সৌর অধিপতি (২য় পর্ব)।

সূর্যের আর একটি বিষয় হলো সৌর কলঙ্ক।এই গুলো সূর্যেরপৃেষ্টর একধরনের কালো দাগ,যার চারিদিক ঘিরে আছে উজ্জল গ্যাসীয় মেঘ এই মেঘ চাঁদের চেয়েও বেশী উজ্জল।এ সৌর কলঙ্ক গুলো সূর্যের নিরক্ষ রেখা থেকে 35ডিগ্রী উওর এবং 35 ডিগ্রী দক্ষিন অক্ষাশং বরাবর সৃষ্টি হয়। 

এই দাগ গুলোকে কালো দেখা যায়,কারন এখানকার তাপমাত্রা সুর্যের অন্য স্থানের তাপমাত্রার চাইতে অনেক কম।এখানকার তাপমাত্রা 2,700–4,200 ° ডিগ্রীর মত।সব চেয়ে ছোট সৌর কলঙ্ক গুলোর ব্যাস প্রায় 16 কিমিঃ (10 মাইল)। আর বড় গুলোড় ব্যাস প্রায় 160,000 কিমিঃ (100,00মাইল).।এই ধরনের বড় আকারের সৌর কলঙ্ক দূরবীন ছাড়াই খালি চোখে পৃথিবী থেকে দেখা যাবে।

সৌর কলঙ্ক গুলো সূর্যের শরিরের উপর ঘুরে বেড়ায়,প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 100 মিটারের মতো। এই সৌর কলঙ্ক গুলোর সৃষ্টির গড়ে 11বছরের একটি চক্র রয়েছে।তবে এই চক্র 9 বছর থেকে 17 বছর হয়ে থাকে।চক্রের প্রথম দিকের সময় 35 ডিগ্রী অক্ষাংশে কম সংখ্যক সৌর কলঙ্ক দেখা যায়। সময়ের সাথে সাথে এগুলো বিষুব রেখার দিকে অগ্রসর হয়,সেই সাথে এর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। 

10 ডিগ্রী উওর ও 10 ডিগ্রী দক্ষিন অক্ষাংশে আসলে পুনরায় এর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে।এই সৌর কলঙ্কের সংখ্যা যখন বেশী থাকে সূর্য তখন অশান্ত হয়ে উঠে।এই সৌর কলঙ্কের মুখ গুলো অনেকটা পিচকারির মুখের মত, এর ভিতর থেকে আগুনের শিখা বেরিয়ে আসে।এর সাথে থাকে ক্ষতিকর পারমানবিক কনিকা সমুহ,এই কনিকা গুলো 350.5 km/sec বেগে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।এই কনিকার ঢেউ মাঝে মধ্যে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে।পৃথিবীর চৌম্ভক মেরু এই সব কনিকা গুলোকে আটকে দেয়।এই সৌর ঝড় যখন খুব ভয়াবহ অবস্থায় পৌছায় তখন পৃথিবী ব্যাপি যোগাযোগে বিপর্যয় ঘটে,স্যা্টেলাইট, উপগ্রহ,রেডিও, বিদুৎ সব কিছু সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।এই সৌর কলঙ্কের চক্রের সাথে সূর্যের চৌম্ভক মেরু পরিবর্তনের একটি সর্ম্পক রয়েছে।

চলবে...................

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None