সত্য বলা, চলা ও প্রচারই হোক বিসর্গের ভাষা...

কম্পিউটার ডিজিটাল টেকনোলজি বিশ্বের এক আশ্চর্য বিষয়!!

কম্পিউটার ডিজিটাল টেকনোলজি যুগের এক অনন্য অবদান! এটা দিয়ে এখন অফিস আদালত থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে! কম্পিউটারের মাধ্যমে এখন অনেক কঠিন জিনিস সহজ ভাবে উপস্হাপন করা যায় অতি স্বল্প সময়ে! এটা আমাদের জীবনকে করে তুলেছে গতিময় করে!
সময়কে করেছে অনেক নিয়ন্ত্রণ এখন আর সময় নিয়ে আমাদের আর ঝামেলা পোহাতে হয় না,সময় এখন আমাদের হাতের মুঠোয়!
এই কম্পিউটার হলো আমাদের বিজ্ঞান এর একটি বড় অবদান,যা কখনোই ভোলার বিষয় নয়! আমাদের সবসময়ই মাথায় রাখতে হবে কম্পিউটার একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপহার দিয়েছে,যা এর মর্মার্থ বুঝতে আমাদের একটা নির্দিষ্ট কাল পার হয়ে যাবে তবুও কম্পিউটারের সবকিছু সম্পর্কে অগাধ জানা সম্ভব হবে না,যা অত্যন্ত কঠিন বিষয়! তারপরও এতটাই গবেষণা করতে হবে যে জেনো আমরা এর থেকে প্রয়োজনীয় নতুন কিছু বের করতে পারি!
তাই আমাদের এর প্রয়োজনীয়তা বুঝে এটার গুরুত্ব দেওয়া অপরিসীম বিষয়৷

টিউনবাজ

আপনার রেটিং: None

হজ হোক নিরাপদ

হজ হোক নিরাপদ :

%%%

মহিলা হাজিরা যেভাবে  সাবধানে থাকবেন  :

হারিয়ে গেলে কি করবেন ?

১/  হারিয়ে গেলে ভয় পাবেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখবেন ।অনেক

মহিলাকে দেখেছি হাউ মাউ করে কান্নাকাটি করতে । এতে কিন্তু

সমস্যার সমাধান হয় না । আপনি  তাড়াতাড়ি ক্লান্ত,  আরও ভীত হয়ে পড়বেন । এতে সমস্যা বাড়বে।

আপনার রেটিং: None

কবিতার নাম যখন "বৃদ্ধাশ্রম"

বৃদ্ধাশ্রম

মাঈন উদ্দিন

basrimyin@gmail.com

তুই তো কপালপোরা,সত্তি করে বল মা-

তোর পেটের সন্তানের যখন এতটুকো মায়া নেই

ফেলে আসে তোকে আশ্রমের বুকে,কেন করিস তারে ক্ষমা?

হয়ত তোর বয়স চল্লিশ পেরিয়ে ষাট কিংবা অশীতিপর বৃদ্ধা

তাই বলে এই হবে তোর গর্বে থাকা বৎসের তোর প্রতি শ্রদ্ধা?

তোর রুগ্ন-ভগ্ন এই শরীর বোঝা মনে হয় তার

হায়! এই বুঝি মায়ের প্রতি সন্তানের বিচার?

কাঁদিসনে মা,আর কী-ই বা বলতে পারি তোকে?

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

আমার প্রিয় বিজ্ঞানী-নিকোলাস কোপার্নিকাস

আমার প্রিয় বিজ্ঞানী আধুনিক জ্যোতির্বিদ্যার জনক নিকোলাস কোপার্নিকাস,আইন্সটাইন যাকে বলেছেন "আধুনিক বৈজ্ঞানিক যুগের পথিকৃৎ" কারণ তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই সম্ভব হয়েছে কেপলার,গ্যালিলিও,নিউটনের যুগান্তকারী আবিষ্কারসমূহ যা জ্যোতির্বিজ্ঞানের মধ্যযুগীয় ভ্রান্ত ধারণা মুছে দিয়ে জ্ঞানবিজ্ঞানে বিপ্লব ঘটায় যা Copernican Revolution নামে বিজ্ঞানের ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
কোপার্নিকান এর অবদানেই আমরা পেয়ে যায় আমাদের সৌরজগতের আসল পরিচয় Heliocentric Model,পৃথিবীর ও অন্যান্য গ্রহ-উপগেহের গতিপথের ধরন,পৃথিবী থেকে অন্যান্য গ্রহসমূহের দূরত্ব,পৃথিবীর অক্ষীয় ঘূর্ণন ইত্যাদি।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নামাযের পূর্বে দেখা আজব দুটি দৃশ্য!

নামাযের পূর্বে দুটি আজব দৃশ্য দেখা যায়। এর একটি দৃশ্য আমাদের উপমহাদেশের, আরেকটি দৃশ্য দেখা যায় স্বয়ং মদীনাতে।
# প্রথম দৃশ্যটি হলো এস্তেঞ্জার পরে ওজুর পূর্বে সকলের সামনে লুঙ্গি উঁচিয়ে ভিতরে হাত ঢুকিয়ে পায়চারি করা।
# আর দ্বিতীয় দৃশ্যটি হলো নামাজের একামত দাঁড়ানোর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত মসজিদে দাঁড়িয়ে মেসওয়াক দিয়ে দাঁত ঘষতে থাকা।
আক্কেল জ্ঞান বা কমন সেন্স তথা স্বাভাবিক বুদ্ধি না খাটিয়ে হবহু আক্ষরিক অর্থ গ্রহণ যে কতটা হাস্যকর দৃশ্যের অবতারণা করতে পারে, দ্বীনের সৌন্দর্য ও ভাবমর্যাদাকে ক্ষুন্ন করতে পারে, দ্বীনের শত্রুদের কাছে দ্বীনকে উপহাসের খোরাকে পরিণত করতে পারে, তারই এক করুণ চিত্র হচ্ছে এ দুটি দৃশ্য। আক্ষরিক অনুসরণের নমুনা হলো:- "রান্নার বইতে তো আর চুলা ধরানোর কথা লেখা নেই!"
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

খলের ছল

গ্রামের প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া। জোর-জুলুম করে মানুষের জায়গা-জমি দখল করাই তার পেশা। বাধা পেলে মানুষকে রাতের অন্ধকারে গুম করে দেয়। এভাবে সে বহু গ্রামবাসীর জমি হাতিয়ে নিতে পারলেও নিজের ঘরের কোল ঘেষা প্রতিবেশী রজব মাস্টারকে নতি স্বীকার করাতে পারেনি। রজব মাস্টার তার বসতবাড়ি ও জমি ছেড়ে দিতে আদৌ রাজি নয়।
সুযোগ খুঁজতে থাকে সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া। এক শীতের মওসুমে রজম মাস্টারের স্ত্রী ও সন্তানেরা যখন রজবের শ্বশুর বাড়িতে (অর্থাৎ, তার সন্তানদের নানাবাড়িতে) গেল এবং সে নিজে কিছু কাজ সম্পন্ন করার জন্য নিজের বাড়িতে একা থেকে গেল, তখন সন্ত্রাসী চুন্নু মিয়া সেই সুযোগ গ্রহণ করে। রাতের অন্ধকারে একদল সন্ত্রাসী সাঙ্গোপাঙ্গোকে সাথে নিয়ে রজব মাস্টারের বাড়িতে হানা দেয় এবং তাকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। এক রাস্তার পাশে নদী বা বিলের ধারে নিয়ে রজব মাস্টারকে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে দেয়া হয়। ঘটনাক্রমে উক্ত নদীর/বিলের পাড়ে ৬ জন গ্রামবাসী মাছ ধরছিলো। তারা হলো রহিম, করিম, সাদেক, আমর, কাদের ও নছিমন বিবি।
আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 4 (টি রেটিং)

আল্লাহর অস্তিত্ব সম্পর্কে ১

আকাশ ও পৃথিবীর ব্যবস্থাপনা, মাটি, পানি, বাতাস, বায়ু মন্ডল, জীব জন্তু, গাছপালা ও বন জংগল ইত্যাদির গবেষণালব্ধ জ্ঞান আমাদেরকে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া কোন ব্যাপার এটি নয় বরং এর পেছনে জ্ঞানবান কোনও এক সত্তার অস্তিত্ব বিদ্যমান। 

আধুনিক বিজ্ঞান এ সত্য আজ স্বীকার করে নিয়েছে যে, প্রাণের উৎপত্তি, বিকাশ ও তাদের জীবন ধারণের জন্য মাটিতে, বায়ুমন্ডলে একটা পরিমিত পর্যায়ে কার্বন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফেট, সালফার, অক্সিজেন, জলীয়বাস্প এবং তাপমাত্রা থাকতে হবে। যদি পরিমাণ নির্ধারণের হিসাব নিকাশে ভুল হয় তাহলে মাটি উদ্ভিদ লতা গুল্ম জন্মাতে ব্যর্থ হবে।

অনুরুপভাবে শুধুমাত্র চন্দ্র, সুর্য, পৃথিবী এবং এ সৌরমন্ডলের গবেষণাও আমাদেরকে বলে দেয় যে, কেউ একজন সেকেন্ড মিনিট, ঘন্টা এবং ইঞ্চি, কিলোমিটার হিসেব করে এগুলো স্থাপন করেছে। যদি হিসেবে সামান্যও ভুল হতো তাহলে এগুলো চলমান থাকতোনা, একটার সাথে আরেকটার সংঘর্ষ ঘটে সৃষ্টির সাথে সাথেই তা আবার ধ্বংসও হয়ে যেত।

আপনার রেটিং: None

ইহা কোন ইসলাম?

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, ‘একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক খেজুর বিক্রেতার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি খেজুরের স্তূপে হাত ঢুকিয়ে দেখলেন যে, উপরিভাগে শুকনো খেজুর দেখা গেলেও নীচের দিকে রয়েছে ভেজা খেজুর।

তিনি বললেন, ‘ওহে দোকানের মালিক! এটি কি? জবাবে দোকানী বলল, হে আল্লাহর রাসুল! বৃষ্টির কারণে এরূপ হয়েছে। এ কথা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন-

তুমি ভেজা খাদ্যশস্য ওপরে রাখলে না কেন? তাহলে তো ক্রেতাগণ এর অবস্থা দেখতে পেত (প্রতারিত হতো না)। যে ধোকা দেয় সে আমার উম্মতের মধ্যে গণ্য হবে না। (মুসলিম, মিশকাত)

টীকা:

বৃষ্টি ভেজা খেজুর কোন ক্ষতিকারক জিনিস নয়। কিন্তু তথাপি এ অবস্থা দেখে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছিলেন যে, “যে মানুষকে ধোকা দেয় সে আমার উম্মাতের দলভুক্ত নয়”।

এ যুগের ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট (যা দিয়ে এখন মিষ্টি বানানো হয়), ইথরিল, ইথাইনিল, কারবাইড ইত্যাদি দেখে রাসুল সা: কি বলতেন????

আপনার রেটিং: None

কল্কি অবতার

ভারতের এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড: বেদ প্রকাশ তার “কল্কি অবতার এবং মোহাম্মাদ সাহেব” গ্রন্থে লিখেছেন: 

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

নুহ আ: এর প্লাবন সম্পর্কে

“নির্দেশ হইল: হে যমিন! তোমার সব পানি গিলিয়া ফেল, আর হে আকাশ থামিয়া যাও। অত:পর পানি যমিনে বসিয়া গেল, ফয়সালা চুড়ান্ত হইয়া গেল। কিশতী জুদী পবতগাত্রে আসিয়া ভিড়িল.......” (সুরা হুদ, আয়াত ৪৪)

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)
Syndicate content