'মেহরাব' -এর ব্লগ

ডিপ্রেশন? কি , কেন?

which does not kill us makes us stronger.”

আপনার রেটিং: None

Story of Dark

আধারের গল্প

আমি কাগজ টির দিকে একবার চোখ বুলালাম। এর পর আরো একবার। এরপর আবার। আমার মনে এখনো ক্ষীন এক চিলতে আশা রয়েছে। আমি হয়ত ভুল দেখছি অথবা এখানেই ভুল লেখা রয়েছে। 

আমি রিপোর্টের ওপরে থাকা নাম্বারে ফোন দিলাম। অপর প্রান্ত থেকে ও বলল। ঐখানে কিচ্ছু ভুল নেই। 

হতাশ ভাবে ফোন রেখে আমি বেডে শুয়ে পড়লাম। কাগজ টা এখনো আমার হাতে ধরা। সিগারেট খেতে ইচ্ছে করছে। কিন্ত উঠে জালাবার শক্তি টুকু ও পাচ্ছি না৷ 

সিলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি জানি না। 

ঘুম যখন ভাঙল তখন বিকাল।  আমি তখন ও সকালের ঐ ড্রেস পরে শুয়ে আছি।  একবার মনে হল রিপোর্টের কথা। পরক্ষণেই ভাবলাম। ঐটা হয়ত স্বপ্ন ছিল। ধুর, ঘুমের জন্য ক্লাস হুদাই মিস দিলাম!!  নিজেকে শাপ শাপান্ত করতে করতে ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে এলাম। 

আপনার রেটিং: None

দুই স্বত্তা

সকাল বেলা রিনি রাতুলের দরজা ধাক্কাধাক্কি করছে।।রিনি রাতুলের ছোট বোন।রাতুল এবার অনার্স ২য় বর্ষে, বশেমুরকৃবি তে।রিনি নবম শ্রেনীতে পড়ে। মা,বাবা,বোন নিয়ে রাতুলের পরিবার।বাবা সরকারি চাকুরে।থাকেন নওগাঁ তে।।রিনি আর রাতুলের মা থাকেন গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড় এ।

অনেক ক্ষন ডাকাডাকি আর ধাক্কাধাক্কি করেও রাতুলের রুমের দরজা খুলতে পারল না রিনি। বিরক্ত হয়ে মা কে ডাকতে গেল।রিনি'র মা এসেও ধাক্কাধাক্কি করে দরজা খুলতে পারলেন না।বাধ্য হয়ে দরজা ভেঙে ফেললেন।। ঘর অন্ধকার। জানালা আটকানো। ।পর্দা ফেলা। ভেতরে বোটকা গন্ধ,হঠাৎ একচিলতে শীতল হাওয়া এসে ঝাপটা মারল রিনির মুখে। হাতড়ে হাতড়ে লাইট জালানোর চেস্টা করেও পারল না। । ভাইয়া বলে ডাক দিল।। একটা কাল ছায়া নড়ছে।।আসলে ওইটা একটা বিড়াল ছিল।বিড়াল টার চোখ থেকে সবুজ আলো জলছে।

রিনি কিছুই বুঝতে পারছে না।।বাইরে যাওয়ার কথা মনে হল। কিন্তু কোথা দিয়ে ঢুকেছে সেই দরজাও খুজে পাচ্ছে না।।হাতড়ে হাতড়ে একটা মিনি টর্চ পেল।। সুইচ চাপ দিল।।অন্ধকার ফুড়ে আলোর রেখা জলে উঠল।।

আপনার রেটিং: None

বিষন্নতা'র ঐশ্বর্য্য

ভালোবাসা....

চারটে বর্ণ দিয়ে সৃষ্টি হয় এক অমেঘ শক্তিধর শব্দের। এর উপলব্ধি মানুষ করতে পারে। কিভাবে এই শব্দ টি নিয়ন্ত্রন করে চলেছে পুরো দুনিয়াকে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আমরা এবং আমরা

চোখ বন্ধ করে চিন্তা করি। এত বছর কাটিয়ে এসেও কেন জানি নিজের কাছে মনে হয় প্রাপ্তির খাতা এখনো শূন্য।
বর্তমানে র কাছে নিজে প্রশ্ন করি,"আমি কি শূন্য?"
এভাবেই কি শেষ পর্যন্ত খালি হাতে থাকব?
আমার কাছে হয়ত কাড়ি কাড়ি টাকা নেই। নিজের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু এর মাঝেও কি আমি কিছুই পাই নি? সময় যতই এগোয় ততই এই সব প্রশ্ন কড়া নাড়ে। মনের গভীরে।
আমাদের সমাজ এমন ভাবে তৈরী যে এখানে সিস্টেমের বাইরে গিয়ে চিন্তা করার পর্যাপ্ত সুযোগ আমরা পাই না। আমাদের ভেতর থেকে জন্ম থেকে খোদাই করা থাকে বড় হয়ে চাকরি করতে হবে, বেশি টাকা উপার্জন করতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সমাজ আপনাকে বেধে রাখতে চাইবে নিজের গন্ডির মধ্যে। আমরা এতটাই অলস যে অই গন্ডি র ভেতরে থেকে নিজের গন্ডি আরো ও ছোট করে ফেলি। আমাদের মাঝে সন্তুষ্টি খুব কম। যত পাই তত চাই। এসব আমাদের হীন মানষিকতা মাত্র।একজন দিন মজুর কখনো দিনে হয়ত তিনশ টাকার বেশি উপার্জন করতে পারে না। কিন্তু দিনশেষে তিনশ টাকা উপার্জন করে সন্তুষ্ট না হয়ে ভাবে আরো বিশটা টাকা যদি পেতাম!!!

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

অচেনা

গ্রামের বড় গাছের নিচে দাঁড়িয়ে হাসফাস করছেন বৃদ্ধ মানুষটি। গাছের নিচেই টিউবওয়েল থেকে পানি পান করে হাটা দিলেন আবার।

কিছুদূর গিয়েই দেখা হল একজনের সাথে। নাম তার তারাপদ খা।তারা'র কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন,"বাবা, করিম মুন্সি র বাড়ি কই কইতে পারেন।" বৃদ্ধের সোম্য চেহারায় তাকিয়ে উত্তর দিলেন এই নামে কাওরেই চিনে না সে। হতাশ হয়ে বৃদ্ধ আরো এগিয়ে গেলেন। দেখা হল জামাল বাহাদুরের সাথে। জামাল বাহাদুরের ও একই কথা সে জানে না।

গ্রামের সব কিছুই কেমন যেন অচেনা। রাস্তা ঘাট,মানুষ, বাড়ি সব।আগে ত এতকিছু ছিল না। দূরে আবার একটা দালান। স্কুল ঘর অইটা। এত পরিবর্তন কিভাবে হল তা বৃদ্ধের মাথায় ঢুকছে না। মাথা নাড়তে নাড়তে এগিয়ে গেলেন করিম মুন্সির খোজে।

আপনার রেটিং: None

যুদ্ধ

প্রতিবছর গড়ে ৮ লক্ষ লোক সুইসাইড করে। এটি গোটা পৃথিবীতে যেসব কারণে মানুষের মৃত্যু হয় তার মধ্যে উপরের দিক থেকে ১৭তম কারণ।
এইডসে প্রতিবছর যত লোক মারা যায় তার চাইতে ৩ গুণ বেশী মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগে সুইসাইড করে।
প্রতি চল্লিশ সেকেন্ডে কেউ না কেউ দুনিয়ার কোন এক প্রান্তে সুইসাইড এটেম্পট করে জীবন থেকে পালাতে। ইউরোপে এক সময় সুইসাইড কে ফৌজদারী অপরাধ হিসেবে দেখা হতো। যদিও এখন তা আর হয়না।
নিম্বোক্ত কারণে সুইসাইড মানুষ বেশী করে। এ কারণগুলোকে আপনি সুইসাইড এটেম্পট করতে যাওয়া মানুষের সিম্পটম হিসেবেও দেখতে পারেন।
১. তারা ডিপ্রেসড: মোস্ট কমন রিজন অফ সুইসাইড। ডিপ্রেসড যে কোন কারণে হতে পারে।
১. স্টাডি ব্যার্থতা
২ . বেকারত্ব
৩. আর্থিক সমস্যা
৪. পারিবারিক কলহ
৫. একাকি কৈশোরকাল
৬. বন্ধুবিহীন জীবন।
৭. ভালোবাসায় প্রতারিত।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

অসামাজিক

ভোর পাচটা...

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

নীরবতা'র গল্প

ক্লাসে যখন আসত তখন একটি মুখ এক নজর দেখার জন্য চারদিকে তাকাত।প্রিয় মুখ টি দেখা মাত্রই ছেলেটি'র মুখ আনন্দে ভরে উঠত।
মেয়েটি জানে কি না যে একটি ছেলে তার দিকে চেয়ে থাকে। শুধু তাকেই দেখার জন্য??
হয়ত না...কিংবা হ্যা!!!

মেয়েটি কে এভাবেই খুব ভালবাসে। বন্ধু বান্ধবী রা ঠাট্টা মশকরা করে এই নিয়ে।তাতে ছেলেটি'র কিছু যায় আসে না।
কারন সে মেয়েটিকে খুব ভালবাসে। মিস করে।

মেয়েটি হয়ত ছেলেটি কে মিস করে না।
কেননা সে অন্য এক জনের!!!

ভালবাসার যথাযথ মর্যাদা পায় নি ছেলেটা।
কাঁদিয়েছে অনেকে তাকে।
মিথ্যা আঃশ্বাস দিয়েছে। ভালবাসে নি।

হয়ত কেউ ছেলেটি'র প্রতি অনুরক্ত নয়।কেউ তার মনের জানালায় উকি দিয়ে দেখেনি।কেউ চায় নি অকে বুঝতে বা বোঝার চেস্টা ও করে নি।

বসন্ত আসে আর যায় কিন্তু ছেলেটি'র না বলা অব্যক্ত ভালবাসা মনের গহীনেই লুক্কায়িত থাকে।

মেয়েটিকে এখনো ভালবাসে।মেয়টি জানতেও পারল না..
কত আবেগ,কত প্রেম আর কত ভালবাসা নিয়ে তার জন্য দাড়িয়ে ছিল কেউ। যা পূরো দুনিয়া তেও সে এত টা ভালবাসা খুজে পাবে না।

ভাল থাক সেই গল্প আর সেই ভালবাসা। আর মর্যাদা পাক অব্যক্তসেই ভাল বাসা।।।।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (2টি রেটিং)

University admission 2016-17

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
...................... ........ ....... ....... ........
বাংলাদেশের ১৩তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। গাজিপুরের সালনায় অবস্থিত মনোরম পরিবেশ আর দেশের একমাত্র সম্পূর্ণ সেশনজট আর রাজনীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮৭ একরের এই প্রতিস্ঠানে চারটি অনুষদ এ মোট ৩১০জন শিক্ষার্থী অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য সিলেক্টেড হন।
পরিক্ষা :এমসিকিউ
মার্ক্স :১০০
সময় :১ ঘন্টা
আসন : কৃষি অনুষদ ১১০
কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ উন্নয়ন অনুষদ ৮০
ফিশারিজ অনুষদ ৬০
ভেটেরিনারি মেডিসিন ও পশুপালন বিদ্যা অনুষদ ৬০
(বিঃদ্রঃ আসন এবার বেড়ে ৫০০ হতে পারে।গতবারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী)
.
জিপিএ :নূন্যতম আবেদন এর জনু এসএসসি ও এইচএসসি
মিলিয়ে ৯ পয়েন্ট লাগে।
মানবন্ঠন : ফিজিক্স ১৫, ম্যাথ ১৫, কেমেস্ট্রি ২৫,বায়োলজি ২৫,ইংলিশ ১০,GK ১০
এ বছর পরিক্ষা : ৮ নভেম্বর
.......

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content