা সুমির ঘটনা- এই যে গতহল কোরবানির ঈদ, এর আগের দিন মা ঘরের কাজ করছেন, আর মেয়েটি বাড়ির আরো কয়েকজন মেয়ের সাথে খেলছে বাড়ির উঠানে। মা কয়েকবার খেয়াল করছে, ঘর থেকে উঁকি দিয়ে দিয়ে, এবার যখনই মা তার কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন এর মাঝেই ঘটে গেল অঘটন।

ছোট আরেক মেয়ের বাবা এসে টাকা দিল আরেকটি মেয়েকে অমনি সবগুলো শিশু বের হয়ে এলো রাস্তায়, দোকান থেকে কিছু কিনতে, দুইজন দাড়িয়ে দাড়িয়ে কি যেন কিনছে, আর বাকিরা খেলছে দৌড়াদৌড়ি করে। পথের পাশে লোকেরা রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে ময়লা একসাথে করে আগুন জ্বালিয়ে রেখেছে সুমি আকসাৎই সেখানে গিয়ে পা

রাখে জ্বলন্ত কয়লার মাঝে, দু’পায়ের টাখনুর নিচ পর্যন্ত ডুবে যায় আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে, আর সাথে সাথেই পা দু’খানা পুড়ে চামড়া খসে পড়ার অবস্থা। সাথে আসা সব মেয়েরা দৌড়ি গিয়ে ওর মাকে ডেকে আনে। খালাম্মা খালাম্মা করে বলতে থাকে সুমির পা কিভাবে পোড়া গেছে। আশ-পাশের দোকানের লোকেরা পাশের

ফার্মেসীতে নিয়ে যায় মা আসতে আসতে সুমির পায়ের একেবারে নাজুক অবস্থা হয়ে যেত। মা তো কাঁদছে আর বলছে আমার সুমি তো কখনোই রাস্তায় যায়না। এখন কি জন্য গেল? আর এমন ক্ষতি হল। অনেকেই এই বলে শান্তনা দিচ্ছে যে, ভাগ্যে আছে তাই এমন হয়েছে। পূর্ণ শরীরের রঙ একরকম। আর পায়ের রঙ আরেক রকম

হয়ে গেছে। পুড়ে সাদা সাদা যেরকম হয়, তেমনটি হয়ে আছে। ভাগ্য ভাল যে, আর কোথাও কিছু হয়নি শুধু দুই পায়েরই এই অবস্থা হয়েছে। এখন মা বাবা উভয়েই ভাবছে একে তো গরীব তার উপর পোড়া গেছে পা, এই মেয়েকে বড় হলে কিভাবে বিয়ে দেবে? তখন আবার প্রতিবেশীরা শান্তনা দেয়, যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনিই ভাল ব্যবস্থা করে দেবেন।

(ঘ) আরেক শিশুর ঘটনা- কাজের মেয়ের কাছে রেখে রেখে এমনই অভ্যাস করেছে যে, কাজের মেয়ের হাতে ছাড়া খাবেনা, গোসল করবেনা, ঘুমাবেনা, এমন কি বাহিরে গেলেও রোকেয়াকে সাথে করে নিয়ে যেতে হবে। সবকিছু করবে কাজের মেয়ে রোকেয়া। সেও করে শিশুটিকে আদর করে। এবাসায় কাজ করে সেই ছোট থেকে,

যখন ওর বয়ষ সাত কি আট ঠিক তখন থেকে। আর এই বাসায় এখন দুটি ছেলে ও একটি মেয়ে, ওদেরকে বেশির ভাগ সময়ই লালন-পালন করে রোকেয়া। ছোট ছেলে তো রোকেয়া বলতেই সবকিছূ রোকেয়া করবে। কারো কাছে কোন আবদার নেই। সবসময় মা বড় ছেলে, ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে দিয়ে আসে আবার গিয়ে নিয়ে

আসে। ছোট ছেলেকে রেখে রোকেয়ার কাছে। ছেলের মা তো বড় দুজনকে নিয়েই ব্যস্ত ওদের পড়া-শুনা, স্কুলে আসা যাওয়া এসবকিছুই মা করেন। রোকেয়ার উপর পূর্ণ ভরসা করে। জানো যে, রোকেয়া কখনোই ওকে কষ্ট দিবেনা। হঠাৎ একদিন বাসায় কাপড় ধোয়ার পাউডার নেই, মা বলে যে, রোকেয়া যা তো পাশের দোকান

থেকে এককেজি সার্ফ এক্সেল পাউডার নিয়ে আয় তো, তোর খালুর নামে লিখে রাখিস, তারা সময় নিচের ঐদোকান থেকে বাকি আনে, আর দোকানিও রোকেয়াকে চেনে, সাথে ছোট ছেলেটি বায়না ধরে আমিও যাবো, কাঁদতে শুরু করে মা আমিও যাবো, বলে বলে ছেলেও রোকেয়ার সাথে যায়। মা এদিকে ব্যস্ত ছুটির দিন, এদিনেই

বাড়তি কাজগুলো করার সুযোগ বেশি থাকে। তাই করছে আজকে মা। কি রে আধাঘন্টার মত হল এখনো আসছেনা কেন রোকেয়া? এবার একঘন্টাও পাড় হয়ে গেছে না আর বসে থাকা যায়না। দোকান থেকে বাসায় আসতে এত সময় তো লাগার কথা নয়। কি হল কোথায় গিয়ে আবার আড্ডা দিচ্ছে? দেখে আসি কোথায়

গেছে, গিয়ে দোকানিকে জিজ্ঞাসা করে আমাদের বাসার কাজের মেয়েটাকে দেখেছেন? লোকটা বলে অনেক ক্ষন আগে দেখেছি, আপনার ছোট ছেলেকে কোলে নিয়ে এসেছিল কিছুক্ষন এখানে ঘুরাঘুরি করেছিল আমি জানতে চাইলে বলল এমনিতেই, এরপর আমি আমার কাজে মনযোগ দিলে পরে, আর দেখিনি। কেন বাসায় যায়নি? মহিলা বলল

না। তবে গেল কোথায় কিছূই বুঝতে পারছিনা। দোকানি লোকটা বলল কোন আত্মীয়-স্বজন থাকে এখানে যেখানে যেতে পারে। মহিলা জবাবে বলল না। মহিলাও তার স্বামী এদিক সেদিক খুজাখুজি করেও আর পাওয়া গেলনা রোকেয়াকে, সে একেবারে হারিয়ে গেছে। আর তাকে খুজে পাওয়া যাবেনা। মহিলা তো কাঁদতে কাঁদতে

একেবারে বেহুশ হয়ে গেছে, স্বামী বেচারা তো কি দিয়ে শান্তনা দিবে ভাষা খুজে পাচ্ছে না। যেই মেয়েটা আট, দশ বছর ধরে এবাড়িতে আছে সে কিভাবে চলে গেল? কোন জবাব খুজে পায়না তারা। সেই যে গেল আর ফিরে এলোনা। হারিয়ে গেল ছোট ইমন বাবুটি। আর এভাবেই অনেক ঘটনা ঘটে যায় প্রতিদিন, কিছু পত্রিকাতে

আসে, আর অনেক ঘটনাই রয়ে যায় আমাদের সবার অগচরে। কেউ খতিয়ে দেখারও নেই। আজো মহিলা ও তার স্বামী কাঁদে যখনই মনে আসে ইমন বাবুর কথা কোথায় আছে? কি করছে? কি খাচ্ছে? আমরা সহসাই পরনির্ভরশীল হয়ে পড়ি, কিছুটা সাহায্য পেতে গিয়ে আজীবনের জন্য অসহায় হয়ে যায় এর কোন জ্ঞান থাকেনা তখন। কথায় বলে ডুস খেলে/ হুশ মেলে। 

পরিশেষে বলতে চাই আমাদের সব মা বাবাকে আরো বেশি খেয়াল রাখতে হবে আমাদের শিশুদের প্রতি। কারো উপর নির্ভরশীল হওয়া যাবেনা শিশুদের ব্যপারে।  মা বাবাকেই আরো সর্তক হতে হবে শিশুদের ব্যপারে। খুব ঘনিষ্টদের উপরও ভরসা করা যাবেনা। সব শিশুদের দায়িত্ব ও কল্যান মহান স্রষ্টার কাছে রাখলাম।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

খুবই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে ঘটা ঘটনাগুলো হৃদয়বিদারকই হয়ে থাকে। সতর্ক হও‍য়া উচিত সবাইকে।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)