হঠাৎ স্বপন হঠাৎ ভাঙন!! (ঘ)

কিন্তু বিপরীত বিবেগ যদি আবেগের কাছে নতি স্বীকার করে তবে ভুল হবার আশংকা একশত ভাগ। মনিরার বিবেক আবেগকে বশ করতে পেরেছে সে নিজে নিজেই নিজের মনকে হাজারও প্রশ্ন করে করে জবাব খুজে নেয়। নিজেকে নিজে প্রশ্ন মাহমুদ কে? কি তার পরিচয়? কেন সে মাহমুদের সাথে কথা বলেছে? কেনই বা তাকে মেসেজ দেয় কল ব্যাক করতে?


বেশির ভাগ দোষই মনিরা নিজের কাধে নেয়। মনিরা কঠোর ভাবে সিদ্ধান্ত নেয় আর কোন কথা বলবেনা মাহমুদের সাথে। কোন মেসেজও রিসিভ করবে না। কিন্তু অপরদিকে মাহমুদ মেসেজ দিতে দিতে যেন মেসেজের পাহাড় গড়ে ফেলেছে। মনিরা সিদ্ধান্ত নেয় ওর বান্ধবীকে বলবে যেহেতু ওর কোন বোন নেই। ওর বান্ধবী পাপিয়াকে সব কিছু জানায়,


পাপিয়া মনিরাকে পরামর্শ দেয় আগে দেখ তারপর সিদ্ধান্ত নে! কিন্তু মনিরা সব বিষয় বলে ওর ভাইয়েরা ওকে কত ভালবাসে ওর আবদার কিভাবে পূরন করে। সে যদি মাহমুদের সাথে এভাবে জড়িয়ে পড়ে তখন ভাইদেরকে কিভাবে মুখ দেখাবে? যাক শেষে দুই বন্ধবী মিলে এই কথা ঠিক হলো যে, দেখা করবে? যদি দেখার পরে সবদিক ঠিক থাকে তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।


কিন্তু দেখা করবে কোথায়? সবকিছু ঠিক করে দেয় বান্ধবী পাপিয়া। আর পাপিয়াও যে সাথে যাবে এটা মাহমুদকে জানানো হবেনা এটাই পাপিয়ার পরামর্শ। পাপিয়া যাবে তবে পাপিয়া লুকিয়ে থাকবে অথবা দুরে দুরে থাকবে যদি মনিরার কোন সমস্যা দেখে তবে পাপিয়া এগিয়ে আসবে কথা মতই কাজ। দিন তারিখ ঠিক করে কবে কিভাবে কোথায় দেখা হবে।


পাপিয়া যুগ হিসেবে খুবই চালাক সে মনিরাকে বলে বোরকা পরে নিতে কারন পরে অনেক ঝামেলা থেকে বাঁচা যাবে। মনিরা পাপিয়ার সাথে পরামর্শ শেষ করেই মাহমুদের কাছে দ্বিতীয় মেসেজ পাঠায় আমি তোমার সাথে দেখা করতে রাজি একথা শুনেই তো মাহমুদ সাথে সাথেই কল করে মনিরাকে কখন দেখা করবে? কোথায় করবে? কি রঙের পোষাক পরে আসবে?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)