অনুপ্রেরনা দুই - নানা রঙের আলো

স্কুলে ভর্তির আগ পর্যন্ত গড়নটা মা বাবা ঠিক যেভাবে চায় সেভাবে হলেও, স্কুলে ভর্তির সাথে সাথে পৃথিবীটা আস্তে আস্তে বড় হয়। 

আমি আমার জীবনে মোট তিন জন হুজুরের কাছে পড়েছি। প্রথম জনকে ভাইয়া ডাকতাম। তখনও স্কুলে ভর্তি হই নি। ভাইয়া খুব আদর করতেন, চিপস টিপস দিয়ে ঘুষ দেয়ার চেষ্টা করতেন। কিন্তু উনি পড়া দিতেন বলে পছন্দ করতাম না। ভাইয়া আসলেই নানা অজুহাত শুরু হয়ে যেত। মনে হয় শুধু আরবি হরফগুলো শিখেছিলাম ভাইয়ার কাছে।

দ্বিতীয় জনও ভাইয়া ছিলেন। কিন্তু এই ভাইয়া রেগে গেলেই বিচ্ছিরি একটা কথা বলতেন। 'এক থাপ্পড়ে…... বের করে ফেলব।' 
আমরা আসলেই সেরকম কথা আগে কখনও শুনি নি। ছোটবেলা মা আমাদের সামনে এত সাবধানে কথা বলত, যে টয়লেটের অনেক প্রচলিত প্রতিশব্দ অনেক বড় হওয়ার পর শিখেছি। আমি আজ পর্যন্ত 'বেয়াদব' আর 'ফাজিল' এর চেয়ে বেশি বাজে গালি দিতে পারি না। ভাইয়ার কথা শুনে একটু হাসি পেতে চাইতো, কিন্তু ভাইয়ার চেহারা এমন বদলে যেত রেগে গেলে, যে আমাদের মুখ শুকিয়ে যেত। মা বাবাকে প্রথম দিকে বলি নি আমি আর ভাইয়া, কেন যেন, হয়তো মনে হতো, বড়রা তো বকা দিবেই। আর বড়রা বকা দিলে সব সময় ছোটদের দোষের জন্যই দেয়। যেদিন বলেছি, সেদিন আসলে বলতে চাই নি। খাওয়ার টেবিলে বসে হুট করে বের হয়ে গেল মুখ দিয়ে। বলে ফেলেও আমরা ভয় পেয়ে গেলাম। মা বাবার মুখ গম্ভীর হয়ে গেল। কিন্তু কি আশ্চর্য, বকা খেলাম না। শুধু ওরা মুখ চাওয়া চাওয়ি করল। তারপর জিজ্ঞাসা করলো আগে বলি নি কেন। সেদিনের পর আর সেই ভাইজানের চেহারা দেখি নি! 

তৃতীয় জন একেবার পুরা দস্তুর পাঞ্জাবী, টাখনুর উপর পায়জামা, পান খাওয়া হুজুর ছিলেন। তখন নয় বছর হবে বয়স। আমার শেখা কুরআনের আয়াতের বেশির ভাগই এই হুজুরের কাছ থেকে শেখা। উনি তাজবীদও (কুরআনের আরবি শুদ্ধ করে পড়ার নিয়ম, এটা প্রচলিত আরবির থেকে ভিন্ন) শেখাতেন। আমার অবশ্য ওনার থেকে শেখা তাজবীদের কিচ্ছু মনে নেই। ভাইয়ার ভালো মনে আছে। সে জন্যই আমার বর্তমান তাজবীদ আর ভাইয়ার তাজবীদের আকাশ পাতাল পার্থক্য! হুজুর পড়ানো শেষ করে নিয়ম করে গল্প বলতেন। ইউ্সুফ নবীর গল্প, সুলায়মান (আ) এর গল্প। বলতে নেই, কিন্তু আমার গল্পগুলোই বেশি ভাল্লাগতো Sad

আমার বয়স আট/নয় বছর হওয়ার আগে আমাদের বাসায় টিভি আসে নি। তারপরেও যখন টিভি আসল, তখনও মামনি টিভি নিয়ে কত নিয়ম বেঁধে দিলেন। বাসায় ছোটরা নাটক দেখবে না, দেখবে মুভ্যি অব দ্যা উইক, কার্টুন,  খবর আর হানিফ সংকেতের ইত্যাদি। আর সিনবাদ, রবিনহুড, টিপু সুলতান, আকবর দ্যা গ্রেইট, রোবোকপ, এসব ডাবিং করা বিদেশী সিরিজ। কিন্তু দেশী নাটক না, হিন্দী মুভ্যি না। বাসায় বোধ হয় কয়েক মাসের জন্য ডিশ এসেছিল মাঝে, তাও সেটা ডিশওয়ালা মোটামোটি জোর করেই ধরিয়ে দিয়েছিল। ডিশ আসলেই কি, টিভির উপর নিষেধাজ্ঞা কমলো না মোটেই। মা যতক্ষন বাসায় থাকতো না, টিভিতে ততক্ষন তালা থাকত। যা দেখার সেটা মায়ের সাথে বসে দেখতে হবে। বেশ তো! 

এভাবেই ডিশ যুগের মেয়ে হয়েও আমার হিন্দীটা শেখা হলো না একদম। 

ছোটবেলা থেকেই টিভির জগতটা বন্ধ থাকায় একটা লাভ হয়েছে। বইয়ের জগতে আমি পুরাপুরি ডুবে গিয়েছিলাম। পড়া শুরু হয় রাশিয়ান ছবি বইগুলো পড়তে পড়তে। সাথে ছিল নূহ আর ইবরাহীম (আ) এর জীবন নিয়ে ছবি বই। আস্তে আস্তে চাচা চৌধুরী, পিঙ্কী, রামন, টিনটিন। তিন গোয়েন্দা পড়ার বয়সে অবশ্য মামনি সেটা পড়তে দেয় নি। সেবা প্রকাশনীর বই বাসায় আনা নিষেধ ছিল। বড় হয়ে বুঝেছি, সেবা প্রকাশনীর মাসুদ রানা পড়েই মায়ের বদ্ধমূল ধারণা হয়েছে সেবা প্রকাশনী বলতেই খারাপ। আর কি, তিন গোয়েন্দা আর মাসুদ রানা উপর নিষেধাজ্ঞা কাটার আগেই বয়স পার হয়ে গেল। 

ক্লাস টু থেকে সাইমুম আর ফোর থেকে নসীম হিজাযী পড়েছি। ক্লাস ফোরে শেষ প্রান্তর পড়ে সে কি ভালো লেগেছে! জাফর ইকবাল পড়েছি। রূপকথা পড়েছি অল্প। মা রূপকথা পছন্দ করত না। ছোটদের ভারতীয় গল্প পড়েছি। জাফর ইকবালের প্রেত পড়েছিলাম ক্লাস ফাইভে। সেটাই আমার প্রথম পড়া 'বড়দের গল্প'। ক্লাস সেভেনে হুমায়ূন আহমেদ, ক্লাস এইটে দূরবীন দিয়ে শীর্ষেন্দু, তারপর সমরেশ, সুনীল, বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র, পড়তেই থাকলাম, পড়তেই থাকলাম। ক্লাস নাইনে দেশ ছাড়ার আগেই আমি যত পড়েছি, সারা ক্লাসে খুঁজেও দ্বিতীয় প্রতিদ্বন্ধী খুঁজে পেতাম না! সে কি নেশা! সুনীলের প্রায় আড়াই হাজার পৃষ্ঠার পূর্ব পশ্চিম পড়েছি দুই সপ্তাহে, তাও ক্লাস নাইনে ফাইনাল পরীক্ষার আগে, স্কুল খোলা অবস্থায়। ক্লাস এইটে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তির পুরাটাই খরচ করলাম নীলক্ষেত থেকে এনে লাইব্রেরীর আকার বর্ধনে। রেজাল্টে নেতিবাচক প্রভাব পড়ত না বলে বাবা মাও কিছু বলত না। 

তসলিমার বই পড়া শুরু করেছি ক্লাস নাইনে। 'নির্বাচিত কলাম'। সাধারন মুসলিম পরিবারগুলোতে তসলিমার বইয়ের ব্যাপারে স্টিগমা ছিল। কিন্তু ক্লাসের একটা মেয়ের বেশ বুদ্ধিমতী মেয়ে তসলিমার বই পড়তো, আর আমার সাথে কথার সময় এমন একটা ভাব পেয়েছিলাম যে আমি শুধু ফালতু বই পড়ি, তসলিমার বই জীবন থেকে নেওয়া, ওগুলো পড়লে আসল পড়া হবে। আমি পড়লাম। অসংখ্য খটকা লেগেছিল বইটা পড়ে মনে আছে। কোন জায়গায় একদম মনে নেই, কিন্তু মেয়েটার সাথে তর্ক করছিলাম বই পড়ে সেটা মনে আছে। মেয়েটা দোষ দিচ্ছিল ইসলামকে, আমি বলছিলাম, এটা ইসলাম না, ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা! 

সেই সময়ে ইসলামের প্রতি ভালোবাসা ছিল, কিন্তু জ্ঞানের গভীরতা ছিল না একদম। টুক টাক বই পড়েছিলাম তাত্ত্বিক। কিন্তু অতটুকুই। তবে জ্ঞানের ভিত্তি মনে হয় ঠিক ছিল। ক্লাসে ধর্ম টিচারদের উদ্ভট গল্প শুনে মেজাজ বিগড়ে যেত তখন। ধর্ম টিচার বলতে, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় জ্ঞান ছিল না, গার্হস্থ্য অর্থনীতির টিচার দিয়ে ধর্ম পড়ানো, এই দশা আর কি। 

ক্লাস ফাইভের একটা গল্প: ধর্ম টিচার রিডিং পড়াচ্ছেন কবরের প্রশ্নোত্তর। তোমার রব কে, তোমার ধর্ম কি, তোমার নবী কে? পড়তে পড়তেই আপার সে কি উচ্ছ্বাস! আল্লা, তিনটা মাত্র সহজ প্রশ্ন! এগুলার উত্তর শিখে নাও তাড়াতাড়ি, কবরে উত্তর দিতে পারবা! 

ক্লাস নাইনের গল্প: আপা নিজের পারিবারিক গল্পের ফাঁকে ফাঁকে সময় পেলে ইসলাম পড়াতেন। মাঝে মাঝে আমাদের শালীন ভাবে চলার উপদেশ দিতেন। ছুটির দিনে মেয়েরা কোচিং করতে এসে অশালীন পোশাক পরে, সেগুলা নিয়ে বয়ান দিতেন। তারপর বাকি সময়গুলো উদ্ভট সব গল্পে ভরে ফেলতেন। একটা গল্প মনে আছে, আদম (আ) নাকি গন্দম খাওয়ার পর আল্লাহ বেহেস্ত থেকে বের করে দিয়েছেন কারণ গন্দম খেলে শরীর থেকে পায়ুপথে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস বের হয়! বেহেস্তে তো আর সেরকম থাকা চলে না। 
আমি হতবাক হয়ে টের পেলাম আমার মুখে রক্ত জমছে আর আপা এতটুকু বলতে বলতে খুব কষ্টে হাসি চাপিয়ে রাখছেন, সারা ক্লাস মুখে হাত দিয়ে হাসছে। 
ধর্ম ক্লাসের এই দুইটা ছাড়া অন্য কোন কিছুই মনে নেই, কারণ সত্যিকার অর্থে তখন কিছু বুঝে পড়তাম না। পড়তাম পরীক্ষার খাতায় সব ঢেলে আসার জন্য। ধর্মে হায়েস্ট মার্ক না পেলে র‌্যাঙ্ক খারাপ হয়ে যাবে না? 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)

দু:খিত ফজল ভাই, অনুরোধ রাখতে পারি নি। আমি লিখতে গেলেই কেন যেন শুধু বড় হয়ে যায় Sad

ভালই লাগল।  ছোটবেলার অনেক কিছুই মনে পড়ল।

আমি ছোটবেলায় স্কুলে যাওয়ার আগে বাসার পাশের মসজিদে মক্তবে যেতাম, পরে একজন হুজুরের কাছে পড়েছি। উনার এক চোখ অন্ধ ছিলো। কালো চশমা পরতেন। বাচ্চাদের পড়ানোর খুবই যোগ্য ছিলেন তিনি। হাতের লেখা ছিলো ঝকঝকে, তাঁর মত লিখতে চেষ্টা করতাম.. খুব ভালো গাইতেনও। ব্যবহারও ছিলো সুন্দর, হাসতেন সুন্দর করে।

বাসায় টিভি ছিলো না। এখনকার মত না, আগে টিভির ব্যপারে খুব কড়া রুলিং ছিলো। বিশ্বকাপ ফুটবল, টিপু সুলতান, আলিফ লাইলা  এসব দেখতে পাশের বাসায় যেতাম। বাসা ছিলো একটা লাইব্রেরি, তবে কোন উপন্যাস- গল্প এইসব ছিলো না। পত্রিকা পড়ার চল ছিলো সেই রকমের। দৈনিক পত্রিকা বাদে মাসিক পৃথিবী, পাক্ষিক পালাবদল, মাসিক মদীনা, মাসিক দিলরুবা, ঢাকা ডাইজেস্ট, অঙ্গীকার ডাইজেস্ট, কিশোর কন্ঠ, ছাত্রসংবাদ এইসব নিয়মিত পড়া হত। দৈনিক পত্রিকার দাম ছিলো ৮ টাকা, আব্বাকে বললেও রাখতেন না। তবে অনেক বলাবলির পর সংগ্রাম রাখা শুরু হয়। মনে আছে, প্রথম পত্রিকা বহু সময় নিয়ে পড়েছিলাম প্রায় প্রতিটা খবর খুঁটে খুঁটে।

কেবল স্কুলের পাঠ্যসূচীর একটা দুইটা উপন্যাস ছাড়া লাইফে তেমন কিছু পড়িনি। হুমায়ুন, জাফর ইকবাল, তসলিমা নাসরিন কখনও পড়িনি.. কেবল কয়েকদিন আগে হুমায়ুনের একটা উপন্যাস পড়লাম তাও একজনের ব্যাপক পিড়াপিড়িতে। সাইমুমের বেশ কিছু সংখ্যা পড়েছি, ওখানকার ডায়ালগগুলো খুব এনজয় করতাম। গল্প, উপন্যাস এখনও পড়তে ইচ্ছা হয় না- এব্যাপারে সবসময়ই এই চিন্তা কাজ করে যে, অন্যের বানানো ঘটনা আমি জেনে কি করব?

-

বিনয় জ্ঞানীলোকের অনেকগুলো ভাল স্বভাবের একটি

গল্প, উপন্যাস এখনও পড়তে ইচ্ছা হয় না- এব্যাপারে সবসময়ই এই চিন্তা কাজ করে যে, অন্যের বানানো ঘটনা আমি জেনে কি করব---- ইশ, এইটা যদি এডপ্ট করতে পারতাম, তাহলে আমার জীবন থেকে অন্তত: পাঁচ বছর বেঁচে যেত, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত!!! 

ছোটবেলার কথাগুলো খুব মনে পড়ে। কিন্তু নিজের কথা এভাবে সুন্দর করে  লিখতে পারি না। কী যে করি!

আমার নিজের কাছে কিন্তু আমার লেখাগুলো অগোছালো লাগে! সুতরাং, যেভাবে মনে পড়ে, সেভাবে লিখে ফেলুন। আমরা পাঠকেরা তো আর আপনার গোছানো শৈশব দেখি নি, আমাদের সামনে যেভাবে তুলে ধরেন, সেটাই আমাদের গোছালো লাগবে! 

চলুক। ভালো লাগছে।

মনে পড়ে শৈশব স্মৃতি

মনে পড়লে ভালো, লিখুন!

বই পড়ার ক্ষেত্রে আপনি সর্বভুক শ্রেনীর বোঝা যাচ্ছে।  সমরেশ প্রমুখদের দুই একটা বই পড়ে অত্যাধিক কুটিল এবং প্যাচানো মনে হয়েছে। হুমায়নের বই পড়ে মজা লাগতো কিন্তু অর্থহীন সেটাও বুঝতাম। ভালো লেগেছ জাফর ইকবালের বইও। 

নসীম হিজাজী আমার অসম্ভব প্রিয়। শেষ প্রান্তর পড়েছি ক্লাস টুতে থাকতে। হেজাজের কাফেলা, কিসরা ও কায়সার  তাও প্রায় কাছাকাছি সময়ে। বাংলাদেশী লেখকদের মধ্যে সমভাবে আকর্ষন করেছেন শফীউদ্দীন সরদার।

তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত ছোটদের বইগুলো বিশ্বাসের ভিত্তি স্থাপনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমাদের সৌভাগ্য যে মামদো ভুতের গল্প পড়তে হয়নি।

-

কি দেখো দাড়িয়ে একা !

সমরেশের বই কুটিল আর প্যাঁচানো? :(আমার তো এখন পড়ে মনে হয় অতিরিক্ত আইডিয়ালিস্ট আর সরল! তার চেয়ে সুনীলের লেখা অনেক ম্যাচুয়ার আর শক্তিশালী... কুটিল মনে হয় নি। দারুণ ট্যালেন্টেড মনে হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ছোটদের গল্প আমিও পড়েছি, চার খলিফাকে নিয়ে লেখা শক্ত কাভারের একটা সিরিজ ছিল মনে আছে, তারপর সোনালী দিনের কাহিনী, আমরা সেই সে জাতি, এগুলো অনেক ছোটবেলায় পড়া ছিল। নসীম হিজাযী, সাইমুম, জাফর ইকবাল শুরু করার আগে ওগুলো দিয়েই বই পড়া শিখেছি। 

খুবই ভালো লাগলো। আমার সময় মনে হয় নিয়মগুলো একটু শিথিল হয়ে এসেছে। আমি মার বিছানায় শুয়ে শুয়ে নাটক দেখতাম - চোখ বন্ধ করে। Tongue out

আমার মনে আছে যেদিন থেকে নাটক নিষিদ্ধ হলো, সেদিন আসলে হুমায়ূন আহমেদের একটা নাটকের (কোন নাটক মনে নেই) শেষ পর্ব ছিল। মা সেদিন থেকে নিয়ম করলো যে রাত আটটার মধ্যে ঘুমাতে যেতে হবে। নাটক যেহেতু নয়টায়, তাই আর নাটক দেখা দেখি নেই। আমরা দেখলাম তুমি ঘর অন্ধকার হতেই যথারীতি বালিশ আর কাঁথা নিয়ে মামনির রুমে রওনা দিলা। ওঘর থেকে নাটকের শব্দ আসছে। আমি হিংসায় জ্বলে পুড়ে যাচ্ছিলাম! Cry

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (4টি রেটিং)