কোরআনের বিষ্ময়কর দিক - ফেরাউনের লাশ

কোরআনে অনেক বিষয়ে অনেক আলোচনা এসেছে, যেমনঃ ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে অনেক আয়াত এসেছে, যা আধুনিক বিজ্ঞান ছাড়া প্রমাণ করা যাবেনা। যেমনঃ মুছা আঃ ও
ফেরাউনের ঘটনা
, কোরআন ফেরাউনের ডুবে মরার কথা বলেছে
এবং পরবর্তী মানুষের জন্য শিক্ষা ও উপদেশ স্বরূপ তাঁর লাশ হিফাযতের কথা বলেছে। অর্থাৎ
আগত জাতি তার এ ঘটনা দেখে শিক্ষা লাভ করবে। আল্লাহ তায়া
লা বলেনঃ অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য
নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না
। (সুরা ইউনুসঃ ৯২)

এখানে তিনটি ইশারা রয়েছেঃ

১. ফেরাউন ডুবে মরেছে ।

২. পানি থেকে তার লাশকে উত্তোলন করা ও সংরক্ষণ করা হয়েছে

৩. তার এ লাশকে হেফাযত করা হয়েছে মমি করে যাতে মানুষ তা দেখতে
পারে।

আধুনিক বিজ্ঞান এটাই প্রমাণ করেছে। কিন্ত তার লাশের
মমি ১৮৯৮ সালের আগে আবিষ্কৃত হয়নি
, অর্থাৎ রাসুলের সাঃ ইন্তেকালের প্রায় ১২০০ বছর পরে। ১৯৮১ সালের আগে এ সব মমির মৃত্যুর
কারণ তখনো জানা যায়নি
, যে এটা পানিতে ডুবে
মারা গেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি
, পরীক্ষা নীরিক্ষার
দ্বারা একদল বিজ্ঞানী তাদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সের মরিচ বুকাইলী (
Maurice
Bucaille)
এটাকে প্রমাণ করেছেন। তিনি একথা আগে
জানতেন না যে কোরআনে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়েছে
, ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। অতঃপর (আল কোরআন, তাওরাত, ইঞ্জিল ও বিজ্ঞান.. আধুনিক জ্ঞানের
আলোকে পবিত্র ধর্মগন্থের মাঝে পর্যালোচনা) নামে বই লিখেন।

এটা কোরআন যে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত ওহী এর
প্রমাণ, আর ইসলাম যে আসমানী ধর্ম এরই প্রমাণ।

কোরআনের কিছু বৈজ্ঞানিক বিষ্ময়কর দিক: https://goo.gl/oskuoe

আপনার রেটিং: None

Rate This

আপনার রেটিং: None