'দৃষ্টির ছায়া' -এর ব্লগ

সেদিন লোহিত সাগরে...


মানবীয় পরিবর্তনের চেয়ে প্রকৃতি আমার কাছে বেশী প্রিয়। মানুষ কর্তৃক পরিবর্তন যত দৃষ্টি নন্দনই হোক না কেন তা কেবল দৃষ্টিকেই বিমোহিত করে। হৃদয়কে খুশী করতে পারে খুব কম। আর প্রকৃতির সৌন্দ্যর্যে দৃষ্টি নন্দিত না হলেও সে চাকরের মত খেটে হৃদয় পর্যন্ত পৌঁছে দিতে বাধ্য থাকে; আর হৃদয় হয়ে উঠে সতেজ, উৎফুল্ল, বিমোহিত, প্রশান্ত।

সেদিন সফরের সুযোগে কিছুটা সময় কাটিয়ে এলাম সাগরের সান্নিধ্যে। হৃদয় যেন ঠান্ডা হলো বহুদিন পর। মরুর উষ্ণতায় হৃদয়টা যেন কেমন খটখটে হয়ে গিয়েছিল। Laughing

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

রমাদ্বান মোবারাক: চাঁদ দেখে সওম পালন শুরু করা ও শেষ করা <<<আল-লু'লু' ওয়াল মারজান

চাঁদ দেখে সওম শুরু ও ইফতার এবং আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পূর্ণ করা প্রসঙ্গে-

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

রমাদ্বান মোবারাক: রমাদ্বান মাসের ফদ্বীলত <<<আল-লু'লু' ওয়াল মারজাান

রমাদ্বান সম্পর্কিত ধারাবাহিক হাদীস-

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

রমাদ্বান কারীম

আসসালামু আলাইকুম।
সবাইকে জানাই রমাদ্বানের মোবারাকবাদ।

অনেকদিন পর ছবি ব্লগিং শুরু করলাম। পবিত্র রমাদ্বান আমাদের ঠিক দরজার সামনে দাঁড়িয়ে। মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীরা হয়ত আজ রাতেই তারাওয়ীর সালাত আদায় করবো। পবিত্র মৌসুম শুরু হবে আজকের সূর্যাস্তের সাথে সাথে। শয়তানকে শৃংখলাবদ্ধ করা হবে আজকের দিনের আলো নিভে যাওয়ার সাথে সাথে। মুমিনের পূণ্যগুলো বহুগুণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে দীর্ঘ এক মাস জুড়ে। এমনকি এমন এক রাত মিলবে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

তো আসুন রাসূল সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত করে কোমর বেঁধে ইবাদাতে লেগে পড়ি। তিলাওয়াতে মুখরিত করি ঝিঁমিয়ে পড়া এই পৃথিবীকে। আমাদের লক্ষ্য হোক প্রভুর সন্তুষ্টি এবং প্রিয় জান্নাত।

বি.দ্র.: কার্ডে যুক্ত করা ইংরেজী কবিতার পংক্তিগুলো ইন্টারনেট থেকে ধার নেয়া। কবির নাম অজানা। আল্লাহ্ কবিকে এ কবিতার জন্য সর্বোত্তম প্রতিদান দিন।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4.5 (2টি রেটিং)

*_* পুরোনো দিনের ছবি: পবিত্র কা'বা শরীফের দরজা (ইন্টারনেট থেকে পাওয়া)

পৃথিবী দিনে দিনে বদলাচ্ছে। আজকের যে সময়কে আমরা অনেক অনেক উন্নত বলে ধারণা করছি, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এ সময়টি নিয়ে ভাবতে বসে হয়ত বলবে- আহা! কত অনুন্নত ছিল তখনকার পৃথিবী...।

মক্কা মুকার্রামার পবিত্র মসজিদুল হারামের একটি প্রবেশপথ-

ছবিটি সঠিক মাপে দেখার জন্য নিচের ক্ষুদ্রচিত্রে ক্লিক করুন >>

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

*_* পুরোনো দিনের ছবি: ১৯৫৩ সালের হজ্জের দৃশ্য (ইন্টারনেট থেকে পাওয়া)

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিনে আসা ১৯৫৩ সালের হজ্জের একটি ছবি। মেইলে পেলাম। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

ছবিটি সঠিক মাপে দেখার জন্য নিচের ক্ষুদ্রচিত্রে ক্লিক করুন >>

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

*_* মান নেই ছবির, কিন্তু আছে আবেগ, স্মৃতি, মুগ্ধতা, তৃপ্তি।

এই ব্যস্ত জীবনে দারুন টানাপোড়নে কাটে সময়গুলো। তবু মাঝে মাঝে আকাশে তাকাই, হারিয়ে যেতে চাই এই অতিব্যস্ত জীবনের ঝামেলা এড়িয়ে, অন্তত কিছুটা সময়, কয়েকটি মুহূর্তের জন্য হলেও। দেখা আকাশের রঙ, মেঘেদের আনাগোনা, সূর্যের উদয়-অস্ত আর তারাদের ঝিকিমিকি। প্রিয় শহর মদীনায় থাকার সুবাদে উপরে শুধু আকাশ দেখতেই তাকাই না, প্রিয় মসজিদের মিনারগুলো দেখতে মন চায় মাঝে মাঝে, তাকাই, দেখি, মুগ্ধ হই। তেমনি এক হারিয়ে যাওয়া দিনে মুগ্ধ দু'চোখের চিত্রটিকে ধরে নিলাম মুঠোফোনে। মান নেই ছবির, কিন্তু আছে আবেগ, স্মৃতি, মুগ্ধতা, তৃপ্তি। ছবিটি দু'হাজার আট সালের জানুয়ারীতে নেয়া হয়েছে।
ছবি স্বত্ব: www.fazleelahi.com

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (5টি রেটিং)

*_* সূর্যটা বড় আদুরে লাগে মাঝে মাঝে

মরুর আকাশ খুব একটা পরিষ্কার থাকে না, বিশেষ করে গরমের দিনে। তখন ধূলিধূসরিত থাকে বাতাস, তাই আকাশটার উপর গিয়ে পড়ে সব দোষ, লোকে বলে- আকাশটা আজ বড্ড ধূসর ধূলোয় ভরা। মেঘের দেখা মরুর আকাশে কখনো কখনো মেলে। তখন আমি একটি কোম্পানীর পুরো দায়দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছিলাম। মালিক তার বড় ছেলেটিকে হিসাব-নিকাষ সহ কোম্পানীর নানা ব্যাপার স্যাপার শেখাতে চান, তাই অনুরোধ আমাকে। গাড়িটিও কোম্পনীর দেয়া ছিল, তাই অনুরোধ উপেক্ষার সুযোগ ছিল না, তাছাড়া ছেলেটিও ছিল বেশ ভদ্র। তাই প্রতিদিন যাবার সময় ওকে ওদের বাসা থেকে নিয়ে যেতাম আবার ফেরার পথে দিয়ে যেতাম। তেমনি এক দিনে গাড়ী থামিয়ে আকাশটা দেখছিলাম ওদের বাসার পাশে। ভাল লেগেছিল, পুরে নিলাম মুঠোফোনে,,, এইতো ছবি।

স্বত্ব: www.fazleelahi.com

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (3টি রেটিং)

*_* জন্মভূমির সাঁঝ

আমার জন্মভূমি। সত্যিই অসাধারণ। নানা কারুকাজে স্রষ্টা যেন সাজিয়েছেন এই ভূমিকে। মন ভরে যায়, যেদিকে তাকাই সবুজের সমারোহ সারাদিন ব্যাপি। যখন সন্ধ্যা নামে সবুজের মাঝে নেমে আসে গাঢ়তা, তারপর ধীরে ধীরে ছেয়ে যায় কালো এক পর্দায়। আমাদের মাঝে নেমে আসে দিনের ক্লান্তি শেষের প্রশান্তি। দু'চোখ জুড়ানো এ দৃশ্যটি ২০০৯ এর ছুটিতে স্বদেশে যাপিত আনন্দসময়গুলোতে নেয়া। আশা করছি আপনাদের ভাল লাগবে।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

*_* মসজিদুল হারামের কারুকাজ

ছবিটি পবিত্র মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে নেয়া। মসজিদ অংশের উপরাংশে যে কারুকাজ রয়েছে বর্তমানে, এ ছবিতে তার একটি রূপ প্রকাশ পেয়েছে। অনেকদিন ছবি তোলা হচ্ছে না। কিছুটা সীমাবদ্ধতা এবং কিছুটা অলসতাও রয়েছে। তাই পুরোনো ছবিগুলো মাঝে মাঝে পোষ্ট করি। এ ছবিটি ২০০৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে অবশ্য হারাম শরীফের বাহ্যিক দিকের বেশ কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সউদী সরকার; যার কার্যক্রম এখনো চলছে। কা'বার যিয়ারতে মনটা বার বার যেতে চায়, একবার গেলে ফেরার পথেই মনটা আনচান করে উঠে- আবার ক'বে আসতে পারবো....।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None
Syndicate content