'আব্দুল্লাহ হিমেল' -এর ব্লগ

সাত যুবকের গল্প (পর্ব-৩)

এ হলো আসহাবে কাহাফের ঘটনা। ১৯৭৩ ইং সালের কথা। লেখক এ বছর পূর্ব উরদুনে সফরে গেলে ঐতিহাসিক সেই গুহাটি দেখার সুযোগ পাই। যে গুহায় সেই ভাগ্যবান ঈমানদার যুবকগণ ঘুমিয়ে আছেন। উরদুনে প্রত্নতত্ত্বের গবেষক আমার আন্তরিক সফরসঙ্গী ড। রফীক অফা আদ-দাজ্জানী আমাকে গুহাটি দেখান। একাডেমিক বৈজ্ঞানিক নানা তত্ত্ব-তথ্যে তিনি প্রমাণ করলেন এটাই আসহাবে কাহাফের গুহা। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইকতিশাফুল কাহফ ও আশাবুল কাহফ’ দেখা যেতে পারে। ইতিহাস প্রমাণ করে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই ঘটনা ছিল এ অঞ্চলের কবিতার প্রাণ। আমি আমার ‘মা’রাকায়ে ঈমান ওয়া মাদ্দিয়্যাত’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলনামূলক আলোচনা করেছি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

সাত যুবকের গল্প (পর্ব-২)

এই যুবকরা গিয়ে সেই ময়দানে দাঁড়াল যেখানে রোমান শাসনের পতাকা উড়ছিল। এই রোমান শাসনই ছিল তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে সুশৃঙ্খল সভ্য উন্নত ও আইন প্রণেতা দেশ। এই শাসন ব্যবস্থাও পৃথিবীর এক বিশাল অঞ্চলব্যাপী দর্পের সাথে রাজত্ব করছিল। সমকালীন এই মহাশক্তিধর পাওয়ারের একেবারে নাকের নীচে, চোখের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কয়েকজন তরুণ একত্ববাদের এই নতুন দাওয়াতকে গ্রহণ করছে এবং তার দাওয়াত দিচ্ছে। আর এটাই ছিল তখনকার সত্য দ্বীন, যথার্থ ইসলাম। কারণ, তখনও খৃষ্টধর্ম বিকৃত হয়নি। হযরত ঈসা ( আলাইহিস সালাম)-এর পয়গাম ও দাওয়াতের যথার্থ পতাকাবাহীগণ সেখানে পৌঁছেছিলেন। তাঁরা সেখানে গিয়ে জানালেনঃ এই শাসকেরা আমাদের রিযিকদাতা নয়। আমাদের লালন-পালন করার ক্ষমতাও তাদের নেই। আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনিই আমাদের রিযিকদাতা, তিনিই পালনকর্তা।

 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

সাত যুবকের গল্প ( পর্ব-১ )

“তারা ছিল কয়েকজন যুবক। তারা তাদের প্রতিপালকের প্রতি ঈমান এনেছিল এবং আমি তাদের সৎপথে চলার শক্তি বৃদ্ধি করেছিলাম, আমি তাদের চিত্ত দৃঢ় করে দিলাম; তারা যখন উঠে দাঁড়াল, তখন বলল, আমাদের প্রতিপালক! আকাশ্মন্ডলী ও পৃথিবীর প্রতিপালক! আমরা কখনই তাঁর পরিবর্তে অন্য কোন মাবুদকে ডাকব না; যদি করে বসি তবে সেটা খুবই গর্হিত হবে।“

                                                                                              ( সূরা কাহাফঃ ১৩-১৪)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

পহেলা বৈশাখ ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-৭

পহেলা বৈশাখে আমরা দেখতে পাই, রমনা বটমূলে ও বিভিন্ন স্থানে নারী-পুরুষ এক সাথে নাচ গান করে। আনন্দ-ফূর্তি করে নববর্ষ উদপযাপন করে। এটা মুসলমানদের সংস্কৃতি নয়। আফসোস! আমরা নিজেদের মুসলমান বলে দাবী করি কিন্তু অনুসরণ করি বিধর্মীদের। অথচ আমাদের অনুসরণ করার কথা ছিল হযরত মুহাম্মদ ( সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম )-কে এবং তাঁর সাহাবীদেরকে। শুধু পহেলা বৈশাখেই নয়, বরাবরই আমরা হিন্দুদের উৎসব উদযাপন করে আসছি। অনেককেই দেখা যায় পূজার সময় হিন্দুদের সাথে পূজা মন্ডপে যেতে। কিন্তু আপনি কি কোনদিন তাদেরকে আমাদের সাথে ঈদের নামাজ পড়তে দেখেছেন বা জুম্মার নামাজ পড়তে? তাহলে আমরা কোন লজ্জায় তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেই? আমাদের কি একটুও আত্মমর্যাদা বোধ নেই? আমাদের কি একটুও লজ্জা নেই? আসুন! আমরা তাদের এই গান-বাজনার সংস্কৃতি বর্জন করি। তাদের অনুসরণ ত্যাগ করি। জাহান্নাম থেকে বাঁচি; জান্নাতের পথ সুগম করি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করি।
( মুফতী যুবায়ের আহমেদ )
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

পহেলা বৈশাখ ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-৬

আমরা মুসলিম বাঙ্গালী, হিন্দু বাঙ্গালী নই। মুসলমানদের সতন্ত্র সংস্কৃতি আছে, যা আল্লাহ প্রদত্ত। অমুসলিমদের থেকে ইসলামবিরোধী সংস্কৃতি আমাদের ধার করার প্রয়োজন নেই। আফসোস! আজ আমরা নিজেদের ভুলে গেছি, হারিয়ে ফেলেছি মুসলমান হিসেবে আমাদের আত্মমর্যাদাবোধ। নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে দাফন করে অনুসরণ করছি হিন্দুদের ধর্মীয় সংস্কৃতি। পহেলা বৈশাখে দেখা যায় আমাদের মুসলমান ভাইয়েরা পায়জামা সিস্টেমে ধুতি পরে। আর যুবতী বোনেরা শাখা সিঁদুরের রঙের সাদা লাল কাপড়, যার দ্বারা বুকের বিশেষ অংশ দৃষ্টিগোচর হয়, আর পেট থাকে অনাবৃত। বাহিরে পর পুরুষের সামনে সেজে গুজে বের হওয়া ইসলামী সংস্কৃতি নয় বরং হিন্দু খৃস্টানদের সংস্কৃতি। মুসলমান মেয়েদের সংস্কৃতি হল বাইরে বের হলে পুরো শরীর ঢেকে, পর্দা করে বা বোরকা পরে বের হবে। এর মধ্যেই নারীর নিরাপত্তা ও শান্তি। নারীর মর্যাদা ও অধিকার।

আমি কেমন মুসলমান যে বিধর্মীদের এই ধর্মীয় প্রতীক গ্রহণ করে গর্ববোধ করছি? আমি কেমন মুসলমান কখনো কি ভেবেছি? একটু কি চিন্তা করেছি?
আপনার রেটিং: None

পহেলা বৈশাখ ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-৫

বৈশাখী উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল মঙ্গল শোভাযাত্রা। মঙ্গল শোভাযাত্রা কি ইসলামী সংস্কৃতি? এটা স্পষ্ট একটি হিন্দুয়ানী ও শিরকী সংস্কৃতি।

অনেকে মনে করেন যে, এই মঙ্গল শোভাযাত্রা আমাদের মধ্যে মঙ্গলের বার্তা বয়ে নিয়ে আসবে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় পেঁচা, ময়ূর ও বিভিন্ন বিকৃত মুখোশ যা মূর্তিরই নামান্তর নিয়ে মিছিল করা হয়। এটা ভারতীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী দাবীদারদের ধর্মীয় বিশ্বাসের মৌলবাদী সংস্কৃতির প্রতিফলন। তারা ধারণা করে পেঁচা ও বিভিন্ন বিকট মুখোশ গুলো সব অমঙ্গলের প্রতিচ্ছবি। বছরের প্রথম দিনে এদেরকে নিয়ে শোভাযাত্রা করলে তারা খুশি হবে এবং সারা বছর তারা এই শোভাযাত্রীদেরকে আর উৎপাত করবে না। নাউযুবিল্লাহ। এবার আপনিই চিন্তা করেন আসলে এই বিশ্বাসটাও মুসলমানদের নয়, কারণ মুসলমানদের বিশ্বাস হল আমাদের মঙ্গল করতে চাইলে একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই করতে পারেন এবং অমঙ্গল করতে চাইলে একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই করতে পারেন। অন্য কেউ নয়। অন্য কোন ভাবে নয়। কোন শোভাযাত্রার মাধ্যমে নয়, কোন প্রদীপ জ্বালিয়েও নয়। আল্লাহ তা’আলার এরশাদ-
আপনার রেটিং: None

পহেলা বৈশাখঃ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-৪

পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন , এই দিনে মানুষ বিগত বছরের হিসাব নিকাশ করে। এ লক্ষ্যেই শুরু হয়েছিল বাংলা নববর্ষের গণনা। এ মাসেই ব্যবসা-বাণিজ্যের হালখাতা করা হয়। বর্তমানে আমাদের রাষ্ট্রীয় জীবনের হিসাব নিকাশ শুরু হয় জুন মাসে। এ ছাড়া খৃস্টীয় সংস্কৃতি অনুসরণে ব্যাংক বীমা ও সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হিসাব নিকাশ নতুন করে শুরু হয় পহেলা জানুয়ারী। আমাদের অর্থনৈতিক কার্যকলাপে কৃষকদের ভূমিকাকে আমরা দিন দিন অনুৎসাহিত করছি তা আমাদের এই দুটো কর্মকান্ড থেকে বোঝা যায়। এই প্রেক্ষিতে উঁচু সমাজের আহলাদি উৎসব মানসিকতা ছাড়া নববর্ষের কোন প্রয়োগ নেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

পহেলা বৈশাখঃ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-৩

বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

আমাদের দেশে নতুন বছরের উৎসবের সঙ্গে রয়েছে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কৃষ্টি ও সংস্কৃতির নিবিড় যোগাযোগ। এদিনে গ্রামের মানুষ ভোরে ঘুম থেকে উঠে, নতুন জামাকাপড় পড়ে এবং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের বাড়ি বেড়াতে যায়। বাড়ি-ঘর সুন্দর করে সাজায়। বিশেষ খাবারের ব্যবস্থাও করে। আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলার। মেলাতে থাকে নানা রকম কুটির শিল্পজাত সামগ্রীর বিপনন, থাকে নানা রকম পিঠা-পুলির আয়োজন। অনেক স্থানে ইলিশ মাছ দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার ব্যবস্থাও থাকে। এই দিনে একটি পুরোনো সংস্কৃতি হল গ্রামীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

পহেলা বৈশাখঃ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-২

বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। এ দিনটি বাংলাদেশে এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। আসাম ও ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙ্গালীরাও উৎসবে অংশ নেয়।

বাংলা দিনপঞ্জির সঙ্গে হিজরী ও খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হল হিজরী সন চাঁদের হিসেবে এবং খ্রিস্টীয় সন ঘড়ির হিসেবে চলে। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় নতুন চাঁদের আগমনে। ইংরেজী দিন শুরু হয় মধ্যরাতে। আর বাংলা সনের দিন শুরু হয় ভোরে, সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে। কাজেই সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় বাঙ্গালীর পহেলা বৈশাখের উৎসব।

আপনার রেটিং: None

পহেলা বৈশাখঃ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি পর্ব-১

সভ্যতা ও কৃষ্টি কালচারকে সংস্কৃতি বলে। সংস্কৃতি হচ্ছে জীবন সত্তার অন্তরঙ্গ ও বহিরাঙ্গের সামগ্রিক রূপ। সংস্কৃতি মানুষকে যেমন সুসংহত করতে পারে, তেমনি আবার মানুষকে বিধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। প্রত্যেক জাতির নিজস্ব একটি সংস্কৃতি রয়েছে। মুসলিমদের সংস্কৃতি হচ্ছে কুরআন-হাদীস ও ধর্মীয় গন্ডির ভিতরে নিয়ম নীতি মেনে চলা। 
আপনার রেটিং: None
Syndicate content