হত্যা মামলায় অনৈতিকতার জন্য হাইকোর্ট পিপির দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত ব্যক্তি যেদেশে আইন প্রতিমন্ত্রী.....

প্রশ্ন শুনেই তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলেন আইন প্রতিমন্ত্রী

দেশের ঘাড়ে যে কোন ভুত চেপেছে দেশবাসী বোধ হয় এখনো ঠাহর করতে পারেনি। কারণ হত্যা মামলায় অনৈতিক কাজের জন্য হাইকোর্ট পিপির দায়িত্ব থেকে যাকে বরখাস্ত করা হয়, তিনিই দেশবাসীর বর্তমান আইন প্রতিমন্ত্রী।

গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত কমিটির সভাশেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়ার সময় সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনেই তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। ডিবি পুলিশের সোর্স জালাল হত্যা মামলায় অনৈতিক কাজের জন্য হাইকোর্ট পিপির দায়িত্ব থেকে আপনাকে সরিয়ে দিয়েছিলো, এখন রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারে আপনার পক্ষে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন যুক্তিযুক্ত কিনা প্রশ্ন শুনেই আইন প্রতিমন্ত্রী তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন। চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে পড়ে ক্ষুব্ধকণ্ঠে তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানের পত্রিকা আমার দেশ কি লিখল না লিখল তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এ ব্যাপারে ওই পত্রিকার সাংবাদিককে জিজ্ঞাসা করুন। আমি এখন ওটা নিয়ে বসিনি। আজ রাজনৈতিক মামলার বাইরে কিছু বলব না। আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল চিত্কার করে এসব কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘১০ বছর আগের ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো কি নিউজ করল তা নিয়েও আমি ভাবি না’ বলেই সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

গতকালের ১৭তম সভায় রাজনৈতিক হয়রানিমূলক বিবেচনায় আরও ৫১৬টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এবারও মামলা প্রত্যাহারের তালিকায় প্রধান বিরোধী দলের কারও নাম নেই। সভাশেষে আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম জানান, দণ্ডবিধি ও অন্যান্য আইনের ৯৫৪টি মামলা ও দুদকের ১৯টি মামলাসহ মোট ৯৭৩টি মামলা সভায় উত্থাপিত হয়েছে। ৯৫৪টি মামলার মধ্যে সভায় ৫০৬টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়। ১১৫টি মামলার ব্যাপারে কোনো সুপারিশ করা হয়নি। পরবর্তী সভায় উত্থাপনের জন্য রাখা হয়েছে ৩৩৩টি মামলা। সভায় দুদকের ১৯টি মামলার মধ্যে ১০টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। ৬টি মামলার ব্যাপারে কোনো সুপারিশ করা হয়নি। তবে আগামী সভায় উত্থাপনের জন্য রাখা হয়েছে ৩টি মামলা।
গতকালের সভায় যাদের মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার এমপি আলহাজ হাবিবুর রহমান মোল্লার একটি, সাবেক এমপি এইচবিএম ইকবালের একটি, সাবেক এমপি হাজী সেলিমের তিনটি, আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ খোকনের একটি, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও এমপি এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের একটি এবং প্রশিকার কাজী ফারুকের তিনটি।
আইন প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এ পর্যন্ত কমিটির কাছে ৯ হাজার ২৭৪টি মামলা উত্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪ হাজার ৪২৯টি মামলা প্রত্যাহরের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটির কাছে উত্থাপিত দুদক আইনে দায়ের করা ৪২৫টি মামলার মধ্যে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে ২৫৮টি। দুদক আইনসহ সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৬৮৭টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে আইন প্রতিমন্ত্রী জানান।

সূত্র: আমারদেশ। 

আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (3টি রেটিং)

আইন প্রতিমন্ত্রী তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন। চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে পড়ে ক্ষুব্ধকণ্ঠে তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানের পত্রিকা আমার দেশ কি লিখল না লিখল তাতে আমার কিছু আসে যায় না। এ ব্যাপারে ওই পত্রিকার সাংবাদিককে জিজ্ঞাসা করুন। আমি এখন ওটা নিয়ে বসিনি। আজ রাজনৈতিক মামলার বাইরে কিছু বলব না। আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল চিত্কার করে এসব কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘১০ বছর আগের ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো কি নিউজ করল তা নিয়েও আমি ভাবি না’ বলেই সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান তিনি।

Wink

আওয়ামী মন্ত্রীসভার বেশীরভাগ সদস্যই কোন না কোন ক্ষেত্রে তার মতোই যোগ্য!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.3 (3টি রেটিং)