মানবাধিকার সংগঠনগুলো নীরব কেন?

গত কয়েক দিন যাবত দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের গুলিতে মানুষ মারা যাচ্ছে।বিএনপি ইতোমধ্যেই যাকে 'গণহত্যা' বলে আখ্যা দিয়েছে।নিহত লোকজন যে দল বা মতেরই হোক না কেন,সর্বোপরি তারাতো আমাদের দেশের নাগরিক।সে হিসেবে এ ধরনের মৃত কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়।কিন্তু এ ক্ষেত্রে আমরা দেখলাম মানবাধিকার সংগঠনগুলো নীরবতা পালন করছে।অথচ বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময়,অপেক্ষাকৃত তুচ্ছ ঘটনায়ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো হাকডাক শুরু করে দিত।তবে কি বর্তমানে মানবাধিকারের সংগা পাল্টে গেছে,না পাল্টানো হয়েছে?নাকি মানবাধিকার সংগঠনগুলো রাজনৈতিক দৃষ্টিভংগী নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে?
'আইন ও সালিশ কেন্দ্র' নামক মানবাধিকার সংগঠনটি এবং এর নেত্রী সুলতানা কামাল আজ বিস্ময়করভাবে নীরব।বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় যাঁর মুখে খই ফুটত,তাঁর এ নীরবতার কারণকি রাজনৈতিক !
আসলে রাজনৈতিক কারণে মানবাধিকারের সংগা পাল্টানো হয়ত বাংলাদেশেই সম্ভব,অন্য কোথাও নয়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)

মানবাধিকার নয় আওয়ামী অধিকার! আইন রক্ষা করতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি করেছে - সাবাস! বহুদিন পর মুখ খুলে আওয়ামী অধিকারকর্মী যে বক্তব্য দিলেন তাকে কি দৃশ্যপট পরিষ্কার হয়নি? যত আইন বিরোধী দলের জন্য আর মুসলমান মারার জন্য? চাপাতি লীগ, বাম আর সরকার দল কি তবে আইনের উর্ধ্বে বাষ্প হয়ে উঠে পড়েছে? একদিকে বিরিয়ানির প্যাকেট অন্যদিকে ঝাকে ঝাকে বুলেট উপহার - মানবাধিকার(!) আর কি বুঝতে হবে?

আওয়ামীলিগ তাদের সুবিধার জন্য ১০/১৫টা মানবাধিকার সংস্থা দাঁড় করিয়েছে কয়েক দশকে। তার সার্ভিস তারা পাচ্ছে। এখন আমারে বলেন, গত চল্লিশ বছরে ইসলামপন্থীরা কয়টা মানবাধিকার সংগঠন দাঁড় করিয়েছে?

আমি একটা বিষয় বিভিন্ন জায়গায় বলার চেষ্টা করি, তা হলো- শেখ মুজিব যে ভুল করেছে, শেখ হাসিনা তা করেনি। কিন্তু মুজিব ও মুজিব-কন্যার পথ অভিন্ন।
শংকা বোধ করছি দেশের স্বাধীনতার সুরক্ষার বিষয়ে।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 5 (টি রেটিং)