'হানিফ ১৪৯০' -এর ব্লগ

'মানযিলে মাক্বসাদ'

জীবনে চলার পথে প্রত্যেকটি মানুষের কোন না কোন উদ্যেশ্য থাকে, থাকে গন্তব্যস্থান। আর মানুষ তখনি আনন্দে উৎফুল্ল হয়, যখন তারা পৌঁছতে পারে তাদের সেই মানযিলে মাক্বসাদে, কিংবা যখন হাসিল হয় দীর্ঘকালের আকাঙ্ক্ষিত মনের বাসনা এবং সার্থক হয় অক্লান্ত পরিশ্রমে মিশ্রিত সাধনা।।। মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া যে, আজ সেই সৌভাগ্যবান মানুষগুলার মধ্যে আমাকেও অন্তর্ভুক্ত করেছে।। দয়ার সাগর রাব্বুদ-দুনয়া ওয়াল-আখিরাহ সবসময় প্রস্রুত তার বান্দা-বান্দিদের দয়া ও দান করার জন্য। আর সেই সুবাদে বান্দাও সব মুনাজাত করে নিজ প্রভুর দরবারে। কেউ চেয়ে নিচ্ছে সামান্য কিছু সম্পদ (দুনিয়াবি কিছু চাওয়া) আর কেউ চেয়ে নিচ্ছে বহু অমূল্যরতন (দুনিয়াবি ও আখেরাত)।। আর যে যা চায় আল্লাহ্ তাকে তা'ই দেন, যদিও কমবেশি পরিশ্রম করাটাই তার জন্য প্রধান শর্ত। চাওয়া বস্তুর মান হবে যত বেশি, জিহাদ/চেষ্টা করতে হয় তেমন বেশি। মুজাহিদ আব্বাজান ও মুজাহিদা আম্মাজানের কঠিন জিহাদ,আত্বীয় স্বজনের উৎসাহ এবং ভাল বন্ধুদের সাপোর্টস সে সাথে নিজ হিম্মত বজায় রেখে কাজে অটল থাকার ফলে আল্লাহ্ তা'আলা আমি গুনাহগার না- লায়েক 'হানিফ' এনে উপস্থিত করেন আমার সেই চাওয়া, উদ

আপনার রেটিং: None

প্রচন্ড রাগে কী করনীয়?

মাঝে মাঝে আমাদের সবারই
প্রচন্ড রাগ উঠে যায়।
কোনো কিছুর ওপর
কিংবা কোনো বিশেষ ব্যক্তির
উপর প্রচন্ড
রাগের কারনে অনেক সময়
আমরা নিজেরই ক্ষতি করে বসি।
অথবা হুট করে অনুচিত কিছু
করে ফেলি কিংবা বলে ফেলি অথবা হাতের
কাছে থাকা দামী কোন মোবাইল
বা বস্তুও
ভেংগে পেলতে পারি।
আবার এমব রাগের ফলে মানুষের
সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয় এবং রাগ
কমে গেলে পস্তাতেও হয়।
যেমনটি ঘটেছে আজ আমার প্রিয় এক
মানুষের বেলায়ও।।
আবেগ অনুভুতির উপর নিয়ন্ত্রন
খুব কম মানুষেরই থাকে। তাই হঠাৎ
রাগ উঠে যেতেই পারে। কিন্তু
হঠাৎ খুব বেশি রাগ
উঠে গেলে বড় কোন
ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আগেই
নিজেকে নিয়ন্ত্রন করে ফেলার
আছে কিছু উপায়। যেন-তেন উপায়
নয়,
আল্লাহর রাসূলের বহু
হাদীসে যেমন এর সমাধান আছে ঠিক
বর্তমান বিজ্ঞানীরাও
গভেষণা করে কিছু সমাধান বাহির
করেছেন।
আসুন জেনে নেয়া যাক ঝটপট রাগ
নিয়ন্ত্রনের ৫টি দারুণ
বৈজ্ঞানিক কৌশল। রাগ
তো কম্বেই, এমনকি হেসেও
ফেলতে পারেন আপনি!
১/ঠান্ডা পানি পান,
খুব বেশি রাগ উঠে গেলে ঢক ঢক
করে এক গ্লাস
ঠান্ডা পানি খেয়ে নিন।
ঠান্ডা পানি খেলে কিছুটা হলেও
রাগ
নামবেই। এটা রাগ নিয়ন্ত্রনের

আপনার রেটিং: None

আগে বিস্তারিত জানি, তারপর মন্তব্য

আসুন! আগে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করি, তারপর মন্তব্য করি।(@[508041952627593:0])

জিহাদ ইসলামে ফরজ,
জিহাদ কে যারা অস্বীকার করবে নিশ্চয়ই তারা কাফের।
কিন্তু জিহাদের নামে পাকিস্তান তালেবান যেভাবে শতাধিক শিশু হত্যা করেছে এটা নিশ্চয়ই ইসলাম পছন্দ করে না।যেহেতু জিহাদের ক্ষেত্রে শিশুদের আক্রমণের বাহিরে রাখার বিধান রয়েছে, রয়েছে আরো বিধিবিধান।।
ইসলাম যেমন এটি পছন্দ করে না ঠিক আফগান তালেবানরাও এই হত্যাযজ্ঞকে মেনে নেন নাই।
এমন হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান সহ সারা বিশ্বের ওলামায়ে দেওবন্দ, মোবাল্লেগীন এবং ইসলামী মুজাহীদরা।।
জংগী দমনের নামে বিগত বারো বছর যাবৎ তালেবান ও তাদের শিশুদের উপর যেভাবে আক্রমণ করে পশ্চিমা বিশ্ব ও তাদের দালালরা অসংখ্য মুছলমান কে হত্যা করে বড় অন্যায় করেছে ,ঠিক এত্তগুলা অবুঝ শিশুকে হত্যা করে পাকিস্তান তালিবানরা শিশুদের অন্তরে জিহাদের ভুল ধারণা সৃষ্টি করে বড় অন্যায় করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন অনেক আলেম সমাজ।।
অনেকেই পাক-তালিবানের এমন অপকর্মের দায়ভাগ আফগান তালিবান কিংবা বিশ্ব মুজাহীদদের উপরে ন্যাস্ত করতে চাইবেন, যা হবে চরম ভুল।।

আপনার রেটিং: None

লিখার প্রতি লিখকের মমতা ওআত্মিক সম্পর্ক।

লিখার প্রতি লিখকের মমতা ও
আত্মিক সম্পর্ক।
কারো অন্তরে যদি এটা সৃষ্টি না হয়
তাহলে সে 'জীবিকার
প্রয়োজনে'
লিখতে পারে এবং লিখকও
হতে পারে, কিন্তু সাহিত্যিক
হতে পারে না, আর সাহিত্বের
সাধক তো হতেই পারে না।
তুমি যদি সাহিত্বের সাধক
হতে চাও, আগে লেখার
প্রতি মমতা অর্জন করো। লিখার
প্রতি যদি তোমার মমতা থাকে,
তাহলে মৃত্যুর পরও তোমার
লিখা অনন্ত জীবনের সুবাস ধারণ
করবে। লিখার জন্য তুমি কতটা ত্যাগ
স্বীকার করেছো, সেটাই
নির্ধারণ করবে, লিখার
প্রতি তোমার কী পরিমাণ
মমতা রয়েছে।
মুখে তোমাকে বলতে হবে না লিখার
প্রতি তোমার মমতার কথা। ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

বন্ধুত্ব

বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে ভালবাসি।
আর এই ভালবাসাটাই আমাকে কষ্ট দেয়।।
প্রতিনিয়ত বন্ধুদের হারিয়ে যাওয়া এবং বন্ধুদের দুঃখ দুর্দশারর সংবাদ এবং চোখের পানি যেন আমাকে প্রতিনিয়ত মর্মাহত করে।।
আর এজন্যই মাঝেমধ্যে ভেংগে পড়ি আমি নিজেও।
আর অপেক্ষায় থাকি হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের ফিরে পেতে।
(হানিফ)

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

চারিদিকে ঠুসঠাস করে লক্ষী কে আগমন

চারিদিকে ঠুস ঠাস।
যেন মনে হয় কোন আন্দোলন কারী কক্টেল ফুটাচ্ছে আর তা প্রতিরোধে সরকার বাহিনী সাউন্ড গ্রেনেড ব্যাবহার করছে।।

কিন্তু বাস্তবে তা না।
এই সাউন্ডের মাধ্যমে লক্ষী কে ঘরে আনা হয়।।
মুলত লক্ষী নামের একটি হাইওয়ান আছে দুনিয়াতে।।
যে কিনা ঘুমিয়ে থাকে সর্বদা।
আর অদৃশ্য কিছু লোক ঐ লক্ষী কে মানুষের ঘরে প্রবেশ করাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায় ঐ লক্ষী নামের জিনিষ টার গলায় রশি বেধে।
তবুও লক্ষী বাবুজির ঘুম না ভাংগায় এবার সুন্দর একটি পন্থা অবলম্বন করলো বুদ্ধিজীবী রা।।
চারিদিকে শুধু ঠুস ঠাস আওয়াজ হবে আর ঘুমন্ত লক্ষী বাবুজির ঘুম ভেংগে যাবে এতেই প্রতিটি ঘরে ঘরে লক্ষী কে টেনে টেনে ডুকানো সম্ভব হয়।।
আর তার সুত্র ধরেই এখন চারিদিকে শুধু ঠুসঠাস শুরু হয় লক্ষীকে আমন্ত্রণ জানাতে।।
.
.
.
.
.
★আসলে এটি বাস্তব ইতিহাস নয় ★
তবে হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম ছেলেদের এহেন কর্মকান্ডে এটিই মনে হয় আমার।।

কখন হেদায়েত পাবে এই জাতী?
এই জাতী কি জানে না শব্দ ধুষণ মানুষের জন্য শারীরিক ও মানুষিক ভাবে কতটুকু হুমকি??

হে আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিন

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3 (টি রেটিং)

দাঁড়ি পুরুষের সুন্দর্য বাড়ায়

দাঁড়ি রাখা টা কে কেউ
বিরোক্তিকর মনে করে।
আর এই জন্যই প্রতিনিয়ত কেউ
পুরো দাঁড়ি চেটে ফেলে আবার
কেউ
বা খোচা খোচা করে রাখে।
আবার এই দাঁড়ি উঠার জন্যই
অনেকে রাত-দিন নামাজের
বিছানায় বসে প্রভুর দরবারে অশ্রু
ঝরায়।
তেমনি আমার এক উস্তাদ মাও:
এনায়েত উল্লাহ সাহেব ফেনী।
উপযুক্ত সময়েও মুখে দাঁড়ি নেই।
উঠার সম্ভাননাও দেখছে না।
আল্লাহর এই প্রিয়
বান্দা প্রতিনিয়ত তাহাজ্জুতের
নামাজ পড়ে আল্লাহর
দরবারে অঝোর ধারায় চোখের
পানি ঝরাতেন।।
অবশেষে হযরতের চোখের
পানি আল্লাহ
তা'আলা বৃথা যেতে দেন নি।
মহামুল্যবান সেই দাড়ি ছন্দের মত
গজিয়ে উঠে হযরতের
নূরাণী চেহারাউ। অল্প হলেও
হযরতের মুখের দাঁড়ি তার মন ও
মুখমন্ডল কে উজ্জল করেছে।।
এভাবে অনেক আল্লাহর
বান্দা আছে,
যারা দাঁড়ি কে পুরুষের যীনত
মনে করে।
আর কিছু শয়তান এমন সুন্দর্য
টা কে বিরোক্তিকর ও
বিশ্রী মনে করে।।
কথায় আছে, শুকরের
কাছে পায়খানায় বেশি প্রিয়,
ভালো বস্তু নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আজ "মা" কে খুব মনে পড়ছে।

গতরাত "মা" স্বপ্নে দেখে, তার ছেলে হানিফ রান্না করতে গিয়ে শরীর পুড়িয়ে ফেলে এবং রাতে ঠান্ডা লেগে প্রচন্ড শরীর খারাফ করে।
এমন দুঃস্বপ্ন দেখে হঠাৎ ঘুম টা ভেংগে যায় আমার মায়ের।
আব্বাজান "মা" কে বুঝিয়ে ঘুম পাড়ায় তবুও যে মায়ের আর ঘুম হয় নাই।
রাত্রে মায়ের দু:স্বপ্নের সাথেসাথে অসুস্থ হওয়া ছেলে হানিফ শুক্রবার ম্যাচে ফ্রেন্ডসদের নিয়ে রান্না করতে গিয়ে বাঁহাতের চার আংগুল পুড়ে ফেলে।।
বিষণ্ণ মন নিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে বাদ জুমা ফোন করি মায়ের কাছে।।
নিজের অসুস্থতা এবং হাত পুড়ে যাওয়ার দুর্ঘটনা বর্ণনা করতেই এক হৃদয়বিদারক মুহুর্ত তৈরী হয়।।
অশ্রুঝরা চোখ ও ভাংগা কন্ঠস্বরে কথা বলতে লাগে ছেলের সাথে।।
মায়ের স্বপ্ন ও ছেলের বাস্তব অবস্থার সাথে মিলে যাওয়ায় "মা" ছেলের ফোনালাপ স্থীর হয়ে যায়।।
"মা" কে কষ্ট না দিতে দোয়া চেয়ে লাইন টা কেটে দেই।।।
অসুস্থ শরীর ও পোড়া হাতের যন্ত্রণার চেয়ে আজ মায়ের স্বপ্নের মিল ও ফোনালাপে মায়ের আবেগটাই আমাকে বেশি কষ্ট দিচ্ছি।।

ভাবছিলাম "মা" কে জিজ্ঞেস করবো।
মা গো! কেন তুমি সকালে ঘুম থেকে উঠে তোমার ছেলে কে আগুণের কাছে যাইতে বারণ করো নাই??

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (3টি রেটিং)

ঠেলার নাম বাবাজি।

এবার মাইনকার চিপায় পড়েছে ইজরাইল।

পিলিস্তিনের পাশাপাশি এবার সিরিয়া ও লেবানন থেকে রকেট হামলা ইজরাইলীদের উপর।
ইহুদিবাদী ইসরাইলের
ভেতরে সিরিয়া ও লেবানন থেকে রকেট
হামলা শুরু হয়েছে।
এতে ইসরাইলের বিশাল এলাকা কেঁপে ওঠে।
সিরিয়া থেকে ছোঁড়া রকেট
আঘাত হেনেছে ইসরাইলের
দখলে থাকা গোলান মালভূমিতে।
আর লেবানন
থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত
হানে অধিকৃত ফিলিস্তিনের
আপার গ্যালিলিতে।
ইসরাইলের সেনাবাহিনী বলেছে,
সিরিয়া থেকে কমপক্ষে পাঁচটি রকেট
আঘাত হানে গোলান মালভূমির
কয়েক জায়গায়।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক
মুখপাত্র বলেছে, কারা এই রকেট
ছুঁড়েছে তা নিশ্চিত নয় এবং তাদের
সেনারা কোনো জবাব দেয় নি।
হেতে আরো কয়, গতরাত দেড়টার
দিকে চালানো হামলায়
কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয় নি। এদিকে,
শনিবার শেষ বেলায় লেবানন
থেকে উত্তর ইসরাইলে রকেট
হামলা হয়েছে। তবে কেউ এর দায়
স্বীকার করে নি। হামলার পর ওই
এলাকায় ইসরাইলের হেলিকপ্টার
ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে বলে সংবাদ মাধ্যম জানায়।।

ছবি: 
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content