সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

গুরুত্বপূর্ণ আয়াত

আল্লাহ বলেন: "যদি আল্লাহ চাইতেন তাহলে এ রাসুলদের পর যারা উজ্জ্বল নিশানীসমুহ দেখেছিল তারা কখনো পরস্পরের মধ্যে যুদ্ধে লিপ্ত হতো না। কিন্তু (মানুষকে শক্তি প্রয়োগে মতবিরোধ থেকে বিরত রাখা আল্লাহর নীতি নয়, তাই) তারা পরস্পর মতবিরোধ করলো, তারপর তাদের মধ্য থেকে কেউ ঈমান আনল এবং কেউ কুফরীর পথ অবলম্বন করল। হাঁ, আল্লাহ চাইলে তারা কখনো যুদ্ধ লিপ্ত হতোনা, কিন্তু আল্লাহ যা চান তাই করেন" (সুরা আল বাকারা ২৫৩) 

আপনার রেটিং: None

বজ্রপাত ও এর চিকিৎসা

বাংলাদেশে প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত বজ্রপাতের প্রকোপ থাকে বেশি। চলতি সপ্তাহে শুরু থেকে বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে শুধু ৬ই জুন ২০২১, রোববারই বজ্রপাতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কোনো ব্যক্তির ওপরে বজ্রপাত হলে তার শরীরের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ বয়ে যায়। ফলে হৃৎপিণ্ড বন্ধ হয়ে যায়।

রাস্তায় যেসব বিদ্যুৎ সঞ্চালনের লাইন থাকে সেগুলো হচ্ছে হাই-ভোল্টেজ তার, যেগুলো এক হাজার ভোল্টেজ কিংবা তার চেয়ে কিছুটা বেশি হয়ে থাকে।

ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক তানভীর আহমেদ বলেন, বজ্রপাত থেকে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় সেটি আল্ট্রা হাই-ভোল্টেজ। বজ্রপাত দুই ধরনের হয়। কোনো ব্যক্তির ওপর সরাসরি পড়তে পারে অথবা একটি বড় এলাকাজুড়ে বজ্রপাত হতে পারে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তির ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে তিনি সাথে সাথে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যান। বজ্রপাতে ভোল্টেজ এতো বেশি যে তা ১০ হাজার থেকে মিলিয়ন পর্যন্ত চলে যায়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

যে বস্তুর ব্যয় হ্রাস পায় তার উৎপাদনও হ্রাস পায়

আল্লাহ তায়ালা মানুষ ও জীব জন্তুর জন্যে যে সমস্ত ব্যবহায বস্তু সৃষ্টি করেছেন, সেগুলো যে পযন্ত ব্যয়িত হতে থাকে, সে পযন্ত আল্লাহর পক্ষ হতে সেগুলোর পরিপুরকও সৃষ্টি হতে থাকে। যে বস্তু বেশী ব্যয়িত হয় আল্লাহ তায়ালা তার উৎপাদনও বাড়িয়ে দেন। 

জীব-জানোয়ারের মধ্যে ছাগল ও গরু সবাধিক ব্যয়িত হয়। এগুলো যবেহ করে গোশত খাওয়া হয়। কুরবানী, কাফফারা, আকিকা প্রভৃতিতে যবেহ করা হয়। এগুলো যত বেশী কাজে লাগে আল্লাহ সে অনুপাতে সেগুলোর উৎপাদনও বৃদ্ধি করেন। আমরা সবত্রই এটা প্রত্যক্ষ করি।

সবদা ছুরির নীচে থাকা সত্বেও দুনিয়াতে ছাগলের সংখ্যা বেশী। কুকুর ও বিড়ালের সংখ্যা এত নয়। অথচ এগুলোর সংখ্যাই বেশী হওয়ার কথা ছিল, কারন এরা একই গর্ভ থেকে চার পাচটি পযন্ত বাচ্চা প্রসব করে। গরু ছাগল বেশীর চেয়ে বেশী দু’টি বাচ্চা প্রসব করে। তদুপরি এগুলোকে সবদাই যবেহ করা হয়। পক্ষান্তরে কুকুর বিড়ালকে কেউ হাতও লাগায়না। এতদসত্বেও এটা অনস্বীকায যে, দুনিয়াতে গরু ছাগলের সংখ্যা কুকুর বিড়ালের তুলনায় অনেক বেশী। 

আপনার রেটিং: None

আসহাবু কাহাফের ঘটনা

এ ঘটনাটি এতই প্রসিদ্ধ এবং এর স্বপক্ষে ভুতাত্বিক ও ঐতিহাসিক যুক্তিপ্রমাণ
এতটাই শক্তিশালী ও অখন্ডনীয় যে, কোন স্বাভাবিক, সুস্থ মস্তিস্ক ও নীতিবান লোকের
পক্ষে তা অস্বীকার করা সম্ভব নয়।   

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

ডিপ্রেশন? কি , কেন?

which does not kill us makes us stronger.”

আপনার রেটিং: None

কবরের চার প্রশ্ন

সবাই মিলে গোরস্থানে

দিবে আমায় কবর

দাফন শেষে চলে যাবে

নিবেনা কেউ খবর।

মুনকিরনাকির প্রশ্ন করবে

রব্ব কে ছিলো তোমার? 

বলতে যেন পারি তখন  

আল্লাহ যে রব্ব আমার।

ফেরেস্তারা প্রশ্ন করবে

বলো তোমার দ্বীন

বলবো আমি ফেরেস্তাদের

ইসলাম আমার দ্বীন।

ফেরেস্তারা বলবে আরো

তোমার নবী কে

বলবো আমি মুহাম্মাদুর রাসুসুল্লাহ

নবী আমার যে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

How much land does a man require?

How much land does a man require?   লিও টলষ্টয়ের আরও একটি সেরা গল্প। 

একজন লোভী কৃষককে নিয়ে টলষ্টয়ের এ কাহিনী। কৃষকের নাম পাহম। স্ত্রী ও সন্তানদেরকে নিয়ে রাশিয়ার একটি গ্রামে বাস করতো সে। হঠাৎ একদিন সে শুনলো: দূরে এক জায়গায় এ গ্রামের চেয়েও ভালো এবং উবর জমি পাওয়া যায়। দামও তেমন বেশী না। পাহমকে আর পায় কে! জমি জিরাত সব বিক্রি করে দিয়ে পরিবার পরিজনসহ সেই জায়গায় চলে গেল পাহম।

পাহমের আনন্দ আর ধরেনা। নতুন এ জায়গায় যা-ই বুনে অল্প ক’দিনেই তা লক লক করে বেড়ে উঠে। আহ! আরও আগে যদি সে এ বসতির খবর জানতো!

দিন যায়, বছর আসে। পাহমরা এখানে এসেছে দু’বছর হয়েছে। তার অর্থ-সম্পদ আগের চেয়ে এখন প্রায় চারগুণ। কিন্তু এতো পেয়েও কেমন যেন অতৃপ্ত পাহমের অন্তর। তার আরও অর্থ-সম্পদ চাই। এরচেয়েও কম দামে কোথাও জমি পাওয়া যায় কিনা খোজ লাগাল সে। 

দু’দিন পর এক লোক খবর নিয়ে এল: জমি আছে, তবে এখান থেকে কিছু দূরে। দামও কম। বারো মাসই ফল ফসলাদিতে টই টম্বুর হয়ে থাকে। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 2 (টি রেটিং)

The three questions

লিও টলষ্টয় (জন্ম ১৮২৮ খৃ)। বিশ্ব সাহিত্যের সবচেয়ে খ্যাতিমান লেখক। ঈসায়ী ধর্মের বিকৃতি যখন চরম পযায়ে ঠিক সেই সময়টিতে তিনি রাশিয়ার তুলা প্রদেশে পলিয়ানা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। আসমানী কিতাবের মনগড়া অসংগত ব্যাখ্যা, পাদ্রীদের অধার্মিক আচরণ ইত্যাদির কঠোর সমালোচক ছিলেন তিনি। একারনে যাজকগন ঘোষণা করে যে “টলষ্টয়কে খৃষ্টধর্ম থেকে বহিস্কার করা হলো। তিনি আর খৃষ্টান বলে গণ্য হবেননা”। এর জওয়াবে তিনি বলেন: “যারা গড ও যীশুকে নিয়ে ব্যবসা করে তিনি তাদের চেয়ে ঢের বেশী ধার্মিক খৃষ্টান”। (উইকিপিডিয়া) 

জীবন ও জগত সম্পর্কে নাবী রাসুলগন যে শিক্ষা পেশ করেছেন, লেখকের অনেক গল্পে, আংশিক হলেও তা মুর্ত হয়ে উঠেছে। বোধকরি একারনেই প্রতিটি পাঠকের হৃদয়ে তিনি আকর্ষিত হয়েছেন।

আমার আলোচিত The three questions পাঠকনন্দিত গল্পগুলোর একটি। নতুন প্রজন্মের জন্যে এর মুল কাহিনীটি সংক্ষেপে নীচে তুলে ধরলাম।  

একদিন এক রাজা তার রাজ্যময় ঘোষণা করে দিল যে, “তার ৩টি প্রশ্নের জওয়াব যে ব্যক্তি দিতে পারবে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। প্রশ্ন ৩টি হলো:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নাজ্জাশীর দরবারের ঘটনা

হাবাশা অধিপতি নাজ্জাশীর দরবার। নাজ্জাশীর দু’পাশে বিশেষ পোষাকে বসে আছেন পাদ্রীগন। সামনে তাদের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ। সম্মুখে, মাক্কা থেকে আগত আমর ইবনুল আস এবং আবদুল্লাহ ইবনু আবী রাবী’আ। 

নওমুসলিমগন হাবাশায় পৌছে নিরাপদে ও সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করছেন এ খবর মাক্কার কুফরী শক্তির অন্তরর্জ্বালা দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন দ্বীনের এ অনুসারীরা শুধু তাদের পিতৃধর্মকে অসম্মান করেনি, অন্য দেশে আশ্রিত হয়ে তারা খ্যাতিমান কুরাইশী গোত্রের মান ইযযতও সব ডুবিয়ে দিয়েছে। এরই একটি বিহিত করতে এ দু’ব্যক্তির আগমন। 

আমর ইবনুল আস প্রথমে কথা বলা শুরু করলো: “হে মহামান্য বাদশাহ, আমাদের কিছু দুষ্ট প্রকৃতির ছেলে আপনার সাম্রাজ্যে প্রবেশ করেছে। তারা এমন একটি ধর্ম আবিস্কার করেছে যা আমরাও জানিনে, আপনিও জানেননা। তারা আমাদের দ্বীন পরিত্যাগ করেছে। আপনাদের দ্বীনও গ্রহণ করেনি। তাদের পিতা, পিতৃব্য এবং গোত্রের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা তাদেরকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য আমাদেরকে আপনার নিকট পাঠিয়েছেন। তাদের সৃষ্ট অশান্তি ও বিপযয় সম্পর্কে তাদের গোত্রীয় নেতারাই অধিক জ্ঞাত”। 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

এ ঘটনাও নবুয়াতের সত্যতার প্রমাণ

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি প্রথম অহী নাযিলের পুবাপর ঘটনাই নবুয়াতের সত্যতার আরেক প্রমাণ। 

বিভিন্ন সহীহ সনদে (উরওয়া ইবন যুবাইর, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে) বর্ণিত: 

“অহী নাযিলের পর রাসুল সা. ভীত কম্পিত অবস্থায় ঘরে ফিরে খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) কে বললেন: আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও, আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও। তাকে কম্বল জড়িয়ে দেয়া হলো। ভীত কম্পিত অবস্থা দুর হলে তিনি খাদিজা রা. কে বললেন: হে খাদিজা, এ আমার কি হয়ে গেল? অত:পর হেরা গুহার ঘটনা আদ্যোপান্ত বর্ননা করলেন এবং বললেন: আমার নিজের জীবনের ভয় লেগে গিয়েছে। শুনে খাদিজা রা. বললেন: কক্ষনোই না। আল্লাহর শপথ, তিনি আপনাকে কখনোই লাঞ্চিত করবেননা। আপনিতো আত্বীয় স্বজনের সাথে ভালো ব্যবহার করেন, সত্য কথা বলেন। মানুষের আমানতসমুহের হেফাজত করেন। অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন। আপনাকে আল্লাহ কখনোই বিপদগ্রস্থ করবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)
Syndicate content