সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

এ ঘটনাও নবুয়াতের সত্যতার প্রমাণ

মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি প্রথম অহী নাযিলের পুবাপর ঘটনাই নবুয়াতের সত্যতার আরেক প্রমাণ। 

বিভিন্ন সহীহ সনদে (উরওয়া ইবন যুবাইর, আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে) বর্ণিত: 

“অহী নাযিলের পর রাসুল সা. ভীত কম্পিত অবস্থায় ঘরে ফিরে খাদিজা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) কে বললেন: আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও, আমাকে কম্বল জড়িয়ে দাও। তাকে কম্বল জড়িয়ে দেয়া হলো। ভীত কম্পিত অবস্থা দুর হলে তিনি খাদিজা রা. কে বললেন: হে খাদিজা, এ আমার কি হয়ে গেল? অত:পর হেরা গুহার ঘটনা আদ্যোপান্ত বর্ননা করলেন এবং বললেন: আমার নিজের জীবনের ভয় লেগে গিয়েছে। শুনে খাদিজা রা. বললেন: কক্ষনোই না। আল্লাহর শপথ, তিনি আপনাকে কখনোই লাঞ্চিত করবেননা। আপনিতো আত্বীয় স্বজনের সাথে ভালো ব্যবহার করেন, সত্য কথা বলেন। মানুষের আমানতসমুহের হেফাজত করেন। অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন। আপনাকে আল্লাহ কখনোই বিপদগ্রস্থ করবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

নন্দিতা

নন্দিতার আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। আজ থেকে ঠিক একবছর আগে আত্নহত্যা করে সে। ইন্টারমিডিয়েটে পড়াকালীন, টুটুল নামে তারই সহপাঠী এক ছেলের সাথে প্রেম ছিলো নন্দিতার। টুটুল কোটিপতির ছেলে। টাকা পয়সার অভাব ছিলোনা। প্রতি মাসে সে হাত খরচের জন্যই পেতো পঞ্চাশ হাজার টাকা। এতো টাকা সে খরচ করবে কোথায়? সপ্তাহে একবার দিনের বেলায় কয়েক ঘন্টার জন্যে হোটেল ভাড়া করতো সে। সাথে থাকতো স্ত্রী পরিচয়ে নন্দিতা। বাসায় ফিরতে কখনো দেরী হলে নন্দিতা মাকে বলতো: বান্ধবী থেকে নোট নিতে গিয়ে দেরী হয়ে গেছে। এভাবে কেটে গেছে এক বছর। তাদের গোপন প্রেমের খবর কারোর পরিবারই জানতোনা। কিন্তু গাড়ী নিয়ে একদিন এক অনর্থ ঘটলো। টুটুলের বাবা তার বিদেশী পার্টনারদের সাথে মিটিং করতে একদিন সে হোটেলে যান। একি! টুটুলের গাড়ী হোটেলের সামনে কেনো? এটিতো তার কলেজ পার্কিংয়ে থাকার কথা। 

টুটুলের বাবা পাকা লোক। মুহুর্তেই তিনি বের করে ফেলেন আসল রহস্য। দু’পরিবারেই ঘটনা জানাজানি হয়ে যায়। টুটুল তার একরোখা বাবাকে খুব ভয় পেতো। সে ভাল করেই জানতো রেলওয়ের টিটি পরিবারে বিয়ে করাতে কখনোই তার বাবা রাজী হবেননা।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বিবাহ

অবাধ যৌনাচারের মুলোৎপাটনে ইসলাম একটি অনিন্যসুন্দর বিধান দিয়েছে। মুলত: এ বিধানই হচ্ছে চারিত্রিক অবক্ষয় রোধের প্রধানতম হাতিয়ার। আরবীতে এর নাম نكاح নিকাহ। এ বিধানের মাধ্যমেই একজন নারী অপর একজন পুরুষের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের বৈধ স্বীকৃতি লাভ করে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

চাঁদে লাগানো গাছটি কেনো মরে গেলো?

নয়াদিগন্ত অনলাইন। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।

মহাকাশ নিয়ে মানুষ গবেষণা করে সামান্য কিছুই জানতে পেরেছে। গবেষকরা চাঁদ বা মঙ্গল গ্রহে প্রাণী বসবাসের উপযোগী পরিবেশ আছে কিনা বা পরিবেশ তৈরি করা যায় কিনা সেই চেষ্টা করে যাচ্ছে।

চাঁদের বুকে কোনো উদ্ভিদ নেই। এখন পর্যন্ত মানুষ চাঁদের বুকে উদ্ভিদের অস্তিত্ব খুঁজে বের করতে পারেনি।

খুঁজে পায়নি তাতে কি, তাই বলে কি চাঁদে উদ্ভিদ থাকবে না? এমন অবাস্তব ধারণার বাস্তব রূপ দিতে চীনের নভোযান ‘চ্যাং আ ফোর’ বিশেষ ক্যাপস্যুলে করে কিছু উদ্ভিদের বীজ চাঁদে নিয়ে যায়।

বিশেষ ব্যাবস্থায় সেই বীজগুলো রোপনও করা হয় সেখানে। সেগুলো ছিল তুলাগাছের বীজ। সময়ের আবর্তে সেগুলো থেকে জন্ম নেয় চারাগাছ। আর সেই সাথে সৃষ্টি হয় এক নতুন ইতিহাস। এই নীলাভ গ্রহের বাইরে অন্য এক ভূখণ্ডে এই প্রথম কোথাও রোপন করা বীজ থেকে জন্ম নিল গাছ! অবিশ্বাস্য! তাইতো এই গাছকে নিয়ে মানুষের মনে কৌতুহলের শেষ ছিল না। সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল এই দেখতে যে শেষ পর্যন্ত কি হাল হয় এই গাছের।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

৭২ ফেরকা প্রসংগ

প্রশ্ন: একটি হাদিসে বলা হয়েছে: মুসলিম উম্মাহ বাহাত্তর গোষ্ঠিতে বিভক্ত হবে, তন্মধ্যে একটি মাত্র গোষ্ঠি বা ফের্কা পরকালে মুক্তি লাভ করবে। আর বাদ বাকি সকল গোষ্ঠি হবে দোযখবাসি। আমি এই হাদিসটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে ইচ্ছুক। এ হাদিসটি কি সহীহ ও  প্রামাণ্য, না দুর্বল ও মনগড়া? যদি হাদিসটি সহীহ হয় তাহলে মুক্তি লাভকারী ফের্কা কোন্‌টি? সেই ফের্কাটি ছাড়া সকল ফের্কা কি স্থায়ীভাবে বা সাময়িকভাবে দোযখে যাবে? বাহ্যত এ ব্যাপারটা বড়ই উদ্বেগজনক ও ভয়াবহ যে, উম্মতের বেশিরভাগ লোকই আগুনের শাস্তি থেকে নিস্তার পাবেনা এবং দোযখের যোগ্য হবে।

জওয়াব: মুসলিম উম্মাহর বহুধা বিভক্তির ব্যাপারে যে হাদিস সম্পর্কে আপনি জানতে চেয়েছেন, ওটা সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিমে নেই। তবে আবু দাউদ, তিরমিযী ও ইবনে মাজাতে আছে। আবু দাউদের 'কিতাবুস সুন্নাহ' (সুন্নাহ সংক্রান্ত অধ্যায়) তে বর্ণিত একটি হাদিসের ভাষা নিম্নরূপ:...............

অন্য একটি বর্ণনায় নিম্নের কথাটি সংযোজিত হয়েছে : ...........................................

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

যিনা

কুরআন এ কর্মকে পরিবার, সমাজ ও মানবীয় সভ্যতার প্রধানতম শত্রু বলে ঘোষণা করে। কারন এ দুস্কর্মটি সভ্যতার মূল বুনিয়াদকেই ধ্বংস করে দেয়। কুরআন বলে যে, “যিনার নিকটেও যেয়োনা” (সুরা আল ইসরা ৩২)।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “দু’চোখ যিনা করে, জিহবা যিনা করে, দু’হাত যিনা করে, দু’পা যিনা করে অত:পর যৌনাংগ তার সত্যতা (অর্থাৎ পরিপুর্ণতা সাধন করে) কিংবা অসত্য হওয়া প্রমাণ করে (তিরমিযি, আবু দাউদ)।

উকবা ইবন আমের (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত: রাসুল সা: বলেন: “সাবধান, নিভৃতে নারীদের নিকট যেয়োনা। জনৈক আনসার সাহাবী বললেন: হে আল্লাহর রাসুল দেবর সম্পর্কে আপনার নির্দেশ কি? রাসূল সা: বললেন: সে তো মৃত্যুর ন্যায়”। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযি)

অন্য এক হাদিসে এসেছে: “স্বামীর অনুপস্থিতিতে তোমরা কোনো নারীর নিকটে যেয়োনা। কারন শয়তান তোমাদের যেকোন একজনের মধ্যে রক্তের ন্যায় প্রবাহিত হবে” (তিরমিযি)।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নারীদের নিকাব

রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তার সাহাবীদের যুগে 

 ولا يبدين زينتهن الا ما ظهر منها

  

(তাদের সাজ সজ্জা না দেখায়, যা আপনা আপনি প্রকাশিত হয়ে পড়ে সেটি ছাড়া, সুরা আন নুর ৩১) আয়াত দিয়ে বোঝানো হতো  চাদর/নিকাব/জিলবাব/বোরকা/জুতা ইত্যাদির কারুকাজ, হাত ও পায়ের কবজি থেকে আংগুল, পায়ের পাতা, মেহেদীর রং ইত্যাদি। কিন্তু আধুনিক যুগের কতিপয় আলিম অত:পর এসবের সাথে চেহারাকেও শামিল করে নিয়েছেন। এইসকল আলিমগন আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর বরাত দেন। কিন্তু তারা এটা উল্লেখ করতে বিরত থাকেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) চেহারা খোলা রাখার অনুমতি দেবার কিছুকাল পরেই (যুবক যুবতীদের মধ্যে ফিতনার আশংকা দেখা দিলে) আবার তা রদ করে দিয়েছিলেন। তারা এটা উল্লেখ করেননা যে, এই আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাসই (রা) পরবর্তীতে মুসলিম মহিলাদের জন্য শুধু একটি কিংবা দু’টি চক্ষু ছাড়া জিলবাব দ্বারা পুরো মাথা ও মুখমন্ডল ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। (দ্রষ্টব্য: তাফসীর তাবারী)

ইতিহাসের নিরিখে নিকাব : 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

একটি প্রশ্ন

আল্লাহ নাকি রিযিকদাতা, তাহলে মানুষ না খেয়ে মরে কেন? কেনইবা ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্য এতো যুদ্ধ?

প্রশ্নগুলো আমার এক ছাত্রের। প্রশ্ন একজনে উপস্থাপন করলেও একই জিজ্ঞাসা আরও ছয়জনের। আমি অবাক হইনি। কারন বাচ্চাদেরকে মায়ের উদরে শিক্ষাদানের কোনো ব্যবস্থা আল্লাহ করেননি। এ দায়ীত্ব আল্লাহ অর্পণ করেছেন পিতা/মাতা/অভিভাবক বা শিক্ষালয়ের উপর। তারা যদি এ দায়ীত্ব যথাযথ পালন না করেন তাহলে প্রশ্ন এমনটাই আসার কথা।

যাহোক, প্রশ্ন যেহেতু আমাকে করা হয়েছে, উত্তর আমাকে দিতে হবে এবং তা কুরআন থেকে। আল্লাহর কৃপায় জওয়াবের সুত্র আমি পেয়েও গেলাম।

সুরা হুদ এর ৬নং আয়াতে আল্লাহ দাবী করেছেন যে, ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণকারী এমন কোন প্রাণী নেই, যার রিযকের দায়ীত্ব আল্লাহর উপর নেই।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

বিবর্ণ পৃথিবীতে সুবর্ণ সুযোগ

পৃথিবী আজ করোনা মহামারীতে বিবর্ণ। প্রতিদিন অসুস্থতার গুণতি বেড়েই চলেছে। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ওপারের যাত্রীরা, দীর্ঘ হতে দীর্ঘতর হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল।

এ ঘন দুর্যোগে আমাদের সম্মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল রমাদ্বানের মত কল্যাণময় মাস। দুইটি দশক পার করে ফেলেছি আমরা। জানিনা কি অর্জন পেয়েছি ওপারের সঞ্চয়ে। তবে আজ থেকে এমন এক সঞ্চয়ের দুয়ার উন্মুক্ত হলো যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল হয়ে আছে বিগত প্রায় পনরশ' বছর ধরে। তা হলো "লাইলাতুল কদর" বা "মহিমান্বিত রাত"।

আকাংখা, সাধনা ও সাফল্য হোক আগামী দশ দিনে আমাদের নিত্য সঙ্গী। ইন শা আল্লাহ।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

যাকাতের কিছু অপ্রকাশ্য উৎসমুখ

যাকাতের বিধান, খাত ও এসম্পর্কিত যাবতীয় মাসায়েল একটি ব্যাপক ও জটিল বিষয়। এ ক্ষুদ্র পরিসরে তা তুলে ধরা সম্ভব নয়। তবে অধুনা অর্থ বিনিয়োগ বা লগ্নিকরণের নতুন নতুন খাত সৃষ্টি হওয়ায় যাকাত দাতাদের মধ্যে যে জিজ্ঞাসা ও দ্বিধা-দ্বন্ধের সৃষ্টি হচ্ছে তা নিয়ে মত বিনিময় করা পূণ্যের কাজ বলে আমি মনে করি।  

যেমন উদাহরণস্বরুপ নাবালেগের নামে বিভিন্ন ফিক্সড ডিপোজিট।

বেশ কয়েকজনের সাথে আমি এ নিয়ে আলোচনা/অনুসন্ধান করেছি। কেউ বলেছেন: “টাকাটিতো নাবালেগের নামে, নাবালেগের কি যাকাত আছে”?

কেউ বলেছেন: “এ টাকার যে যাকাত দিতে হবে তা আমি জানতামনা”।

কেউ প্রশ্ন করেছেন: “শেয়ারেরও যাকাত আছে”?

ইত্যাদি ইত্যাদি।

যাহোক, সম্মানীত পাঠক/পাঠিকাদের সমীপে আলোচিত সে খাতসমুহ (ফকীহদের রায়সহ) আমি তুলে ধরছি:

ইয়াতীমের সম্পদ/নাবালেগ সন্তানের নামে ব্যাংকে এফ ডি আর:

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content