ভারতীয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ ও সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির কথার প্রসঙ্গে আমার জোরালো প্রতিবাদ

"ভারতীয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ ও সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলি এবং সাম্প্রতিক নির্মিত একটি বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে আমার জোরালো প্রতিবাদ ও প্রতি উত্তর"

পৃথিবীর সব প্রাণী কিন্তু বাঘকে দেখলে ভয় পায় এইটা স্বাভাবিক। কারণ ক্ষুধার্ত বাঘ অনেক বেশি হিংস্র হয়। যত বড় শক্তিশালী প্রানী হোক না কেন ঘারে যখন ইস্পাতের ন্যায় আল্লাহর তালার প্রদত্ত অস্ত্র চালাই তখন সবাই কাবু হয়ে যায়। হাজার চেষ্টা করেও নিজেকে শেষ রক্ষা করতে পারে না । হতে পারে তার শারীরিক গঠন, উচ্চতা, ওজন অপেক্ষাকৃত অন্যান্য প্রাণীর থেকে খাটো । কিন্তু সাহসিকতা বুদ্ধি অন্যান্য প্রাণীর থেকে অনেক বেশি উপরে।

সৌরভ গাঙ্গুলির কথার প্রসঙ্গেঃ দাদাকে আমি একটু স্মরণ করে দিতে চাই। টাইটানিক জাহাজ নির্মাতা শতভাগ আস্থার সাথে বলে ছিলেন। তাহার নির্মাণ এই জাহাজ অনন্ত সাগরে কখনো ডুবেনা। বাকী কাহিনীটা আপনারা যারা টাইটানিক ছবিটা দেখেছেন তারা বলতে পারবেন অহংকারীর পতন কতটা ভয়ঙ্কর। দাদার উদ্দেশ্য শুধু এতটুকু বলা-- দাদা, দাদাগিরি বাংলার ওপারে চলে এই পারে দাদাগিরি চলে না।

সাম্প্রতিক নির্মিত এবং সম্পাসারিত ভারতীয় টেলিভিশন গুলোতে দেখানো হচ্ছেঃ
কোমল পানীয় পেপসির সাম্প্রতিক নির্মিত এক বিজ্ঞাপনে বাংলাদেশকে ‘খাটো’ করে দেখানো হয়েছে। বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯ মার্চ কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামবে ভারত। এই ম্যাচকে সামনে রেখে বিজ্ঞাপনটি বানিয়েছে কোম্পানিটি। বিজ্ঞাপনটি ঠিকই এই রকম ভাবে দেখাছে। একটি ছেলে, যার বুকে লেখা ‘ইন্ডিয়া’, সে ঘরের ভেতর বসে পেপসি পান করছে। এমন সময় তার বাসার কলিংবেল বেজে ওঠে। দরজা খুলে দেখে বুকে ‘বাংলাদেশ’ লেখা একটি ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির হাতে পূজার ফুল ও প্রসাদ। তার দিকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকিয়ে বুকে ‘ইন্ডিয়া’ লেখা ছেলেটি দেয়ালের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে। দেয়ালে একটি বিশ্বমানচিত্র রয়েছে। সেখানে ভারতের পাশে বাংলাদেশকে দেখাচ্ছে। সেখানে লেখা-‘1971, India created Bangladesh.’। অর্থাৎ ‘১৯৭১ সালে ভারত বাংলাদেশকে সৃষ্টি করেছে।’ এমনটি দেখার পর বুকে ‘বাংলাদেশ’ লেখা ছেলেটি বুকে ‘ইন্ডিয়া’ লেখা ছেলেটির পায়ে ফুল দিয়ে প্রণাম করে চলে যায়।

বিজ্ঞাপনটির নির্মাতার উদ্দেশ্য আমার এতো টুকু বলাঃ বাঘের এক হুংকারে যখন সারা বিশ্ব কম্পিত। সবাই যখন দেখছে "বাঘ" এক পা দুই পা করে সামনের দিকে সোনামীর ন্যায় সবকিছু কে লন্ড-বন্ড করে দিতে আসছে। বিশ্ব মিডিয়া গুলো যখন বাঘের প্রশংসাই গলা ফাটাচ্ছে ঠিক তখনি আমাদের প্রতিপক্ষ(মার্চ-19) ভয়ে দিশাহারা হয়ে ওলট-পালট মন্তব্য করে যাচ্ছে। ঘারে যখন বাঘের ভয় চেপে বসেছে ঠিক তখনি বিজ্ঞাপনের নাম করে বাঘের ভয় তাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বাঘ কখনো হরিণের কাছে মাথা নত করেনা কারণ হরিণ হল বাঘের প্রিয় খাবার। হরিণ যতোই লাফালাফি করুক না কেন বাঘের ভয় সবসময় তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)

Rate This

আপনার রেটিং: None গড় রেটিং: 1 (টি রেটিং)