শিক্ষিত নারী আধুনিক সমাজ

লিখাটা পরে কেউ কেউ
আমাকে বাজে কিছু ভাবতে পারেন।
তবে ভাবলে আমার কিছু করার নাই। আজ
কিছু অপ্রিয় সত্য কথা লিখতে বসেছি।
তাই সত্য হলেও হয়তো লেখার
মূল্যটা পাবো না। যাই হোক কথায় আসি।
লিখাটার শিরোনাম দিলাম অপ্রিয়
সত্য কথা।
আমাদের সমাজে কিছুদিন
আগে দেখলাম মেয়েদের
ইভটিজিং নিয়ে বহু সমাবেশ মিছিল
আলোচনা। কি সুন্দর সবাই মেয়েদের
রক্ষায় রাস্তায় নেমেছে। হ্যা আমিও
তাই চাই নারী পুরুষ সবাই সুস্থ সুন্দর
ভাবে পথে চলাফেরা করুক। কেউ যেন
তাদের রাস্তায় উত্তক্ত না করে।
আমারো মা,বোন অাত্মীয় স্বজন
আছে তাদের যেন উত্তক্ত হওয়ার শিকার
না হতে হয়। আপনাদের সেই
দোয়াতে তাদের এই সমস্যায়
পরতে হয়নি।
আজ বড় কষ্টে কথা গুলো লিখছি।
আসলে ইভটিজিং কি? কেন?
তা কি ভেবে দেখেছি? দেখিনি। শুধু
বলে যাই ইভটিজিং না। কেন
হচ্ছি ভেবে দেখেছি? না শুধু
যানি কেউ
ইভটিজিং করতে পারবেনা।
আপনি স্বর্ণ লতা দেখেছেন?
যা পরগাছা হিসাবে জানি।
পরগাছা কি উপর থেকে ছেটে দিলেই
ঝামেলা শেষ? আমাকে কেউ
ইভটিজিং করলো,
তাকে আমি পুলিশে দিলাম
ঝামেলা শেষ? না ঝামেলা শেষ
না আরো আছে।
আপনাকে জানতে হবে কেন
ইভটিজিং এর শিকার হলেন। জানবেন
না হতেই থাকবেন।
আসলে ইভটিজিং কি তা না বলে আমি বলছি কেন
ইভটিজিং হচ্ছেন। আমাদের সমাজের
শতকরা ৮০ ভাগ ছেলে ইভটিজিং করে।
এই ৮০ জনের মধ্যে ২০ জন
আছে যারা কিছুই মানেনা দেখেনা।
এরা রাস্তার টোকাই। আর
বাকি যারা আছে তাদের মধ্যে কেউ
রাগজনিত কারনে কেউ এই মেয়েদের
কিছু শিখানোর জন্য। আমিও
করি আমি দুধে ধুয়া তুলশি পাতা নই।
কেন করি আমারোতো মা বোন আছে।
হ্যা আছে কিন্তু আপনার বা আপনার
বোন, বা আপনার মেয়ে, বা আপনার
স্ত্রী বা আপনার মায়ের মত না।
কি খারাপ শুনা যায়?
হ্যা জাবেইতো আপনার
আতে লেগেছে। কেন করি বলছি।
আমাদের সমাজের আধুনিক মেয়ে, মা,
বোন, স্ত্রীরা আজকাল যে ফ্যাশন
বেছে নিয়েছেন তাতে দুই দিন
পরে আমরা ঘরের কোনায় মুখ
লুকিয়ে বসে থাকবো। তাদের হাটা,
কথা বলা, তাকানো, পোশাক আমাদের
মত তরুনদের মনে কামনার ঝড় তুলে দেয়।
কি ব্যাকডেট মাইন্ড আমার। একটু আসুন
বোঝার চেস্টা করি। সমাজে কোন
শ্রেণীর মেয়েরা টিজ বেশি হচ্ছে?
সুন্দরী ধনীর দুলালী। হ্যা কেন বলুনতো?
টাকা পাই টিজিং করে?
না আমি যে জন্য করি তাই
বলছি অন্যরা একি জন্য করেন বলে আমার
ধারনা।
আপনারা আধুনিক আপনারা স্বাধীন
আপনাদের যা ইচ্ছা করবেন। কিন্তু কেন?
টাকার গরম? না আপনাদের সুন্দর্য দশ
জনকে দেখাবেন তাই। আর কিছু না।
সবাই বলবে সুন্দর হট সেক্সি কতো কি, শুধু
এই জন্য। আপনি রাস্তায়
চলাফেরা করবেন নগ্ন
হয়ে পাছা দুলিয়ে, স্তন ফুলিয়ে বুকের
কাপড় মাজা অথবা মাথায় দিয়ে।
আমরা সেটা আবলিলায় দেখে যাব।
আপনি আধুনিক দেশের আধুনিক ফ্যাশন
সংস্কৃতি গ্রহন করবেন, আপনার মেয়েকে,
বৌকে তা করতে উৎসাহ দিবেন,
আমরা আধুনিক হলে আতে লাগে?
আপনি স্বাধীন আর আমরা পরাধীন?
বিদেশে প্রায় মেয়েরা ব্রা আর
পান্টি পরে বাহির হলে কিছুই
বলে না কেউ সেই তুলনা দেন।
আপনি কি তাদের মত? যদি তাদের মত
মনে করেন আসুন ওপেন সেক্সে চলে যাই।
আপনি বিদেশিদের মত
বেশভূশা পরে বাহির হবেন আমরাও
বিদেশিদের মত প্রথমে আপনার
সাজানো ঠোটে চুম্বন দিবো তার
পরে কথা বলবো।
তা তো মানতে পারবেন না।
তবে কেন? কেউ কেউ অর্ধ উলঙ্গ
হয়ে বলে ধর্মের কথা। বেশ অবাক হই থু
আপনার ধর্মের। আপনার ধর্মটা কি?
ইসলাম,হিন্দু,খ্রিস্টান,বৈধ্য? কোনটা?
আপনি যেই ধর্মের কথা বলেন না কেন
কোন ধর্মে আপনার মত ব্যাহায়া পোনার
কোন অনুমতি নাই। তাহলে ধর্মের
কথা বাদ দেন আপনি কি আস্তিক
না নাস্তিক? আমার
জানা মতে নাস্তিকরা বিধাতা বিশ্বাস
করে না। কিন্তু মানবিক গুন তাদের
আছে তারা যা কিছু ভালো তাদের
দিকে। আপনিতো তাও না।
তাহলে কেন আপনাকে টিজ করবোনা।?
একটা ঘটানা দিয়ে লিখা শেষ করবো।
আমি তখন আমাদের তিতুমীর কলেজের
ক্যাম্পসে। কোন কাজে ওয়র্লেছ এর
মার্কেটে গেছিলাম। একটা কাপড়ের
দোকানের সামনে দাড়িয়ে।
আমি দেখলাম
একটা মহিলাকে দোকানে প্রবেশ
করতে, বয়স আনুমানিক ৩৬ বছর বয়সের ছাপ
মেকাপ দিয়ে ঢাকার চেস্টা করেও
লাভ হয়নি। তার সাথে ফুটফুটে একটা ৫
বছরের একটা মেয়েও ছিল। হাই
স্ট্যানডার্ড প্রফাইলের কোন লোকের
স্ত্রী হবে। তিনি একজন মা ধূর সম্মানের
গুষ্টি কিলাই। সে নাকি মা,,,,,। তার
পোষাকের বর্ননা দিতে চাই
সে পরেছে সম্পর্ন পাতলা একটা কামিজ
ওড়না ছিল বুকে না কামিজের
নিচে পাতলা অন্তর্বাস সম্পূর্ন
দেখা যায়। ৩৯ সাইজ মনে হল।
তিনি সালোয়ার পরেছেন
নিচে সাদা প্যান্টি সেটাও
দেখা যায়। কথা বলার সময় শরীর
ঝাকিয়ে দোকানদারের
সাথে কথা বলছিলেন। তিনি এসেছেন
তার সাথে মেয়ের পোশাক কিনতে।
আমি তখনই অবাক ছোট্র
মেয়েটা পোশাক পছন্দ
করছে ঢিলেঢালা কিন্তু সুন্দর পোশাক।
কিন্তু তার মা যেটা করলেন।
মেয়েকে শিখালেন, ছিঃ এসব কেউ
পরে মামুনি, ওটা ব্যাকডেট চয়েজ। এখন
কেউ এ সব পরে? মেয়েটার
কথা মামুনি ওটাতো সুন্দর আর
চিপা না আমার চিপা পোশাক ওর্ড
লাগে। আসলে ওই পিচ্চির পছন্দ ছিল
বটে তারিফ করার যোগ্য। ভাল
কথা মেয়েটার ইচ্ছার পোশাক
কিনা হল না। আমি দারিয়ে গেলাম
তাহলে কোন পোষাক
কিনে সে দেখার জন্য। সে যে পোষাক
কিনলো তা হলো ছোট ব্লাউজের মত
একটা কি নাম জনিনা। হাতা নেই
একটা স্কিন টাইট পায়জামা। ও
পাতলা টপস। কি রুচি তার সেই
পোষাকেই ওই শিশু বড়
হবে সে সামাজিক পোষাক
থেকে দুরে চলে গেল। আর তার মায়ের
জন্য ভবিষ্যতে যদি ওই মেয়ে টিজিং এর
শিকার হয় দোষটা কার? ছেলের?
না আপনার?
কি শিক্ষা আধুনিক মায়ের শিক্ষা।
সক্রেটিস বলেছিল আমাকে শিক্ষিত
মা দাও, আমি শিক্ষিত জাতি উপহার
দেব। এই হচ্ছে শিক্ষিত মা। আর শিক্ষিত
জাতি। চাইনা ওই শিক্ষিত
মা রূপি জানোয়ার। ওর চেয়ে আমার
অশিক্ষত মূর্খ মা হাজার
গুনে কোটি গুনে ভাল।
শুধু আইন করে টিজিং বন্ধ করা ওই
স্বর্ণলতা আগাছা পরিস্কার করা কোন
ভেদ নাই। সুস্থ গাছ পেতে স্বর্ণলতার
শিকড় সহ উপরে ফেলাই ভাল পন্থা। তাই
আইনের ভয়
না নিজে আপনি সুস্থভাবে চলাফেরা করেন
আপনাকে কেউ টিজ করবে না।
আপনি বিদেশি হবেন কোন কথা নাই
আমরাও বিদেশি হবো। স্বদেশি হবেন
আমরা স্বদেশি হব।
আমরা বাঙালী আমরা জানি মেয়েদের
সম্মান দেওয়া। অন্য কোন জাতির
সাথে তাল মিলাবেন না। আমাদের
চেয়ে তারা নারীদের সম্মান
বেশি দিতে জানেনা।
ধন্যবাদ কষ্ট করে পরার জন্য।
January 20 at 3:45am ·

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)

হুম সত্য কথাটাই বলেছেন।

-

^
"দ্রুত চলে রাস্তায় থেমে যাওয়ার চেয়ে ধীরে চলে গন্তব্যে পৌঁছা শ্রেয়।" -শেখ সাদী

ধন্যবাদ আপনাকে।
www.facebook.com/SOPNOSAJ

-

saddam

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (2টি রেটিং)