(কপি-পেস্ট তবে ভাল্লাগছে)ধৈর্যের স্রোত আর কতদিন আছড়ে পড়বে কারাপ্রাচীর -রাফীকবিনসাঈদী

আমার প্রিয়তম ব্যক্তিত্ব, পরম শ্রদ্ধেয় আব্বাকে ছাড়াই আমাদের পরিবার থেকে মহাকালের স্রোত দুইটি ঈদ ও কয়েকটি স্মরণীয় দিনের আনন্দঘন সৌন্দর্য বিষাদ সাগরে ডুবিয়ে অতীতের গর্ভে বিলীন হয়েছে। কালের বিবরে হারিয়ে যাওয়া ওই দিনগুলো আর কখনোই আমাদের পরিবারে ফিরে আসবে না। সামনে আবার ঈদুল ফিতর! বিশ্বের সব মুসলিমের ঘরে ঘরে আনন্দের প্লাবন প্রবাহিত হবে। আকাশে বাতাসে গুঞ্জরিত হবে আনন্দের বার্তা।

কিন্তু আমাদের পরিবারে? আমার আব্বা বিনা অপরাধে কারাবন্দি। পারিবারিক গণ্ডীতে তিনি নেই। দৃষ্টির সম্মুখে পরিদৃশ্যমান সমগ্র পৃথিবীটাই আমাদের কাছে শূন্য হয়ে গিয়েছে, অভিভাবকহীন আমাদের বাড়িটা এখন যেন মৃতপুরী। আমাদের পরিবারের সদস্যদের এই বোবা কান্না শোনার মতো কান কি এ জাতির কারও নেই! বলতে পারেন আমাদের ঈদ কোথায়? ঈদভিত্তিক আমাদের সবকিছুই তো পাষাণ পাথরে ঘেরা কারাপ্রাচীরের অন্তরালে বন্দি।

আমাদের পরিবারে গত দুটি ঈদের মতোই এবারের ঈদও আনন্দের কোনো চিহ্ন এঁকে দিতে পারেনি। ঈদ আনন্দের চিহ্ন যিনি পরিবারের সব সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের চেহারায় গভীর মমতায় এঁকে দেন, তিনি এখন পারিবারিক পরিমণ্ডলে নেই। নেই জনতার গণ্ডীতেও। মিথ্যা, কল্পিত অভিযোগ ও অপবাদের বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি কারাগারের চার দেয়ালে বন্দি। আমাদের ছেলেরা মাহ্দী, মুনাওয়ার, রুম্মান, মাহীর ও নাযিল গত দুটি ঈদের মতোই এবারও ঈদগাহে গিয়ে আনন্দের পরিবর্তে তাদের অতি প্রিয় ‘দাদাজী’র শূন্যতায় বেদনার অশ্রু ঝরাবে।

মহান আল্লাহর দরবারে অশ্রুসিক্ত ফরিয়াদ জানিয়ে চোখ মুছতে মুছতে আমরা বাসায় ফিরে দেখব আমাদের মেয়ে তামান্না, নাবীলা আর মাহরীনের অশ্রুভেজা চোখ। আমাদের স্ত্রীদের দেখব আমাদের গর্ভধারিণী মমতাময়ী মা’কে ঘিরে উদাস দৃষ্টি মেলে বসে রয়েছে। আর আমার দাদী! তাঁর সকরুণ আর্তনাদ—মর্মভেদী যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস মহান মালিক আল্লাহর আরশ স্পর্শ করছে।

জাতির বিবেকের কাছে আমার আবেদন, কান পেতে একটু শুনবেন কি, আমাদের পরিবারবর্গের করুণ আর্তনাদ! একটু উঁকি দিয়ে দেখবেন কি, আমার বৃদ্ধা চলত্শক্তিহীন দাদী মৃত্যুশয্যা থেকে কীভাবে বার বার দরজাপথে একবুক আশা নিয়ে করুণ দৃষ্টি মেলে দিচ্ছে, একটিবার তাঁর পরম স্নেহের জ্যেষ্ঠ সন্তান তাঁকে দেখার জন্য গভীর মমতায় ‘মা’ বলে ডেকে এগিয়ে আসছে কিনা!

দেশের ষোল কোটি জনতার মধ্যে কান পেতে শোনার এমন কি কেউ নেই, আমার প্রায় অচেতন দাদীর শুষ্ক ঠোঁটদুটি অস্ফুটে কার নাম ধরে ডাকছে! শুনতে পাচ্ছেন কি? ওই শুনুন তিনি অস্ফুটে করুণ কণ্ঠে মিনতি করছেন, মৃত্যুর পূর্বে আমার কলিজার টুকরা ‘দেলাওয়ার’-এর ওই চাঁদমুখটা মাত্র একটিবার তোমরা আমাকে দেখাবে কি?

মিথ্যা ও কল্পিত অভিযোগে আব্বাকে গ্রেফতার করার পর থেকে আমার দাদী একটু একটু করে না ফেরার দেশে এগিয়ে যাচ্ছেন। গভীর অচেতনতার মাঝে ক্ষণিকের জন্য সচেতন হওয়ামাত্র আমার আব্বার নাম ধরে তাঁকে শেষবারের মতো দেখার মিনতি করছেন। কিন্তু কীভাবে আমরা দাদীর জীবনের শেষ আশা পূরণ করব? ২০১০ সালের ২৯ জুন, দিনের তৃতীয় প্রহরে আমাদের পরিবারের সব সদস্যের মুখাবয়বজুড়ে বিষাদের যে কালোছায়া অবগুণ্ঠন টেনে দিয়েছে, তা কবে কখন অপসারিত হয়ে আনন্দের নবারুণ কিরণচ্ছটা বিকিরণ করবে আমরা কেউই জানি না। একবুক যন্ত্রণা আর মর্মান্তিক হাহাকার নিয়েই হয়তো আমার দাদী এমন এক জগতের দিকে যাত্রা করবেন, যেখান থেকে কখনোই কেউই ফিরে আসে না।

এবারের রামাদানের প্রথম সপ্তাহে আল্লাহতা’য়ালা আমাকে ওমরাহ পালনার্থে তাঁর ঘর পবিত্র কা’বা শরীফে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। পবিত্র মক্কা নগরীতে অবস্থানকালে যতবার কা’বা শরীফে গিয়েছি, ততবারই এক করুণ দৃশ্য আমার চোখের অশ্রুধারা বাড়িয়ে দিয়েছে। ওমরাহ্ পালন করতে আসা বাংলাদেশী ও প্রবাসীরা কা’বাঘর পরিবেষ্টন করে আছেন। কা’বাঘরের গেলাফ ধরে আব্বার নাম উচ্চারণ করে তাঁর নিরাপত্তা ও মুক্তি কামনায় কান্নাভেজা কণ্ঠে মহান আল্লাহর কাছে আবেদন করছেন। আবার একই দৃশ্য দেখেছি মদীনা মুনাওয়ারায় নবী করীমের (সা.) রওজা মুবারকের পাশে ‘রিয়াদুল জান্নাতে’ অসংখ্য মানুষ দু’হাত মহান মালিকের দরবারে তুলে ধরে আমার আব্বার কল্যাণ ও মুক্তি কামনায় করুণভাবে কাঁদছে।

আমার আব্বার জন্য কোরআন প্রেমিক অগণিত জনতার কেন এই নীরব কান্না? কেনইবা আমাদের পরিবারে আনন্দের সামান্যতম রেশ নেই? কেন আমার আব্বার মতো আল-কোরআনের বিশ্বনন্দিত মুফাসসীরকে গ্রেফতার করে এক বছর দুই মাস ধরে তাঁর সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে? গত রামাদানেও আব্বা আদালতে আবেদন করেছিলেন, অন্তত পবিত্র রামাদান মাসে যেন কারাগারে নির্বিঘ্নে কোরআন তিলাওয়াত ও নামাজ আদায় করতে দেয়া হয়। কিন্তু সব আবেদন নিবেদন উপেক্ষা করে আব্বাকে পবিত্র লাইলাতুল কস্ফদরেও রিমান্ডে রাখা হয়েছে। আব্বা প্রায় ২৪ বছর ধরে প্রতি রামাদানে বাইতুল্লাহ শরীফে ই’তিকাফ করেছেন। এ বছর রামাদান মাসে আমার আব্বা কারাগার মসজিদে শেষ দশদিন ই’তিকাফ করার জন্য অনুমতি চেয়েছিলেন; কিন্তু সেই সুযোগ না দিয়ে রোজা অবস্থায় তাকে আদালতে বার বার আনা-নেয়া করা হচ্ছে। কিন্তু কেন, কোন অপরাধে আমার শ্রদ্ধেয় আব্বার সঙ্গে এমন অমানবিক নিষ্ঠুর আচরণ? কী অপরাধ করেছেন আমার আব্বা? যুদ্ধাপরাধ? মানবতাবিরোধী অপরাধ? এখন তো সবার কাছেই স্পষ্ট, এসব বাহানা মাত্র। আমার আব্বার আসল অপরাধ হলো তিনি মানুষকে কোরআনের পথে কেন ডাকেন।

তর্কের খাতিরে ক্ষণিকের জন্য যদি মেনেও নেই যে, আমার আব্বা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলেন। তাহলে অনেক অনেক প্রসঙ্গ আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ১৯৭১ সালে বিজয় দিবসের একদিন আগে অর্থাত্ ১৫ ডিসেম্বর পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিনীর হাত থেকে পিরোজপুর মুক্ত করেন। পিরোজপুর জেলার কোন কোন ব্যক্তি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল, কারা রাজাকার, আল বদর ও শান্তি কমিটির লোক ছিল এবং পাকবাহিনীর সহযোগী হয়ে কে কোন অপরাধ করেছিল তা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা জানতেন। স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থাও করেছিলেন। পিরোজপুরের অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধাই বর্তমানে জীবিত আছেন। আমার প্রশ্ন, সে সময় কীভাবে আমার আব্বা মুক্তিযোদ্ধাদের সতর্ক দৃষ্টির আড়ালে রয়ে গেলেন?

বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনে আব্বাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে পিরোজপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের এক বিরাট অংশ দিনরাত নিঃস্বার্থ পরিশ্রম করেছেন এবং এর সাক্ষী পিরোজপুরের জনগণ। নির্বাচনী জনসভাগুলোয় পিরোজপুরের নেতৃস্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা মঞ্চে উপস্থিত থেকে আব্বার পক্ষে বক্তৃতা দিয়ে জনগণের কাছে ভোট চেয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধকালে আব্বার ভূমিকা সম্পর্কে না জেনেই কি বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাঁর সমর্থনে এগিয়ে এসেছিলেন? তাহলে আধুনিক পিরোজপুর গড়ার কাজে আব্বাকে যেসব মুক্তিযোদ্ধা সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছেন, তারাও কি স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী? এসব প্রশ্নের জবাব কি কেউ দেবেন?

ঢাকা থেকে যে তদন্ত সংস্থা পিরোজপুরে গিয়ে তদন্ত(!) করে আমার আব্বার নানা অপরাধ আবিষ্কার করলেন, তাদের কাছে বিনয়ের সঙ্গে কিছু প্রশ্ন রাখছি—

এক. স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার সারাদেশের যুদ্ধাপরাধের তদন্ত করেছিল এবং তদন্তের আওতায় ছিল পাকবাহিনী এবং তাদের সহযোগী বাহিনীগুলো। তদন্তের মাধ্যমে ১৯৫ জন পাক সামরিক অফিসারকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৩ সালের ১৭ এপ্রিল সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তাদের বিচারের কথা জানানো হয়। কিন্তু বর্তমান তদন্ত দলের তদন্তে আমার আব্বাকে প্রকারান্তরে দেশের শ্রেষ্ঠতম যুদ্ধাপরাধী বলা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম তদন্ত দলের অনুসন্ধানী তালিকায় আমার আব্বা আল্লামা সাঈদীর নাম নেই কেন?

দুই. পাকবাহিনীর সহযোগীদের অপরাধমূলক কাজের শাস্তি বিধানের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি দালাল আইন জারি করা হয় এবং এ আইনের মাধ্যমে প্রায় ১ লাখ লোককে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে ৩৭,৪৭১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং ২,৮৪৮ জনকে বিচারের আওতায় আনা হয়। ৭৫২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয় এবং ২,০৯৬ জন বেকসুর খালাস পায়। এসবের কোনো একটি তালিকাতেও আমার আব্বার নাম নেই কেন?

তিন. আমার আব্বা যদি মুক্তিযুদ্ধকালে পিরোজপুরে কোনো রকম যুদ্ধাপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকতেন, তাহলে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পরে অর্থাত্ বিজয় দিবসের মাত্র ২ মাস ৭ দিন পরে পিরোজপুর শহরে তাফসির মাহফিলের আয়োজন করে এলাকার লোকজন কীভাবে আব্বাকে প্রধান অতিথি হিসেবে বরণ করেছিল? স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের উপস্থিতিতে কীভাবে লোকজন আব্বার কথিত অত্যাচারের কথা ভুলে গিয়ে তাঁর মুখ থেকে পবিত্র কোরআন হাদিসের বাণী শুনেছিল?

চার. ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আব্বার প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা বিশিষ্ট আইনজীবী ও পার্লামেন্টারিয়ান প্রয়াত বাবু সুধাংশু শেখর হাওলাদার। তিনি তার নির্বাচনী জনসভার একটিতেও কেন আব্বাকে স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী, খুনি, রাজাকার বলে অভিযুক্ত করেননি বরং আমি স্বচক্ষে দেখেছি তিনি আব্বাকে দেখামাত্র শ্রদ্ধাভরে গভীরভাবে আলিঙ্গন করতেন।

উল্লিখিত এমন ধরনের অগণিত প্রশ্ন শুধু আমার নয়, দেশ-বিদেশে অবস্থানরত অগণিত বাংলাদেশীর। কিন্তু কে দেবে এসব প্রশ্নের জবাব? এসব প্রশ্ন তোলারও কোনো সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। বরং প্রতিবাদী সবাইকে রাখা হয়েছে গ্রেফতার আতঙ্কে। আমি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে এসব প্রশ্ন উত্থাপন করলাম। হয়তো এ অপরাধে(!) কোনো না কোনো অজুহাতে আমাকে গ্রেফতার করে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি করা হতে পারে জেনেও আমার আব্বার সর্বোপরি পবিত্র কোরআনের একনিষ্ঠ ও নির্ভীক একজন মুফাস্সীরের পক্ষে আল্লাহর কাছে বিনিময়ের আশায় আমি এসব প্রশ্ন উত্থাপন করলাম।

পরিশেষে ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্টিং মিডিয়ার উদ্দেশে বিনয়ের সঙ্গে আবেদন করছি, দয়া করে প্রকৃত সত্য না জেনে বা মিথ্যাচারে প্রভাবিত হয়ে আমার আব্বার বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রকাশ করবেন না। সাংবাদিক হিসেবে প্রকৃত সত্য জানা এবং তা বিশ্ববাসীর সম্মুখে তুলে ধরা আপনাদের পবিত্র দায়িত্ব—এ অনুভূতি আপনাদের জীবন্ত রয়েছে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। ‘সত্য ব্যতীত মিথ্যা প্রকাশ করব না’ এ শপথ নিয়ে যারা সংবাদ জগতে প্রবেশ করেছেন, তাদের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, আমার আব্বা সম্পর্কে প্রকৃত সত্য তুলে ধরুন।

যুদ্ধাপরাধ নয়, জনপ্রিয়তাই আমার আব্বার মূল অপরাধ। সচেতন বিবেকবান মানুষের পক্ষ থেকে আমি সংশ্লিষ্ট সবার কাছে বিনয়ের সঙ্গে আবেদন করছি, আর হয়রানি ও বিচারের নামে প্রহসন না করে অনতিবিলম্বে আমার আব্বা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মুক্তি দিয়ে আমাদের পরিবারসহ কোরআনপ্রেমিক অগণন মানুষের হারানো আনন্দ ফিরিয়ে দিন। আল্লাহতা’য়ালা সবাইকে সত্য অনুধাবন ও তা অনুসরণের তওফিক দান করুন।

সূত্র: http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/08/29/102333

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মাঝে মাঝে ভাবি, এ মানুষটিকে বিগত ক'বছর যেভাবে আল্লাহর দ্বীনের কথা মানুষকে শোনানো থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করেছে এ সরকার, যদি তা না হতো, তবে আরো কিছু অমূল্য রত্ন পেত বাংলাদেশের মুসলমানগণ। তাই মনে হয়, এদেশের মুসলমানগণেরই কপাল পুড়ছে।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

বাংলার ইসলামী দিগন্তে সাঈদীর মত ব্যক্তিত্বের অবদান অসামান্য।

এদেশের মুসলমানগণ বড় বেশী স্বার্থপর।

-

সূর আসে না তবু বাজে চিরন্তন এ বাঁশী!

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)