সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

স্বামী সন্তান না থাকা

Collected :

*☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀☀আয়েশা রা.-এর কোনও সন্তান ছিল না।

 যতদূর জানি, তিনি সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন, এমন কোনও তথ্যও হাদীসে নেই।

 নবীজির ঘরে খাদীজা রা.-এর ছয়টা সন্তান জন্মগ্রহণ করেছিল। চার কন্যা, দুই* *ছেলে। এটা দেখে আয়েশা রা.-এর মনেও আশা জাগা বিচিত্র কিছু ছিল না, আমারও সন্তান হোক!*

*কিন্তু তিনি সন্তানের জন্যে দু‘আ করেছেন বা নবীজির কাছে দু‘আ চেয়েছেন এমন কোনও নজীর হাদীসে নেই বলেই জানি।

আপনার রেটিং: None

আজব মুফতী

জুরাননগরের বাসিন্দা আবুল হাকাম। কায়রোতে লেখাপড়া করে দেশে ফিরে এসে পরিচিত হলেন মুফতী আবুল হাকাম জেলাফী হিসেবে। তাকে পেয়ে জুরাননগরবাসীদের যেন প্রাণটা জুড়ালো। নগরবাসীদের তো গর্বের শেষ নেই। "আমাদের ছাওয়াল কায়রো থেকে মুফতী হয়ে এসেছে!"
মুফতী আবুল হাকাম জেলাফীর প্রত্যাবর্তনের পর থেকে নগরবাসী কোন কাজ আর তাকে জিজ্ঞেস না করে করে না। কোন্ বাড়িতে খাওয়া যাবে, কোন্ বাড়িতে খাওয়া যাবে না; কাকে টাকা দেয়া যাবে, কাকে দেয়া যাবে না; কি খাওয়া হালাল, কি খাওয়া হারাম ইত্যাদি সকল কাজেই আগে মুফতী সাহেবের অনুমতি নিতে হয়। এমনকি কারো পেটে গ্যাস জমে থাকলেও তা ছাড়ার আগে অনুমতি নেবার জন্য মুফতী সাহেবের বাড়ির সামনে ভিড় করে মানুষ। আর বিপত্তি শুরু হলো এখান থেকেই।
আপনার রেটিং: None

আমাদের সমাজে মানতের ব্যাপারে কিছু প্রচলিত ভুল

আমরা অনেকেই মানত করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের মানত করে থাকি, যা যুক্তিসঙ্গত মনে হয় না। যেমন- "মসজিদে দান করা", "পুত্রসন্তান হলে হাফেজ বানানো" ইত্যাদি। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে মানতের প্রকৃত হকদার হলো গরীব ও অভাবীরা। কোরআনে কাফফারা বিষয়ক যত আয়াত আছে, তা সে রোযার কাফফারা হোক, কসমের কাফফারা হোক বা অনিচ্ছাকৃত হত্যার কাফফারা হোক, সবখানেই বলা হয়েছে মিসকিন খাওয়ানো বা দাসমুক্তির কথা। এতে বোঝা যায়, দরিদ্র বা needy ব্যক্তি- যারা খেতে পাচ্ছে না বা টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না, কিংবা বন্দীদশা বা দাসত্ব থেকে মুক্ত হতে পারছে না, তাদেরকেই দান করা উচিত। যাকাত ও সদকার ক্ষেত্রে অবশ্য বর্ণিত ৮টি খাতের মধ্যে "আল্লাহর রাস্তায়" বলে একটি খাত উল্লেখ আছে, যার মধ্যে মসজিদও অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং মসজিদে দান করার মানত করাটাও শরীয়তে সমর্থিত ও গ্রহণযোগ্য। কিন্তু অধিকাংশ মসজিদে ধনী-গরীব সকলেই নামাজ আদায় করে, ফলে এখানে দান করার দ্বারা শুধু গরীবেরা উপকৃত হয় না। তবে যেখানে টাকা দান না করলে মসজিদ নির্মাণ বা সংস্কার করা অসম্ভব, টাকার অভাবে মানুষ ঠিকভাবে নামাজ আদায় করত
আপনার রেটিং: None

ফিরে এসো মনির খান।

মনোনয়ন না পাওয়ার ক্ষোভে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী মনির খান।
বিষয়টি খুবই দু:খ জনক।
কিন্তু প্রিয় মনির খান,
অঞ্জনাকে না পাওয়ার বেদনায় নীল হতে হতে তুমি গেয়েছিলে-
"...তোমার মাথায় কত চুল,তুমি চুল পরিমাণ ভালবাসা আমায় যদি দিতে,আমি আর কিছুদিন থাকতাম বেঁচে এইনা পৃথিবীতে......।"
এই গানেই তুমি আরো বলেছ-
"....তোমার খুটে খাওয়া নখের সমান করতে যদি আপোষ,আমার হৃদয়টা যে হত তোমার পদতলের পাপোশ....।
বিএনপি নেতা-কর্মী-সমর্থক-শুভাকাংখীরা তোমাকে চুল পরিমাণ নয়,মহাসমুদ্র পরিমাণ ভালবাসে।
তোমার জন্য তাঁরা খুটে খাওয়া নখের সমান নয় দিগন্ত ছোঁয়া আসমানের সমান আপোষ করতে প্রস্তুত।
কিন্তু জোটের রাজনীতি করতে গেলে একটু আধটু ছাড়তো দিতেই হয়।আর সে কারণেই হয়ত কাউকে না কাউকে বঞ্চিত হতে হয়।
তাছাড়া,দেশমাতা কারাগারে,দেশনায়ক লন্ডনে।এমতাবস্থায় তুমি কী করে বিএনপি ছেড়ে চলে যাবে?
প্লিজ,একবার দয়া করে ভাব এবং ফিরে এসো।
তুমি কখনো পারবে বিএনপি,শহীদ জিয়া,দেশনেত্রী,দেশনায়কের কথা ভুলতে?
পারবে না।
যেমন পারনি অঞ্জনাকে ভুলতে!
কাজেই অভিমান ভুলে ফিরে এসো আপন ঠিকানায়।

আপনার রেটিং: None

Dumb যেদিন বাকশক্তি পাবে

“সেদিন সে তার নিজের (তার উপর যা কিছু ঘটেছে) সব অবস্থা বর্ণনা করবে” (সুরা আয যিলযাল, আয়াত ৪)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ আয়াতটি পড়ে সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন: "তোমরা কি জানো তার সেই অবস্থা কি? লোকেরা বললো, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা:) ভালো জানেন। তখন রাসুল (সা) বললেন: "সেই অবস্থা হচ্ছে, যমীনে (পৃথিবীতে) প্রত্যেক মানব মানবী যে কাজ করবে সে তার সাক্ষ্য দেবে। সে বলবে, এই ব্যক্তি উমুক দিন একাজ করেছিল। (মুসনাদ আহমাদ, তিরমিযী, নাসাঈ। বর্ণনাকারী: আবু হুরাইরা রা:) 

আর একটি হাদিসে বর্ণিত: " কিয়ামতের দিন যমীন এমন প্রতিটি কাজ নিয়ে আসবে, যা তার পিঠের ওপর করা হয়েছে। " তারপর তিনি এই আয়াতটি তেলাওয়াত করেন। (মুসলিম, তিরমিযি। বর্ণনাকারী: আনাস ইবনু মালিক রা:)

আপনার রেটিং: None

প্রসঙ্গ:বিএনপি বিরোধী প্রচারণা বনাম বিএনপি'র নীরবতা।

নির্বাচনকে সামনে রেখে কয়েকটি টিভি চ্যানেল লাগাতার বিএনপি বিরোধী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
উদাহরণ স্বরুপ: ৭১ টিভি,DBC,ATN NEWS,সময় টিভি উল্লেখযোগ্য।
এসব চ্যানেলের প্রচারণা দেখে মনে হচ্ছে বিগত ১০ বছর হয়ত বিএনপিই দেশ শাসন করেছে!
অথচ বিগত ১০ বছরে বিএনপি ও তার মিত্রদের ওপর যে পরিমাণ নির্যাতন চালানো হয়েছে তা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।
অথচ সেসব বিষয়ে এসব 'দলকানা' চ্যানেলগুলো একেবারে নীরব।
এমনকি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের ব্যাপারেও চ্যানেলগুলো বোবা হয়ে আছে।
ইলিয়াস আলী গুমের কথাতো এরা হয়ত ভুলেই গেছে।
বিশ্বজিত হত্যাকান্ড,বরিশাল পলিটেকনকে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রকাশ্যে কোপাকুপির খবর এখন আর এসব চ্যানেল মনে রাখেনি।
ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগের লাগাতার সন্ত্রাস-দু:শানের কথা আজ আর দলকানা টিভি চ্যানেলগুলো প্রচার করে না।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

ফেরকা-মাযহাব বিভেদের আসল রহস্য

ফেরকা ও মাযহাব নিয়ে কোন্দল ও দলাদলির রহস্য বলতে যা আবিষ্কার করেছি তা হলো, এগুলো যতটা না ধর্মীয় ও মতাদর্শগত মতভেদপ্রসূত, তার চাইতে অধিক হচ্ছে (১) অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, (২) অহংকার ও ব্যক্তিত্বের সংঘাত এবং (৩) রাজনৈতিক ও আধিপত্য বিস্তারের লড়াই থেকে উদ্ভূত। প্রথম দুটির সাথে সম্পৃক্ত আছেন বিভিন্ন ফেরকা ও ঘরানার আলেমগণ, আর শেষোক্তটির সাথে জড়িত আছেন দরবারি আলেম, ইমাম, রাজা-বাদশাহ ও রাজনীতিবিদগণ।
হুজুরদের অর্থবিত্ত ও সম্মান-প্রতিপত্তির মূল যে দুটো মাধ্যম ও উৎস দেখতে পেয়েছি তা হলো- (ক) ওয়াজ, লেকচার বা বক্তৃতা এবং (খ) রুকিয়া বা ঝাড়ফুঁক তথা যাদু ও জিনের চিকিৎসা। প্রথমটিতে সালাফী আলেমরা তুলনামূলকভাবে বেশি এগিয়ে আছেন বিধায় সুফী ও দেওবন্দী আলেমদের রিযিক নষ্ট হচ্ছে, তাই তারা ক্ষুব্ধ। আবার দ্বিতীয়টিতে সফলতা ও কার্যকারিতার দিক থেকে সুফী ও তাবলীগী আলেমরা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ও অগ্রগামী থাকায় সালাফী ও কোন কোন দেওবন্দীরা অর্থ ও সুনামের দিক থেকে লোকসানের শিকার হচ্ছেন, তাই তারা হতাশ, উদ্বিগ্ন ও পেরেশান।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

একটি শিক্ষনীয় ঘটনা

ঘটনাটি ইংরেজ আমলের। এক ব্যক্তির মহিষ চুরি হলে সে ইংরেজের কোর্টে মামলা দায়ের করে। আসামী করা হয় তারই এক প্রতিবেশীকে। 

ইংরেজ জজ একজন বিজ্ঞ মানুষ ছিলেন, ন্যায় বিচারের খ্যাতিও ছিল তার।

বাদী অর্থাৎ যার মহিষ চুরি হয় সে ছিল হিন্দু। নাম যাদব। আর যাকে আসামী করা হয় সে ছিল মুসলিম। নাম আবদুল করিম।

বিচারের দিন ইংরেজ জজ যাদবকে জিজ্ঞেস করলেন: যাডব, টোমার কোন সাক্ষী আছে?

যাদব বললো: হ্যা আছে। আসামীর বড় ভাই আবদুল আযিয।

আবদুল আযিয একজন মুত্তাকী পরহেজগার লোক ছিলেন। সততা ও আমানতদারীতে তিনি এতটাই প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন যে, যাদব জানতো, দুনিয়া উল্টে গেলেও এ ব্যক্তি কখনো মিথ্যা কথা বলবেননা। তাই আসামীর সহোদর হওয়া সত্বেও যাদব তাকেই নির্দ্বিধায় সাক্ষী মানে।

সাক্ষী আবদুল আযিযকে কোর্টে এসে সাক্ষ্য দিতে অনুরোধ করা হয়। আবদুল আযিয বললেন: আমি ইংরেজের মুখ দর্শন করিনা। কোর্টে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসেনা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

কৃতজ্ঞতা কোন্ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

যারা কোনো ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী, সম্প্রদায় বা বিশেষ কোন রাষ্ট্রের প্রতি অন্ধ আনুগত্য পোষণ করেন, তারা নিজ সমর্থিক গোষ্ঠীকে ভালো প্রমাণ করা ও সমালোচনার ঊর্ধ্বে রাখবার জন্য হাস্যকর সব যুক্তি পেশ করে থাকেন। নিজের প্রিয় ও আরাধ্য গোষ্ঠীর বিরোধী ও সমালোচকদের কথা স্মরণ করতে গিয়ে তাদের প্রতি বিদ্রূপের স্বরে বলে থাকেন, "দেশের মানুষ অমুক দেশের পিঁয়াজ খায়, আবার তাদেরকেই গালি দেয়।" অর্থাৎ, তারা বোঝাতে চান, ওরা যেহেতু আমাদের পিঁয়াজ খাওয়াচ্ছে, কাজেই আমাদের উচিত সর্বাবস্থায় তাদের শুকরিয়া আদায় করা, তাদের ন্যায়-অন্যায় সকল কাজ, আচরণ ও আবদার হাসিমুখে মেনে নেয়া এবং তাদের দ্বারা ঘটিত উপকার-অপকার সবই স্বাগত জানানো। এমন ভাব জনগণের মাঝে না পেয়ে এ জাতিকে তারা অকৃতজ্ঞ জাতি মনে করে হা-হুতাশ ও মাতম করতে থাকেন এবং জনগণের উদ্দেশ্যে খোঁটা শোনাতে থাকেন।
আপনার রেটিং: None

ভদ্রতা অর্জন করতে হয়

আজকে আমাদের স্কুলে বাচ্চাদের ক্লাস পার্টি ছিলো। ভীষণ ধুমধাড়াক্কা হয় এই পার্টিতে। বাচ্চাদের পার্টি শেষে তারা চলে গেলে আমরা শিক্ষকেরা খাওয়াদাওয়া করি। কখনো কোনো রেস্টুরেন্ট থেকে অর্ডার করে স্কুল ক্যাম্পাসে খাবার আনাই, কখনো বাইরে কোথাও খেতে যাই।

আজ আমরা গিয়েছিলাম The Cafe Rio Uttara তে। পুত্রকে তার স্কুল থেকে আনিয়ে সাথে নিয়ে খেতে গেলাম, কন্যা আরো পরে গেলো। যাবার পরপরই এক মিস আমাকে জানালো আমাদের দুই মিস নাকি তাদের ব্যাগে খাবার ভরেছে। অবাক হলাম। 

পরে সেই দুই মিসের একজন সেই মিসকে (যে আমাকে জানিয়েছে) চার্জ করেছে আমাকে কী বলেছে, কেন বলেছে। তারপর তার নিজের সিটে এসে আমাকে বলে, "মিস, আমি ৪/৫ টা জিনিস আমার ব্যাগে নিছি। প্লেটে নিছিলাম, খাইতে পারিনাই। আমি না খাইলে এই জিনিসগুলি তো তারা ফেলেই দিতো। তাই আমি ব্যাগে নিয়ে নিছি। এইটারে নেগেটিভলি নেয়ার কিছু নাই, ঠিক আছে?" 

আপনার রেটিং: None
Syndicate content