প্রসংগ :সংখ্যালঘু নির্যাতন

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা আওয়ামীলীগের ভোট ব্যাংক বলে ধরা হয়।যদিও এটা কতটা সঠিক তা বোঝা যায় না।অথচ সেই আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকতেই আজ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়ি-ঘর-উপাসনালয় হামলা,ভাংচুরের শিকার হচ্ছে।
কিছুদিন আগে,কক্সবাজারে সংঘঠিত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা ভাংচুরের ঘটনায়,সরকার বিএনপিকে দোষারোপ করলেও পরবর্তীতে মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেল,স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ঘটনার আগে মিছিল-শ্লোগানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।আবার বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াত-শিবিরকে দোষারোপ করা হলেও,এখন অবধি কোন জামায়াত-শিবির নেতা কর্মীকে এ ঘটনার সাথে জড়িত বলে শনাক্ত করা যায়নি।
যেখানে জামায়াত-শিবিরের মিছিলে নির্বিচার গুলি চালানো হয়,সেখানে এসব ঘটনায় জড়িতদের ছাড় দেয়া হচ্ছে কেন?অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সরকার এসব নিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে এবং এর মাধ্যমে আগামী জাতীয় নির্বাচনে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে।অবশ্য সময়ই বলে দেবে যে,সেটা কতটা সম্ভব হবে।কারণ মিডিয়ার কল্যানে মানুষ এখন অনেক কিছুই জানছে এবং বুঝছে।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মর্যাদা দাবার ঘুটির থেকে বেশি কিছু না।

বিএনপি জামায়াত মনে করে এরা আওয়ামীলিগ/ইন্ডিয়ার দালাল আর আওয়ামীলিগ মনে করে নিরাপদ ভোটব্যাঙ্ক।

ইনসাফের ধারণাই সমাজ থেকে মুছে যেতে বসেছে।

আমি মোটামুটি শতভাগ নিশ্চিত এই কাজ জামায়াত বা শিবিরের না।
বিষয় হচ্ছে সারা দেশে জামায়াত/শিবিরের ইমেজ এই ধারণা কে সাপোর্ট করে কি না?

বিশ্ব-মিডিয়ার কাছে বাংলাদেশের ইসলাম পন্থীদের ইমেজ নষ্ট করাই এসব হামলার উদ্দেশ্য। এটা খুবই পরিস্কার বিষয় সবার নিকট। মিডিয়ার মিথ্যাচার সবচেয়ে আফসোসের বিষয়।

-

"নির্মাণ ম্যাগাজিন" ©www.nirmanmagazine.com

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 3.5 (2টি রেটিং)