সীমান্তে বিএসএফের বর্বরতার বিরুদ্ধে ব্ল্যাকহ্যাটের সাইবার যুদ্ধ


বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফের বর্বরতার প্রতিবাদে তরুণ হ্যাকারদের কবলে পড়েছে ভারতীয় কয়েক হাজার ওয়েবসাইট। বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস নামে ফেসবুকে তিনটি গ্রুপও খোলা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গ্রুপের লাইক দিয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী। ওই পেজে গতকাল গিয়ে দেখা গেছে সেখানে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের নাগরিকদের সীমান্তে বিএসএফ যেভাবে হত্যা করছে তারা এর প্রতিবাদে ‘সাইবার যুদ্ধ’ শুরু করেছেন। এ যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে বিএসএফের সন্ত্রাস বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত। এটি কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট নয় বলেও পেজে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে, ২০ হাজারের মতো ভারতীয় ওয়েবসাইট ইতোমধ্যে হ্যাক করেছে বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাটস নামে এ গ্রুপটি। তবে তাদের আসল পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হ্যাকারদের পক্ষ ই-মেইল বার্তায়ও একই রকম খবর প্রচার করা হচ্ছে।
এ দিকে ভারতের ‘ইন্ডিশেল’ হ্যাকার দল বাংলাদেশী সাইটগুলোতে আক্রমণে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ভারতীয় হ্যাকারদের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশের ৩০০ সাইটে আক্রমণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অব্যাহতভাবে বিএসএফ সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের গুলিতে প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাংলাদেশী মারা যাচ্ছেন অথবা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। সমপ্রতি বিএসএফ প্রধান বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সীমান্তে গুলি চলবে। দেশে ও দেশের বাইরে এর ব্যাপক সমালোচনা হলেও বৃহৎ শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে ভারত তার অবস'ান ঠিক রেখে সীমান্তে গুলি চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএসএফ প্রধান যখন এ মন্তব্য করেছিলেন, যার কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে তাদের আলাপ হয়। অবশ্য বাংলাদেশে সরকারি দল আওয়ামী লীগের মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফও সীমান্ত হত্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন নন। উদ্বিগ্ন নয় পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় কমিটিও। তবে দেশের মানুষ বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাই তারা তাদের এ উদ্বেগের প্রকাশ ঘটাচ্ছে।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সরকারি বেসরকারি, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট হ্যাক করে ব্ল্যাকহ্যাট বলছে, তারা এটি অব্যাহত রাখবে। ঠিক এটি কত দিন চলবে তা বলা মুশকিল হলেও সামাজিক যোগাযোগের ওয়েসবসাইট ফেসবুকে এর পক্ষে ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে।
ব্ল্যাকহ্যাট যা বলছে : বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার্স মিডিয়া রিসেশন সূত্র পরিচয়ে একটি ই-মেইল বার্তায় বলেছে, ‘প্রিয় বাংলাদেশী, আমরা বাংলাদেশের সাইবার যোদ্ধা, সীমান- হত্যা বন্ধে আমরা ভারতীয়দের সাথে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। যতক্ষণ পর্যন- সীমান- হত্যা পুরোপুরি বন্ধ না হবে তত দিন থামবে না আমাদের এ সাইবার যুদ্ধ। আমরা কেবল ভারতের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিতেই নয়, তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদও করতে পারি।’
তারা বলছেন, ‘এটি অত্যন- আনন্দের সংবাদ, আমাদের গ্রুপে বা ফ্যানপেজে যখনই আমরা কোনো আপডেট প্রকাশ করছি, তাৎক্ষণাৎ পাওয়া যাচ্ছে হাজারো মানুষের সমপ্রণ, তারা মন-ব্য করে এবং শেয়ার করে আমাদের বার্তা সর্বত্র পৌঁছে দিচ্ছেন। আমরা এত বিপুল সাড়া পেয়ে অভিভূত।’
তাদের বক্তব্য, ‘এটি এখন আর কেবল বাংলাদেশী হ্যাকারদের সংগ্রাম বা যুদ্ধ নয়, এটি এখন সারা দেশের মানুষের যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও ব্যাপকভাবে আমাদের এ প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন। সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে আমরা বলতে চাই, আপনাদের সবার সমর্থনের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, কিছু ব্লগার ও সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারী সাইবার যোদ্ধাকে কটুকথা বলছেন। যারা আমাদের সাইবার যুদ্ধের মধ্যে শিবির কানেকশন খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তাদের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে অপরিষ্কার নয়। আমাদের এ প্রতিবাদের মোড় অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করছেন অনেকে, এখান থেকে কেউ কেউ ফায়দা লুটতে চাচ্ছেন।’
তারা বলেন, ‘আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য বিএসএফ কর্তৃক সীমান- হত্যা বন্ধ করা। আর কোনো উদ্দেশ্য নেই। অনেকে অপ্রয়োজনীয় কথা বলছেন, আশা করছি এ মিথ্যাচার তারা বন্ধ করবেন। প্লিজ, এতগুলো মানুষের একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে নিয়ে অপপ্রচার করবেন না। আমাদের আক্রমণ চলছেই। ধীরে ধীরে আক্রমণ আরো বাড়ছে। এরই মধ্যে ভারতের ২০ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে। হ্যাকিংয়ের এ পরিমাণ আরো বাড়ছে প্রতি মুহূর্তেই। শত শত নতুন নতুন হ্যাকার আমাদের সাথে যোগ দিচ্ছেন, সাধারণ অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীও আমাদের সহায়তা করছেন।’
ব্ল্যাক হ্যাট জানিয়েছে, ‘আন-র্জাতিক একাধিক হ্যাকার গ্রুপ আমাদের সাথে কাজ করছে। সর্বশেষ আমাদের পক্ষ হয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের ভারতীয় ওয়েব স্টোর হ্যাক করেছেন চীনা হ্যাকাররা।
আমরা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তাদের কাছে আমাদের একটাই চাওয়া, আপনারা জেগে উঠুন। বিএসএফের নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলুন। আমরা আজ রাতে একটি ভিডিও মেসেজ অবমুক্ত করব। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের করণীয় সম্পর্কিত সব তথ্য থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অন-ত সে পর্যন- অপেক্ষা করুন।’
২০ হাজার ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের দাবি : বাংলাদেশভিত্তিক ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস গ্রুপ বিএসএফের একটিসহ ভারতের প্রায় ২০ হাজার ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। হ্যাকিংয়ের কারণে ভারতীয় সীমান-রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ওয়েবসাইটটি (www.bsf.nic.in) পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস- হয়েছে। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক ডেকান ক্রনিকল গতকাল এ খবর জানিয়েছে।
ক্রনিকলের খবরে বলা হয়, ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস গ্রুপ দাবি করেছে, সীমানে- বাংলাদেশীদের হত্যার প্রতিবাদে তারা এ কাজ করেছে। ফেসবুকে এই গ্রুপের একটি ফ্যান পেজে এক হ্যাকার লিখেছেন, ‘ভারতের সাথে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নেই। কিন' বিএসএফের বর্বরতা ও সর্বোপরি ভারত সরকার এটা করতে আমাদের বাধ্য করেছে।’
পত্রিকাটি বলেছে, অপর একটি পোস্টে এক হ্যাকার লিখেছেন, ‘ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের সমর্থন করেছে। এখন তারা আমাদের হত্যা করছে। একজন ভণ্ড বন্ধুর চেয়ে একজন প্রকাশ্য শত্রু ভালো।’
অপর একটি পোস্টে এক পাঠক লিখেছেন, ‘আমি মৃত্যুর পরোয়া করি না। জয়ী না হওয়া পর্যন- আমি আমার মাতৃভূমির জন্য যুদ্ধ অব্যাহত রাখব।’
ডেকান ক্রনিকল জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই হ্যাকার গ্রুপটি ভারতের একটি জনপ্রিয় শেয়ার বাজারবিষয়ক সংবাদ ওয়েবসাইটও (www.paisacontrol.com) হ্যাক করেছে।
অনেক ওয়েবসাইট হ্যাক করার পর এই গ্রুপটি ওই সাইটে নানা ধরনের দাবি পোস্ট করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ‘বিএসএফ, সীমানে- বাংলাদেশীদের হত্যা বন্ধ কর।’
এ ছাড়া ‘থ্রিএক্সপায়ারথ্রি সাইবার আর্মি নামে একটি বাংলাদেশী হ্যাকারগোষ্ঠী ভারতের সাত শতাধিক ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বলে খবরে দাবি করা হয়েছে।
৯ ফেব্রুয়ারি ভিডিও আদান-প্রদানের ওয়েবসাইট ইউটিউবে ভারত সরকারের প্রতি একটি ভিডিওবার্তা প্রকাশ করে ‘বিডি ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস’। ভিডিওতে মুখোশ পরা একজন হ্যাকারকে যান্ত্রিক (রোবটিক) গলায় কথা বলতে দেখা যায়। তার বক্তব্য হলো, ‘হ্যালো বাংলাদেশের নাগরিকেরা, আমরা বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস। এখন সময় আমাদের চোখ খুলবার। বিএসএফ এক হাজারের বেশি বাংলাদেশী নাগরিককে হত্যা করেছে, তাদের গুলিতে আহত হয়েছেন আরো ৯৮৭ বাংলাদেশী। অপহৃত হয়েছেন হাজারো মানুষ। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। তারা অবিচার করছে। সঙ্কটময় এ মুহূর্তে বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু দায়িত্ববোধ রয়েছে, আমরা চাই ভারত সরকার নিরপরাধ বাংলাদেশীদের হত্যা করা বন্ধ করুক। নতুবা আমরা ভারতীয়দের বিরুদ্ধে সাইবার-যুদ্ধ শুরু করব। এটি চলতেই থাকবে।’
বাংলাদেশের ‘বাংলাদেশ সাইবার আর্মি’, ‘বিডি ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস’, ‘এক্সপায়ার সাইবার আর্মি’-এ তিনটি হ্যাকার গ্রুপ এই সাইবার-যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
সূত্র: তারেক মোরতাজা

এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার্স মিডিয়া রিশেসন সূত্র পরিচয়ে একটি ইমেইল বার্তা পাঠিয়েছেন। পাঠকদের জানার জন্য এ বার্তাটি উপস্থাপন করা হলো।

প্রিয় বাংলাদেশি, আমরা বাংলাদেশের সাইবার যোদ্ধা, সীমান্ত হত্যা বন্ধে আমরা ভারতীয়দের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত সীমান্ত হত্যা পুরোপুরি বন্ধ না হবে ততদিন থামবে না আমাদের এ সাইবার যুদ্ধ। আমরা কেবল ভারতের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিতেই নয়, তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদও করতে পারি।

এটি অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ, আমাদের গ্রুপে বা ফ্যানপেজে যখনই আমরা কোন আপডেট প্রকাশ করছি, তাৎক্ষণাৎ পাওয়া যাচ্ছে হাজারও মানুষের সমর্থণ, তাঁরা মন্তব্য করে এবং শেয়ার করে আমাদের বার্তা সর্বত্র পৌছে দিচ্ছে। আমরা এত বিপুল পরিমাণ সাড়া পেয়ে অভিভূত।

এটি এখন আর কেবল বাংলাদেশি হ্যাকারদের সংগ্রাম বা যুদ্ধ নয়, এটি এখন সারাদেশের মানুষের যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরাও ব্যাপকভাবে আমাদের এ প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছেন। সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে আমরা বলতে চাই, আপনাদের সবার সমর্থনের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

তবে দু:খজনক হলেও সত্য, কিছু ব্লগার এবং সামাজিক যোগাযোগ ব্যবহারকারী সাইবার যোদ্ধাদের কটুকথা বলছেন। যারা আমাদের সাইবার যুদ্ধের মধ্যে শিবির-ছাগু কানেকশন খুজে বের করার চেষ্টা করছেন তাদের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে অপরিস্কার নয়। আমাদের এ প্রতিবাদের মোড় অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা করছেন অনেকে, এখান থেকে কেউ কেউ ফায়দা লুটতে চাচ্ছেন।

আমরা খুব পরিস্কারভাবে বলতে চাই, আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা। আর কোন উদ্দেশ্য নেই। অনেকে অপ্রয়োজনীয় কথা বলছেন, আশা করছি এ মিথ্যাচার তাঁরা বন্ধ করবেন। প্লিজ, এতগুলো মানুষের একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে নিয়ে অপপ্রচার করবেন না।

আমাদের আক্রমণ চলছেই। ধীরে ধীরে আক্রমণ আরও বাড়ছে। এরই মধ্যে ভারতের ২০ হাজারেরও বেশি ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে। হ্যাকিংয়ের এ পরিমাণ আরও বাড়ছে প্রতিমুহুর্তেই। শত শত নতুন নতুন হ্যাকার আমাদের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন, সাধারণ অনেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীও আমাদের সহায়তা করছে।

আন্তর্জাতিক একাধিক হ্যাকার গ্রুপ আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। সর্বশেষ আমাদের পক্ষ হয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের ভারতীয় ওয়েব স্টোর হ্যাক করেছে চীনা হ্যাকাররা।

আমরা দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তাদের উদ্দেশ্যে আমাদের একটাই চাওয়া, আপনারা জেগে উঠুন। বিএসএফ এর নৃশংসতার বিরুদ্ধে কথা বলুন। আমরা আজ রাত্রে একটি ভিডিও মেসেজ অবমুক্ত করবো। সেখানে সাধারণ নাগরিকদের করণীয় সম্পর্কিত সব তথ্য থাকবে। পরবর্তী নির্দেশনার জন্য অন্তত সে পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

আমরা বলতে চাই, যতক্ষণ সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হবে, ততক্ষণ আমাদের এ যুদ্ধ থামবে না। শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্তও না। আমাদের একজন সদস্যের একটি কথা সবাইকে শোনাতে চাই (I don’t care even if death comes... I`ll keep fighting for my motherland until we get victory...!!!) এটি কেবল একজনের কথা নয়, পুরো সাইবার যোদ্ধা দলেরই মনের কথা। বিপ্লব কখনো বৃথা যায় না।

এ বার্তা প্রকাশে বাংলানিউজ কোনো দায়দায়িত্ব বহন করবে না। এটি সম্পূর্ণ ‘বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার্স’ মিডিয়া সূত্র পাওয়া একটি বার্তা মাত্র।

বাংলাদেশ সময় ২০৫৮ ঘণ্টা, ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১১
সূত্র: বাংলা নিউজ ২৪

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

sl

আমি  আগে  প্রায়ই  ভাবতাম  হ্যাকাররা  কেন  তাদের  বুদ্ধি  ও  দক্ষতাকে  ভাল

কাজে  লাগায়  না ?   আমার  এখন   খুবই ভাল লাগছে  এটা দেখে  যে  আমরা  সাধারণ  মানুষ  ও   রাষ্ট্রপক্ষ  যেখানে   জোরালো  প্রতিবাদ করতে  ব্যর্থ , সেখানে হ্যাকাররা  দারুণভাবে  এগিয়ে এসেছেন ।  আমি  তাদের আরো  সাফল্য কামনা করি ।

 

 

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)